সাজা শেষের আগেই প্রাণ ঝরল যুবকের, সীমান্তে ফিরল লাশ হয়ে
মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা
শেরপুরে পুত্রবধূ ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর গ্রেফতার
রাজশাহী মেডিকেলে চিকিৎসা অবহেলায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে দুইজন আটক, ইন্টার্নদের কর্মবিরতি
স্ত্রীর মনোনয়ন বিতর্কে মুখ খুললেন জিল্লুর রহমান
জাতীয়

সংসদে হান্নান মাসউদ নিরাপত্তা চাইলে থানায় জিডির পরামর্শ দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
বাংলাদেশ

অবশেষে নরসিংদী থেকে বদলি করা হলো বিতর্কিত এডিসি মাহমুদা বেগম কে

নরসিংদী প্রতিনিধি> এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
খেলা

বর্ণবাদের শিকার হামজা, প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি!

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

আজকের স্বর্ণের বাজারদর

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
ইইউ–যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে শীর্ষস্থানে বাংলাদেশ

প্রায় চার দশকের ধারাবাহিক অগ্রযাত্রার পর আন্তর্জাতিক ডেনিম বাণিজ্যে নেতৃত্ব আরও দৃঢ় করেছে বাংলাদেশ। সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্র—এই দুই প্রধান বাজারে দেশটির ডেনিম পোশাক রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ২৬০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে, যা পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। সরকারি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তথ্যসূত্র—বিশেষত অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) ও ইউরোস্ট্যাটের উপাত্তে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি ৯৬ কোটি ডলারে উন্নীত হয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধি ৩৪ শতাংশ এবং বাজার হিস্যা প্রায় ২৬ শতাংশ। অপরদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে ১৬৪ কোটি ডলারের রপ্তানির মাধ্যমে ২১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা উভয় ক্ষেত্রেই শীর্ষস্থান নিশ্চিত করেছে। বাজার প্রতিযোগিতায় মেক্সিকো, ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, তুরস্ক ও কম্বোডিয়া অনুসরণ করলেও রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও বাজার দখলে বাংলাদেশ স্পষ্টতই অগ্রগামী অবস্থানে রয়েছে। খাতসংশ্লিষ্ট বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, গত দেড় দশকে দেশীয় ডেনিম শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে দেশীয় মিলগুলো মোট চাহিদার প্রায় ৬০ শতাংশ সরবরাহ করতে সক্ষম, যা পূর্বে আমদানিনির্ভর ছিল। পাশাপাশি উৎপাদন ব্যয়ের প্রতিযোগিতামূলক কাঠামো, জ্বালানি ও কাঁচামালের তুলনামূলক প্রাপ্যতা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলের পুনর্বিন্যাস বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা জোরদার করেছে। আইনগত ও বাণিজ্যিক কাঠামোর দৃষ্টিকোণ থেকে, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ, প্রযুক্তিনির্ভর উৎপাদন ব্যবস্থা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারিত্বের সম্প্রসারণ—এসব উপাদান বাংলাদেশের ডেনিম খাতকে একটি টেকসই ও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মত দিয়েছে।  

বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার

বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক প্রবণতার ধারাবাহিকতায় নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে দেশের রিজার্ভ—কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, প্রবাসী আয় বৃদ্ধি ও ডলার সরবরাহের স্থিতিশীলতার ফলে মোট রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। আইএমএফের আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের বিপিএম–৬ পদ্ধতি অনুযায়ী, ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০.৩৬ বিলিয়ন ডলার, আর গ্রস রিজার্ভ পৌঁছেছে ৩৫.০৩ বিলিয়ন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাষ্যমতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিই এ অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি। চলতি মাসের প্রথমার্ধে প্রবাসী আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ১.৭৮ বিলিয়ন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বেশি। একদিনেই ১৮১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স আসার ঘটনাও রেকর্ড করা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে মোট প্রবাসী আয় প্রায় ২৮ বিলিয়ন ডলার স্পর্শ করেছে, যা বার্ষিক ভিত্তিতে উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি নির্দেশ করে। ডলার বাজারে ভারসাম্য রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক নিয়মিতভাবে বৈদেশিক মুদ্রা ক্রয় অব্যাহত রেখেছে এবং এপ্রিল মাসেই একাধিক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ডলার সংগ্রহ করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এ প্রবণতা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনলেও আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতে চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সার্বিক বিবেচনায়, রেমিট্যান্সনির্ভর এই রিজার্ভ বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক সংকেত বহন করলেও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে সতর্ক নীতি সহায়তা প্রয়োজন।  

দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ফের বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে এ নতুন দর কার্যকর হয় বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। নতুন মূল্য তালিকায় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি ভরি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৮২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৪ হাজার ৭০৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬৬ হাজার ৭৩৭ টাকা। বাজুসের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা বিশুদ্ধ স্বর্ণের দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এর আগে ৯ এপ্রিল স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৫৫ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৩২ বার বৃদ্ধি এবং ২৩ বার হ্রাস করা হয়েছে, যা বাজারে উচ্চমাত্রার অস্থিরতা নির্দেশ করছে।  

এপ্রিলের প্রথম ১২ দিনেই রেমিট্যান্স পৌঁছেছে ১৪৪ কোটি ডলারে

  চলতি এপ্রিল মাসের প্রথম ১২ দিনে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রবাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে ১৪৩ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা দেশীয় মুদ্রায় প্রায় ১৭ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।তিনি জানান, এই সময়ে দৈনিক গড় রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল প্রায় ১১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্যমতে, গত বছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১০৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। ফলে বছর ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। চলতি অর্থবছরের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৭৬৪ কোটি ৫০ লাখ ডলারে, যা আগের বছরের তুলনায় ২১ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। এর আগে মার্চ মাসে দেশে একক মাসে সর্বোচ্চ ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স আসে। ফেব্রুয়ারি ও জানুয়ারিতেও প্রবাহ ছিল যথাক্রমে ৩০২ কোটি ও ৩১৭ কোটি ডলারের বেশি। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, ধারাবাহিক এই ঊর্ধ্বমুখী রেমিট্যান্স প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

আজকের স্বর্ণের বাজারদর
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
দেশের বাজারে ফের বাড়লো স্বর্ণের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম এক সপ্তাহে সর্বনিম্নে
নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

রাজনীতি

বিএনপির সংরক্ষিত আসনে বিলকিস ইসলামের এমপি মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস

নীলফামারী প্রতিনিধি> এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
মোরেলগঞ্জে স্বল্প খরচে অধিক লাভবানে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

  বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে পতিত জমিতে মুগ ডাল চাষ করে স্বল্প খরচে বেশি লাভের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পর ফসল ঘরে তুলতে পারবেন তারা। ভালো ফলন হওয়ায় বিঘাপ্রতি ৫-৬ মণ উৎপাদনের আশা করছেন চাষিরা। উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব চর হোগলাবুনিয়া গ্রামে এ বছর প্রথমবারের মতো ১১ বিঘা পতিত জমিতে ১০ জন কৃষক শীতকালীন মুগ ডাল চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। আগে এসব জমিতে কেবল আমন ধান হতো, পরে জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কৃষি বিভাগের প্রণোদনা ও পরামর্শে এবার মুগ চাষে আগ্রহী হন তারা। কৃষকদের দাবি, বিঘাপ্রতি প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ করে দুই মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা আয় সম্ভব হচ্ছে। পাশাপাশি নিজের চাহিদা মিটিয়ে নিরাপদ খাদ্যও পাচ্ছেন তারা। স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ২৭৫ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষ হয়েছে। বিশেষ করে হোগলাবুনিয়া, বলইবুনিয়া, চিংড়াখালী, পুটিখালী ও বনগ্রাম এলাকায় চাষ বেশি হয়েছে। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, পতিত জমিকে চাষের আওতায় এনে কৃষকদের আয় বাড়ানো সম্ভব হয়েছে। কৃষকদের আগ্রহ থাকায় ভালো ফলন এসেছে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মুগ চাষ সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।  

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মধু চাষে মধুর জীবন গড়ছেন শিক্ষক সাহানুর

ছবি: প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের কোনো চাপ ছিল না: ট্রাম্প

মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষাপটে সামরিক সিদ্ধান্তে বাহ্যিক প্রভাবের অভিযোগ নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার (২০ এপ্রিল)সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি স্পষ্ট করেন, ইসরায়েল কখনোই তাকে ইরান-বিরোধী সামরিক পদক্ষেপে প্ররোচিত বা চাপ প্রয়োগ করেনি। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার বিষয়ে তার প্রশাসনের অবস্থান অবিচল রয়েছে এবং চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিলছে। তিনি সম্ভাব্য একটি সমঝোতার কথাও উল্লেখ করেন, যার আওতায় পারমাণবিক উপকরণ নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা থাকতে পারে। অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ট্রাম্পের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে বলেন, আঞ্চলিক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে তেহরানের অবস্থান বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে। উল্লেখ্য, এর আগে আন্তর্জাতিক মহলে এমন ধারণা ছিল যে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারণে প্রভাব রেখেছেন; তবে ট্রাম্প তার সাম্প্রতিক বক্তব্যে সে দাবি সরাসরি অস্বীকার করেছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে ‘চূড়ান্তভাবে পরাজিত’ করতে সব সামরিক প্রস্তুতি সম্পূর্ণ: মোজতবা খামেনি

ট্রাম্পকে ইরান যুদ্ধে টেনেছেন নেতানিয়াহু: কমালা হ্যারিস

যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় যুদ্ধ শুরু করতে পারে: ইরানের স্পিকার

হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ

কৌশলগত জলপথ হরমুজে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে একটি বাণিজ্যিক তেলবাহী জাহাজকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর-এর বিরুদ্ধে। যুক্তরাজ্যভিত্তিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা ইউনাইটেড কিংডম মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) জানায়, ওমান উপকূলের কাছাকাছি অবস্থানকালে দুটি ইরানি গানবোট কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই জাহাজটির দিকে গুলি ছোড়ে বলে ক্যাপ্টেন অভিযোগ করেন। ঘটনার সময় জাহাজটি ওমানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ২০ নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল। তবে সৌভাগ্যবশত এতে কোনো প্রাণহানি বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলের বাণিজ্যিক জাহাজগুলো ইরানি নৌবাহিনীর রেডিও বার্তা পাওয়ার কথা জানিয়েছে, যেখানে হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং ওই পথ ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হওয়ায় আন্তর্জাতিক শিপিং ও জ্বালানি বাজারে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে বলে কূটনৈতিক ও সামুদ্রিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0

হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধের ঘোষণা দিল ইরান

যুদ্ধবিরতির মাঝেই লোহিত সাগরের পথে মার্কিন রণতরি ‘জেরাল্ড ফোর্ড’

মালয়েশিয়ায় ত্রিমুখী মোটরসাইকেল সংঘর্ষে বাংলাদেশি নিহত

সোমবার পাকিস্তানে মুখোমুখি আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্র–ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নতুন ধাপে পরমাণু আলোচনায় সম্মত হয়েছে বলে একাধিক আন্তর্জাতিক সূত্র জানিয়েছে। সিএনএন ও আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়, আগামী সোমবার (২০ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এই সংলাপ অনুষ্ঠিত হতে পারে, যেখানে উভয় দেশের প্রতিনিধিদের রোববার (১৯ এপ্রিল) পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো ওয়াশিংটন বা তেহরান কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি। এর আগে অনুষ্ঠিত দফা-দফা আলোচনায় অগ্রগতি হলেও চূড়ান্ত কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। এদিকে পরিস্থিতি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরান ইস্যু “ইতিবাচক পথে এগোচ্ছে” এবং অগ্রগতির বিষয়ে তিনি “ভালো খবর” পেয়েছেন। তবে একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে চুক্তি না হলে কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে এবং সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই সংলাপ মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা প্রশমনে কূটনৈতিক অগ্রগতির একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0

হরমুজে নতুন ফি আরোপের ইঙ্গিত দিলো ইরান

পারমাণবিক কর্মসূচি স্থগিতে সম্মত ইরান—ট্রাম্পের দাবি

হরমুজ খুলতেই বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় পতন

উন্মুক্ত হলো হরমুজ, থামবে কি এবার মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত?

  লেবানন ফ্রন্টে যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে কৌশলগত নমনীয়তার ইঙ্গিত দিয়ে হরমুজ প্রণালি সাময়িকভাবে উন্মুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে জানান, যুদ্ধবিরতির মেয়াদকালে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে চালু রাখা হবে, যা পূর্বনির্ধারিত সামুদ্রিক রুট অনুযায়ী পরিচালিত হবে। কূটনৈতিক মহলে এ পদক্ষেপকে আঞ্চলিক উত্তেজনা প্রশমনের একটি ‘ট্যাকটিক্যাল ডি-এস্কেলেশন’ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ উন্মুক্ত রাখার মাধ্যমে তেহরান একদিকে বাজার স্থিতিশীলতার বার্তা দিয়েছে, অন্যদিকে সংঘাত বিস্তার এড়ানোর কৌশলগত অবস্থানও তুলে ধরেছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো সতর্ক করে বলছে, এ উদ্যোগ স্থায়ী শান্তির নিশ্চয়তা নয়। মধ্যপ্রাচ্যের বহুমাত্রিক সংঘাতে ইসরায়েল, লেবাননভিত্তিক হিজবুল্লাহ, ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীসহ একাধিক আঞ্চলিক শক্তি জড়িত থাকায় পরিস্থিতি এখনো জটিল রয়ে গেছে। এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্ভাব্য সমঝোতার ইঙ্গিত দিলেও ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে, আংশিক বা স্বল্পমেয়াদি সমাধান নয়—বরং লেবানন থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত সংঘাতের একটি সমন্বিত ও স্থায়ী নিষ্পত্তিই তাদের লক্ষ্য। আইন ও কূটনৈতিক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, বর্তমান পদক্ষেপ সাময়িক উত্তেজনা হ্রাসে সহায়ক হলেও পূর্ণাঙ্গ শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বহুপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক সমাধান অপরিহার্য।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৭, ২০২৬ 0

অল্প কিছু স্বৈরশাসকই বিশ্ব সংকট উসকে দিচ্ছে: পোপ

হাঙ্গেরির রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ চাইলেন নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী

হরমুজ প্রণালি নিয়ে সুখবর দিল ইরান

প্রবাস

আরও দেখুন
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।  এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং চীনা অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।  সকালের অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অন্তরীপ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এই অংশটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিকেলের অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়, যা দিবসটির তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে। আলোচনা সভায় ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ বেঙ্গল স্টাডিজের সভাপতি প্রফেসর দং ইয়ুচেন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু গুয়াংয়ু বাংলা ভাষায় বক্তব্য প্রদান করেন।  প্রফেসর দং ইয়ুচেন বলেন, "ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"   ইয়ু গুয়াংয়ু যোগ করেন, "চীনে বাংলা ভাষার প্রসারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি, এবং এই দিবসটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে।" রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমি আহ্বান জানাই, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।" অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির উদযাপন শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানটি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগরূক করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

চীন প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
বাংলাদেশে গম পাঠিয়ে আইনি বিপাকে নুসরাত জাহান

রেশন দুর্নীতি মামলায় ইডির তলবে টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক এমপি নুসরাত জাহান। ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আগামী ২২ এপ্রিল কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে তাকে। অভিযোগ, সরকারি রেশন বিতরণ ও গম সরবরাহ সংক্রান্ত একটি অনিয়ম তদন্তের সূত্র ধরেই তার নাম সামনে আসে। তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, অভিযোগকৃত সময় তিনি নুসরাত জাহান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। একই মামলায় অর্থ ও খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় দুর্নীতির বিস্তৃত অভিযোগ খতিয়ে দেখছে সংস্থাটি। তবে নুসরাত কলকাতায় সরাসরি হাজির না হয়ে দিল্লিতে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। ইডির তলবে তার আইনি ও প্রশাসনিক অবস্থান এখন নজরদারিতে রয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

ভোরে রাজধানীসহ দেশজুড়ে ভূকম্পন অনুভূত

দ্বিতীয়বার মা হওয়ার সুখবর দিলেন দীপিকা পাড়ুকোন

চমকের নতুন চমক

আবারো বিচ্ছেদের গুঞ্জন রণবীর-দীপিকার

বলিউডের আলোচিত দম্পতি রণবীর সিং ও দীপিকা পাড়ুকোন-এর বৈবাহিক সম্পর্ক ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে পুনরায় বিচ্ছেদের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য প্রদান করা হয়নি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, একটি অনির্ধারিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টকে কেন্দ্র করে এই জল্পনার সূত্রপাত। উক্ত পোস্টে দাবি করা হয়, পারস্পরিক মতপার্থক্যের জেরে দম্পতিটি সম্ভাব্য আইনি বিচ্ছেদের দিকে অগ্রসর হতে পারেন। যদিও এ ধরনের দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। এদিকে, সম্প্রতি ধুরন্ধর ২: দ্য রিভেঞ্জ-এর সাফল্য উদযাপনকালে দীপিকার অনুপস্থিতি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠলেও পরে তিনি স্পষ্ট করেন যে, চলচ্চিত্রটি তিনি পূর্বেই দেখেছেন। দম্পতির ঘনিষ্ঠ সূত্রসমূহ এ ধরনের গুঞ্জনকে ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেছে। পূর্বেও অনুরূপ গুজব প্রচারিত হলেও তা পরবর্তীতে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিশ্লেষকদের মতে, ব্যক্তিগত সম্পর্ক সংক্রান্ত এ ধরনের অনানুষ্ঠানিক তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া প্রচার করা সমীচীন নয় এবং এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য প্রাপ্তিই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পন্থা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৫, ২০২৬ 0

কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চিঠি পেয়েছিলেন পূর্ণিমা

নতুন আবহে উপস্থিত বিপাশা হায়াত

তৃতীয় সার্জারির প্রস্তুতিতে তানিয়া বৃষ্টি

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি এবারো ক্যামেরার বাইরে যুদ্ধ করছেন জীবনের সঙ্গে। গত ফেব্রুয়ারি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়া এই অভিনেত্রীর মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ে।  প্রথম অস্ত্রোপচারের পর দেশে কিছুদিন চিকিৎসা নিয়ে গত ৯ মার্চ চেন্নাইয়ে দ্বিতীয় সার্জারি সম্পন্ন করেছেন তিনি। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিশ্রামের মধ্যেই রয়েছে তৃতীয় অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি। ঈদে ১০টি নাটকে দেখা গেলেও শারীরিক অসুবিধার কারণে তিনি পুরোপুরি সাফল্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারেননি। সংবাদমাধ্যমকে তানিয়া বৃষ্টি জানান, অস্ত্রোপচারের পর মানসিকভাবে খুবই দুর্বল ছিলেন এবং সহজেই আবেগাপ্লুত হতেন। এখন কিছুটা সুস্থ হলেও চোখ ও নাকের সমস্যা রয়ে গেছে। নাটক ‘সুপ্তাদের বাড়ি’-র ট্রেলার দেখলেও আবেগ সামলাতে পারেননি তিনি। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা তাকে জীবনের গভীর বেদনা উপলব্ধি করিয়েছে, বিশেষ করে কাছের মানুষ হারানোর কষ্ট। অভিনেত্রী মনে করেন, এই কাজ তার অভিনয় জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্জন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তৃতীয় অস্ত্রোপচারের আগে আরও প্রস্তুতির প্রয়োজন। সব ঠিক থাকলে কয়েক মাসের মধ্যে এটি সম্পন্ন হবে। তানিয়া বৃষ্টি দৃঢ় প্রত্যয়ে আশা রাখছেন, সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে আবারও পর্দার সামনে দাঁড়াবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

সংবাদ সম্মেলনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন নিশো

‘এবার দুই থেকে তিন হতে চলেছি’: রাশমিকা

লুবাবার বিয়ে ঘিরে বিতর্ক, বাল্যবিবাহ আইনে শাস্তির আশঙ্কা দু’পক্ষের

কেজিএফের রেকর্ড ভেঙে দিলো রণবীর সিংয়ের ‘ধুরন্ধর টু’

রণবীর সিংয়ের নতুন ব্লকবাস্টার ‘ধুরন্ধর টু’ বক্স অফিসে ইতিহাস গড়ে চলেছে। মুক্তির মাত্র ১২ দিনে ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে সিনেমাটি আয়ের পরিমাণ ৮৬৫ কোটি রুপির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেছে। সংবাদ অনুসারে, এই রেকর্ড ভাঙা সাফল্যের ফলে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার যশের ‘কেজিএফ: চ্যাপ্টার টু’-এর আয়ের রেকর্ডও পেছনে পড়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ছবিটি খুব দ্রুত ১ হাজার কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করবে। বক্স অফিস বিশ্লেষক সংস্থা স্যাকনিল্ক জানিয়েছে, প্রথম সপ্তাহে সিনেমাটি ৬৭৪ কোটি রুপির আয় করে, আর দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুতেই ১৯.২৬ কোটি রুপি যুক্ত হয়। ১২ দিনের মধ্যে মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৮৬৬.১৩ কোটি রুপি। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এর উত্তেজনাপূর্ণ গল্প, রোমাঞ্চকর চরিত্র ও দারুণ নির্মাণশৈলী দর্শক আকর্ষণের মূল কারণ। রণবীর সিংয়ের অভিনয়, আর মাধবন, সঞ্জয় দত্ত, অর্জুন রামপাল ও ইয়ামি গৌতমের উপস্থিতি ছবিকে সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক প্যাকেজে পরিণত করেছে। বর্তমানে বাণিজ্যিক বিশেষজ্ঞদের নজর ‘ধুরন্ধর টু’র পরবর্তী লক্ষ্য ১,০০০ কোটি ও ১,২০০ কোটি রূপির রেকর্ড স্পর্শে। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এটি শীর্ষ আয়ের সিনেমা হিসেবে নাম লেখাতে যাচ্ছে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৩১, ২০২৬ 0

ঘণ্টাখানেক পানিতে ডুবে ফুসফুসে বালি ও নোনাজল ঢুকে মারা গেছেন রাহুল

জাতীয় পুরস্কারজয়ী অভিনেতা শামস সুমন আর নেই

ফুলের মাঝে মুগ্ধতা ছড়ালেন মিমি

চার ঝুঁকিতে বাংলাদেশ!

  •    জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট •    অর্থনৈতিক অস্থিরতা ও মুদ্রাস্ফীতি •    নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য •    ব্যাংকিং খাতে ঝুঁকি   চার ঝুঁকিতে আছে বাংলাদেশ । এগুলো হলো জ্বালানি স্বল্পতা,অর্থনৈতিক সংকট ও মুদ্রাস্ফীত,নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চ মূল্য এবং ব্যাংকিং খাতে উচ্চ খেলাপি ঋণ। চলতি এপ্রিল মাসের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং আলোচিত এসব ইস্যুগুলো প্রকাশ করা হয়। চলমান জ্বালানি সংকট বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ভঙ্গুরতা আরও বাড়িয়ে তুলছে এবং নীতিগত কাঠামোর সীমাবদ্ধতাগুলো স্পষ্ট করে দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন নাগরিক প্ল্যাটফর্ম-এর আহ্বায়ক ও সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)-এর  ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ধানমন্ডিতে সিপিডির কার্যালয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা শীর্ষক সংলাপে সম্প্রতি তিনি এ কথা বলেন।  মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে দেশে দেখা দিয়েছে তীব্র জ্বালানি সংকট। এতে অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। বিশেষ করে পরিবহন, শিল্প ও কৃষি খাতে ইতোমধ্যেই ভয়াবহ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি এবং সরবরাহের ঘাটতিতে ইতোমধ্যে অনেক পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। এতে করে শিল্প ও পরিবহন খাতে বড় প্রভাব ফেলছে ।    শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান, সারের উৎপাদন, মজুত ও সুষ্ঠু বিতরণ নিশ্চিতকরণ এবং শিল্প উৎপাদন ও প্রবৃদ্ধি বজায় রাখার স্বার্থে শিল্প খাতে প্রয়োজনীয় জ্বালানির জোগান অগ্রাধিকার ভিত্তিতে অব্যাহত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।  বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়,আগামী ৩ মাস দেশব্যাপী সব ধরনের আলোকসজ্জা পরিহার করতে হবে। এছাড়া বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে গৃহীত কর্মকৌশল বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রিন্ট এবং ইলেকট্রনিক মাধ্যমে প্রচার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পর্যাপ্তসংখ্যক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা, ব্যাংকিং সেবা সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে।জরুরিসেবা ছাড়া সব অফিস ভবন, বিপণিবিতান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান সন্ধ্যা ৬টায় বন্ধ করতে হবে। এদিকে বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন থেমে গেলে অর্থনীতির ওপর বহুমাত্রিক চাপ তৈরি হয়। এতে কর্মসংস্থান কমে, রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং বাজারে পণ্যের দাম বাড়ে। তাই শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আশার কথা হলো মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের জেরে সৃষ্ট উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট নিরসনে নতুন কর্মকৌশল গ্রহণ করেছে সরকার। এর আওতায় প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের নিত্যপণ্য বাজার এক অদৃশ্য আগুনে পুড়ছে। প্রতিদিন মানুষ যা দেখছে, তা শুধু পণ্যের দাম নয় একটি দীর্ঘস্থায়ী অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিচ্ছবি। মূল্যস্ফীতি শুধু অর্থনৈতিক সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক ও মানসিক সংকটও। মানুষের আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ব্যবধান যত বাড়ে, সমাজে অনিশ্চয়তা, হতাশা ও অপরাধপ্রবণতা তত বাড়ে।মূল্যস্ফীতি অর্থনীতির একটি স্বাভাবিক চিত্র হলেও বড় ধরণের মুদ্রাস্ফীতিকে অর্থনীতির জন্য অভিঘাত হিসেবে দেখা হয়।  দেশে দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি ৯ শতাংশের নিচে নামছে না। মূল্যস্ফীতির চাপে মানুষের জীবনে কষ্ট বাড়ছে। বিনিয়োগ, ব্যবসা -বানিজ্য, রপ্তানি আয়- কোথাও স্বস্তির খবর নেই। ব্যাংকিং খাত এখনো নড়বড়ে অবস্থায়। এসব বিষয় অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত। অতিরিক্ত মুদ্রা সরবরাহ, যুদ্ধ, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিনিয়োগ কমায় এবং ভোক্তাদের আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে । মূল্যস্ফীতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হলে দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত নীতি পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে বলে মত দিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। রাজস্ব সংগ্রহ কম হওয়ায় সরকারের আয়ও কমেছে অনেক। এতে বিভিন্ন খাতের ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে সরকারকে। রাজস্ব সংগ্রহের এই ধীরগতি ও ঘাটতির কারণে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সংকুচিত হচ্ছে, ঋণের বোঝা বাড়ছে এবং নতুন প্রকল্পের বাস্তবায়ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছে সরকার। এর পেছনে কর ফাঁকি, আয়ের বৈষম্য ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা দায়ী। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকেই রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন থেকে পিছিয়ে রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সেই ধারা থেকে এখনও বের হতে পারছে না সংস্থাটি। এতে ঘাটতির পরিমাণ বেড়েই চলছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম আট মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় এনবিআরের রাজস্ব আদায় কম হয়েছে প্রায় ৭১ হাজার ৪৭২ কোটি টাকা। এতে করে ব্যয়ের চাপ সামলাতে হিমশিম অবস্থায় সরকার। চলতি অর্থবছরের কোনো মাসেই আদায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ছাড়ায়নি, যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রতি মাসে ৭৫ হাজার কোটি টাকার বেশি। এই ঘাটতি মেটাতে এনবিআর-এর করজাল বিস্তার ও কর ফাঁকি রোধে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। পরিবহন খরেচের অজুহাতে ও জ্বালানি তেলের সংকটের ফলে পরিবহন ভাড়া, এবং উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের জনজীবনকে অতিষ্ঠ করে তুলেছে । উৎপাদন ঘাটতি, আমদানিতে ডলারের উচ্চ বিনিময় হার এবং সরবরাহ ব্যবস্থার সংকটের কারণে কাঁচাবাজার, মাছ-মাংস ও চাল-ডালসহ সবকিছুর দাম চড়া।জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ায় ট্রাক ও ভ্যান ভাড়া বেড়েছে, ফলে পণ্য পরিবহনে খরচ ৫-১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে । সার, বীজ ও সেচের জন্য বিদ্যুতের দাম বাড়ায় কৃষি উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে । পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটায় পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে । টাকার অবমূল্যায়নের ফলে আমদানিনির্ভর পণ্যের দামও বেড়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের বড় সমস্যাগুলোর একটি খেলাপি ঋণ। সময়ের সঙ্গে এই সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে উৎপাদনমুখী শিল্প খাতেও। বর্তমানে ব্যাংকগুলোর মোট ঋণের বড় একটি অংশ রয়েছে শিল্প খাতে, আর এই খাতেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে তীব্র তারল্য সংকট এবং উচ্চ খেলাপি ঋণের কারণে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। খেলাপি ঋণ ক্যানসারের মতো আর্থিক খাতকে ক্ষয় করছে, যার ফলে আমানতকারীদের আস্থায় চাপ এবং নতুন বিনিয়োগে শ্লথগতি তৈরি হয়েছে । রাজনৈতিক প্রভাব, বিগত সরকারে আমলে অনিয়ন্ত্রিত ঋণ বিতরণ এবং ইচ্ছাকৃত খেলাপিদের দৌরাত্ম্য এই পরিস্থিতির মূল কারণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে খেলাপির হার এখনো অত্যন্ত বেশি। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা কমার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, তবুও এটি আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক বেশি। জানা গেছে,  ব্যাংক খাতে সবচেয়ে বেশি ঋণ ৫০ কোটি টাকার ওপরে। এসব ঋণে খেলাপির হার ৫১ শতাংশ। ছোট ঋণে খেলাপি মাত্র সাড়ে ২১%। ব্যাংক খাতের বিতরণ করা ঋণের ধরন ও খেলাপির হার নিয়ে সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রতিবেদনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, যত বড় ঋণ, খেলাপিও তত বেশি। আর ছোট ও মাঝারি ঋণে খেলাপি কম। প্রতিবেদনের তথ্য ও ব্যাংকসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা তুলনামূলক বেশি সুদে ঋণ নেন। তারপরও তাঁরা সেই ঋণ পরিশোধে অত্যন্ত তৎপর থাকেন। ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার বা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগ কম। তার বিপরীতে বড় অঙ্কের ঋণে সুদহার থাকে কম। তারপরও বড় ঋণের গ্রাহকেরা কম সুদের সেই ঋণ ফেরতে নানা গড়িমসি করেন। অনেক ক্ষেত্রে তাঁরা ঋণ পরিশোধ না করে উল্টো নানা ধরনের ছাড় পান। ইস্টার্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলী রেজা ইফতেখার বলেছেন, এই মুহূর্তে ব্যাংকিং খাতের প্রধান সংকট তারল্য নয়, বরং উচ্চ খেলাপি ঋণ, যা এক ধরনের ‘ক্যানসারের মতো’ ভিতর থেকে খাতটিকে ক্ষয় করছে। এদিকে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণসহ বিভিন্ন ঝুঁকি শনাক্ত করতে তদারকি জোরদার করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ কারণে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে নিরীক্ষা-সংক্রান্ত অন্তর্বতী প্রতিবেদন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ-২ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।  

