সালথায় ১২ বছর পর ঐতিহ্যবাহি ঘোড়া দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
সৈয়দপুরে হতদরিদ্রদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ
নোয়াখালীর চাটখিলে নতুন টিউবওয়েলে আগুন, আতঙ্কে স্থানীয়রা
মেঘনায় আটক ১৯ জেলেকে জরিমানা
ঠাকুরগাঁওয়ে এলজিইডির কর্মশালা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ

জামিন পেলেন জামায়াতের নারী কর্মী বিবি সওদা

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
বিশ্ব

পুরো ইরানকে উড়িয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিলেন ট্রাম্প

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
জাতীয়

সড়ক ও সেতুমন্ত্রণালয়ে ২৩ পদে নিয়োগ

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

রাত ৮টার মধ্যে সব দোকান ও শপিংমল বন্ধের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0
আবারো বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশীয় স্বর্ণবাজারে মূল্যবৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় আবারও দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস), যা ভোক্তাদের ওপর নতুন আর্থিক চাপ তৈরি করেছে। সর্বশেষ ঘোষণায় প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, ফলে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের মূল্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭৭ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) বাজুসের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন এই দর সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) একই মানের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা, অর্থাৎ একদিনের ব্যবধানে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সংগঠনটির ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই স্থানীয় বাজারে এ সমন্বয় আনা হয়েছে। নির্ধারিত নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭২১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২ হাজার ৮৯৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৫ হাজার ২৭৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি থাকলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা অপরিবর্তিত রয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দামের অস্বাভাবিক উত্থান স্থানীয় বাজারেও প্রতিফলিত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৬৭৫ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ প্রবণতা আরও জোরদার হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে বিশ্ববাজারে অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম একাধিকবার রেকর্ড ভেঙেছে। বিশেষ করে জানুয়ারির শেষ দিকে একদিনে ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ইতিহাসের সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। সার্বিক পরিস্থিতিতে, বাজার বিশ্লেষকরা স্বর্ণের দামে অস্থিরতা অব্যাহত থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করছেন এবং বিনিয়োগকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন।

জুলাইয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় ছয় এনবিএফআই অবসায়নের তহবিল সরবরাহ করবে: গভর্নর

  বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ছয়টি ব্যর্থ এনবিএফআই (ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) অবসায়নের জন্য প্রয়োজনীয় তহবিল চলতি বছরের জুলাই মাসের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে সরবরাহ করা হতে পারে। রোববার (২৯ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, প্রথম কিস্তিতে ২,৬০০ কোটি টাকা এবং জুনের মধ্যে দ্বিতীয় কিস্তিতে ৩,০০০ কোটি টাকা ছাড়ের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ এবং ব্যক্তিগত আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। এরপর আদালতের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোকে লিকুইডেশনে নেওয়া হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড গত ২৭ জানুয়ারি ছয়টি প্রতিষ্ঠান অবসায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবসায়নের তালিকায় থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—ফাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। এছাড়া আরও তিনটি প্রতিষ্ঠানকে পুনর্গঠনের জন্য সীমিত সময় দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে দেশের ৩৫টি এনবিএফআই-র মধ্যে ২০টি সমস্যাগ্রস্ত। এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের পরিমাণ ২৫,৮০৮ কোটি টাকা, যার প্রায় ৮৩ শতাংশ খেলাপি। সমস্যা মুক্ত ১৫টি প্রতিষ্ঠানের মূলধন উদ্বৃত্ত এবং লাভজনক অবস্থায় রয়েছে। অবসায়ন প্রক্রিয়ায় ব্যক্তিগত আমানতকারীদের নিট আমানত প্রায় ৪,৯৭১ কোটি টাকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ফেরত দেওয়া হবে।  

দেশের বাজারে আবারও বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশীয় বাজারে আবারও স্বর্ণ ও রুপার দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে, যা ভোক্তা ও বিনিয়োগকারীদের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ মূল্য পুনর্নির্ধারণ করে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবেই এ সমন্বয় করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হওয়া নতুন দরে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের প্রতি ভরি মূল্য ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৭১১ টাকা। একইভাবে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ২ লাখ ৩৩ হাজার ৫৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ২১৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৬৩ হাজার ৬৩ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের প্রাইসিং ও প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তা প্রকাশ করে। এর আগে ২৮ মার্চ স্বর্ণের দামে একাধিক দফায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি আনা হয়েছিল, যদিও তার পূর্বে ধারাবাহিকভাবে মূল্যহ্রাসের ঘটনাও ঘটেছিল। অপরদিকে, রুপার বাজারেও মূল্যবৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৫ হাজার ৭১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১, ১৮ ক্যারেট ও সনাতন পদ্ধতির রুপার দামও পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়াটি সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সম্পন্ন হয়েছে এবং এটি দেশের প্রচলিত নীতিমালা ও বাজার পরিস্থিতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

টানা ৭ দফা কমার পর এবার বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের স্বর্ণবাজারে আবারো ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (২৮ মার্চ) ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ১৫৭ টাকা বৃদ্ধি করে নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ১২ টাকায়। নতুন দর আজ সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন সমন্বয় অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ১ লাখ ৯৩ হাজার ৯১৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির দাম ১ লাখ ৫৭ হাজার ৯৩১ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। এর আগে শুক্রবার (২৭ মার্চ) টানা সপ্তম দফা কমানোর পর ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকা। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে স্বর্ণের দাম ইতিমধ্যেই ৪৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে; এর মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ২৭ বার, কমানো হয়েছে ২১ বার। ২০২৫ সালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল।

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

সুন্দরবনের বনদস্যুদের হাতে জিম্মি জেলেকে উদ্ধার করলো কোস্টগার্ড

বাগেরহাট মার্চ ৩১, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের সাহানুর ইসলাম শিক্ষকতার পাশাপাশি মধু চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ করছেন। জলঢাকার বগুলাগাড়ী হুসাইনিয়া (রাঃ) কওমিয়া মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হিসেবে স্বল্প বেতনে চার সদস্যের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হওয়ায় প্রায় তিন বছর আগে তিনি মধু চাষ শুরু করেন। এখন এই পেশা থেকেই বাড়তি আয়ের পথ তৈরি হয়েছে তার। সরিষা ক্ষেত, মিষ্টিকুমড়া ক্ষেত, লিচুবাগানসহ বিভিন্ন ফলবাগান ও ফসলের মাঠে মৌবাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করেন সাহানুর। নিজ জেলা ছাড়াও ঠাকুরগাঁও ও লালমনিরহাটের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে তিনি মধু সংগ্রহ করেন। পরে স্থানীয় বাজার ও অনলাইনে তা বিক্রি করেন। বর্তমানে তার কাছে ১৫টি মৌবাক্স রয়েছে। এর মধ্যে ১০টি এপিস মেলিফেরা এবং ৫টি এপিস সেরেনা প্রজাতির মৌমাছি রয়েছে। এপিস সেরেনা জাতের মধুর কেজি বাজারে প্রায় ২ থেকে আড়াই হাজার টাকা, আর এপিস মেলিফেরা প্রজাতির মধু ৮০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হয়। সম্প্রতি কিশোরগঞ্জ উপজেলার একটি লিচুবাগানে বসানো ১০টি মৌবাক্স থেকে হারভেস্টিং মেশিনে প্রায় ৭ কেজি মধু সংগ্রহ করেন তিনি, যার বাজারমূল্য প্রায় ৭ হাজার টাকা। এটি লিচু ও মিষ্টিকুমড়া ফুলের সমন্বিত মধু। সাহানুর ইসলাম বলেন, “মধু চাষে খরচ খুব কম। মৌসুমে তেমন খরচ লাগে না। বর্ষাকালে মৌমাছিকে বাঁচিয়ে রাখতে কিছুটা চিনি দিতে হয়। তবে মৌমাছির সংখ্যা বাড়লে মধু উৎপাদনও বাড়ে।” তিনি আরও জানান, মৌমাছি শুধু মধুই দেয় না, পরাগায়নের মাধ্যমে ফল ও সবজির ফলনও বাড়ায়। তিন কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে বিভিন্ন ফসলের জমিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। স্থানীয় মিষ্টিকুমড়া চাষি সহিদুল ইসলাম জানান, “মৌচাষের কারণে জমিতে পরাগায়ন ভালো হয়। গত বছর ৪০ শতক জমি থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা লাভ করেছি। এবার লক্ষাধিক টাকা লাভের আশা করছি।” এ বিষয়ে আবু মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, জেলায় বর্তমানে ২৭ জন মৌচাষি রয়েছেন। মৌচাষের ফলে বিভিন্ন ফল ও সবজি চাষে ফলন বাড়ছে। ভবিষ্যতে এ খাতে আরও প্রণোদনা দেওয়া হলে উৎপাদন বাড়বে এবং অর্গানিক মধু রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হবে।

নীলফামারী প্রতিনিধি> মার্চ ১২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

ছবি: প্রতিনিধি
দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে অবস্থিত বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে গম চাষে ইঁদুর দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছে। ২০২৫–২৬ মৌসুমে বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্লক-৩ এলাকায় বারি গম-৩৩ জাতের প্রজনন বীজ ৪.৮০ হেক্টর, বারি গম-৩০ এবং বারি গম-৩২ যথাক্রমে ৫.৫ হেক্টর জমিতে বপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাইব্রিড ভুট্টা-২, বারি খই ভুট্টা-১ (০.৭৫ হেক্টর) ও বারি মিষ্টি ভুট্টা-১ (০.৮০ হেক্টর) চাষ করা হচ্ছে। দেবীগঞ্জ বীজ উৎপাদন কেন্দ্রের কর্মকর্তা ড. মোঃ ইলিয়াছ হোসেন জানান, “লাইন বা সারিভিত্তিক নালাভিত্তিক চাষাবাদ বীজের অপচয় কমায়, সেচ ও সার ব্যবস্থাপনায় সুবিধা দেয় এবং ফলন বৃদ্ধি করে। সঠিক জাত ও সময়ে বপন করলে কৃষকরা বেশি ফলন পাবেন। বারি গম-৩৩ জাতে প্রতি কেজিতে ৫০–৫৫ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ব্যবহার করা হয়, যা পুষ্টি বৃদ্ধিতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং নারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সহায়ক।” BWMRI-এর নতুন উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি বিএডিসি (BADC) মাধ্যমে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই উদ্যোগ দেশের গম উৎপাদনে মানসম্মত ও উচ্চ ফলনশীল বীজ সরবরাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

আমির খসরু লাবলু জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি
কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের কৃষক আজিজুল হাকীম শীতপ্রবাহ উপেক্ষা করে নিজের এক একর জমিতে কুইক স্টার বিটকপি চাষ করে বাম্পার ফলন তুলে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কৃষিজীবনে এটি তার অন্যতম সফল চাষ বলে জানাচ্ছেন তিনি। চাষি আজিজুল হাকীম জানান, তার ক্ষেতে কুইক স্টার এবং জিরো-৫ প্রজাতির বিটকপি চারা রোপণ করা হয়েছে। ৮৫ দিনের চাষে তিনি প্রায় ৫০০ মন বিটকপি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। তবে ফলন অনুযায়ী তিনি আশা করছেন প্রায় ৫ লাখ টাকার লাভ করতে পারবেন। এ ফসল থেকে তিনি নিজের পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ সংসারের সব ব্যয় মিটিয়ে কিছু সঞ্চয়ও করতে পারবেন।     আজিজুল হাকীম বলেন,  “পৈত্রিক জমিতে কুইক স্টার চাষ করে এত ভালো ফলন পেয়েছি, এটি আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ। পরিশ্রমের মূল্য এই ফলন দেখিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কৃষক শীতকালীন রবি শস্য ও সবজি চাষে আগ্রহী হবেন।” উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম আলী আশরাফ জানান, “আজিজুল হাকীমের সফলতা পুরো ইউনিয়নের জন্য দৃষ্টান্ত। কৃষি দপ্তর নতুন নতুন ফসল উৎপাদন ও আধুনিক চাষপ্রণালীর প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন চাষিদের উৎসাহিত করছে। শীতকালীন সবজি চাষে এ ধরনের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” সরেজমিন দেখা যায়, আজিজুল হাকীমের একর জমিতে সবুজ কুইক স্টার বিটকপি ঘনবিপুলভাবে ছড়িয়ে আছে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের চোখে স্বচ্ছ আনন্দ ও চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি প্রকৃত অর্থেই তার সফলতার প্রমাণ বহন করছে।

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

ইরানের খারগ দ্বীপে ভয়াবহ বিস্ফোরণ

ইরানের জ্বালানি খাতের কেন্দ্রবিন্দু খারগ দ্বীপে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে। দেশটির আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহরের বরাতে জানা গেছে, দ্বীপটিতে একাধিক শক্তিশালী বিস্ফোরণ সংঘটিত হলেও এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই খারগ দ্বীপ থেকেই ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ পরিচালিত হয়, ফলে ঘটনাটি দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও বৈদেশিক বাণিজ্যে সম্ভাব্য প্রভাব ফেলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে। এ ঘটনার পরও এখন পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্র বা পক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে দায় স্বীকার করেনি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইসরায়েলের পক্ষ থেকেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, যা ঘটনাটিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পূর্বে একাধিকবার খারগ দ্বীপসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনায় হামলার হুমকি প্রদান করেছিলেন। গত ৩০ মার্চ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, তেলক্ষেত্র এবং খারগ দ্বীপ ধ্বংসের সক্ষমতার কথা উল্লেখ করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0

ইরানের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত ১.৪ কোটি নাগরিক: পেজেশকিয়ান

মার্কিন কংগ্রেসে ট্রাম্পকে অপসারণে ২৫তম সংশোধনীর আহ্বান

যুদ্ধ পরিস্থিতি সামলাতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছেন ট্রাম্প

যুদ্ধ সংক্রান্ত তথ্য ফাঁস করায় সংবাদমাধ্যমের ওপর এবার ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিখোঁজ এক সেনা সদস্যের তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (৬ এপ্রিল) হোয়াইট হাউসে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি অভিযোগ করেন, সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ফলে চলমান সামরিক উদ্ধার অভিযান গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে। প্রেসিডেন্টের দাবি, তথ্যটি প্রকাশের আগে ইরান কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় ক্রু সদস্যের অবস্থান সম্পর্কে অবগত ছিল না। তবে সংবাদ প্রকাশের পর তারা সতর্ক হয়ে অনুসন্ধান জোরদার করে এবং নিখোঁজ সেনাকে ধরতে পুরস্কার ঘোষণা করে। এ প্রেক্ষিতে ট্রাম্প সংশ্লিষ্ট তথ্য ফাঁসকারীদের শনাক্তে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা দেন এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকে উৎসের পরিচয় চাওয়ার কথা জানান। ঘটনার প্রেক্ষাপটে জানা যায়, দক্ষিণ-পশ্চিম ইরানে মার্কিন এফ-১৫ই যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হওয়ার পর দুই ক্রু সদস্য প্যারাসুটে অবতরণ করেন। একজনকে দ্রুত উদ্ধার করা হলেও অপরজনকে উদ্ধার করতে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ এই অভিযানে বিশেষ বাহিনী অংশ নেয় এবং বিভ্রান্তিমূলক কৌশল ব্যবহার করে সফলভাবে উদ্ধার কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। বর্তমানে উদ্ধারকৃত উভয় সেনা সদস্য চিকিৎসাধীন এবং তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ও গণমাধ্যমের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বিষয়টি জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট গুরুতর ইস্যু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ করছে বাংলাদেশি আদম বেপারি দাতো আমিন

ইরানের ড্রোন হামলায় উড়ে গেলো কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটি

জিজি হাদিদ

এপস্টেইন ফাইলে নিজের নাম নিয়ে কড়া জবাব দিলেন জিজি হাদিদ

মেজর জেনারেল সৈয়দ মাজিদ খাদেমি
নিহত ইরানের গোয়েন্দা প্রধান

ইরানের আইআরজিসির গোয়েন্দা প্রধান মেজর জেনারেল সৈয়দ মাজিদ খাদেমি মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে সোমবার (৬ এপ্রিল) এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। ফার্স নিউজ এজেন্সির মাধ্যমে প্রকাশিত আইআরজিসির বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, আজ ভোর রাতে “মার্কিন-জায়নবাদী শত্রুদের সন্ত্রাসী হামলায়” খাদেমি নিহত হন। তবে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা চলছেই, যা সোমবার পর্যন্ত ৩৮ দিনে গড়িয়েছে। প্রথম দিনে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব, সহ সর্বোচ্চ নেতা খামেনিসহ বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছেন। একই সময়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিয়ে কড়া হুমকি দিয়েছেন; মঙ্গলবারের মধ্যে চুক্তি না হলে ইরানকে “সম্পূর্ণ ধ্বংস” করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

পুরো ইরানকে উড়িয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দিলেন ট্রাম্প

টানা ৩৭ দিনের ইন্টারনেট শাটডাউনে নতুন রেকর্ড গড়ল ইরান

ছবি: প্রতিনিধি

ইউক্রেনের অতর্কিত ড্রোন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত রাশিয়ার তেলের পাইপলাইন

ট্রাম্পের অবর্তমানে কে ধরবে যুক্তরাষ্ট্রের হাল ?

যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসে সব চেয়ে বয়সী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালন করছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জুনে তার বয়স ৮০ বছরে পৌঁছাবে। তার বয়সকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রশ্ন জাগছে—দায়িত্বকালীন প্রয়াণ ঘটলে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব কে গ্রহণ করবে। মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট দায়িত্বকালীন মৃত্যুবরণ করলে ক্ষমতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভাইস প্রেসিডেন্টের হাতে চলে যায়। কোন নির্বাচনের বিলম্ব বা শূন্যকাল ঘটেনা। এই বিধান অনুযায়ী, প্রয়াণ ঘটলে জেডি ভান্স ট্রাম্পের মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালন করবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এমন পরিস্থিতি আটবার ঘটেছে—চারবার হত্যাকাণ্ডে, চারবার স্বাভাবিক মৃত্যুতে। সর্বশেষ ঘটনা ১৯৬৩ সালে, যখন জন এফ কেনেডি নিহত হন এবং লিন্ডন জনসন দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বর্তমানে ইরান নিয়ে চলমান যুদ্ধ ট্রাম্পের জন্য চাপের কারণ। ৩৭ দিন ধরে চলা সংঘর্ষে এখনও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি, ফলে যুদ্ধ বন্ধের কোনো কার্যকর উপায় খুঁজে পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বয়সী এই প্রেসিডেন্টের জন্য।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

মার্কিন সি-১৩০ বিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের

রাতভর ইরানের মুহুর্মুহু হামলায় কুয়েতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

অবশেষে নিরাপদে উদ্ধার সেই মার্কিন পাইলট

প্রবাস

আরও দেখুন
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।  এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং চীনা অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।  সকালের অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অন্তরীপ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এই অংশটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিকেলের অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়, যা দিবসটির তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে। আলোচনা সভায় ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ বেঙ্গল স্টাডিজের সভাপতি প্রফেসর দং ইয়ুচেন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু গুয়াংয়ু বাংলা ভাষায় বক্তব্য প্রদান করেন।  প্রফেসর দং ইয়ুচেন বলেন, "ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"   ইয়ু গুয়াংয়ু যোগ করেন, "চীনে বাংলা ভাষার প্রসারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি, এবং এই দিবসটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে।" রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমি আহ্বান জানাই, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।" অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির উদযাপন শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানটি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগরূক করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

চীন প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
তৃতীয় সার্জারির প্রস্তুতিতে তানিয়া বৃষ্টি

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এবারো ক্যামেরার বাইরে যুদ্ধ করছেন জীবনের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এই অভিনেত্রীর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে।  প্রথম অস্ত্রোপচারের পর দেশে কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে গত ৯ মার্চ চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় সার্জারি সম্পন্ন করেছেন তিনি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছে তৃতীয় অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি। ঈদে ১০টি নাটকে দেখা গেলেও শারীরিক অসুবিধার কারণে তিনি পুরোপুরি সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানান, অস্ত্রোপচারের পর মানসিকভাবে খুবই দুর্বল ছিলেন এবং সহজেই আবেগাপ্লুত হতেন। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও চোখ ও নাকের সমস্যা রয়ে গেছে। নাটক ‘সুপ্তাদের বাড়ি’-র ট্রেলার দেখলেও আবেগ সামলাতে পারেননি তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের গভীর বেদনা উপলব্ধি করিয়েছে, বিশেষ করে কাছের মানুষ হারানোর কষ্ট। অভিনেত্রী মনে করেন, এই কাজ তার অভিনয় জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় অস্ত্রোপচারের আগে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। সব ঠিক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে। তানিয়া বৃষ্টি দৃঢ় প্রত্যয়ে আশা রাখছেন, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আবারও পর্দার সামনে দাঁড়াবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নিশো

‘এবার দুই থেকে তিন হতে চলেছি’: রাশমিকা

লুবাবার বিয়ে ঘিরে বিতর্ক, বাল্যবিবাহ আইনে শাস্তির আশঙ্কা দু’পক্ষের

কেজিএফের রেকর্ড ভেঙে দিলো রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর টু’

রণবীর সিংয়ের নতুন ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর টু’ বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ে চলেছে। মুক্তির মাত্র ১২ দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সিনেমাটি আয়ের পরিমাণ ৮৬৫ কোটি রুপির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। সংবাদ অনুসারে, এই রেকর্ড ভাঙা সাফল্যের ফলে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার যশের ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু’-এর আয়ের রেকর্ডও পেছনে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ছবিটি খুব দ্রুত ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করবে। বক্স অফিস বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্ক জানিয়েছে, প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি ৬৭৪ কোটি রুপির আয় করে, আর দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই ১৯.২৬ কোটি রুপি যুক্ত হয়। ১২ দিনের মধ্যে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮৬৬.১৩ কোটি রুপি। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর উত্তেজনাপূর্ণ গল্প, রোমাঞ্চকর চরিত্র ও দারুণ নির্মাণশৈলী দর্শক আকর্ষণের মূল কারণ। রণবীর সিংয়ের অভিনয়, আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল ও ইয়ামি গৌতমের উপস্থিতি ছবিকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক প্যাকেজে পরিণত করেছে। বর্তমানে বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞদের নজর ‘ধুরন্ধর টু’র পরবর্তী লক্ষ্য ১,০০০ কোটি ও ১,২০০ কোটি রূপির রেকর্ড স্পর্শে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটি শীর্ষ আয়ের সিনেমা হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0

ঘণ্টাখানেক পানিতে ডুবে ফুসফুসে বালি ও নোনাজল ঢুকে মারা গেছেন রাহুল

জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

ফুলের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ালেন মিমি

বিশ্বখ্যাত পপ তারকা রিহানার বাড়িতে ১০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ

লস অ্যাঞ্জেলসের বেভারলি হিলসে রিহানার বাসভবনে রবিবার (৮ মার্চ) বিকেলে গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। হামলার সময় রিহানা তার তিন সন্তানসহ বাড়িতে ছিলেন। দুঃখজনকভাবে কেউ আহত হয়নি। স্থানীয় পুলিশ জানায়, একটি সাদা গাড়ি থেকে প্রায় ১০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়, যার মধ্যে একটি গুলি বাড়ির দেয়াল ভেদ করে প্রবেশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সিসিটিভি ফুটেজ ও স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে এক তরুণীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। হামলার ব্যবহৃত গাড়ি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়েছে। পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে এবং আটক করা তরুণীকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। হামলার উদ্দেশ্য এখনও নিশ্চিত নয়। রিহানা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৯, ২০২৬ 0

ইকরা আরেকটি বিয়ে ও বাসর করেছে : আলভী

‘সাধু সাজবেন না, সবার আমলনামা আছে’: তিথি

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এবার নীরবতা ভাঙলেন ডলি

ফেসবুকে ইকরাকে নিয়ে আলভীর নতুন পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো বিতর্ক

ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভী সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করলেও তা নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। প্রয়াত স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরাকে স্মরণ করে লেখা আবেগঘন পোস্টটি প্রকাশের পরই দর্শক ও নেটিজেনদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। কিছু অংশ পোস্টকে সহানুভূতির প্রকাশ হিসেবে দেখলেও অন্যরা এটিকে “দায় এড়ানোর চেষ্টা” বা ব্যক্তিগত ট্র্যাজেডিকে জনমত প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। প্রকাশিত পোস্টে আলভী ইকরাকে ‘ইকলি’ নামে সম্বোধন করে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন, যেখানে তিনি ইকরার মৃত্যুর পর সমাজের আচরণ ও প্রতিক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। পোস্টে তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, শিগগিরই ইকরার সঙ্গে পাহাড়ের চূড়ায় বসে বিষয়গুলো আলোচনা করার ইচ্ছা তার রয়েছে। তবে পোস্ট প্রকাশের পরই মন্তব্য বন্ধ করে দেন, যা বিতর্কের মাত্রা কমাতে ব্যর্থ হয়। এদিকে, ইকরার পরিবার অভিযোগ করেছে যে আলভীর সহকর্মী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে সম্পর্কের কারণে ইকরা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। মৃত্যুর পর পল্লবী থানায় এ নিয়ে মামলা দায়ের করা হয়। নেপালে নাটকের শুটিং এবং তিথির জন্মদিন উদযাপনের বিষয়টি বিনোদন অঙ্গনে সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলভীর পোস্টের ওপর সমালোচনা ও সমর্থনের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে পারেননি। ফলে অভিনেতা জনমতের চাপের মধ্যেই রয়েছেন, যেখানে ব্যক্তিগত শোক প্রকাশ ও সামাজিক নৈতিকতার সীমারেখা নিয়ে বিতর্ক নতুন মাত্রা পেয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগে আবারো বিতর্কে তানজিন তিশা

আজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন বিজয়–রেশমিকা, আলোচনায় রাশমিকার ছোট বোন

ছবি: ‍সংগৃহীত

মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

চার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ!

  •    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট •    অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও মুদ্রাস্ফীতি •    নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য •    ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি   চার ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ । এগুলো হলো জ্বালানি স্বল্পতা,অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীত,নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্য এবং ব্যাংকিং খাতে উচ্চ খেলাপি ঋণ। চলতি এপ্রিল মাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত এসব ইস্যুগুলো প্রকাশ করা হয়। চলমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভঙ্গুরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং নীতিগত কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-এর আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর  ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা শীর্ষক সংলাপে সম্প্রতি তিনি এ কথা বলেন।  মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। এতে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে পরিবহন, শিল্প ও কৃষি খাতে ইতোমধ্যেই ভয়াবহ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহের ঘাটতিতে ইতোমধ্যে অনেক পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে শিল্প ও পরিবহন খাতে বড় প্রভাব ফেলছে ।    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান, সারের উৎপাদন, মজুত ও সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিতকরণ এবং শিল্প উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার স্বার্থে শিল্প খাতে প্রয়োজনীয় জ্বালানির জোগান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,আগামী ৩ মাস দেশব্যাপী সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গৃহীত কর্মকৌশল বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পর্যাপ্তসংখ্যক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা, ব্যাংকিং সেবা সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।জরুরিসেবা ছাড়া সব অফিস ভবন, বিপণিবিতান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করতে হবে। এদিকে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন থেমে গেলে অর্থনীতির ওপর বহুমাত্রিক চাপ তৈরি হয়। এতে কর্মসংস্থান কমে, রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বাজারে পণ্যের দাম বাড়ে। তাই শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আশার কথা হলো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে নতুন কর্মকৌশল গ্রহণ করেছে সরকার। এর আওতায় প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের নিত্যপণ্য বাজার এক অদৃশ্য আগুনে পুড়ছে। প্রতিদিন মানুষ যা দেখছে, তা শুধু পণ্যের দাম নয় একটি দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। মূল্যস্ফীতি শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক ও মানসিক সংকটও। মানুষের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান যত বাড়ে, সমাজে অনিশ্চয়তা, হতাশা ও অপরাধপ্রবণতা তত বাড়ে।মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির একটি স্বাভাবিক চিত্র হলেও বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতিকে অর্থনীতির জন্য অভিঘাত হিসেবে দেখা হয়।  দেশে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামছে না। মূল্যস্ফীতির চাপে মানুষের জীবনে কষ্ট বাড়ছে। বিনিয়োগ, ব্যবসা -বানিজ্য, রপ্তানি আয়- কোথাও স্বস্তির খবর নেই। ব্যাংকিং খাত এখনো নড়বড়ে অবস্থায়। এসব বিষয় অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত। অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহ, যুদ্ধ, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিনিয়োগ কমায় এবং ভোক্তাদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে । মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত নীতি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। রাজস্ব সংগ্রহ কম হওয়ায় সরকারের আয়ও কমেছে অনেক। এতে বিভিন্ন খাতের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারকে। রাজস্ব সংগ্রহের এই ধীরগতি ও ঘাটতির কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সংকুচিত হচ্ছে, ঋণের বোঝা বাড়ছে এবং নতুন প্রকল্পের বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সরকার। এর পেছনে কর ফাঁকি, আয়ের বৈষম্য ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা দায়ী। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন থেকে পিছিয়ে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেই ধারা থেকে এখনও বের হতে পারছে না সংস্থাটি। এতে ঘাটতির পরিমাণ বেড়েই চলছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এনবিআরের রাজস্ব আদায় কম হয়েছে প্রায় ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এতে করে ব্যয়ের চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থায় সরকার। চলতি অর্থবছরের কোনো মাসেই আদায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ায়নি, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রতি মাসে ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই ঘাটতি মেটাতে এনবিআর-এর করজাল বিস্তার ও কর ফাঁকি রোধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। পরিবহন খরেচের অজুহাতে ও জ্বালানি তেলের সংকটের ফলে পরিবহন ভাড়া, এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে । উৎপাদন ঘাটতি, আমদানিতে ডলারের উচ্চ বিনিময় হার এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটের কারণে কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস ও চাল-ডালসহ সবকিছুর দাম চড়া।জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ায় ট্রাক ও ভ্যান ভাড়া বেড়েছে, ফলে পণ্য পরিবহনে খরচ ৫-১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে । সার, বীজ ও সেচের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ায় কৃষি উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে । পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে । টাকার অবমূল্যায়নের ফলে আমদানিনির্ভর পণ্যের দামও বেড়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের বড় সমস্যাগুলোর একটি খেলাপি ঋণ। সময়ের সঙ্গে এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে উৎপাদনমুখী শিল্প খাতেও। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের বড় একটি অংশ রয়েছে শিল্প খাতে, আর এই খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে তীব্র তারল্য সংকট এবং উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। খেলাপি ঋণ ক্যানসারের মতো আর্থিক খাতকে ক্ষয় করছে, যার ফলে আমানতকারীদের আস্থায় চাপ এবং নতুন বিনিয়োগে শ্লথগতি তৈরি হয়েছে । রাজনৈতিক প্রভাব, বিগত সরকারে আমলে অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের দৌরাত্ম্য এই পরিস্থিতির মূল কারণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে খেলাপির হার এখনো অত্যন্ত বেশি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তবুও এটি আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক বেশি। জানা গেছে,  ব্যাংক খাতে সবচেয়ে বেশি ঋণ ৫০ কোটি টাকার ওপরে। এসব ঋণে খেলাপির হার ৫১ শতাংশ। ছোট ঋণে খেলাপি মাত্র সাড়ে ২১%। ব্যাংক খাতের বিতরণ করা ঋণের ধরন ও খেলাপির হার নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যত বড় ঋণ, খেলাপিও তত বেশি। আর ছোট ও মাঝারি ঋণে খেলাপি কম। প্রতিবেদনের তথ্য ও ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা তুলনামূলক বেশি সুদে ঋণ নেন। তারপরও তাঁরা সেই ঋণ পরিশোধে অত্যন্ত তৎপর থাকেন। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার বা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগ কম। তার বিপরীতে বড় অঙ্কের ঋণে সুদহার থাকে কম। তারপরও বড় ঋণের গ্রাহকেরা কম সুদের সেই ঋণ ফেরতে নানা গড়িমসি করেন। অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা ঋণ পরিশোধ না করে উল্টো নানা ধরনের ছাড় পান। ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার বলেছেন, এই মুহূর্তে ব্যাংকিং খাতের প্রধান সংকট তারল্য নয়, বরং উচ্চ খেলাপি ঋণ, যা এক ধরনের ‘ক্যানসারের মতো’ ভিতর থেকে খাতটিকে ক্ষয় করছে। এদিকে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি শনাক্ত করতে তদারকি জোরদার করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।  

পারভীন আফরোজ খান> এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

শিক্ষা

আরও দেখুন
অটোপাশের দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির উপর হামলা

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ অটোপাশ দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের হামলার শিকার হয়েছেন। গাজীপুর ক্যাম্পাস থেকে ঢাকায় ফেরার পথে সোমবার (৬ এপ্রিল) দুপুরে তাঁর গাড়িতে শিক্ষার্থীরা হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এতে ভিসি চরম বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। ঘটনাটি মূলত ২০২৩ সালের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কিত। শিক্ষার্থীরা কিছু বিষয়ে ফেল করলেও অটোপাশের দাবিতে আন্দোলন করছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ দাবি অযৌক্তিক বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের ২১ মে একই ধরনের দাবিতে আন্দোলন চলাকালে ভিসি আহত হয়েছিলেন। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ-সংযোগ বিভাগ স্পষ্ট করেছে, ‘অন্যায্য দাবি ও অযৌক্তিক আবদারের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় সহানুভূতি দেখাবে না। অটোপাশ চালু হলে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য ১০ শনিবার ক্লাস খোলা

লটারির পদ্ধতি বাতিল, স্কুল ভর্তি হবে পরীক্ষা নির্ভর: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবির নতুন ভিসি ওবায়দুল ইসলাম ও ইউজিসির চেয়ারম্যান হচ্ছেন মামুন আহমেদ

সালাহউদ্দিন আম্মার
ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রিক রাজনীতি নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও জুলাই-পরবর্তী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ‘কোরাম’ বা গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টে নেপাল-এর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেন, সেখানে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিরা সরকার গঠন করতে পেরেছেন—কারণ সেখানে ঢাবিকেন্দ্রিক ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ ধরনের রাজনীতির প্রভাব নেই বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত হতে পারেন। রাকসুর এই নেতা তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নেতৃত্বের দাবি, সংগঠনিক ভূমিকা বা ব্যক্তিগত অবদান নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যা তার ভাষায় ‘অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্যোগ বা কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। পোষ্য কোটা আন্দোলনের সময়ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, জুলাই-সম্পর্কিত নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন ঢাবিকেন্দ্রিকভাবে বড় পরিসরে হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে তিনি অবহেলার মুখে পড়েছেন। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনে জনপ্রিয়তা বা অনুসারীর সংখ্যার ভিত্তিতে মূল্যায়নের প্রবণতার সমালোচনা করেন এবং নেপাল-এর নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে শুভকামনা জানান।  

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ প্রকাশ করেছে, যা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত। নীতিমালা সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে জারি করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কোনো নতুন খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসারে পরিচালনা করতে হবে। হিসাব সংরক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা কমিটির উপর যৌথভাবে চাপানো হয়েছে। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা আইন অনুযায়ী দায়বদ্ধ থাকবেন। নীতিমালায় ব্যাংকিং ও অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। জরুরি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ সম্ভব, যা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এছাড়া, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করার আগে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি
কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী। সভায় জানানো হয়, বি.এস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সকাল ৯টা ৩০ থেকে দুপুর ১২টা ৩০ পর্যন্ত, আর বিআর্ক প্রোগ্রামের অংকন পরীক্ষা দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে ১টা ৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের নিরাপত্তা, যানজট ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধসহ পরীক্ষা চলাকালীন সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মাকসুদ হেলালী বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত দায়িত্ব অপরিহার্য।”

খুলনা জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, তামিমের নেতৃত্বে এডহক কমিটি গঠন

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) ঢাকার একটি সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বাতিল করে তিন মাস মেয়াদের ১১ সদস্য বিশিষ্ট এডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে।  এনএসসির ক্রীড়া পরিচালক আমিনুল এহসান জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপের পেছনে কমিটির গঠিত তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশ রয়েছে। নতুন এডহক কমিটির নেতৃত্বে থাকছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদীন, আতহার আলী খান, তানজিল চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম ও ফাহিম সিনহা। এনএসসি জানিয়েছে, পুরনো পরিচালনা পর্ষদ ভাঙার বিষয়টি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা আইসিসিকে ইমেইলে জানানো হয়েছে এবং এডহক কমিটির অনুমোদনের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। সংস্থাটি আশা করছে, নতুন কমিটি দেশের ক্রিকেট প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও কার্যকারিতা নিশ্চিত করবে। বিস্তারিত আসছে...  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0
স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো

৯০ বছর বয়সে দৌড়ে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়লেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট

ফিফার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপে ইরানের ভবিষ্যৎ

পরিচালকদের টানা পদত্যাগের মধ্যেও চেয়ারম্যানপদ ছাড়ছেন না বুলবুল

তদন্তে অংশ না নেয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি) গঠিত তদন্ত কমিটি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক নির্বাচনের নিয়ন্ত্রণ ও পক্ষপাতিত্ব বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে, তবে তৎকালীন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সাক্ষাৎকারে অংশ নেননি। মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) প্রকাশিত প্রতিবেদনে কমিটি জানিয়েছে, তাদের উদ্দেশ্য কাউকে অভিযুক্ত করা নয়, বরং সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তথ্য সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা। কমিটির প্রধান একেএম আসাদুজ্জামান জানান, আসিফ মাহমুদকে চিঠি প্রেরণ করে সাক্ষাৎকারের জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজির হননি। সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আসিফ মাহমুদ লিখেছেন, বিসিবি একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এবং উচ্চ আদালতে বিচারাধীন বিষয় থাকা কারণে তিনি তদন্ত কমিটির ডাক মেনে চলতে পারেননি। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, এবং অংশগ্রহণ করলে তিনি নিয়মবিরুদ্ধভাবে আদালত অবমাননার পরিস্থিতিতে পড়তেন। আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমি নিয়ম ও সংবিধানের সীমারেখা অতিক্রম করে এমন কোনো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হবো না।” এ বিষয়ে কমিটি জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা যাচাই করা এবং সম্ভাব্য অস্বাভাবিকতা চিহ্নিত করা, কোনো ব্যক্তির দোষারোপ নয়। এই ঘটনায় বিসিবি নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতার মধ্যে আইনগত ও প্রশাসনিক প্রশ্ন আরও জোরালোভাবে উঠে এসেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত সম্পন্ন, অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ

ক্রিকেটারদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠকে আমিনুল

ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ

হামজাসহ ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

  দীর্ঘ ২৫ বছর পর আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) হ্যানয়ের হাং জু স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায় শুরু হওয়া ম্যাচকে সামনে রেখে কোচ হ্যাভিয়ের কাবরেরা শক্তিশালী একাদশ ঘোষণা করেছেন, যেখানে শেষ মুহূর্তের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীকে রাখা হয়েছে। ফিফা র‍্যাংকিংয়ে ১৮১ নম্বরে থাকা বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভিয়েতনাম অবস্থান করছে ১০৫ নম্বরে, যা দুই দলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান নির্দেশ করে। তবুও প্রতিযোগিতামূলক লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছেন কোচিং স্টাফ। দলে গোলরক্ষক হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রক্ষণভাগে আছেন শাকিল আহাদ তপু, তারিক কাজী ও সাদ উদ্দিন। অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পালন করবেন সোহেল রানা। কার্ড জটিলতা কাটিয়ে একাদশে ফিরেছেন ফাহমিদুল ইসলাম, আর আক্রমণভাগে থাকছেন সামিত সোম ও জায়ান আহমেদ। বাংলাদেশ দল পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়েই মাঠে নামছে, যেখানে কৌশলগত ভারসাম্য ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রতিপক্ষকে চ্যালেঞ্জ জানানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৬, ২০২৬ 0

পুনঃনির্ধারিত সিরিজ খেলতে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসছে ভারত

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ক্রাইস্টচার্চ হামলায় অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছে: তামিম ইকবাল

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে আইসিসির বোর্ড সভা স্থগিত

আজ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, মুখোমুখি ভারত-নিউজিল্যান্ড

ভারতের আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম-এ আজ রোববার (৮ মার্চ) অনুষ্ঠিত হচ্ছে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল, যেখানে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও নিউজিল্যান্ড জাতীয় ক্রিকেট দল। স্বাগতিক ভারতের সামনে রয়েছে নতুন ইতিহাস গড়ার সুযোগ। জয়ে তারা প্রথম দল হিসেবে তিনটি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা অর্জনের পাশাপাশি টানা দুই আসরে ট্রফি ধরে রাখার রেকর্ড গড়তে পারে। তিন বছর আগে একই মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে পরাজয়ের স্মৃতি পেছনে ফেলে নতুন সাফল্যের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামছে রোহিত শর্মার দল। ফাইনালের আগে প্রস্তুতিতে সতর্ক অবস্থান নিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই); এমনকি দলের হোটেলও পরিবর্তন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। ম্যাচের ফল নির্ধারণে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত দ্বৈরথ বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। নিউজিল্যান্ডের আক্রমণাত্মক ওপেনার ফিন অ্যালেন-কে থামানোর দায়িত্ব থাকবে ভারতের প্রধান পেসার যশপ্রীত বুমরা-র ওপর। সেমিফাইনালে মাত্র ৩৩ বলে সেঞ্চুরি করা অ্যালেন পাওয়ারপ্লেতে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের জন্য পরিচিত। ভারতের ব্যাটিং লাইনআপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন সঞ্জু স্যামসন। তবে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি, যিনি অতীতে কয়েকবার স্যামসনকে আউট করেছেন। এছাড়া মধ্য ওভারে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং নিউজিল্যান্ডের স্পিনার মিচেল স্যান্টনার-এর লড়াইও ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। অন্যদিকে নিউজিল্যান্ডের ধারাবাহিক ব্যাটার টিম সাইফার্ট-কে নিয়ন্ত্রণে রাখার দায়িত্ব থাকবে অলরাউন্ডার হার্দিক পান্ডিয়া-র ওপর। সাত ইনিংসে তিনটি অর্ধশতক করা সাইফার্ট এই টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন। ফলে ফাইনালের এই দ্বৈরথগুলোই শেষ পর্যন্ত শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশ্লেষকরা। 

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৮, ২০২৬ 0

অবশেষে গাঁটছড়া বাধলেন সানিয়ার-অর্জুন, প্রকাশ্যে এলো বিয়ের প্রথম ছবি

চীনের কাছে হেরে গেলো বাংলাদেশ

সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসানের মামলার ফাইল যাচ্ছে সরকারে কাছে

