আমির খসরু লাবলু

সকালেই জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠন শহিদ স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এর পর মোনাজাত ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়, যা বধ্যভূমি স্মৃতি ফলক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আলাউদ্দিন প্রধান জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকিস্তানি সেনারা সারাদেশে আক্রমণ শুরু করলেও পঞ্চগড় ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মুক্ত থাকে। পাকসেনারা ১৭ এপ্রিল পঞ্চগড় দখল করে, তবে তেঁতুলিয়া অমরখানার চাওয়াই নদীর ব্রিজ ভাঙার কারণে ঢুকতে পারেনি। ফলে তেঁতুলিয়া পুরো মুক্ত অঞ্চল হিসেবে রয়ে যায় এবং অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সভা এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করে। প্রতিদিন নতুন এলাকা মুক্ত হওয়ার ধারা শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ২০ নভেম্বর অমরখানা, ২৫ নভেম্বর জগদলহাট, ২৬ নভেম্বর শিংপাড়া, ২৭ নভেম্বর পূর্ব তালমা ও একই দিনে আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর এলাকাগুলো মুক্ত হয়। ২৮ নভেম্বর রাতের দিকে পাকবাহিনী দেবীগঞ্জ ও নীলফামারীর ডোমার হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পশ্চাৎগতি করে। এর ফলে ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণ মুক্ত হয়।

সকালেই জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি ও সামাজিক সংগঠন শহিদ স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। এর পর মোনাজাত ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়, যা বধ্যভূমি স্মৃতি ফলক চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। পরে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বীর মুক্তিযোদ্ধা এম. আলাউদ্দিন প্রধান জানান, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের পর পাকিস্তানি সেনারা সারাদেশে আক্রমণ শুরু করলেও পঞ্চগড় ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত মুক্ত থাকে। পাকসেনারা ১৭ এপ্রিল পঞ্চগড় দখল করে, তবে তেঁতুলিয়া অমরখানার চাওয়াই নদীর ব্রিজ ভাঙার কারণে ঢুকতে পারেনি। ফলে তেঁতুলিয়া পুরো মুক্ত অঞ্চল হিসেবে রয়ে যায় এবং অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সভা এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
১ নভেম্বর থেকে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্র বাহিনী যৌথভাবে আক্রমণ শুরু করে। প্রতিদিন নতুন এলাকা মুক্ত হওয়ার ধারা শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে ২০ নভেম্বর অমরখানা, ২৫ নভেম্বর জগদলহাট, ২৬ নভেম্বর শিংপাড়া, ২৭ নভেম্বর পূর্ব তালমা ও একই দিনে আটোয়ারী, মির্জাপুর, ধামোর এলাকাগুলো মুক্ত হয়। ২৮ নভেম্বর রাতের দিকে পাকবাহিনী দেবীগঞ্জ ও নীলফামারীর ডোমার হয়ে সৈয়দপুরের দিকে পশ্চাৎগতি করে। এর ফলে ২৯ নভেম্বর ভোরে পঞ্চগড় সম্পূর্ণ মুক্ত হয়।

দেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী কোচ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা শীতকালে কাজের পোশাকের অভাবে নাজুক পরিস্থিতিতে দিন পার করছেন। হিমালয়বেষ্টিত অঞ্চলে শীতের আগাম প্রবেশে তাপমাত্রা প্রতিদিন কমছে, তবে গ্রীষ্মকালের পোশাক না থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে
৩ মিনিট আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার হাতীখানা ক্যাম্প এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর অবশেষে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে রাস্তার মাঝখানে থাকা পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীর তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
২২ মিনিট আগে
খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাহাড়ে কোন সন্ত্রাসীদের ঠাঁই থাকবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে
২৭ মিনিট আগে
নীলফামারীতে এবারের আমন মৌসুমে কৃষকের উঠোন সাঁড়ি সাঁড়ি ধানের গাদিতে ভর্তি। আলুর ক্ষতির দুঃখও এবার ধানের বাম্পার ফলনে মুছে গেছে। ধান মাড়াই করে গোলা ভরাতে ব্যস্ত কৃষকরা মওসুমের শুরুতেই ভালো দাম পাওয়ায় খুশি
৩৪ মিনিট আগেদেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী কোচ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা শীতকালে কাজের পোশাকের অভাবে নাজুক পরিস্থিতিতে দিন পার করছেন। হিমালয়বেষ্টিত অঞ্চলে শীতের আগাম প্রবেশে তাপমাত্রা প্রতিদিন কমছে, তবে গ্রীষ্মকালের পোশাক না থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে
শনিবার (২৯ নভেম্বর) পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে
নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার হাতীখানা ক্যাম্প এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর অবশেষে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে রাস্তার মাঝখানে থাকা পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীর তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাহাড়ে কোন সন্ত্রাসীদের ঠাঁই থাকবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে