রংপুর
রংপুরের সেনপাড়ায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসায় বৃহস্পতিবার রাতে হামলা, ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ধাওয়া ও পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার জন্য জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সার্বিক বিষয়ে পুলিশও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের থেকে জানা যায়, বুধবার (২৮ মে) বিকেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের রংপুরে আসেন। রংপুর সফরে এসে নিজ বাসভবন ‘স্কাইভিউ’তে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূসসহ বিভিন্ন উপদেষ্টা ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করেন।
পার্টি সূত্রে জানা যায়, গণমাধ্যমে কথা বলার পর স্কাইভিউতেই অবস্থান করছিলেন। তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের রংপুর আসাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে আটটার পর থেকেই প্রতিবাদ জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে স্কাইভিউয়ের আশেপাশে সেনপাড়া, গুপ্তপাড়া, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ে অবস্থান নেওয়া শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের গ্রেফতারের দাবি জানান নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাসার কয়েকটি কাঁচের জানালা ভেঙে ফেলেন এবং পাশেই থাকা একটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের অবস্থান নেওয়ার পর পরই পুলিশও তাদের মত করে অবস্থান নেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই। একপর্যায়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরাও সেনপাড়া এলাকায় অবস্থান নিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা গ্র্যান্ড হোটেল মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। দুই দলের মধ্যখানে পুলিশ অবস্থান নিয়ে দুই পক্ষকে নিবৃত করেন।
ঘটনাস্থলে এসে জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাবেক সিটি মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীদের পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আছে কিনা তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটা কোনো ছাত্র সংগঠনের একার পক্ষে সম্ভব নয় যে একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের বাসায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাতে সক্ষম।’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ সাবেক এক সিটি মেয়রের।
দলের রংপুর মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক এম ইয়াসির আলী বলেন, ‘ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। একজন রাজনৈতিক দলের প্রধানের বাসাতে নিরাপত্তা নেই। সেখানে দেশের মানুষ কীভাবে নিরাপত্তা পাবে।’
তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কোনো নেতাকর্মীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
রংপুরের সেনপাড়ায় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের বাসায় বৃহস্পতিবার রাতে হামলা, ভাঙচুর ও মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এছাড়া ধাওয়া ও পালটা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার জন্য জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সার্বিক বিষয়ে পুলিশও কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীদের থেকে জানা যায়, বুধবার (২৮ মে) বিকেলে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের রংপুরে আসেন। রংপুর সফরে এসে নিজ বাসভবন ‘স্কাইভিউ’তে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূসসহ বিভিন্ন উপদেষ্টা ও দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তৃতা করেন।
পার্টি সূত্রে জানা যায়, গণমাধ্যমে কথা বলার পর স্কাইভিউতেই অবস্থান করছিলেন। তবে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের রংপুর আসাকে কেন্দ্র করে রাত সাড়ে আটটার পর থেকেই প্রতিবাদ জানাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে এসে স্কাইভিউয়ের আশেপাশে সেনপাড়া, গুপ্তপাড়া, গ্র্যান্ড হোটেল মোড়ে অবস্থান নেওয়া শুরু করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এ সময় জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের গ্রেফতারের দাবি জানান নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তার বাসার কয়েকটি কাঁচের জানালা ভেঙে ফেলেন এবং পাশেই থাকা একটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুর করেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীদের অবস্থান নেওয়ার পর পরই পুলিশও তাদের মত করে অবস্থান নেন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ফেলেন দ্রুততম সময়ের মধ্যেই। একপর্যায়ে জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরাও সেনপাড়া এলাকায় অবস্থান নিলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা গ্র্যান্ড হোটেল মোড় এলাকায় অবস্থান নেন। দুই দলের মধ্যখানে পুলিশ অবস্থান নিয়ে দুই পক্ষকে নিবৃত করেন।
ঘটনাস্থলে এসে জাতীয় পার্টির রংপুর মহানগর কমিটির সভাপতি ও প্রেসিডিয়াম মেম্বার সাবেক সিটি মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা বলেন, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা কর্মীদের পেছনে অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আছে কিনা তা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খুঁজে বের করার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ এটা কোনো ছাত্র সংগঠনের একার পক্ষে সম্ভব নয় যে একটা রাজনৈতিক দলের প্রধানের বাসায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাতে সক্ষম।’ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে বলে অভিযোগ সাবেক এক সিটি মেয়রের।
দলের রংপুর মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক এম ইয়াসির আলী বলেন, ‘ভয়াবহ ঘটনা ঘটেছে। একজন রাজনৈতিক দলের প্রধানের বাসাতে নিরাপত্তা নেই। সেখানে দেশের মানুষ কীভাবে নিরাপত্তা পাবে।’
তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কোনো নেতাকর্মীর কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেমন নেতারা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি, তেমনি সাংবাদিকরাও সব সত্য প্রকাশ করতে পারেননি। তাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এখন জরুরি
৩৭ মিনিট আগেএকটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চেষ্টা করছি। জাতীয় পার্টির উপর ভর করে আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না। জাতীয় পার্টি দেশে ফ্যাসিস্টদের দোসর হিসেবে কাজ করেছে দীর্ঘদিন যাবৎ। আমরা অতিদ্রুত জাতীয় পার্টির নিষিদ্ধ চাই। নাহলে সারা দেশে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে
১ ঘণ্টা আগেনুরসহ নেতাকর্মীদের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণ অধিকার পরিষদ পঞ্চগড় জেলা শাখা
২ ঘণ্টা আগেনুরুল হক নূর গণমানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত
৩ ঘণ্টা আগেদীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সীমাবদ্ধতার কারণে যেমন নেতারা স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেননি, তেমনি সাংবাদিকরাও সব সত্য প্রকাশ করতে পারেননি। তাই একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন এখন জরুরি
একটি পক্ষ দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চেষ্টা করছি। জাতীয় পার্টির উপর ভর করে আওয়ামীলীগের পুনর্বাসন কোনোভাবে মেনে নেওয়া হবে না। জাতীয় পার্টি দেশে ফ্যাসিস্টদের দোসর হিসেবে কাজ করেছে দীর্ঘদিন যাবৎ। আমরা অতিদ্রুত জাতীয় পার্টির নিষিদ্ধ চাই। নাহলে সারা দেশে কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে
নুরসহ নেতাকর্মীদের উপর বর্বরোচিত হামলার প্রতিবাদ ও বিচারের দাবিতে পঞ্চগড়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গণ অধিকার পরিষদ পঞ্চগড় জেলা শাখা
নুরুল হক নূর গণমানুষের কণ্ঠস্বর। তাঁর ওপর হামলা শুধু ব্যক্তি আক্রমণ নয়, এটি জনগণের অধিকার ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত