নীলফামারী

এবার নীলফামারীতে প্রতিমন (২৮ কেজি) আমন ধানের দাম ৮৩০ টাকা, যা গতবারের ৭৩০ টাকার তুলনায় বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, ২০২৫ সালের জন্য জেলার আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর। যদিও মৌসুমে কিছু ঝড়ে ও বাদামী গাছ ফড়িংয়ের আক্রমণে ক্ষতি হয়েছে, তবুও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
বেশিরভাগ কৃষক বি-আর ১১ জাতের আমন ধান চাষ করেছেন। শীষ বের হওয়া পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও সেচের সুবিধায় বাম্পার ফলন হয়েছে। স্বর্ণ জাতের ধানও ভালো ফলন দিয়েছে। এক বিঘা (৩০ শতক) জমিতে কমপক্ষে ২৫ মন ধান পাওয়া যাচ্ছে।
নীলফামারী সদর উপজেলার মানুষগড়া গ্রামের মোসফিকুর রহমান বলেন, “আগেরবার আলু ক্ষতির কারণে মন খারাপ ছিল। এবার ৯ দোন জমিতে ধান লাগিয়ে ফলন দেখে মনটা ভরে গেছে।” কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সাইফুল ইসলামও বলেছেন, “১৫ দোন জমিতে ধান করেছি, এত ভালো ফলন আগে কখনো পাইনি। আগের ক্ষতি এবার ভুলে গেছি।”
উৎসবের মরশুমে কৃষকরা ধানের আনন্দে নবান্ন উৎসব পালন করছেন। গৃহিণীরা ভাঁপা পিঠা, চিতই পিঠা, পুলি, ঝাল পিঠা, পাটিসাপটা, চাঁদপাকানসহ নানা পিঠা তৈরি করে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন।
সরকার কেজি প্রতি ৩৪ টাকা দরে আমন ধান কেনার ঘোষণা দিয়েছে, যা বোরো মওসুমের চেয়ে কেজি প্রতি ২ টাকা কম। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯৫২ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। কৃষকরা ধানের দাম আরও বাড়ার আশায় বড় ধরণের কৃষি উদ্যোক্তা ও মাঝারি চাষীরা ধান মাড়াই করে গোলা ভরে রাখছেন। ক্ষুদ্র চাষীরাও বর্তমান বাজার দামে ধান বিক্রি করছেন এবং আগামী বীজ আলু চাষের জন্য লাভের আশা করছেন।
নীলফামারীর আমন মৌসুম এবার কৃষকের মুখে মলিন হাসি মুছে দিয়ে চওড়া হাসি ফুটিয়ে তুলেছে, যা গ্রামের উঠোনে উৎসবের আমেজ এনে দিয়েছে।

এবার নীলফামারীতে প্রতিমন (২৮ কেজি) আমন ধানের দাম ৮৩০ টাকা, যা গতবারের ৭৩০ টাকার তুলনায় বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান জানান, ২০২৫ সালের জন্য জেলার আমন উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর। যদিও মৌসুমে কিছু ঝড়ে ও বাদামী গাছ ফড়িংয়ের আক্রমণে ক্ষতি হয়েছে, তবুও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে।
বেশিরভাগ কৃষক বি-আর ১১ জাতের আমন ধান চাষ করেছেন। শীষ বের হওয়া পর্যন্ত পর্যাপ্ত বৃষ্টি ও সেচের সুবিধায় বাম্পার ফলন হয়েছে। স্বর্ণ জাতের ধানও ভালো ফলন দিয়েছে। এক বিঘা (৩০ শতক) জমিতে কমপক্ষে ২৫ মন ধান পাওয়া যাচ্ছে।
নীলফামারী সদর উপজেলার মানুষগড়া গ্রামের মোসফিকুর রহমান বলেন, “আগেরবার আলু ক্ষতির কারণে মন খারাপ ছিল। এবার ৯ দোন জমিতে ধান লাগিয়ে ফলন দেখে মনটা ভরে গেছে।” কিশোরগঞ্জ উপজেলার গাড়াগ্রাম ইউনিয়নের সাইফুল ইসলামও বলেছেন, “১৫ দোন জমিতে ধান করেছি, এত ভালো ফলন আগে কখনো পাইনি। আগের ক্ষতি এবার ভুলে গেছি।”
উৎসবের মরশুমে কৃষকরা ধানের আনন্দে নবান্ন উৎসব পালন করছেন। গৃহিণীরা ভাঁপা পিঠা, চিতই পিঠা, পুলি, ঝাল পিঠা, পাটিসাপটা, চাঁদপাকানসহ নানা পিঠা তৈরি করে আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছেন।
সরকার কেজি প্রতি ৩৪ টাকা দরে আমন ধান কেনার ঘোষণা দিয়েছে, যা বোরো মওসুমের চেয়ে কেজি প্রতি ২ টাকা কম। স্থানীয় পর্যায়ে প্রতি মন ধানের মূল্য ৯৫২ টাকা পর্যন্ত পৌঁছেছে। কৃষকরা ধানের দাম আরও বাড়ার আশায় বড় ধরণের কৃষি উদ্যোক্তা ও মাঝারি চাষীরা ধান মাড়াই করে গোলা ভরে রাখছেন। ক্ষুদ্র চাষীরাও বর্তমান বাজার দামে ধান বিক্রি করছেন এবং আগামী বীজ আলু চাষের জন্য লাভের আশা করছেন।
নীলফামারীর আমন মৌসুম এবার কৃষকের মুখে মলিন হাসি মুছে দিয়ে চওড়া হাসি ফুটিয়ে তুলেছে, যা গ্রামের উঠোনে উৎসবের আমেজ এনে দিয়েছে।

দেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী কোচ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা শীতকালে কাজের পোশাকের অভাবে নাজুক পরিস্থিতিতে দিন পার করছেন। হিমালয়বেষ্টিত অঞ্চলে শীতের আগাম প্রবেশে তাপমাত্রা প্রতিদিন কমছে, তবে গ্রীষ্মকালের পোশাক না থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে
২ মিনিট আগে
শনিবার (২৯ নভেম্বর) পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে
৭ মিনিট আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার হাতীখানা ক্যাম্প এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর অবশেষে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে রাস্তার মাঝখানে থাকা পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীর তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
২১ মিনিট আগে
খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাহাড়ে কোন সন্ত্রাসীদের ঠাঁই থাকবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে
২৬ মিনিট আগেদেশের বৃহত্তম যাত্রীবাহী কোচ মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় কর্মরত শ্রমিক-কর্মচারীরা শীতকালে কাজের পোশাকের অভাবে নাজুক পরিস্থিতিতে দিন পার করছেন। হিমালয়বেষ্টিত অঞ্চলে শীতের আগাম প্রবেশে তাপমাত্রা প্রতিদিন কমছে, তবে গ্রীষ্মকালের পোশাক না থাকায় শ্রমিকদের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে
শনিবার (২৯ নভেম্বর) পঞ্চগড় মুক্ত দিবস উপলক্ষে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটি পালিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ স্মৃতি ফলকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ, বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভার আয়োজন করে
নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার হাতীখানা ক্যাম্প এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর পর অবশেষে রাস্তা নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। তবে রাস্তার মাঝখানে থাকা পাঁচটি বৈদ্যুতিক খুঁটি নির্মাণে বাধা সৃষ্টি করছে। স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর-ই-আলম সিদ্দিকীর তৎপর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন
খাগড়াছড়ি রিজিয়ন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসান মাহমুদ বলেছেন, পাহাড়ে কোন সন্ত্রাসীদের ঠাঁই থাকবে না। শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের সকল জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করছে