প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশে ভাষণ রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে
চট্টগ্রামে অস্ত্র ও গুলিসহ সন্ত্রাসী গ্রেফতার, বড় সাজ্জাদের সহযোগী দাবি করছে র‍্যাব
নীলফামারীর ৪,৩৩৫ মসজিদে একই নিয়মে খতমে তারাবীহ
জামায়াত আমীরের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৪ লাখ টাকা আদালতে জমা
সৈয়দপুরে বাসে অভিযান চালিয়ে ৬ হাজার ইয়াবাসহ যুবক গ্রেফতার
বাংলাদেশ

পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
জাতীয়

নতুন প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে সচিবালয়ে উৎসবমুখর প্রস্তুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
জাতীয়

কবে আর কীভাবে হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ফের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা

দেশীয় স্বর্ণবাজারে আবারও ঊর্ধ্বগতি দেখা দিয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) নতুন করে স্বর্ণের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে। সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুসের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই মূল্য সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নতুন দরে ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকায়। এর মাত্র এক দিন আগেই, ৬ ফেব্রুয়ারি বাজুস একই অঙ্কে স্বর্ণের দাম কমিয়েছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি ছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। ফলে এক দিনের ব্যবধানে আগের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে আবারও মূল্য বৃদ্ধি করা হলো। চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ২৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৭ দফা দাম বেড়েছে এবং ৯ দফা কমেছে। আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে, মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল—যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়। এদিকে স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৯০৭ টাকায়। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, স্বর্ণের দামের এই ঘন ঘন ওঠানামা ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের জন্য অনিশ্চয়তা তৈরি করছে, যা সামগ্রিক বাজার ব্যবস্থাপনায় বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরছে।

আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে সরবরাহ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে দেশের ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৯ কোটি ৬৫ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) এই ডলার ক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয় বলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডলার কেনাবেচার ক্ষেত্রে প্রতি ডলারের বিনিময় হার ও কাট-অফ রেট নির্ধারণ করা হয় ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। একই দরে আগের দিন বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক ১৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আরও ১৭ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার সংগ্রহ করে। এর আগে চলতি মাসের ২ ফেব্রুয়ারি অতিরিক্ত ২১ কোটি ৮৫ লাখ মার্কিন ডলার কেনা হয়। ফলে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম পাঁচ দিনেই বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট ডলার ক্রয় দাঁড়িয়েছে ৫৮ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে এ পর্যন্ত মোট ৪৫১ কোটি ৯৫ লাখ মার্কিন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর আগে জানুয়ারি মাসজুড়েও একাধিক দফায় বিভিন্ন সংখ্যক বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে একই দরে ডলার সংগ্রহ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, বাজারভিত্তিক ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে নির্ধারিত কাট-অফ রেটে ডলার কেনা হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া রিজার্ভ ব্যবস্থাপনার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।  

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের নতুন ইতিহাস, আউন্সপ্রতি দাম ছাড়াল ৫,২০০ ডলার

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম ইতিহাসে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২০০ ডলারের সীমা অতিক্রম করেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ২১৯ দশমিক ৯৭ ডলারে, যা সর্বকালের সর্বোচ্চ। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত স্বর্ণের দাম প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। একই সঙ্গে মার্কিন ফিউচার বাজারে স্বর্ণের দর ২ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৫ হাজার ২১৬ দশমিক ৮০ ডলারে লেনদেন হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন ডলারের চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থান এবং বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকছেন। বাজার বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানান, ডলার দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা এবং যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমতে পারে—এমন প্রত্যাশা স্বর্ণের বাজারকে আরও চাঙ্গা করেছে। বিশ্লেষকদের ধারণা, স্বর্ণের দাম স্বল্পমেয়াদে আউন্সপ্রতি ৫ হাজার ২৪০ ডলার ছুঁতে পারে। স্বর্ণের পাশাপাশি অন্যান্য মূল্যবান ধাতুতেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম বছরে প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়ে ১১৩ দশমিক ৬৩ ডলারে পৌঁছেছে। প্লাটিনাম ও প্যালাডিয়ামের দামও বেড়েছে যথাক্রমে ২ হাজার ৬৭৯ দশমিক ১৫ এবং ১ হাজার ৯৫১ দশমিক ৯৩ ডলারে। ডয়চে ব্যাংকের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ডলারের বিকল্প হিসেবে বাস্তব সম্পদে বিনিয়োগ বাড়ায় ২০২৬ সালের মধ্যে স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৬ হাজার ডলারে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রভাব বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বাজারেও পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতায় স্বর্ণ বিনিয়োগকারীদের কাছে অলঙ্কারের গণ্ডি ছাড়িয়ে আর্থিক নিরাপত্তার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে বিপন্ন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: গভর্নর মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ছবি: সংগৃহীত
ফের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরিপ্রতি ৭ হাজার ৬৪০ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
আবারো ১৯৬.৫ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ খেলাপি
বিশেষ প্রতিনিধি> জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

বাংলাদেশ

বাগেরহাটে বিএনপির একটি ও জামায়াতের ৩ টি আসনে বিজয়

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

নীলফামারী জেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের ঝাড়পাড়ায় মনিরুজ্জামান (রাজু) গড়ে তুলেছেন রাজু অর্গানিক গার্ডেন অ্যান্ড নার্সারী, যেখানে বিভিন্ন জাতের মাল্টা, কমলা এবং দেশি-বিদেশি ফলের চারা উৎপাদন করা হচ্ছে। রাজু ডিপ্লোমা কৃষিবিদ পাস করার পর চাকরি না পেয়ে উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। ২০১৮ সালে নিজের পৈতৃক দেড় একর জমিতে তিনি মাল্টার বাগান গড়ে তোলেন। বাগানে বর্তমানে রাজু-১ ও রাজু-২ নামে তার উদ্ভাবিত মাল্টার দুটি জাত ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। রাজুর বাগান থেকে নীলফামারীর বিভিন্ন অফিস-আদালত ও দেশের বাইরের জেলায় মাল্টা পাঠানো হচ্ছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। বাগানে কমলা, সিকি মোসাম্বি, বারী-১, বারী-২, মরক্কো, থাই পেয়ারা, বারো মাসী আমড়া, কাঁঠাল, ড্রাগন, আনার, আপেল, কাজু ও পেস্তা বাদামসহ প্রায় ৪০০ প্রজাতির ফলগাছ রয়েছে। রাজু বলেন, “২০১৯ সালে প্রথম ফল পাওয়া শুরু হয়। ২০২০ সালে ফলন ও মিষ্টিতা বেশি হওয়ায় বাজারে চাহিদা বেড়ে যায়। গত বছর বাগান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকার আয় হয়েছে, এবারে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে যাবে আশা করি।” পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনারুল হক বলেন, “রাজু মনেপ্রাণে কাজ করেছে। কৃষি বিভাগের পরামর্শে মাল্টা ও কমলার উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে সফলতা পেয়েছে।” নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, “ব্যক্তিগত উদ্যোগে তৈরি এই বাগান থেকে বিষমুক্ত, স্বাস্থ্যকর মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে। এটি স্থানীয়দের কর্মসংস্থানও দিয়েছে।” নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মঞ্জুর রহমান বলেন, “রাজুর বাগান থেকে উৎপাদিত মাল্টা ও কমলা দেশজুড়ে বিস্তৃত হতে পারে। ভার্মি কম্পোস্ট, জৈব সার ও হাঁড়ের গুড়া ব্যবহার করে আশাতীত ফলন মিলছে। কৃষি বিভাগও রাজুর উদ্ভাবিত মাল্টা জাত দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছে।”  

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি

মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নীলফামারীর সৈয়দপুরে ব্যাপকভাবে আলুখেতে লেটব্রাইট (কোল্ড ইনজুরি) রোগ দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক স্প্রে করেও সুফল না পাওয়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন আলুচাষিরা। জেলায় হিমশীতল বাতাস ও দীর্ঘস্থায়ী কুয়াশার প্রভাবে শত শত বিঘা আলুখেত আক্রান্ত হচ্ছে। কৃষকদের অভিযোগ, নামি-দামি বালাইনাশক ব্যবহার করেও রোগ দমন করা যাচ্ছে না। ফলে ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় লোকসানের হিসাব কষে দিশাহারা হয়ে পড়েছেন তারা। কিশোরগঞ্জ উপজেলার উত্তর দুরাকুঠি এলাকার আলুচাষি আবদুল জব্বার বলেন, গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় ভালো ফলন পাওয়ায় এবার দ্বিগুণ জমিতে আলু আবাদ করা হয়েছিল। কিন্তু চলতি মৌসুমে শীত ও কুয়াশার কারণে লেটব্রাইট রোগে ফসল নষ্ট হচ্ছে।     কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি রবি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় ১৮ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৬২০ টন। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মনজুর রহমান বলেন, আক্রান্ত এলাকার তথ্য পেলে দ্রুত মাঠ পর্যায়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কিশোরগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম জানান, প্রচণ্ড শীত ও কুয়াশায় আলুখেতে এ ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।     সৈয়দপুর উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে লেটব্রাইট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। কৃষকরা দোকানিদের পরামর্শে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে শীত ও কুয়াশা থেকে রক্ষায় বোরো বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ। দেশের মোট জনসংখ্যার একটি বড় অংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের নেতিবাচক প্রভাব কৃষিখাতকে চরমভাবে আঘাত করছে। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টি, দীর্ঘদিন খরা এবং হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় বা বন্যার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ এখন কৃষকের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফসল উৎপাদনে ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।   চলতি মৌসুমেই অনেক জেলায় ধান, গম, ভুট্টা এবং অন্যান্য মৌসুমি ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক কম হয়েছে। কৃষকরা জানিয়েছেন, একদিকে যেমন আবহাওয়ার আচরণ বুঝে ওঠা যাচ্ছে না, অন্যদিকে সারের দাম, কীটনাশক ও বীজের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আবার জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পোকার আক্রমণ ও রোগবালাইয়ের হারও বেড়ে গেছে। এই চাপে পড়ে অনেক কৃষকই ফসল উৎপাদনে আগ্রহ হারাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।   জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ছোট ও প্রান্তিক কৃষকরা। তাদের পক্ষে বারবার ক্ষতির ধাক্কা সামলে উঠে আবার নতুনভাবে চাষাবাদ শুরু করা কঠিন হয়ে পড়ছে। কোনো কোনো অঞ্চলে দেখা গেছে, কৃষকরা ঐতিহ্যবাহী ফসল বাদ দিয়ে কম ঝুঁকিপূর্ণ ও লাভজনক অন্য চাষাবাদের দিকে ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য বৈচিত্র্য ও পুষ্টিমানেও প্রভাব ফেলতে পারে।   বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষিকে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত থেকে রক্ষা করতে হলে জরুরি ভিত্তিতে টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে হবে। একইসঙ্গে কৃষকদের প্রশিক্ষণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ ও সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। কৃষি গবেষণায় বিনিয়োগ বাড়িয়ে এমন জাত ও পদ্ধতি উদ্ভাবনে গুরুত্ব দিতে হবে যা কঠিন জলবায়ু পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে।   দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য কৃষি খাতকে সচল রাখা জরুরি। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এখনই পরিকল্পিত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নিলে ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

প্রতিবেশী দেশে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হয়েছে: মুখ্যমন্ত্রী মমতা

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু পরিচালনাকে উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরে ভারতের বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়েছে। অথচ ভারতে, বিশেষ করে বাংলায়, ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। এটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি প্রশ্ন তোলে।” তিনি ভারতের নির্বাচন কমিশনকে নিশানা করে বলেন, কমিশনের থ্রেট কালচার পুরো গণতন্ত্রকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং প্রক্রিয়াকে “বুলডোজ” করেছে। মমতা আরও অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় শাসকদল ও কমিশন জেলা প্রশাসকদের হুমকি দিচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মৌলিক নীতির পরিপন্থী। রাজনীতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মমতার এই মন্তব্য আগামী নির্বাচন এবং রাজ্য-রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা সমীকরণের উপর প্রভাব ফেলতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
ইমরান খান

কারাবন্দি ইমরান খানের স্বাস্থ্যে গুরুতর অবনতি, হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

যুক্তরাষ্ট্রের হাজার হাজার সেনা পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধের প্রস্তুতিতে

ছবি: প্রতিনিধি

দক্ষিণ এশিয়ার শান্তি ও সহযোগিতায় সাংবাদিকতার ভূমিকা নিয়ে আন্তর্জাতিক স‌ম্মেলন

ছবি: প্রতিনিধি
কানাডায় হাইস্কুলে বন্দুক হামলায় নিহত ১০

কানাডার পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য ব্রিটিশ কলাম্বিয়ায় টাম্বলার রিজ সেকেন্ডারি স্কুলে মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে এক বন্দুকধারীর হামলায় কমপক্ষে ১০ জন নিহত এবং অনেকজন আহত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে হামলাকারীও রয়েছে। গুরুতর আহত দুইজনকে হেলিকপ্টারে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আনুমানিক ২৫ জনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে, যদিও তাদের অবস্থা গুরুতর নয়। আরসিএমপি জানিয়েছে, স্কুলের বাইরে একটি আবাসনেও দুইজনের মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে, যা হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয় সব শিক্ষার্থী ও কর্মচারীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পুলিশ এই ঘটনার ব্যাপক তদন্ত শুরু করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব আলী লারিজানি।

পারমাণবিক আলোচনার জন্য ওমানে পৌঁছালেন ইরানের লারিজানি

‘আলোচনার পথ নয়, সামরিক পদক্ষেপ নিন’, আত্মহত্যার আগে ট্রাম্পকে ইরানি যুবকের আবেদন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

৩৭ বছরের ঐতিহ্য ভেঙে কৌশলে সতর্কের ইঙ্গিত খামেনির

চাঁদে শহর স্থাপনের উদ্যোগে নিচ্ছেন ইলন মাস্ক

মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং স্পেসএক্সের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক চাঁদে মানুষের বসতি স্থাপনের একটি বিশাল পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্পেসএক্স চাঁদে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ শহর গড়ে তোলার দিকে মূল মনোযোগ দিচ্ছে এবং আগামী ১০ বছরের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব।    রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মানবসভ্যতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এখন সংস্থার প্রধান অগ্রাধিকার, ফলে মঙ্গল গ্রহে স্থায়ী বসতি স্থাপনের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য আপাতত পিছিয়ে রাখা হয়েছে। রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মাস্ক জানান, স্পেসএক্স ২০২৭ সালের মার্চে চাঁদে একটি মানববিহীন মহাকাশযান অবতরণের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে চাঁদ অভিযানের প্রস্তুতি এবং প্রাথমিক অবকাঠামো স্থাপন শুরু হবে। এর আগে মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআই স্পেসএক্স অধিগ্রহণ করেছে। অধিগ্রহণ চুক্তিতে স্পেসএক্সের মূল্যায়ন প্রায় ১ লাখ কোটি ডলার এবং এক্সএআই-এর মূল্য প্রায় ২৫ হাজার কোটি ডলার ধরা হয়েছে। মাস্কের এই উদ্যোগ স্পেসএক্সের জন্য মঙ্গল গ্রহ অভিযানের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার পাশাপাশি চাঁদে মানুষের বসতি গড়ার পথকে আরও দৃঢ় করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, যেখানে কেবল রকেট প্রেরণ নয়, বরং চাঁদে স্থায়ী বসতি স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
হাজার হাজার ইরাকি একটি অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করেছেন। ছবি সংগৃহীত

ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা, এবার পাশে দাঁড়াতে অঙ্গীকার হাজারো ইরাকির

ছবি: প্রতিনিধি

লটারিতে ৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা জিতলেন দুবাই প্রবাসী সাঈদ

ছবি: সংগৃহীত

ইরানের উপর চাপ বাড়াতে ট্রাম্পের নতুন শুল্ক কৌশল

ছবি: সংগৃহীত
ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত ২৫% শুল্ক প্রত্যাহার, মোদি–ট্রাম্প সম্পর্কে নতুন মোড়

ওয়াশিংটন–নয়াদিল্লি সম্পর্কের টানাপড়েন কাটিয়ে আবারও ঘনিষ্ঠতার ইঙ্গিত মিলেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে। রাশিয়া থেকে জ্বালানি তেল আমদানি বন্ধের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন বাণিজ্য ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পথে অগ্রসর হওয়ার প্রেক্ষাপটে ভারতীয় পণ্যের ওপর আরোপিত অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে জানানো হয়, চলতি সপ্তাহে ঘোষিত দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন। আদেশে উল্লেখ করা হয়, ভারত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি বন্ধে অঙ্গীকার করেছে এবং পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি পণ্য ক্রয়ে সম্মত হয়েছে। পাশাপাশি আগামী এক দশকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সম্প্রসারণের একটি কাঠামো তৈরিতেও দিল্লি প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, স্থানীয় সময় শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি)  রাত ১২টা ১ মিনিট থেকে ভারতীয় পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার কার্যকর হবে। নতুন বাণিজ্য চুক্তির আওতায় পাল্টা শুল্কের হারও ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ধাপে ধাপে ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্ত কেবল বাণিজ্যিক সমঝোতাই নয়, বরং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হওয়ার প্রতিফলন। অতীতে ট্রাম্প একাধিকবার মোদিকে তাঁর ‘ঘনিষ্ঠ বন্ধু’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

আইভ্যাকের নতুন নিয়মে হবে ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট ব্যবস্থা হালনাগাদ

জিয়ান্নি ইনফান্তিনো

ফিফা সভাপতিকে ‘শত্রু তালিকায়’ অন্তর্ভুক্ত করেছে ইউক্রেন

ছবি: এআই

ফ্লাইটে নারী সহযাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে ভারতীয় যুবক গ্রেফতার

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: ‍সংগৃহীত
মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

মানিকগঞ্জে একটি রেস্তোরাঁয় সংঘটিত সহিংস হামলায় একজন গ্রাহক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মানিকগঞ্জ শহরে চিত্রনায়ক ওমর সানী-র মালিকানাধীন চাপওয়ালার শ্বশুর বাড়ি বাংলা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট-এ এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো. আতিকুর রহমান খান। তার চাচা মো. খলিলুল রহমান খান বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, আতিকুর ও তার কয়েকজন বন্ধু রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে গেলে নারী ক্রেতাদের সঙ্গে এক কর্মীর অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লোহার রড, হাতুড়ি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আতিকুরকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—ইমরান, লিখন, হাসান, জীবন, মুন্না ও মঞ্জুরসহ মোট ১৩ জন; বাকিরা অজ্ঞাত। ঘটনার বিষয়ে ওমর সানী জানান, অভিযুক্ত কর্মী লিখনকে স্বল্প সময় আগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তার আচরণ নিয়ে আগেই সন্দেহ ছিল। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার কথাও জানান। মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
তানিয়া বৃষ্টি

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

ধানুশ

২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ ধানুশকে

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিকে ঘিরে আলোচনায় অপু বিশ্বাস

শবনম ফারিয়া
নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

দেশে ইতিহাসে প্রথমবার একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি। ভোটকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপের সঙ্গে সাধারণ মানুষের মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্ছে উদ্বেগ ও আগ্রহ। এই প্রেক্ষাপটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নজর কাড়লেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল শবনম ফারিয়া। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া স্ট্যাটাসে তিনি ভোট দেওয়ার পাশাপাশি পহেলা ফাল্গুনে শাড়ি না আবায়া পরার প্রশ্ন তুলেছেন, যা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে লাইক, শেয়ার ও মন্তব্যের ঝড়ে পরিণত হয়। এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের ভোট প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে এবং দেশের ৪২ হাজার ৬৫৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানীসহ বড় শহরগুলোতে ভোটাররা ইতোমধ্যে নিজ নিজ কেন্দ্রে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬ 0
ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান

সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

শাকিবের ‘রকস্টার’এর নায়িকা নিয়ে রহস্য, পাকিস্তানি নায়িকা থাকার গুঞ্জন

আজ প্রিয়জনকে মিষ্টতায় ভরিয়ে দেওয়ার দিন

সপ্তাহের বিশেষ দিনে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) পালিত হলো ‘চকোলেট ডে’, যখন প্রিয়জনকে চকোলেট উপহার দিয়ে সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করার সুযোগ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, চকোলেট কেবল মিষ্টি খাবার নয়, এটি অনুভূতি প্রকাশের একটি সহজ ও প্রিয় মাধ্যম। যারা সরাসরি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারছেন না, তাদের জন্যও এক টুকরো চকোলেটের মাধ্যমে মন খুলে অনুভূতি জানানো সম্ভব। উপহার হিসেবে ডার্ক চকলেট স্বাস্থ্য সচেতনদের কাছে জনপ্রিয়, কারণ এতে কম চিনি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। মিল্ক চকলেট শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক সকলের কাছে সমান প্রিয়, এবং ক্যারামেল বা বাদাম যুক্ত মিল্ক চকলেট বিশেষ দিনের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী। স্বাদের ভিন্নতা পছন্দকারীদের জন্য হোয়াইট চকলেট বা থিমভিত্তিক কাস্টমাইজড চকলেট বক্সও বিকল্প হিসেবে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ দিনটি শুধুমাত্র প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বন্ধু, পরিবার ও কাছের মানুষের সঙ্গে ভালোবাসা ভাগাভাগি করার সুযোগও এটি এনে দেয়। এমনভাবে চকোলেট ডে মনে করিয়ে দেয়, আন্তরিকতা থাকলে একটি ছোট্ট মিষ্টি উপহারও বড় অনুভূতির প্রতীক হয়ে উঠতে পারে। আগামীকাল ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের ‘টেডি ডে’ পালিত হবে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬ 0
পরীমনি

পরীমনিকে বিদেশি নম্বর থেকে প্রাণনাশের হুমকি

ছবি: সংগৃহীত

প্রেমের গুঞ্জনে আলোচনায় সিয়াম–সুস্মিতা

শাকিব খান

বক্স অফিস কাপালেও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় নেই শাকিবের নাম

আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চিত্রনায়িকা বর্ষা

চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা ইসলামি বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর লেখা ‘এক নজরে কুরআন’ গ্রন্থকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে বর্ষা বইটির প্রশংসা করেন এবং কোরআন অধ্যয়ন সহজতর করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ জানান। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে বইটির ছবি প্রকাশ করে বর্ষা লেখেন, বইটি তাঁর পরিবারে কোরআন বোঝার আগ্রহ ও সুযোগ আরও বাড়িয়েছে। তিনি জানান, তিনটি কপি সংগ্রহ করেছেন—এর মধ্যে দুটি তাঁর বোনদের জন্য। পোস্টে বর্ষা উল্লেখ করেন, সংক্ষিপ্ত ও সহজ উপস্থাপনার মাধ্যমে কোরআনের মূল বিষয়গুলো অনুধাবনে বইটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদী। একই সঙ্গে তিনি ড. আজহারির জন্য দোয়া কামনা করেন। উল্লেখ্য, ‘এক নজরে কুরআন’ সাম্প্রতিক সময়ে পাঠকমহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

শেরপুর ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়েত সংঘর্ষ, ৩০ আহত

সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের লিস্টে স্থান পেলেও আফসোস বাদশার

তামান্না ভাটিয়া

রুপালি পর্দা পেরিয়ে ব্যবসার জগতে তামান্না ভাটিয়া

শিক্ষা

আরও দেখুন
শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ প্রকাশ করেছে, যা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত। নীতিমালা সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে জারি করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কোনো নতুন খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসারে পরিচালনা করতে হবে। হিসাব সংরক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা কমিটির উপর যৌথভাবে চাপানো হয়েছে। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা আইন অনুযায়ী দায়বদ্ধ থাকবেন। নীতিমালায় ব্যাংকিং ও অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। জরুরি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ সম্ভব, যা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এছাড়া, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করার আগে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি
কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী। সভায় জানানো হয়, বি.এস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সকাল ৯টা ৩০ থেকে দুপুর ১২টা ৩০ পর্যন্ত, আর বিআর্ক প্রোগ্রামের অংকন পরীক্ষা দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে ১টা ৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের নিরাপত্তা, যানজট ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধসহ পরীক্ষা চলাকালীন সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মাকসুদ হেলালী বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত দায়িত্ব অপরিহার্য।”