পারভীন আফরোজ খান> এপ্রিল ৫, ২০২৬ 0

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

শিক্ষা

আরও দেখুন
১৮ লক্ষাধিক পরীক্ষার্থী নিয়ে আজ থেকে শুরু হল এসএসসি ও সমমানের পরিক্ষা

সারা দেশে সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষা, প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলা প্রথম পত্র। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা গ্রহণ কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। নির্ধারিত নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্র প্রাঙ্গণে অন্তত ৩০ মিনিট পূর্বে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকায় শিক্ষার্থীরা সময়ের আগেই কেন্দ্রে প্রবেশ করে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশের ৩০ হাজার ৬৬৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে ছেলে ৯ লাখ ৩০ হাজার ৩০৫ জন এবং মেয়ে ৯ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানানো হয়, পরীক্ষা সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে ৩ হাজার ৮৮৫টি কেন্দ্রে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে এবং পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে কেন্দ্রসংলগ্ন এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পর্যবেক্ষণ জোরদারে ৩ হাজার ২০৯টি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং শিক্ষা বোর্ডসমূহকে প্রয়োজনীয় তদারকি জোরদারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও আইনানুগতা বজায় রাখতে সকল পক্ষকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

এসএসসি পরীক্ষায় কার্যকর হচ্ছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’

অটোপাশের দাবিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির উপর হামলা

শিখন ঘাটতি পূরণের জন্য ১০ শনিবার ক্লাস খোলা

লটারির পদ্ধতি বাতিল, স্কুল ভর্তি হবে পরীক্ষা নির্ভর: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা মন্ত্রণালয় দেশের স্কুলে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম বাতিল করার ঘোষণা দিয়েছে এবং পরীক্ষা-পদ্ধতিতে ফেরানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। মন্ত্রী জানান, শিক্ষার্থীদের যথাযথ প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করতে সব শ্রেণিতে পরীক্ষা কার্যকর করা হবে। তিনি আরও বলেন, “প্রাথমিক পর্যায়ের ভর্তি পরীক্ষা হবে সহজ ও শিশু-বান্ধব। কোনো শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা নেই।” এই পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে। লটারি ব্যবস্থা কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ২০২১ সাল থেকে চালু হলেও, এবার শিক্ষাব্যবস্থায় পূর্বাবস্থায় ফেরানো হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0

ঢাবির নতুন ভিসি ওবায়দুল ইসলাম ও ইউজিসির চেয়ারম্যান হচ্ছেন মামুন আহমেদ

সালাহউদ্দিন আম্মার

ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা মূল বেতনের ৫০ শতাংশ থেকে ১০০ শতাংশে উন্নীত করার উদ্যোগ নিচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যাচাই-বাছাই শেষে প্রধানমন্ত্রীকে প্রস্তাব দেওয়া হবে। কোন ধরনের অনিয়ম বা ঘুষ-বাণিজ্যের বিষয়ও খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া দ্রুত কার্যকর করা হবে এবং বেতন বিলম্বের বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

বর্ণবাদের শিকার হামজা, প্রতিবাদ করায় হলুদ কার্ড দেখালেন রেফারি!

