হত্যাসহ ৪৭ মামলার আসামি খাগড়াছড়ির সাবেক মেয়র রফিকুল আলম ঢাকায় গ্রেফতার
আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
সৈয়দপুরে ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস পালিত
স্বামীর ওয়ারিশ সম্পত্তি পেতে সংবাদ সম্মেলন
ফকিরহাটে দাড়িপাল্লার নির্বাচনী গনমিছিল অনুষ্ঠিত
ছবি: সংগৃহীত
জাতীয়

বিচার দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সামনে হাদির স্ত্রীসহ ইনকিলাব মঞ্চের বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

শাবিপ্রবিতে শিক্ষার্থী-শিক্ষক সংঘর্ষ, ১৫ আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ডা. শফিকুর রহমান
রাজনীতি

“এই দেশে আর বিভাজনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না”: জামাতে আমির

রাজশাহী ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের নতুন ইতিহাস, আউন্সপ্রতি দাম ছাড়াল ৫,২০০ ডলার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২১৯ দশমিক ৯৭ ডলারে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ফিউচার বাজারে স্বর্ণের দর ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থান এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানান, ডলার দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা স্বর্ণের বাজারকে আরও চাঙ্গা করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, স্বর্ণের দাম স্বল্পমেয়াদে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ২৪০ ডলার ছুঁতে পারে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম বছরে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বেড়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৬৭৯ দশমিক ১৫ এবং ১ হাজার ৯৫১ দশমিক ৯৩ ডলারে। ডয়চে ব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডলারের বিকল্প হিসেবে বাস্তব সম্পদে বিনিয়োগ বাড়ায় ২০২৬ সালের মধ্যে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অলঙ্কারের গণ্ডি ছাড়িয়ে আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে বিপন্ন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: গভর্নর মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।  

জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ খেলাপি

  রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ এখন খেলাপি। এই বিশাল পরিমাণ টাকা আদায় হবে কি-না সেটা অনিশ্চিত। এদের মধ্যে অনেকেই পালিয়ে গেছে। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে সুদ খাতে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে ব্যাংকটি। ফলে বছর শেষে জনতা ব্যাংকের পরিচালন লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, নিরীক্ষার পর লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়াবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি এবং মূলধন ঘাটতি ছাড়াবে ৬৬ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ এর আদায় এবং কীভাবে খেলাপির পরিমাণ কমিয়ে আনা হবে, সেটা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে খেলাপি ব্যক্তির ঋণ নেওয়ার সময় যে জামানত আছে, সেটা বিক্রি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়ায় গিয়েছে ব্যাংকগুলো। একইসঙ্গে ঐ ব্যক্তির শেয়ার জব্দ করে টাকা আদায় হচ্ছে। কিন্তু এটা করতে গিয়ে নানা জটিলতাও তৈরি হয়েছে। যেমন- খেলাপি ঋণের বিপরীতে যে জামানত রাখা আছে, সেটার মূল্যমান ঋণের তুলনায় কম। অর্থাৎ দশ টাকার জামানত নিয়ে একহাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এসব জামানত বিক্রি করেও লাভ হচ্ছে না। বড় বড় ঋণগুলো দেওয়া হয়েছে বেনামে। এস আলম গ্রুপসহ অনেকেই নেপথ্যে থেকে বেনামে এসব ঋণ বের করে নিয়েছেন। ঋণগ্রহীতারা বিদেশে পলাতক। টাকাও বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। ফলে টাকা আদায় হচ্ছে না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান শুধু জনতা ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ঋণের নামে বের করে নিয়েছেন প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। যা ওই শাখার মোট ঋণের ৬৫ শতাংশ। এসব ঋণের অধিকাংশই ছিল বেনামি। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগে বেনামি ঋণগুলো তার নামে সংযুক্ত করেছে। জনতা ব্যাংকের নথি ঘেঁটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং গ্রুপ সম্পর্কিত মোট ৩২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৬ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয় ২০২১, ২২ ও ২৩ সালে। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা মেরে দিয়ে এখন প্রবাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। জনতা ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা লুটপাট করে অস্ট্রেলিয়ায় আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সালাউদ্দিন আহমেদ জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার রাজাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জনতা ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে জনতা ব্যাংক ঢাকার মতিঝিল শাখা থেকে আসিফ অ্যাপারেলস ১৪৭ কোটি ৮০ লাখ এবং আসিফ ফ্যাশনের নামে ১৩৯ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। এসব ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে ৪০০ কোটি টাকার ওপরে দাঁড়িয়েছে। ঋণের চাইতে তার ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানের মর্টগেজ মূল্য অনেক কম হওয়ায় তিনি কৌশলে ব্যাবসাটি গুটিয়ে নেন। এরপর সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেয়ারটেকার নিয়োগ করে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। চার বছর ধরে কেয়ারটেকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন জনতা ব্যাংকের গার্ড মাহবুব খান। এদিকে আব্দুল কাদির মোল্লার থার্মেক্স গ্রুপটির কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রুপালীসহ একডজন কমার্শিয়াল ব্যাংকের পাওনা রয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে খেলাপির পরিমাণ সবচেয়ে বেশী জনতা ব্যাংকের কাছে। এত অনিয়ম ও আর্থিক এ বিপর্যয়ের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফেরেনি। তড়িঘড়ি করে গত ৭ ডিসেম্বর ব্যাংকটির ২৬ কর্মকর্তাকে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) থেকে দেয়া এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে। ঋণ বিতরণে ঘুস গ্রহণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন পদোন্নতি ও বদলির মাধ্যমে ঘুস নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। আর্থিক সংকট কাটাতে উচ্চ সুদের আমানত সংগ্রহে জোর দিয়েছে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত দেড় বছরে ব্যাংকটি প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার আমানত সংগ্রহ করেছে, যার বেশির ভাগই উচ্চ সুদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০-১২ শতাংশ সুদে নেয়া এ আমানত দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকটির জন্য আরো ঝুঁকি তৈরি করছে। জনতা ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকটির সংগৃহীত আমানতের ৫৫ শতাংশই উচ্চ সুদের। মুনাফা নয়, বরং সংগৃহীত এ আমানত থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে ব্যাংকটি। রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়ের সূত্রপাত ২০০৯ সালে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অন্য ব্যাংকের মতো এ ব্যাংকেও রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে পর্ষদ গঠন করা হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ, কর্মীদের পদোন্নতি, ঋণ বিতরণসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা হতো রাজনৈতিক বিবেচনায়। এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লুণ্ঠনের শিকার হয়েছে জনতা ব্যাংক। বেক্সিমকো, এস আলম, এননটেক্স, থার্মেক্স গ্রুপ ক্রিসেন্টসহ বেশকিছু বড় গ্রুপ ব্যাংকটি থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে। এসব ঋণ এখন খেলাপির খাতায়। বাংলাদেশে খেলাপি ঋণে অ্যাননটেক্স গ্রুপ, বেক্সিমকো, থার্মেক্স গ্রুপ ও এস আলমসহ বড় বড় কোম্পানি নামে-বেনামে বড় অংকের ঋণ খেলাপি হয়েছে দেশটিতে। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে দেশটিতে খেলাপি ঋণ ছিলো বাইশ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ এগারো হাজার কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের জুন নাগাদ খেলাপি ঋণ গিয়ে ঠেকেছে পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ একবছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে তিন লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত কয়েকমাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সে হিসেবে দেশটির মোট ঋণের তেত্রিশ শতাংশরও বেশি খেলাপি হয়ে গেছে। জনতা ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা পরিচালন লোকসান দিয়েছে। ওই বছর সুদ খাতে ব্যাংকটির লোকসান ছিল ৩ হাজার ৪২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে এসে এ লোকসান আরো বেড়েছে। গত বছর জনতার পরিচালন লোকসান দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়।  বড় লোকসানের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় বাড়ছে। ২০২৪ সালে এ খাতে ব্যাংকটির ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। গত বছর-এ ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির এ পরিস্থিতির মধ্যেও ব্যাংকটির বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবর রহমান বলেন, “অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এজিএম থেকে ডিজিএম পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতির বোর্ডে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিও ছিলেন। ১২০ জনের মধ্যে মাত্র ২৬ জন পদোন্নতি পাওয়ায় কথা উঠছে। আমি যোগদানের পর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। কিছু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে একই বিভাগে কাজ করে আসছিলেন। নীতি অনুযায়ী যাদের একই অফিসে তিন বছর হয়ে গেছে, তাদের ভিন্ন অফিসে বদলি করেছি।” বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে আর টেনে নেয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, “জনগণের করের টাকা থেকে মূলধন জোগান দিয়ে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে যুগের পর যুগ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সুশাসনের ঘাটতি ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে জনতা ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলোতে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি মেনে নেয়া যায় না। কোনো ব্যাংকের যখন ৭০ শতাংশের বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে যায়, সেটিকে আর বাঁচিয়ে রাখার কোনো অর্থও হয় না।”

ডিসেম্বরে দেশে এলো ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, শীর্ষে সৌদি আরব

ডিসেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু ডিসেম্বরেই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ২২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা। দেশভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে—৪৯ কোটি ডলারের বেশি। খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে প্রায় ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও ওমান থেকেও উল্লেখযোগ্য অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে। ব্যাংকভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ সবচেয়ে বেশি, যা মোট আয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ধারাবাহিক প্রণোদনা, হুন্ডি দমন এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর আস্থা বৃদ্ধির ফলেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরেও প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

অপরাধ

প্লাস্টিক কারখানায় অভিযান : নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

বরিশাল জানুয়ারী ২০, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
রাজনীতি

জাপাতে ভোট দিলে শেখ হাসিনাকে ফেরানো যাবে দাবী জাপা কর্মীর

নীলফামারী প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

আইভ্যাকের নতুন নিয়মে হবে ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ

ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (আইভ্যাক) দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম চালু করেছে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হওয়া এই ব্যবস্থায়, পরের দিনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট সন্ধ্যা ৬টা থেকে বুক করা যাবে। আবেদনকারীদের বিকেল ৫টা ৩০ এর আগে সাইনআপ ও প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড করতে হবে। আইভ্যাক জানিয়েছে, নতুন সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীকে ইমেইল ও মোবাইলে ওটিপি ভেরিফিকেশন সম্পন্ন করতে হবে। সাইনআপ ও ডকুমেন্ট আপলোডের পরই অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা হবে। স্লট বুক করার পর আবেদনকারীকে নির্ধারিত ভিসা ফি প্রদানের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। নতুন এই ব্যবস্থা জাল অ্যাপয়েন্টমেন্ট গ্রহণ রোধে এবং আবেদনকারীদের জন্য সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে গৃহীত হয়েছে। আইভ্যাক সকলকে নির্দেশিকাগুলো সতর্কভাবে অনুসরণের জন্য অনুরোধ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতিকে ‘শত্রু তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউক্রেন

ছবি: এআই

ফ্লাইটে নারী সহযাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভারতীয় যুবক গ্রেফতার

সাইফ আল-ইসলাম গাদ্দাফি

মুয়াম্মার গাদ্দাফির ছেলে সাইফ আল-ইসলামকে গুলিকরে হত্যা

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন ট্যাংকারকে লক্ষ্য করে ইরানের ধাওয়া

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে আবারও সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনার ইঙ্গিত মিলেছে। ওমানের উত্তরাঞ্চলে একটি মার্কিন পতাকাবাহী তেলবাহী জাহাজকে ইরানের নৌযানগুলো ধাওয়া করেছে—এমন তথ্য দিয়েছে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক ঝুঁকি পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ভ্যানগার্ড। সংস্থাটির দাবি অনুযায়ী, ‘স্টেনা ইম্পেরেটিভ’ নামের ট্যাংকারটি আন্তর্জাতিক নৌপথে চলাচল করছিল এবং ইরানের স্বীকৃত জলসীমায় প্রবেশ করেনি। এ অবস্থায় কয়েকটি ইরানি গানবোট জাহাজটির কাছে এসে ইঞ্জিন বন্ধ করে থামার নির্দেশ দেয় এবং জাহাজে ওঠার প্রস্তুতিও নেয়। তবে ট্যাংকারটি গতি বাড়িয়ে পরিস্থিতি এড়িয়ে যায়। পরে একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ জাহাজটিকে নিরাপত্তা দিয়ে নির্ধারিত পথে এগিয়ে নেয়। মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান। এ ঘটনার আগে যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন্স (ইউকেএমটিও) জানায়, ওমান উপকূল থেকে প্রায় ১৬ নটিক্যাল মাইল দূরে সশস্ত্র নৌযানের একটি দল একটি বাণিজ্যিক জাহাজ আটকের চেষ্টা করেছিল। ঘটনাটি হরমুজ প্রণালির ট্রাফিক সেপারেশন স্কিমের ভেতরে ঘটেছে বলে জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট জাহাজের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানায় সংস্থাটি। অন্যদিকে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ ইরানি কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, একটি জাহাজ প্রয়োজনীয় আইনি অনুমতি ছাড়া ইরানের জলসীমায় প্রবেশ করেছিল। সতর্ক করার পর সেটি এলাকা ত্যাগ করে এবং কোনো নিরাপত্তা লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন রুট। পারস্য উপসাগরের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল এই পথ ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে। ফলে এই অঞ্চলে যেকোনো সামরিক বা নিরাপত্তাজনিত উত্তেজনা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি

“যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে অঞ্চলজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়বে”: খামেনি

যুক্তরাষ্ট্রের এপস্টেইন নথিতে মোদি-ট্রাম্পের নাম, ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে আজই সামরিক হামলার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের

ছবি: সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্টকে তুষ্ট করতে ইসরায়েল সফরে ‘নাচ–গান’ও করেছেন মোদি

যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত জেফ্রি এপস্টেইন–সংক্রান্ত নথিকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সদ্য উন্মুক্ত হওয়া তথাকথিত ‘এপস্টেইন ফাইলস’-এ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ করে কিছু দাবি করা হলেও ভারত সরকার তা কঠোর ভাষায় নাকচ করেছে। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম দ্য জেরুজালেম পোস্ট–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রকাশিত নথির অংশ হিসেবে একটি ই–মেইলের সূত্র ধরে দাবি করা হয়েছে—২০১৭ সালে ইসরায়েল সফরের প্রস্তুতি নিয়ে মোদি নাকি যুক্তরাষ্ট্রে যৌন অপরাধে দণ্ডিত ও বিতর্কিত অর্থলগ্নিকারী জেফ্রি এপস্টেইনের সঙ্গে পরামর্শ করেছিলেন। ওই ই–মেইলে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যেই এ সফর করা হয়েছিল। তবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এসব অভিযোগকে “ভিত্তিহীন, রুচিহীন ও একজন দণ্ডিত অপরাধীর কল্পনাপ্রসূত বক্তব্য” হিসেবে আখ্যা দিয়ে সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইসরায়েল সফরের ঘটনা ছাড়া বাকি সব দাবি অবিশ্বাস্য ও গুরুত্বহীন। এ বিষয়ে এখনো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের জুলাইয়ে নরেন্দ্র মোদি ইসরায়েল সফর করেন, যা ছিল ভারতের কোনো প্রধানমন্ত্রীর প্রথম সরকারি ইসরায়েল সফর। ওই সফরে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়। প্রসঙ্গত, যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নির্দেশে ২০২৫ সালের নভেম্বরে জেফ্রি এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করা হয়, যার ধারাবাহিকতায় সাম্প্রতিক সময়ে এসব বিতর্কিত তথ্য সামনে এসেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬ 0

যুক্তরাষ্ট্রে ফের আংশিক সরকারি শাটডাউন শুরু

সমুদ্রতলে মিসাইল সুড়ঙ্গের ভিডিও প্রকাশ, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

ছবি: সংগৃহীত

মহারাষ্ট্রে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ইরানবিরোধী অভিযানে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সৌদি আরব স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে দেশটির আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না।  মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সৌদি যুবরাজ ও কার্যত শাসক মোহাম্মদ বিন সালমান টেলিফোনে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানকে এই অবস্থানের কথা জানান বলে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ জানিয়েছে। আলোচনায় যুবরাজ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মতবিরোধ সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগকে সৌদি আরব সমর্থন করে। জবাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় থেকে যুদ্ধ এড়ানোর সব প্রচেষ্টায় তেহরানের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের অবস্থান নিয়ে জানায়, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে তাদের আকাশসীমা বা জলসীমা ব্যবহার করা যাবে না। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক তৎপরতা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, একটি বিমানবাহী রণতরী ও সহায়ক যুদ্ধজাহাজ ইতোমধ্যে অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে। তবে ওয়াশিংটন দাবি করছে, সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানোই তাদের অগ্রাধিকার। ইরানের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ রয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ব্যাপক প্রাণহানি ঘটেছে, যদিও ইরান সরকার এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0

ইন্দোনেশিয়ার পাহাড় ধসে ৭ প্রাণহানি, ৮২ নিখোঁজ

যুদ্ধ অবসানে প্রথমবার ত্রিপাক্ষীক আলোচনায় রাশিয়া–ইউক্রেন–যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
প্রেমের গুঞ্জনে আলোচনায় সিয়াম–সুস্মিতা

শ্রীলঙ্কায় শুটিংয়ের শেষ পর্যায়ে থাকা চলচ্চিত্র ‘রাক্ষস’ ঘিরে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে প্রধান দুই অভিনয়শিল্পী সিয়াম আহমেদ ও কলকাতার অভিনেত্রী সুস্মিতা চ্যাটার্জির একটি দৃশ্য। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি রোমান্টিক ছবিকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের আগ্রহ বাড়লেও সংশ্লিষ্টরা বিষয়টিকে পুরোপুরি চলচ্চিত্রের অংশ হিসেবেই দেখছেন। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় জানিয়েছেন, আলোচিত ছবিটি সিনেমার একটি গানের দৃশ্যের অংশ। শুটিংয়ের সুবাদে সিয়াম ও সুস্মিতার মধ্যে পেশাগত বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে, যা পর্দায় স্বাভাবিকভাবেই ফুটে উঠছে। তিনি বলেন, এটি কোনো ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং গল্পের প্রয়োজনে নির্মিত দৃশ্য। সিয়াম আহমেদও বিষয়টি স্পষ্ট করে জানান, সিনেমার মূল লুক এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে ভক্তদের আগ্রহের কারণে গানের দৃশ্যের একটি ঝলক শেয়ার করা হয়েছে। সামনে পোস্টার, টিজার ও ট্রেলারে আরও চমক থাকবে বলেও জানান তিনি। ‘রাক্ষস’ ছবির মাধ্যমে প্রথমবার বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করছেন সুস্মিতা চ্যাটার্জি। ছবিতে তাকে আধুনিক ও শিক্ষিত পরিবারের এক নারীর চরিত্রে দেখা যাবে। পরিচালক জানান, সিনেমাটির গল্প অন্ধকার জগতকে কেন্দ্র করে, যেখানে ভায়োলেন্স ও রাফ ন্যারেটিভের উপস্থিতি থাকবে। বর্তমানে শ্রীলঙ্কায় ছবির প্রায় ৮০ শতাংশ শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিট আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরবে এবং ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে দেশের অংশের শুটিং শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
শাকিব খান

বক্স অফিস কাপালেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় নেই শাকিবের নাম

আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা

ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুর ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়েত সংঘর্ষ, ৩০ আহত

সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের লিস্টে স্থান পেলেও আফসোস বাদশার

হঠাৎ আবেগের সিদ্ধান্ত যে বড় ধরনের অনুশোচনার জন্ম দিতে পারে—নিজের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়েই তা উপলব্ধি করলেন বলিউডের আলোচিত র‍্যাপার বাদশা। বিলাসবহুল জীবনযাপন ও আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তার মাঝেও প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে কেনা একটি গাড়ি এখন তার জন্য আফসোসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বাদশা জানান, কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই তিনি রোলস রয়েস কুলিনান সিরিজ–২ মডেলের একটি বিলাসবহুল গাড়ি কিনেছেন, যার আনুমানিক মূল্য ১২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। এই গাড়ির মালিক হওয়ার মাধ্যমে তিনি মুকেশ আম্বানি, শাহরুখ খান ও অজয় দেবগনের মতো হাতে গোনা কয়েকজন তারকার তালিকায় যুক্ত হন। তবে গাড়ি কেনার মুহূর্তের উচ্ছ্বাস খুব বেশি সময় স্থায়ী হয়নি বলে স্বীকার করেন এই র‍্যাপার। তার ভাষায়, কেনার পর কয়েক মিনিটের জন্য নিজেকে ‘রাজা’ মনে হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সেই অনুভূতি ফিকে হয়ে যায়। এরপর থেকেই বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয়ের বিষয়টি তাকে মানসিকভাবে নাড়া দেয়। বাদশা বলেন, এত দামি জিনিস হাতে আসার পর ভেতরে এক ধরনের শূন্যতা কাজ করতে শুরু করে। তিনি আরও স্বীকার করেন, দামি পোশাক ও জুতা কেনার ক্ষেত্রেও তিনি প্রায়ই আবেগতাড়িত সিদ্ধান্ত নেন। তবে এবার সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কেনার অভিজ্ঞতা তাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে—আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত যে সব সময় সুখ বয়ে আনে না, সেটাই যেন প্রমাণ করল এই ঘটনা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
তামান্না ভাটিয়া

রুপালি পর্দা পেরিয়ে ব্যবসার জগতে তামান্না ভাটিয়া

হানিয়া আমির

বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তায় আলোচনায় হানিয়া আমির

তাহসান খান

তাহসান খানের নতুন শুরু

ছবি: সংগৃহীত
ম্রুণাল–ধানুশের বিয়ের গুঞ্জন

বিনোদন অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে অভিনেত্রী ম্রুণাল ঠাকুরকে ঘিরে ছড়ানো বিয়ের গুঞ্জন। তামিল অভিনেতা ধানুশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ও আসন্ন বিয়ের খবর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক আলোচনা চললেও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়নি।     বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ম্রুণাল ও ধানুশের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক রয়েছে এবং ভালোবাসা দিবসে তাঁদের বিয়ের সম্ভাবনা আছে। তবে এ বিষয়ে দুজনের কেউই প্রকাশ্যে কোনো বক্তব্য দেননি। গুঞ্জনের মধ্যেই ম্রুণাল সামাজিক মাধ্যমে একটি সংক্ষিপ্ত পোস্ট দেন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘অটল ও স্থির’ বলে উল্লেখ করেন। এতে ভক্তদের মধ্যে নতুন করে ব্যাখ্যা ও আলোচনা শুরু হয়।     এদিকে অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানানো হয়েছে, বিয়ের খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এটি একটি গুজব মাত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, নিকট ভবিষ্যতে ম্রুণালের বিয়ের কোনো পরিকল্পনা নেই। ফলে, ধানুশ–ম্রুণাল বিয়ে নিয়ে চলমান আলোচনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
মহানায়িকা সুচিত্রা সেন

১২ বছর আগে ওপারে চলে গেছেন সুচিত্রা সেন

ছবি: সংগৃহীত

রাফসান–জেফারের গোপন সম্পর্কের গুঞ্জনে ইতি আজ

ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিল আদালত

তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানের দাম্পত্য জীবন শেষের পথে। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্ক ঝড়ের মুখে। কালের কণ্ঠকে একান্ত সাক্ষাৎকারে তাহসান খান নিশ্চিত করেছেন, “জুলাইয়ের শেষ থেকে আমরা আলাদা থাকছি। ব্যক্তিগত কারণে এখন বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।” তিনি জানান, সম্প্রতি বিবাহবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর ছড়ানোর কারণে এই তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন। তাহসান ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয় শেষে রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রোজা একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট, যিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এর আগে ২০০৬ সালে অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন তাহসান, যা ১১ বছরের পর ২০১৭ সালে শেষ হয়। এই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান—আইরা তাহরিম খান।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

শিক্ষা

আরও দেখুন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

দেশের সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবার থেকে নজরদারির আওতায় আসছে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পদ্ধতিতে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় এক হাজার স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে এই ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।   ✅ কীভাবে কাজ করবে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি? ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি রেকর্ড হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইডি কার্ড স্ক্যান অথবা ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালের শুরুতে হাজিরা রেকর্ড হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং তা অভিভাবকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে। শিক্ষকরা মোবাইল অ্যাপ অথবা অনলাইন ড্যাশবোর্ড থেকে তাৎক্ষণিকভাবে হাজিরার তথ্য দেখতে পারবেন। এর ফলে শিক্ষকের সময় বাঁচবে এবং অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সহজে শনাক্ত করা যাবে।   🎯 উদ্দেশ্য কী এই পদক্ষেপের? এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো— ✅ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা ✅ বিদ্যালয়ে সময়মতো উপস্থিতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা ✅ অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ✅ শৃঙ্খলা, মনোযোগ ও পাঠদানে স্বচ্ছতা আনা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, "ডিজিটাল হাজিরা শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার জন্য নয়, এটি শিক্ষার মান উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের আরও সম্পৃক্ত করার একটি আধুনিক মাধ্যম।"   📊 পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল প্রাথমিক পর্যায়ে চালু করা স্কুলগুলো থেকে ইতিমধ্যেই আসছে আশাব্যঞ্জক ফলাফল। হাজিরার হার বেড়েছে ৮৫% থেকে ৯৬% পর্যন্ত। ময়মনসিংহের একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "আগে অনেক শিক্ষার্থী বেলা ১১টায় এসে ক্লাসে ঢুকত, কিন্তু এখন সবাই ঠিক ৮টায় হাজির। অভিভাবকেরাও সময়মতো স্কুলে পাঠাতে সচেষ্ট হচ্ছেন।"   📱 অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অভিভাবক পর্যবেক্ষণ এই ডিজিটাল সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে একটি মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট, যেখানে প্রতিদিনের হাজিরা, ফলাফল, পরীক্ষার সময়সূচি ও শিক্ষকের মন্তব্য অভিভাবকরা দেখতে পারবেন। একজন অভিভাবক বলেন, "আগে আমরা জানতাম না সন্তান স্কুলে যাচ্ছে কিনা। এখন প্রতিদিন সকালে এসএমএস পেয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারি।"   🏫 চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যদিও এই পদ্ধতি অত্যাধুনিক, তবে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ইন্টারনেট সংযোগ ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ—এই তিনটি ক্ষেত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তবে শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে ৫০০০ বিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ও প্রশিক্ষণ বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।   📌 উপসংহার সরকারি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই শিক্ষাবিদরা মনে করছেন।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

কারিগরি শিক্ষা কেবল ডিগ্রি নয়, কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মূল চাবিকাঠি। জানুন কেন এই শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে দক্ষতা নির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কারিগরি শিক্ষা এখন শুধু বিকল্প নয়, বরং একটি সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাধারা। কারিগরি শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এটি শুধু কর্মসংস্থানের পথ নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম উপায়। সরকার, সমাজ ও পরিবার—সকলকে সম্মিলিতভাবে এই শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষা কী? কারিগরি শিক্ষা বলতে বোঝায় এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা যা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো পেশাগত বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করে। যেমন: ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, কম্পিউটার অপারেটর, অটোমোবাইল মেকানিক, গ্রাফিক ডিজাইনার, ফ্যাশন ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার ইত্যাদি পেশায় কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়। কেন কারিগরি শিক্ষা জরুরি? কারিগরি শিক্ষা হলো ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের গেটওয়ে। এটি পরবর্তী প্রজন্মকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সময় এসেছে কারিগরি শিক্ষাকে মূল ধারার শিক্ষার মতো মর্যাদা দেয়ার। সরকারের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও এই পরিবর্তনের অংশ হতে হবে। চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি  সাধারণ একাডেমিক ডিগ্রির তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত একজন ব্যক্তি খুব দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। কারণ এই শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে কাজ শেখে এবং সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট পেশার জন্য প্রস্তুত হয়। উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ কারিগরি জ্ঞান থাকলে নিজের উদ্যোগেও কাজ শুরু করা যায়। যেমন: একজন দক্ষ মেকানিক বা মোবাইল টেকনিশিয়ান খুব সহজেই একটি সার্ভিস সেন্টার খুলে আয় করতে পারে। গ্লোবাল জব মার্কেটে চাহিদা বিদেশেও দক্ষ কারিগরি পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে প্রবাসে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগ্রহণ করা তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। আধুনিক শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশের জন্য ভিত্তি একটি দেশ যদি টেকসই উন্নয়ন চায়, তাহলে তাকে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষাই সেই দক্ষতা তৈরির মূল চাবিকাঠি। বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে বাস্তবমুখী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে। এই প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে। এটি শুধু একটি বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের চাকরি ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।  

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়লেও চাকরি নিশ্চিত নয়

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

বাংলাদেশকে ২০২৬ আইসিসি টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানান। এ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে রাখার প্রশ্নে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে ২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলে আইসিসি দলটিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক আশঙ্কা উপেক্ষা করেই আইসিসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ
ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ফুটবলের কিংবদন্তি সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ এর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)। সামাদ ১৯৬৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পার্বতীপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২৩ বছর খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি তার অপূর্ব দক্ষতা এবং জাদুকরী ফুটবল খেলায় দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ক্রীড়াজগতের চমকপ্রদ ঘটনা ও তার অভিনব খেলার কৌশল আজও খেলাপ্রেমীদের মুখে মুখে জীবন্ত। সামাদ ১২ বছর বয়সে কোলকাতা মেইন টাউন ক্লাবে ফুটবল খেলা শুরু করেন। পরবর্তীতে ত্ররিয়িন্স ক্লাব, তাজ হাট ক্লাব, অল ইন্ডিয়া দল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পার্বতীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি রেলওয়েতে কর্মরত থাকলেও তার খ্যাতির কারণে নতুন পদ সৃষ্টি হয়। সামাদের স্মৃতি বিজড়িত ফুটবল মিলনায়তন ও বাড়ি বর্তমানে দখল হয়ে নষ্ট হতে বসেছে। সরকারি পর্যায়ের কোনো উদ্যোগ না থাকায় নতুন প্রজন্ম তার অবদান ভুলে যেতে বসেছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সামাদের জীবন ও কৃতিত্ব প্রাথমিক শিক্ষাপাঠ্য ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার ইতিহাস থেকে শিক্ষালাভ করতে পারে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ক্রিকেটার সংগঠনের দ্বন্দ্ব তীব্র