খুলনা জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

করোনা মহামারির সময় থেকেই দেশে অনলাইন ক্লাসের প্রচলন শুরু হয়। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতির এই প্রয়োগ অনেকটাই জরুরি অবস্থা মোকাবিলার অংশ ছিল। শুরুতে শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিষয়টি গ্রহণ করলেও ধীরে ধীরে এর প্রতি আগ্রহ কমতে শুরু করে। এখন দেখা যাচ্ছে, অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতির হার বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন ক্লাস কার্যকর হতে হলে নির্দিষ্ট অবকাঠামো, উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে, দেশের অনেক শিক্ষার্থী এখনো নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা পায় না। আবার অনেকের বাড়িতে নেই প্রয়োজনীয় ডিভাইস, কিংবা থাকলেও তা পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ভাগ করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতার অভাব শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারানোর অন্যতম কারণ।   শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যাই নয়, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। অনেক সময় তারা বুঝেও না বোঝার ভান করে ক্লাস শেষ করে দেয়। এতে করে বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং শিখনে ঘাটতি দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস অনেক সময় একঘেয়েমি ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, ফলে শেখার গতি ব্যাহত হয়।   শিক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অনলাইন ক্লাসে পাঠদানের পদ্ধতি এখনও যথাযথভাবে মানসম্মত হয়নি। অধিকাংশ শিক্ষকই শুধু পাঠ্যবই পড়ে শোনান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। অপরদিকে, অনেক শিক্ষক নিজেরাও প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন, ফলে ক্লাস পরিচালনায় তারা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাসে সম্পৃক্ততা কমে যায় এবং তারা পড়াশোনা থেকে ধীরে ধীরে বিমুখ হয়ে পড়ে।   অভিভাবকরাও বলছেন, শিশুদের ঘরে বসে অনলাইনে পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। অনেক সময় তারা মোবাইল বা ল্যাপটপে ক্লাসের নাম করে অন্য কিছুর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে, যা পড়াশোনার ক্ষতি করে। এছাড়া দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখে সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন হাইব্রিড লার্নিং পদ্ধতি—যেখানে অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমকে ভারসাম্যের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের কনটেন্টকে আরও ইন্টারেক্টিভ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তোলা, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও আগ্রহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।   দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নয়তো এই ধারাবাহিক শিখন ঘাটতি আগামী দিনে একটি প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতার মানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?
অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে? গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন শিক্ষা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ঘর থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর ফলে এই মাধ্যমের চাহিদা আশ্চর্যজনকভাবে বেড়েছে। আজকের দিনে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই বিশ্বের যেকোনো কোর্সে ভর্তি হতে পারছে, আর শিক্ষকরা তাদের লেকচার দিতে পারছেন অনলাইনের মাধ্যমে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এই অনলাইন শিক্ষা কি চিরতরে আমাদের ক্লাসরুমের ধারণাকেই বদলে দেবে? অনলাইন শিক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো হলো সময় ও স্থানগত স্বাধীনতা। আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা অনেক শিক্ষার্থী যারা আগে দূরত্বের কারণে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেত না, তারা এখন অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন কোর্স করতে পারছে। এছাড়া, পুনরাবৃত্তি করে ভিডিও লেকচার দেখা, নিজস্ব গতিতে শেখার সুযোগ পাওয়া এবং নানা রকম ইন্টারেক্টিভ টুলস ব্যবহার করা যেকোনো শিক্ষার্থীর জন্য বড় সুবিধা। কিন্তু অনলাইন শিক্ষার কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে অনেক শিক্ষার্থী অভিজ্ঞতা করেন মনোযোগ হারানো, প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া, আর ব্যক্তিগত যোগাযোগের অভাব। যেখানে ক্লাসরুমে শিক্ষকের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন এবং সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকে, অনলাইনে সেইটা অনেক সময় পূর্ণ হয় না। এছাড়া, ইন্টারনেটের স্থায়িত্ব ও উপকরণের অভাব অনেক এলাকায় অনলাইন শিক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে জোর দিচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষকের ভূমিকা কেবল জ্ঞান দানকারী নয়, বরং ডিজিটাল টুলসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গাইড ও উৎসাহিত করাই প্রধান কাজ হবে। শিক্ষা আরও ব্যক্তিগতকৃত এবং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা হয়তো সব শিক্ষার্থীর জন্য কার্যকর নয়, তবে একটি হাইব্রিড মডেল বা সংকর পদ্ধতি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এতে কিছু দিন ক্লাসরুমে শিখন হবে, কিছু সময় অনলাইনে। এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও নমনীয়তা ও সুযোগ এনে দেবে। বাংলাদেশেও অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল অ্যাসাইনমেন্ট এবং ভার্চুয়াল ল্যাব চালু করছে। তবে সফলতার জন্য দরকার আরো ভালো অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমর্থন। সবমিলিয়ে, অনলাইন শিক্ষা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে এবং ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব আরও বাড়বে। তবে এটি কখনোই ঐতিহ্যবাহী ক্লাসরুমকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলবে না, বরং দুটির সংমিশ্রণ আমাদের শিক্ষাকে আরো উন্নত এবং সামগ্রিক করবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

মাশরাফি-সাকিবকে ফেরাতে সহনশীল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