ইংলিশ চ্যাম্পিয়নশিপে আবারও হার দেখল লেস্টার সিটি, আর সেই ম্যাচেই বর্ণবাদী আচরণের শিকার হয়েছেন বাংলাদেশি তারকা হামজা চৌধুরী—ঘটনা ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র বিতর্ক। শনিবার (১৮ এপ্রিল) লেস্টার সিটি ১-০ গোলে হেরে যায় পোর্টসমাউথ-এর বিপক্ষে, ফলে প্রিমিয়ার লিগে ফেরার লড়াইয়ে দলটির অবনমন শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়। ম্যাচের ৭১তম মিনিটে পরিবর্তিত হয়ে মাঠ ছাড়ার সময় হামজা চৌধুরী গ্যালারি থেকে অপমানজনক মন্তব্যের শিকার হন বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তিনি রেফারির সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়লে তাকে হলুদ কার্ড দেখানো হয়, যা নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করে। ডাগ আউটেও কিছুক্ষণ উত্তপ্ত পরিস্থিতি চললেও পরে কোচিং স্টাফের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এদিকে ৪৩ ম্যাচে ৪১ পয়েন্ট নিয়ে লেস্টার এখন টেবিলের ২৩তম স্থানে রয়েছে, ফলে অবনমন এড়াতে শেষ ম্যাচগুলোতে কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছে ক্লাবটি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৯, ২০২৬ 0

ম্যারাডোনার মৃত্যু রহস্য ‍উদঘাটনে নতুন করে বিচার শুরু

১৮ বছর বয়সেই বোল্টের রেকর্ড ভেঙে দিলেন গাউট

বিশ্বকাপের আগে আর্জেন্টিনার পেলো তিন বড় ধাক্কা

বোর্ড প্রধান হয়েই বুলবুলের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত পাল্টালেন তামিম

দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা ও অংশগ্রহণ সংকটের পর অবশেষে রাজধানীর ক্লাব ক্রিকেট কাঠামো পুনরুজ্জীবনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) বর্তমান অ্যাডহক কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন নেতৃত্ব গ্রহণের পরই ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে সাবেক সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের নেতৃত্বাধীন বোর্ডের অধীনে ক্লাবগুলোর একাংশের অনাগ্রহ ও মতবিরোধের কারণে ডিপিএল আয়োজন স্থগিত হয়ে পড়ে। এমনকি প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগ লিগ আংশিকভাবে অনুষ্ঠিত হলেও সব ক্লাবের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়নি, ফলে সার্বিকভাবে ঢাকার ক্লাব ক্রিকেট কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিসিবির অ্যাডহক কমিটির চেয়ারম্যান তামিম ইকবালের উদ্যোগে ১২টি ক্লাবের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের মাধ্যমে মে মাসের শুরুতে সুপার লিগ পর্ব ছাড়া ডিপিএল আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। একই সঙ্গে পূর্ববর্তী বোর্ডের নেওয়া কিছু প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। বিশেষত, প্রথম ও দ্বিতীয় বিভাগে অংশগ্রহণ না করা ক্লাবগুলোকে অবনমনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা আইনগত ও ক্রীড়া ন্যায্যতার প্রশ্ন বিবেচনায় বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে আলোচনা শেষে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে লিগ কাঠামো পুনর্বিন্যাস নিয়ে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে। বিশেষ করে, প্রমোশন ও রেলিগেশন ব্যবস্থা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার প্রস্তাবে কিছু ক্লাব আপত্তি জানিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে সমাধান হিসেবে ভবিষ্যৎ মৌসুমে ক্লাব সংখ্যা বাড়ানোর বিকল্প পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। এদিকে, দ্বিতীয় বিভাগে অংশ না নেওয়া ক্লাবগুলোর খেলোয়াড়দের সুযোগ দিতে পৃথক টুর্নামেন্ট আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা অংশগ্রহণমূলক ন্যায্যতা নিশ্চিতের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিসিবির সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে লিগ সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ম্যাচ সূচিতে পরিবর্তন আনা হচ্ছে। একদিনেই এক রাউন্ডের সব ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী কাঠামো থেকে ভিন্ন। সার্বিকভাবে, বর্তমান উদ্যোগগুলোকে ক্লাব ক্রিকেটে শৃঙ্খলা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং পেশাদারিত্ব নিশ্চিতের একটি প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়াস হিসেবে দেখা হচ্ছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১২, ২০২৬ 0

পিএসএল থেকে ছিটকে গিয়ে হতাশ পারভেজ ইমন

সাকিবকে দীর্ঘমেয়াদে দলে রাখার আগ্রহ হাবিবুল বাশারের

ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপের রেফারিদের তালিকা প্রকাশ

নিউজিল্যান্ড সিরিজে বাংলাদেশ স্কোয়াডে নেই কোনো চমক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ঘোষিত দলে কোনো নতুন পরিবর্তন না এনে আগের স্কোয়াডই বহাল রাখা হয়েছে। সর্বশেষ পাকিস্তান সিরিজে অংশ নেওয়া ক্রিকেটারদের নিয়েই গঠিত হয়েছে এই দল, যেখানে নেতৃত্ব দেবেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নির্বাচক প্যানেল এ দফায় কোনো চমক না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। ঘোষিত স্কোয়াডে রয়েছেন সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরীফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা।   বিস্তারিত আসছে...   

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে চলছে বিশাল রাজনৈতিক নাটক

বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ বাতিল, তামিমের নেতৃত্বে এডহক কমিটি গঠন

স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো

৯০ বছর বয়সে দৌড়ে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়লেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট

ফিফার সিদ্ধান্তেই নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপে ইরানের ভবিষ্যৎ

আসন্ন ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে ভেন্যু-সংক্রান্ত বিরোধে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে। ইরান ফুটবল ফেডারেশন (আইএফএফ) যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত ম্যাচগুলো নিরাপত্তা ও পরিস্থিতিগত বিবেচনায় মেক্সিকোতে স্থানান্তরের জন্য ফিফার কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় বিষয়টি জটিল রূপ নিচ্ছে। রোববার (৫ এপ্রিল) তুরস্কভিত্তিক আনাদোলু সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমাদ দোনিয়ামালি জানান, প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হলে ইরানের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে; অন্যথায় পরিস্থিতি পুনর্মূল্যায়ন করতে হতে পারে। তিনি ইঙ্গিত দেন, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে ম্যাচ খেলতে সরকার চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে না। এদিকে, অনিশ্চয়তা সত্ত্বেও দলের প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে। সূচি অনুযায়ী, ১৬ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে ইরানের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হওয়ার কথা। পরবর্তী ম্যাচগুলোও যুক্তরাষ্ট্রেই নির্ধারিত রয়েছে। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে ফিফার সিদ্ধান্ত এখন ইরানের বিশ্বকাপ ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0

পরিচালকদের টানা পদত্যাগের মধ্যেও চেয়ারম্যানপদ ছাড়ছেন না বুলবুল

তদন্তে অংশ না নেয়ার কারণ জানালেন আসিফ মাহমুদ

বিসিবি নির্বাচনের তদন্ত সম্পন্ন, অংশ নেননি আসিফ মাহমুদ

হরমুজ প্রণালিতে কড়া নিরাপত্তা
ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ আজ থেকে কার্যকর