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

ছবি: প্রতিনিধি

ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আমিনুল ইসলাম বুলবুল
বিসিবি সভাপতির প্রশ্ন: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন?

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের দেশ ত্যাগের গুজব উড়াল দেওয়ার পরে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) নিজ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে গুজবকে ‘মিথ্যা’ ঘোষণা করেছেন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত্রে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তথ্য ছড়িয়ে পড়ে যে বুলবুল অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। এ বিষয়ে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, বিসিবির কাজের চাপের কারণে তিনি কোথাও যাচ্ছেন না।  বুলবুলের বক্তব্য, “আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন? আমার অবস্থান জানানো কি সত্যিই জরুরি?” তিনি আরও বলেন, “কি মনে হচ্ছে, আমি কি দেশের বাইরে?” বিসিবি সভাপতির পরিবার বহু বছর ধরে মেলবোর্নে বসবাস করছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পরও তিনি বেশ কয়েকবার মেলবোর্নে গিয়ে অনলাইনে অফিস পরিচালনা করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

ট্রিনিটি রডম্যান

নারী ফুটবলে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন ট্রিনিটি রডম্যান

বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসিকে চিঠি, বিসিবির পাশে দাঁড়াল পিসিবি

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ইস্যুতে নতুন করে কূটনৈতিক মাত্রা যোগ হয়েছে। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) অবস্থানকে সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠিয়েছে। ইএসপিএনক্রিকইনফোর তথ্য অনুযায়ী, পিসিবি চিঠিতে বর্তমান আঞ্চলিক রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে ভারতে খেলতে অনিচ্ছুক বিসিবির অবস্থানকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছে। চিঠির অনুলিপি আইসিসি বোর্ডের সদস্যদের কাছেও পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতে না রেখে শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের প্রস্তাব ঘিরে আলোচনা জোরদার হওয়ায় আইসিসি বুধবার বোর্ড সভা ডেকেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে পিসিবির চিঠির কারণেই সভা আহ্বান করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক ভারত ও শ্রীলঙ্কা। আইসিসি এখন পর্যন্ত সূচি পরিবর্তন বা ভেন্যু স্থানান্তরে অনড় অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার সমর্থন নিয়ে বিসিবি স্পষ্ট জানিয়েছে, দলকে ভারতে পাঠানো হবে না। এ নিয়ে আইসিসি ও বিসিবির মধ্যে একাধিক বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই অবস্থান পরিবর্তন করেনি। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২১, ২০২৬ 0
আইসিসির অ্যান্টি করাপশন এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ

বাংলাদেশের ভিসা না পাওয়ায় আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা অনুপস্থিত, আসছেন এক প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত

বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

ক্রিকেটারদের চাপেই বিসিবি অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুলকে বরখাস্ত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
ফকিরহাটে দাড়িপাল্লার নির্বাচনী গনমিছিল অনুষ্ঠিত

ফকিরহাটে ১১ দলীয় জোটের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৫ জানুয়ারি) বাদ আছর মডেল মসজিদ চত্ত্বর থেকে একটি নির্বাচনী গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকবাংলো মোড় চত্ত্বরে শেষ হয়, যেখানে পথসভায় নেতা-কর্মীরা বক্তব্য রাখেন। সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফকিরহাট উপজেলা শাখার আমির মাওলানা এবিএম তৈয়াবুর রহমান, সেক্রেটারি শেখ আবুল আলা মাসুম, সহকারী সেক্রেটারি শেখ সুমন হোসেন, নির্বাচনী প্রধান এজেন্ট অধ্যাপক মোফাজ্জল হায়দার ও ইউনিয়ন যুবনেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা ভোটারদের কাছে হ্যা ও দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, এটি দেশের জন্য মানবিক, ন্যায় ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে।  

ফকিরহাট প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কিশেরগঞ্জে সুজন-এর গণভোট নিয়ে ধর্মীয় নেতাদের সাথে সংলাপ

ছবি: প্রতিনিধি

“নারী সমাজকে পেছনে রেখে দেশকে পুনঃগঠন করা সম্ভব নয়”: মঞ্জু

ডা. শফিকুর রহমান

“এই দেশে আর বিভাজনের রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না”: জামাতে আমির

ছবি: প্রতিনিধি
“দেশে আসতে গিয়ে যার অদৃশ্য শক্তির উপর নির্ভর করা লাগে, সেই নেতাই জামায়াতে ইসলামীকে গুপ্ত বলছ“: আব্দুল খালেক

সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও জামায়াত কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেছেন, দেশে অদৃশ্য শক্তির প্রতি নির্ভরশীল নেতা জামায়াতকে গুপ্ত বলছে। নির্বাচনের আগে তারা নতুন রঙ ধারণ করে কথা বলে। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সাতক্ষীরা পৌর ৮ নং ওয়ার্ডের তুফান কোম্পানীর মোড়ে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি পথসভায় তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে সাতক্ষীরার মানুষের জন্য আমরা কাজ করেছি, জেল ও কঠোর সময়ের মধ্যে থেকেও দেশ ছেড়ে যাইনি। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ১১ দলীয় জোটের সমর্থনে ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন হবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ অতীতে ক্ষমতায় থেকে মানুষকে কষ্ট দিচ্ছেন, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি করছেন। নির্বাচন সামনে রেখে সম্ভাব্য নির্বাচনি এজেন্টদের ঘরে ঘরে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, এবার ভোটে কোন কালো টাকা, প্রভাব বা ইঞ্জিনিয়ারিং কাজে আসবে না। পথসভায় বক্তব্য রাখেন জামায়াতের জেলা নায়েবে আমীর শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওবায়দুল্লাহ, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ও জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি প্রভাষক ওমর ফারুকসহ অন্যান্য নেতা-কর্মীরা। সভায় সভাপতিত্ব করেন সাতক্ষীরা পৌর ৮ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আবদুল গফুর।

সাতক্ষীরা ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

“আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকতে আপনাদের কোন‌ ক্ষতি হতে দিবনা”: মির্জা ফখরুল

ছবি: প্রতিনিধি

আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সারজিসের প্রতিনিধিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা

সাতক্ষীরা ৩ আসনের বিএনপির ২৮ নেতা-কর্মী বহিষ্কার

“আমরা মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই”: ডা. শফিকুর রহমান

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি হবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার নির্বাচন। তিনি বলেন, বিগত ৫৪ বছরে অনেক নির্বাচন ও ওয়াদা ছিল, কিন্তু অধিকাংশ পূর্ণ হয়নি। দেশের যুবকেরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ দাবিতে সংগ্রাম করেছেন, আমরা সেই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে চাই – ইনসাফ, কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) টাঙ্গাইল শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোটের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, “এবারের নির্বাচন শুধু ভোট নয়, এটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ার মঞ্চ। জুলাই যুদ্ধে রক্ত দেয়া যোদ্ধাদের সম্মানে সবাই ‘হ্যা’ ভোট দিন।” জনসভায় ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থীদের পরিচয় করানো হয়। টাঙ্গাইল-৫ আসনের প্রার্থী আহসান হাবীব মাসুদের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন ও খন্দকার শাহাবুদ্দিন। নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসভায় বিপুল সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরাপত্তা জোরদার করে দায়িত্ব পালন করেন।

টাঙ্গাইল ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

“সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের পানীয় জলের সংকটের সমাধান করবে বিএনপি”: ফরিদুল ইসলাম

জামায়াতের ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

“গুপ্ত দলের নেতারা নারী ও জনগণকে অসম্মান করছেন”: তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি
“জামায়াতে ইসলাম ইসলামের কথা বলে মানুষকে প্রতারণা করছে”: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, জামায়াতে ইসলাম ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। দাড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়া যাবে এমন মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে বিশেষ করে নারী ভোটারদের প্রতারণার চেষ্টা করছে দলটি। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ফখরুল বলেন, “জামায়াত কখনোই ইসলামী দল নয়। তারা রাজনীতি করতে পারে, কিন্তু মিথ্যা কথা বলার অধিকার নেই।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি সরকারে এলে আগামী দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি বেকার যুবক-যুবতীকে চাকরি দেওয়া হবে। বর্তমান সরকারের সময়ে বিএনপির নেতা ও কর্মীদের ওপর ১৫ বছর ধরে অত্যাচার, মামলা ও জেল যন্ত্রণার মধ্য দিয়ে মানুষকে ভোট দেওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ফখরুল আরও জানান, ৭ ফেব্রুয়ারি ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান আগমণ করবেন। মায়েদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ড দেওয়া হবে এবং যারা ব্যাংক ঋণ নিয়েছেন তাদের সুদ মওকুফ করা হবে। তিনি বলেন, “আগের সরকারের কারণে সাধারণ মানুষ ঠিকভাবে ভোট দিতে পারেনি, এবার নির্বাচনে ভোট সঠিকভাবে অনুষ্ঠিত হবে।” সভায় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির নেতারা এবং স্থানীয় সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

জনগণ যেন ব্যর্থ ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের ‘লাল কার্ড’দেখায়: ডাঃ শফিকুর রহমান

আগামির পার্লামেন্ট হবে জনগনের: শহিদ উদ্দিন স্বপন

ছবি: প্রতিনিধি

১২ দফা অঙ্গীকারে ‘আগামী ভালুকা’র রূপরেখা দিলেন ডা. জাহিদুল ইসলাম