নবনিযুক্ত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় পল্লবীতে নিজের বাসভবনে প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দেশের ক্রীড়া ও কূটনৈতিক নীতি নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি জানান, সরকার ভারতের সঙ্গে চলমান ইস্যু আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করতে চায় এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য। তিনি উল্লেখ করেন, নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ভারতের চলমান টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করতে পারেনি, তবে শপথ গ্রহণের পর ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে দ্রুত পরিস্থিতি সমাধান সম্ভব হবে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ভাবনাও তুলে ধরে তিনি জানান, জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি মুর্তজা ও সাকিব আল হাসানকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য সরকার সহনশীল ও নমনীয় পদক্ষেপ নেবে। তিনি বলেন, “যে মামলাগুলো রয়েছে, সেগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে দ্রুত সমাধান করা হবে যাতে খেলোয়াড়রা বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারে।” প্রতিমন্ত্রী দেশব্যাপী ক্রীড়াঙ্গনের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিভা বিকাশ ও গ্রাসরুট পর্যায়ে খেলাধুলা প্রসারে তার পরিকল্পনার কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত জনতার সঙ্গে সংলাপে তিনি সবাইকে আশ্বাস দেন, “আমি মন্ত্রী হয়েছি, তবে আপনাদের সেই আমিনুলই আছি। আমার দরজা সব সময় খোলা।”

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0
আমিনুল ইসলাম বুলবুল

দেশ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল

লিওনেল মেসি

ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

বাংলাদেশের নিরাপত্তা উদ্বেগে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে পিছিয়ে যাওয়ার ফলে তাদের স্থান গ্রহন করেছে স্কটল্যান্ড।  আইসিসি শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) নিশ্চিত করেছে, গ্রুপ ‘সি’-তে ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালির সঙ্গে স্কটল্যান্ড খেলবে। স্কটিশরা বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে। ম্যাচের আগে দলের স্পিনার মার্ক ওয়াট বাংলাদেশের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন, “বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের প্রতি আমরা গভীর সহমর্মী, তবে আমাদের উপস্থিতি এই টুর্নামেন্টে নিশ্চিত হওয়া উচিত ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা যে কোনো দলকে হারাতে সক্ষম এবং পুরোপুরি প্রস্তুত।” স্কটল্যান্ডের এই অংশগ্রহণ টুর্নামেন্টের গতিশীলতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যেখানে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলকেও চমক দেওয়া সম্ভব বলে মনে করছে দলটি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি), যা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা (আইসিসি)-কে জড়িত জরুরি পরিস্থিতিতে ফেলেছে।  পাকিস্তানের সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ভার্চুয়াল জরুরি বোর্ড মিটিং ডেকে প্রতিক্রিয়া জানাবে আইসিসি। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে তথ্য দেয়নি, তবে সূত্রের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সরকার আজই ই-মেইলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য জানাবে। আইসিসি জানিয়েছে, নির্বাচিত কোনো ম্যাচে অংশ না নেওয়া হলে তা টুর্নামেন্টের মর্যাদা ও চেতনা ক্ষুণ্ন করবে। সম্ভাব্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে আর্থিক জরিমানা, ভবিষ্যতের আইসিসি টুর্নামেন্টে নিষেধাজ্ঞা এবং পাকিস্তানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে সীমাবদ্ধতা। আইসিসি জানিয়েছে, পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্তের ফলে সম্প্রচারক সংস্থা ও বাণিজ্যিক অংশীদারদের সম্ভাব্য ক্ষতির জন্য পিসিবিকে দায়ী করা হতে পারে এবং পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট বিশ্ব ক্রিকেট এবং কোটি কোটি ভক্তদের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে বিবেচিত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ

ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ছবি: প্রতিনিধি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ক্রিকেটার সংগঠনের দ্বন্দ্ব তীব্র

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

ছবি: প্রতিনিধি
ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে এবং খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার ব্যবস্থাপনায় ইয়ং টাইগার্স অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৫–২০২৬-এর বিভাগীয় পর্যায়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) কানিজ ফাতেমা লিজা। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মোঃ আলীমুজ্জামান। খুলনা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য ও বয়সভিত্তিক খেলোয়াড় বাছাই কমিটির চেয়ারম্যান মোল্লা খায়রুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তা, বিসিবির জেলা ও দলীয় প্রশিক্ষক, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক এবং অংশগ্রহণকারী দলের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।  

খুলনা জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ 0
আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বিসিবি সভাপতির প্রশ্ন: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন?

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

ট্রিনিটি রডম্যান

নারী ফুটবলে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন ট্রিনিটি রডম্যান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
হাসনাত আবদুল্লাহ
চাঁদা নিতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার নির্দেশ এমপি হাসনাতের

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সতর্ক করেছেন, দেবিদ্বারে চাঁদাবাজদের কোনো স্থান নেই। তিনি বলেন, বাজারের নির্ধারিত সীমানার বাইরে চাঁদা নেওয়া হলে ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশকে খবর দিতে হবে। শপথ গ্রহণের পর রাতে নিজের নির্বাচনি এলাকায় এসে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে হাসনাত বলেন, “যে ব্যক্তি চাঁদা তুলবে, তাকে পাবলিক আটক করতে পারে এবং পুলিশে হস্তান্তর করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। যারা চাঁদাবাজদের আশ্রয় দেবে, তাদের বিরুদ্ধেও প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” এ সময় তিনি কাঁচাবাজারের ইজারাদারদের সতর্ক করেন, নির্দিষ্ট বাজার এলাকার বাইরে কোনো চাঁদা নেওয়া চলবে না। এমপি বলেন, দেবিদ্বারে শান্তি ও ব্যবসায়িক নিরাপত্তা বজায় রাখাই তার অগ্রাধিকার। এর আগে তিনি নিজ নির্বাচনি এলাকায় শহীদ পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কর্মসংস্থান ও স্থানীয় সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। বুধবার সকাল থেকে তিনি ১১টি শহীদ পরিবারের বাড়িতে খোঁজখবর নেন এবং জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

বগুড়া–৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

আফরোজা রিতা

মন্ত্রীসভায় কি থাকবেন আফরোজা রিতা?