এবার ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ আরোপ করছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ ইরানের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টা ৩০মিনিট) থেকে অবরোধ কার্যকর করা হবে। এই অবরোধ কার্যকর হলে ইরানের বন্দরগুলোতে কোনো জাহাজ ভিড়তে পারবে না এবং বর্তমানে যেসব জাহাজ ইরানের বন্দরগুলোতে আছে, সেগুলো বন্দর ত্যাগ করে বাইরে যেতে পারবে না। কোনো জাহাজ যদি অবরোধ অমান্য করে, তাহলে সেটি লক্ষ্য করে হামলা চালাবে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকোম)। গতকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে সেন্টকোমের পক্ষ থেকে। বার্তায় বলা হয়েছে, “সোমবার পূর্বাঞ্চলীয় (ইরানি) সময় সকাল ১০টা থেকে আরব সাগর এবং ওমান উপসাগরে অবস্থিত ইরানি বন্দরগুলোসহ ইরানের সব বন্দরে অবরোধ জারি করা হচ্ছে। এসব বন্দরে প্রবেশ কিংবা নির্গমনে ইচ্ছুক এবং ইরানের উপকূলীয় এলাকায় প্রবেশকারী সব দেশের জাহাজের ওপর এ অবরোধ নিরপেক্ষভাবে কার্যকর করা হবে। তবে যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান ব্যতীত অন্য কোনো দেশের বন্দরের উদ্দেশে যাওয়া-আসা করছে—সেসব জাহাজের চলাচলের স্বাধীনতায় সেন্টকোম কোনো বাধা দেবে না।” বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য জাহাজগুলোর সুবিধার জন্য অবরোধ কার্যকরের আগে নোটিশ দিয়ে এ ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে সেন্টকোমের এক্সবার্তায়। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে মার্কিন ও ইরানি প্রতিনিধিদের ২১ ঘণ্টার সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর গতকাল রোববার গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জলপথ হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ জারির হুমকি দিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এই হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এক্সে ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ কার্যকর করা বিষয়ক পোস্ট দিয়েছে সেন্টকোম।

নিখাদ খবর ডেস্ক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0

ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভারসাম্যহীনতায় বিশ্ব, সতর্কতা জাতিসংঘের

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহতা আরও একবার সামনে এনে জাতিসংঘ একটি জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। সংস্থাটির বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO) জানিয়েছে, ২০২৫ সালের জুলাই মাসে পৃথিবীজুড়ে গড় তাপমাত্রা পূর্ববর্তী সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। গত কয়েক মাস ধরেই বৈশ্বিক উষ্ণতা নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। ২০২4 সালের জুলাই ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে গরম মাস, কিন্তু বিজ্ঞানীরা বলছেন, চলতি বছর সেই রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত বেশি। গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ও এল নিনোর মতো প্রাকৃতিক ঘটনার মিলিত প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, “এই সংকেত মোটেও অবহেলা করার মতো নয়। জলবায়ু পরিবর্তন এখন ভবিষ্যতের ভয় নয়, এটি বর্তমানের বাস্তব দুর্যোগ।”   রেকর্ডভাঙা উষ্ণতা ও এর পরিণতি WMO-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসেই গড় বৈশ্বিক তাপমাত্রা শিল্পপূর্ব সময়ের তুলনায় ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল। এটি প্যারিস জলবায়ু চুক্তির প্রধান সীমা অতিক্রম করার আশঙ্কাকে বাস্তব করে তুলেছে। বিশেষ করে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে আগেই অস্বাভাবিক দাবদাহ শুরু হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের কিছু এলাকায় তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁয়েছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি। ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল, স্পেনে জলসংকট এবং চীনের নদীগুলোতে পানি শুকিয়ে যাওয়া—এইসব ঘটনা বৈশ্বিক উষ্ণতার প্রভাবের সরাসরি উদাহরণ। এ ছাড়া গলছে হিমবাহ, বাড়ছে সমুদ্রের উচ্চতা, এবং খরার কারণে কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে অনেক দেশে। জাতিসংঘ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে যে, তাপমাত্রার এই রেকর্ডব্রেকিং ধারা অব্যাহত থাকলে লাখো মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে এবং জলবায়ু উদ্বাস্তু হওয়ার হার উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে।   জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকলেও পৃথিবীর বড় অর্থনীতিগুলো কার্বন নিঃসরণ কমাতে যথেষ্ট পদক্ষেপ নিচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “জলবায়ু সংকটের সময়েও কয়লা পোড়ানো এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা চলতে পারে না। সময় এসেছে, রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে সাহসিকতার সঙ্গে।” এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপান নির্গমন কমানোর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা বললেও বাস্তবায়নে গতি কম। চীন ও ভারতের মতো উন্নয়নশীল শক্তিগুলোও উন্নয়ন চাহিদার দোহাই দিয়ে নিঃসরণ কমাতে দ্বিধাগ্রস্ত। তবে কিছু ইতিবাচক উদ্যোগও রয়েছে। সম্প্রতি ৫০টিরও বেশি দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার কিছু দেশ পরিবেশবান্ধব নীতিমালায় সরে আসছে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু আন্দোলনকারীরা আবারও রাস্তায় নামার ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলছে, “এই লড়াই শুধু পরিবেশের নয়, এটি মানবতার অস্তিত্বের লড়াই।”   পরিস্থিতি মোকাবেলায় বৈশ্বিক ঐক্য ছাড়া কোনো পথ নেই বলে জানিয়েছেন পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা। জুলাই মাসে রেকর্ড তাপমাত্রা যদি সত্যিই বাস্তবে পরিণত হয়, তবে সেটি হবে মানবজাতির জন্য এক বড় সতর্ক সংকেত। বিশ্ব এখন অপেক্ষা করছে—এই সংকেতকে নেতারা কতটা গুরুত্ব দেন, আর মানুষ কতটা প্রস্তুত থাকে এক বিপজ্জনক ভবিষ্যতের মুখোমুখি হতে।

জানিফ হাসান জুন ২৮, ২০২৫ 0

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের যে ঢেউ বইছে, তা যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ দক্ষিণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এই অস্বাভাবিক গরমে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়, আর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের তাপপ্রবাহ শুধু একটি স্বাভাবিক গ্রীষ্মকালীন ঘটনা নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে যেত না, এখন সেখানে ৪৫-৪৭ ডিগ্রিও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে আগুন লেগে যাচ্ছে বনাঞ্চলে, আর দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এই গরমে মৃত্যুহার বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ইতালির রোমে একদিনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে শুধুমাত্র হিট স্ট্রোকের কারণে। ফ্রান্সে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য ঠান্ডা ঘর তৈরি করতে হচ্ছে, আর জার্মানির কিছু এলাকায় পানি সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গরমের প্রভাবে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও পড়েছে বড় প্রভাব। রাস্তাঘাট ফাঁকা, অনেক অফিস ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দুপুরের সময়। পর্যটন খাতে পড়েছে বড় আঘাত, কারণ বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। কৃষিক্ষেত্রেও এর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে—খরায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গবাদিপশু পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে, আর কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন তীব্র গরম কেবল শুরু। যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এই হারে, তাহলে আগামী কয়েক দশকে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের নাগরিকদের সচেতন করতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে—যেমন দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু পরামর্শ বা সতর্কতা যথেষ্ট নয়। অনেকেই বলছেন, এখনই যদি বিশ্ব নেতারা কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এ ধরনের বিপর্যয় আরও ঘন ঘন দেখা যাবে, এবং শুধু ইউরোপ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। ইউরোপে এই গ্রীষ্মের ভয়াবহ চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি এখনই ঘটছে, এবং এর প্রভাব এখনই আমাদের জীবনকে করে তুলছে হুমকির মুখে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