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভারসাম্যহীনতায় বিশ্ব, সতর্কতা জাতিসংঘের

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) সতর্ক করেছে, পৃথিবীর জলবায়ু বর্তমানে নজিরবিহীন শক্তির ভারসাম্যহীনতার মধ্যে রয়েছে, যেখানে গ্রহটি তাপ নির্গমনের তুলনায় অধিক পরিমাণ তাপ শোষণ করছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে অতিরিক্ত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকে দায়ী করা হয়েছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, এই তাপীয় ভারসাম্যহীনতার ফলে সমুদ্রের তাপমাত্রা রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং মেরু অঞ্চলের বরফ গলন ত্বরান্বিত হয়েছে। একই সঙ্গে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এল নিনো প্রক্রিয়া সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা বৈশ্বিক তাপমাত্রাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস দেশগুলোর প্রতি জীবাশ্ম জ্বালানি পরিত্যাগ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জলবায়ুর প্রতিটি সূচকই বর্তমানে ‘লাল সংকেত’ প্রদর্শন করছে। ডব্লিউএমওর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮৫০ সালের পর থেকে গত ১১ বছরই ছিল সর্বোচ্চ উষ্ণতম। ২০২৫ সালে বৈশ্বিক তাপমাত্রা প্রাক-শিল্পায়ন যুগের তুলনায় ১ দশমিক ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের বর্তমান মাত্রা গত ২০ লাখ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ, যার অধিকাংশ তাপ সমুদ্রে জমা হয়ে সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান ও আবহাওয়াগত ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, মানবসৃষ্ট উষ্ণায়ন ও সম্ভাব্য এল নিনোর যৌথ প্রভাবে আগামী বছরগুলোতে বৈশ্বিক তাপমাত্রা নতুন রেকর্ড ছুঁতে পারে, যা জলবায়ু ঝুঁকিকে আরও তীব্র করে তুলবে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ২৯, ২০২৬ 0

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

দীর্ঘ প্রায় দুই বছরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসেছে ইউক্রেন। পশ্চিমা সমর্থিত ইউক্রেনীয় প্রশাসন এখন রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের দিকে অগ্রসর হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিয়েভ এবং মস্কোর মধ্যকার আলোচনার বিষয়বস্তু এখনো পুরোপুরি প্রকাশ না হলেও, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে—প্রস্তাবিত চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি, নিরাপদ সীমান্ত নির্ধারণ, যুদ্ধবন্দি বিনিময় এবং পূর্ব ইউক্রেনের ভবিষ্যত রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা চলছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা একটি টেকসই শান্তির পথ খুঁজছি, তবে তা হবে আমাদের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ড অক্ষুন্ন রাখার ভিত্তিতে।” রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও আলোচনার কথা নিশ্চিত করেছে এবং একে "গঠনমূলক প্রক্রিয়া" বলে উল্লেখ করেছে। তবে তারা পশ্চিমা সামরিক প্রভাব থেকে ইউক্রেনকে মুক্ত রাখার দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা এখনো সমঝোতার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।   আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মিশ্র প্রতিক্রিয়া এই আলোচনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাতিসংঘ শান্তিপূর্ণ আলোচনার উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। তবে ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে সতর্ক করেছে যাতে তারা চাপে পড়ে কোনও অসম চুক্তিতে না যায়। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এক বিবৃতিতে জানায়, “আমরা চাই ইউক্রেন স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিক, তবে মনে রাখতে হবে—শান্তি চুক্তি যেন যুদ্ধাপরাধীদের দায়মুক্তির সুযোগ না দেয়।” বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া বর্তমানে কৌশলগতভাবে কিছুটা দুর্বল অবস্থানে থাকলেও, যুদ্ধক্ষেত্রে তাদের কিছু সাফল্যও রয়েছে। বিশেষ করে দোনেৎস্ক এবং লুহানস্ক অঞ্চলে রুশ বাহিনী আংশিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে, যা আলোচনার ক্ষেত্রে তাদের দাবিকে শক্তিশালী করতে পারে। এদিকে, ইউক্রেনের জনগণের মধ্যেও এই আলোচনাকে ঘিরে মতভেদ রয়েছে। একাংশ মনে করছে, দীর্ঘদিনের যুদ্ধক্লান্তি থেকে মুক্তির পথ এটি, অন্যদিকে অনেকে বলছে—এটি মূলত রাশিয়ার পক্ষে আত্মসমর্পণের আরেক নাম।   চুক্তির সম্ভাব্য কাঠামো ও চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষকদের ধারণা, আলোচনায় একটি অন্তর্বর্তী শান্তিচুক্তি হতে পারে, যার আওতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা হবে এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মাধ্যমে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ পর্যবেক্ষণ করা হবে। একইসঙ্গে যুদ্ধবন্দিদের বিনিময়, ধ্বংসপ্রাপ্ত অবকাঠামো পুনর্গঠনে সহায়তা এবং দেশান্তরিত জনগণকে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। তবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে—ক্রাইমিয়া ও ডনবাস অঞ্চলের ভবিষ্যৎ অবস্থান নির্ধারণ। রাশিয়া ক্রাইমিয়াকে ইতোমধ্যেই তাদের অংশ বলে দাবি করে আসছে, অন্যদিকে ইউক্রেন কোনোভাবেই এই অঞ্চলগুলোর উপর রুশ আধিপত্য মেনে নিতে রাজি নয়। মস্কোভিত্তিক আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক আন্দ্রেই লুকাশেঙ্কো বলেন, “যদি উভয় পক্ষই বাস্তববাদী অবস্থান গ্রহণ করে, তবে একটি সীমিত পরিসরের চুক্তি সম্ভব হতে পারে, তবে এর জন্য উভয়পক্ষকেই কিছু ছাড় দিতে হবে।” তবে আরেকটি বিষয় স্পষ্ট—এই আলোচনা যতই অগ্রসর হোক না কেন, এটি পুরোপুরি সফল হতে হলে পশ্চিমা শক্তিগুলোর অংশগ্রহণ ও সমর্থন অপরিহার্য। কারণ ইউক্রেনের সামরিক ও আর্থিক সহায়তার বড় উৎসই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটো।   এই আলোচনার পরবর্তী ধাপ কী হবে, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য বিশ্ব সম্প্রদায় আগ্রহের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। আগামী কয়েক সপ্তাহেই হয়তো জানা যাবে—দীর্ঘ যুদ্ধের পর প্রকৃত শান্তির পথে কতটা এগোতে পারল ইউক্রেন ও রাশিয়া।