Jamil Saxona জুন ২৫, ২০২৫ 0

রাজনীতি

আরও দেখুন
স্ত্রীর মনোনয়ন বিতর্কে মুখ খুললেন জিল্লুর রহমান

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সামাজিক মাধ্যমে বিতর্ক চলার মধ্যে মুখ খুলেছেন সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) প্রেসিডেন্ট ও জনপ্রিয় উপস্থাপক জিল্লুর রহমান।  তিনি বলেন, তার স্ত্রী ফাহমিদা হকের সংসদ সদস্য মনোনয়ন কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং দীর্ঘদিনের সামাজিক সম্পৃক্ততার ধারাবাহিক ফল। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ফাহমিদা হক লেখালেখি, সামাজিক উদ্যোগ ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় দীর্ঘদিন ধরে যুক্ত থেকে জনপরিসরে ভূমিকা রেখে আসছেন। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায়ই তার রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা। জিল্লুর রহমান আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় একই পরিবারে ভিন্ন ভিন্ন জনভূমিকা থাকতে পারে, তবে পেশাগত স্বাধীনতা ও নৈতিকতা অক্ষুণ্ন রাখা অপরিহার্য। সাংবাদিকতা ও নীতি গবেষণার ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে বলেও তিনি স্পষ্ট করেন। তিনি ফাহমিদা হকের নতুন দায়িত্বের সাফল্য কামনা করে আশা প্রকাশ করেন, তিনি সংসদীয় কার্যক্রমে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ২১, ২০২৬ 0

সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন চাওয়ার দাবি অস্বীকার আফরোজা আব্বাসের

গোপালগঞ্জে সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন আ.লীগ নেত্রী

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে ৩৬ জন মনোনীত

বিএনপির সংরক্ষিত আসনে বিলকিস ইসলামের এমপি মনোনীত হওয়ায় উচ্ছ্বাস

  বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংরক্ষিত নারী আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বিলকিস ইসলামকে মনোনয়ন দিয়েছে। এ ঘোষণায় নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। সোমবার (১৯ এপ্রিল) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ-এর স্বাক্ষরে ৩৬টি সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করা হয়। দলীয় সূত্র জানায়, বিলকিস ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতি ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তার রাজনৈতিক অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই এ মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা। উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক একেএম তাজুল ইসলাম ডালিম বলেন, বিলকিস ইসলাম একজন ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতা। মাঠ পর্যায়ের নেতাদের মূল্যায়নের এ সিদ্ধান্তে দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। উল্লেখ্য, বিলকিস ইসলাম নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের পানিয়ালপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।    

নীলফামারী প্রতিনিধি> এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0

পানিসম্পদমন্ত্রীর সঙ্গে ভাইরাল ভিডিও বিতর্কের ব্যাখ্যা দিলেন মাসুদ অরুণ

পুনরায় রাজপথে নামার প্রস্তুতির ঘোষণা দিলেন নাহিদ ইসলাম

গুজব তোলে নিন্দুকরা, ছড়ায় অজ্ঞরা, আর বিশ্বাস করে নির্বোধরা: রুমিন ফারহানা

বড় ব্যবধানে জয়ী রুবেল, শেরপুর-৩ এ বিএনপির হাসি

    শেরপুর-৩ আসনের শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলাকে অন্তর্ভুক্ত নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছেন। ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে রুবেল তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আলহাজ মাসুদুর রহমান মাসুদকে প্রায় এক লাখ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেন। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাতে জানান, ১২৮টি কেন্দ্রে গণনার ফলাফলে রুবেল ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট পেয়েছেন, আর মাসুদের ভোট ৪৭ হাজার ৫১। ভোটগ্রহণ সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। মোট ভোটারের মধ্যে ৫০.৫২ শতাংশ অংশগ্রহণ করেছেন। কিছু কেন্দ্রে অভিযোগে জড়িতদের আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিয়েছে।  

শেরপুর প্রতিনিধি> এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0

আপত্তি সত্ত্বেও ‘গণবিরোধী আইন’ পাস করায় বিরোধী দলের ওয়াকআউট

একাত্তরে কার কী ভূমিকা ছিল তার চূড়ান্ত সাক্ষী আল্লাহ: জামায়াত আমির

৮ এপ্রিল রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল করবে ছাত্রশিবির

সরকারের ভাবে মনে হয় বাংলাদেশ তেলের স্রোতে ভাসছে: শফিকুর রহমান

জ্বালানি সংকট ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতায় সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামী আমির ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা)-র ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, সরকারি মন্ত্রীরা যেন দেশের অর্থনীতি তেলের ওপর ভাসছে এমন প্রভাব তৈরি করছেন।  তিনি অভিযোগ করেন, পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকা সত্ত্বেও সরকার রিজার্ভ বেশি থাকার প্রমাণ দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। সংসদে জ্বালানি সংকট নিয়ে প্রশ্ন তুললেও নোটিশ আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না। ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান সংসদের গঠনকে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে বলেন, যারা সংসদে বসেছেন, তাদের অধিকাংশই অতীতের অন্যায় ও নির্যাতনের শিকার। তিনি সতর্ক করে বলেন, ফ্যাসিবাদ পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করলে তরুণ প্রজন্ম ও জামায়াত ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। তিনি ২৪-এর আন্দোলনের লক্ষ্য ব্যাখ্যা করে বলেন, বর্তমান প্রজন্ম কেবল ব্যক্তিগত পরিবর্তনের জন্য নয়, বরং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার মূল পরিবর্তনের জন্য সংগ্রাম করেছে। বিগত নির্বাচনে জনগণের সমর্থন ‘হাইজ্যাক’ বা ‘ডাকাতি’ করা হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকার লঙ্ঘন। ডা. শফিকুর রহমান ঘোষণা করেন, জনগণের রায় বাস্তবায়নে জামায়াত রাজপথে ফিরবে এবং ইনসাফ নিশ্চিত করবে। দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, যারা নিজের দলের মধ্যে গণতন্ত্র ও ইনসাফ রক্ষা করতে ব্যর্থ, তারা ১৮ কোটি মানুষের অধিকার রক্ষা করতে পারবে না। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সংসদে থাকা ৭৭ জন সদস্য জনগণের অধিকার রক্ষায় সতর্ক থাকবে। আলোচনা সভায় জাগপা-র মুখপাত্র রাশেদ প্রধানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শেষ পর্যন্ত ডা. শফিকুর রহমান দৃঢ়ভাবে জানিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের পুনরাগমন রোধ করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ডা. তাসনিম জারা

স্বাধীন নয় ‘নিয়ন্ত্রণশীল’ দুদক চায় সরকার: তাসনিম জারা

দলীয় প্রধানের দায়িত্ব ত্যাগ করলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি

‘জঙ্গি এমপি’ সম্বোধনে স্পিকারের কাছে বিচার চাইলেন হানজালা