জানিফ হাসান জুন ২৮, ২০২৫ 0

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন একজন তরুণ, মুসলিম, প্রগতিশীল নেতা—জোহারান মামদানি। তার বয়স মাত্র ৩৩ বছর, কিন্তু এরই মধ্যে তিনি নিউইয়র্কবাসীর দৃষ্টি কেড়েছেন সাহসী বক্তব্য, সমাজকল্যাণমুখী কর্মসূচি এবং ভিন্নধারার রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে। অনেকেই বলছেন, নিউইয়র্কের পরবর্তী মেয়র হতে পারেন এই মুসলিম তরুণ।   মামদানির পরিচয় জোহারান মামদানি একজন মুসলিম এবং ভারতীয়-উগান্ডীয় বংশোদ্ভূত। তার মা বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার, আর বাবা মোহাম্মদ মামদানি একজন নামকরা শিক্ষাবিদ। মামদানি শৈশবেই উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্কেই বড় হন। তিনি বর্তমানে অ্যাস্টোরিয়াতে বসবাস করেন এবং পেশাগতভাবে একজন হাউজিং কাউন্সেলর থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছেন।   রাজনীতিতে প্রবেশ ২০২০ সালে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টদের সমর্থনে কুইন্স জেলার ৩৬ নম্বর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তিনি নিজেকে "জনগণের প্রতিনিধি" হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি গৃহহীন, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর। তার মূল রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ফ্রি পাবলিক বাস সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু পরিচর্যার সুযোগ মুসলিম সম্প্রদায়সহ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা   সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জোহারান মামদানি এখন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদের জন্য বিবেচিত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। প্রথাগত রাজনীতিবিদদের চেয়ে আলাদা হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও অভিবাসীদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন, তবে এটি নিউইয়র্কের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হবে।   মুসলিম পরিচয় এবং নেতৃত্ব একজন গর্বিত মুসলিম হিসেবে মামদানি কখনও নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকাননি। বরং তিনি ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজসেবা ও ন্যায়ের কথা বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। তিনি ‘Students for Justice in Palestine’ নামক সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।   উপসংহার জোহারান মামদানি শুধু একজন মুসলিম রাজনীতিবিদ নন, তিনি বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। একদিকে তার তরুণ নেতৃত্ব, অন্যদিকে তার সামাজিক দায়বদ্ধতা নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে নতুন দিশা দিতে পারে। নিউইয়র্কবাসীর আশাবাদ—এই তরুণ যদি মেয়র হন, তবে নগরবাসীর প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধানে আমরা এক নতুন ইতিহাস দেখতে পারি।

রতন লাল জুন ২৬, ২০২৫ 0
iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
৮ এপ্রিল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করবে ছাত্রশিবির

গণভোট-সংক্রান্ত জনরায় বাস্তবায়নে বিলম্বের অভিযোগ তুলে রাজধানীতে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। সংগঠনটির ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার উদ্যোগে বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেল ৫টায় বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট থেকে মিছিল শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। মিছিল শেষে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে সভাপতিত্ব করবেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য এবং ঢাকা মহানগর পূর্ব শাখার সভাপতি আসিফ আব্দুল্লাহ। সংগঠনের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মুহাম্মদ দাউদ খান জানান, ঘোষিত কর্মসূচির মাধ্যমে তারা গণভোটের আলোকে জনমতের বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার দাবি পুনর্ব্যক্ত করবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৭, ২০২৬ 0

সরকারের ভাবে মনে হয় বাংলাদেশ তেলের স্রোতে ভাসছে: শফিকুর রহমান

ডা. তাসনিম জারা

স্বাধীন নয় ‘নিয়ন্ত্রণশীল’ দুদক চায় সরকার: তাসনিম জারা

দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ত্যাগ করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

‘জঙ্গি এমপি’ সম্বোধনে স্পিকারের কাছে বিচার চাইলেন হানজালা

মাদারীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য পীরজাদা সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে অভিযোগ করেছেন, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)-এর স্ত্রীদের জানাজায় প্রবেশের সময় তাকে পেছন থেকে ‘জঙ্গি এমপি’ সম্বোধন করা হয়। তিনি এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত দাবি করেন। সংসদে উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের পর হানজালা বলেন, “সম্ভবত আমার পোশাক ও পাগড়ি দেখেই আমাকে এভাবে সম্বোধন করা হয়েছে। এটি সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করেছে।” তিনি স্পিকারের কাছে সিসি ফুটেজ যাচাই করে নিরাপত্তা বাহিনীকে দোষীদের শনাক্তের নির্দেশের অনুরোধ জানান। ঘটনার প্রতি দুঃখ প্রকাশ করে স্পিকার বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে নোটিশ দেওয়ার ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন।    

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২, ২০২৬ 0

“পাম্প বন্ধ, রাস্তায় গাড়ির দীর্ঘ সারি—মন্ত্রী কি দেখছেন না?” : সংসদে হাসনাতের প্রশ্ন

৪ এপ্রিল বায়তুল মোকাররমে গণবিক্ষোভের ডাক দিলো ১১ দলীয় জোট

ফাঁস হলো গোলাম রাব্বানী–সাদিক কায়েমের টেক্সটের স্ক্রিনশট

বাগেরহাটের রামপালে ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

  বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিকাল ৫টায় উপজেলার ফয়লাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ আয়োজন করা হয়।     প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও ছাত্রশিবিরের ইউনিয়ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলদের সম্মানে এ ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে ছাত্রশিবির রামপাল পশ্চিম শাখা।     অনুষ্ঠানে শাখা সেক্রেটারি মো. মুরছালিন শেখের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন শাখা সভাপতি শাকিল আহমেদ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও বাগেরহাট জেলা নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল ওয়াদুদ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি মো. জিহাদুল ইসলাম, ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি হাফেজ মোরশেদ আলম, এইচআরডি সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সিনান, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বাগেরহাট জেলা সিনিয়র আহ্বায়ক খালিদ হাসান নোমান, মীর সাব্বির এবং ছাত্রদলের রামপাল উপজেলা সাবেক আহ্বায়ক মোল্লা তারিকুল ইসলাম শোভনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বর্তমান ও সাবেক নেতাকর্মী, সুধীজন এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। অনুষ্ঠানে বক্তারা পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। ইফতার মাহফিলে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

বাগেরহাট মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

বিএনপি জুলাই সনদ ভঙ্গের মাধ্যমে জাতীয় সংসদ শুরু করেছে: সারজিস আলম

ওয়াকআউটের পর হাসনাতের তিন শব্দের পোস্ট ভাইরাল

রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে তিন অভিযোগ তুলে তার বক্তব্য বর্জন বিরোধী দলের

নিজের চেয়ে বেশি শিক্ষিত নারীকে বিয়ের পরামর্শ হাসনাতের

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সম্প্রতি যুবকদের উদ্দেশে পরামর্শ দিয়েছেন, তারা যেন নিজের থেকে বেশি শিক্ষিত মেয়েকে বিয়ে করেন। নির্বাচনী প্রচারণার সময় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সংসদ সদস্য হাসনাত জানান, বিয়ের সময় মেয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “বিয়ে করলে স্ত্রী যেন স্বাবলম্বী হয়, নিজের ও সন্তানের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। তাই নিজের থেকে কম শিক্ষিত মেয়েকে বিয়ে করার পরামর্শ কখনো গ্রহণ করব না।” তিনি আরও বলেন, দেবিদ্বারের নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করাই তাদের পরিবার ও সমাজ উন্নয়নের লক্ষ্য। এই বক্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও স্থানীয় যুব সমাজে ইতিমধ্যেই ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১২, ২০২৬ 0

মির্জা আব্বাস হঠাৎ জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি

প্রথম অধিবেশনের দিনেই রাষ্ট্রপতির অভিশংসনসহ ৩ দাবিতে এনসিপির অবস্থান

রংপুরে এনসিপির দোয়া ও ইফতার মাহফিল, সংস্কার না হলে নতুন বিপ্লবের প্রস্তুতির আহ্বান