এনসিপি যমুনায় আজ সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মুফতি সৈয়দ রেজাউল করিম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি সৈয়দ রেজাউল করিমের বাসভবনে যান বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান। এর আগে রবিবার সন্ধ্যায় তিনি জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সংলাপ ও স্থিতিশীলতা গড়ে তোলার উদ্দেশ্যেই এই বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0

নাহিদ ও সারজিসকে বুকে টেনে নিলেন তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

“কৃষককে অসম্মান করা মানে বাবাকে অপমান করা”: ড. শফিকুর রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পারস্পরিক শুভেচ্ছায় প্রকাশ করলেন রাজনৈতিক সৌহার্দ্য

ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিশাঙ্কা
শেরপুর সদর-১ আসনে ‘ভোট কারচুপি’র অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর

শেরপুর সদর-১ আসনের নির্বাচনে গুরুতর অনিয়ম ও তথাকথিত ‘ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং’-এর অভিযোগ এনে ফলাফল স্থগিত এবং পুনঃভোটের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিশাঙ্কা। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন-এ উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের কাছে তিনি অভিযোগগুলো তুলে ধরেন। তার অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট কমানোর চেষ্টা করা হয়েছে এবং কিছু দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রভাবিত করে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পক্ষে পরিস্থিতি তৈরি করা হয়। তিনি দাবি করেন, লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্টরা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ‘ম্যানেজ’ করেছে। উল্লেখ্য, লাঙ্গল প্রতীক জাতীয় পার্টি-এর নির্বাচনী প্রতীক। ডা. প্রিশাঙ্কার আরও অভিযোগ, ভোটকেন্দ্রে বিএনপির এজেন্টদের হুমকি ও চাপের মুখে রাখা হয়, বিপরীতে অন্য দলের এজেন্টরা নির্বিঘ্নে দায়িত্ব পালন করেছেন। হিন্দু ভোটারদের ভোটদানে বাধা এবং একাধিক কেন্দ্রে কার্যক্রমে প্রতিবন্ধকতার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষ্যে, ভোটের দিনে ভোটারদের দীর্ঘ সময় লাইনে আটকে রেখে ভোটগ্রহণের গতি কমানোর ‘পরিকল্পিত কৌশল’ নেওয়া হয়। এ পরিস্থিতিতে তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে ফলাফল স্থগিত রেখে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে পুনরায় ভোটগ্রহণের দাবি জানান। তার মতে, সুষ্ঠু তদন্ত ছাড়া প্রকৃত জনমতের প্রতিফলন সম্ভব নয় এবং ভোটারদের সঠিক রায় নিশ্চিত করতে পুনঃভোটই একমাত্র গ্রহণযোগ্য পথ।

শেরপুর প্রতিনিধি> ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ 0

৪১ বছরে ইতিহাস! নাটোর-১ আসনে সর্বকনিষ্ঠ নারী এমপি পুতুলের জয়

ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদে যাচ্ছে ৪টি ইসলামিক দল

ছবি: প্রতিনিধি

পঞ্চগড়ে ভোটে জিতেই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের অফিস খুলে দিলেন বিএনপি নেতা

ছবি: প্রতিনিধি
সাতক্ষীরা হবে সন্ত্রাসমুক্ত ও অধিকারবান্ধব

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজ খানম আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীদের ফলাফলের কপি হস্তান্তর করেন। বিজয়ী প্রার্থীরা সাংবাদিকদের কাছে প্রতিক্রিয়ায় বলেন, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দখলবাজির বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার জনগণ ভোটের মাধ্যমে রায় দিয়েছেন। সাতক্ষীরা-১ (তালা–কলারোয়া) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহ বলেন, জেলার মানুষকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা থেকে রক্ষা করতে তারা দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকবেন। সাতক্ষীরা-২ (সদর–দেবহাটা) আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুন্দর সাতক্ষীরা গড়তে কাজ করবেন। সাতক্ষীরা-৩ (কালিগঞ্জ–আশাশুনি) আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ রবিউল বাসার দুর্নীতিমুক্ত জেলা গড়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম বলেন, উপকূলীয় শ্যামনগরের উন্নয়ন, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য। এ সময় জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল বলেন, ভোটদাতা–অভোটদাতা নির্বিশেষে জেলার সব মানুষকে সঙ্গে নিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী প্রার্থীদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান ইসলামী ছাত্রশিবির–এর নেতাকর্মীরা।  

সাতক্ষীরা ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৬ 0
এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

জনগণের স্বপ্নপূরণে ফের সংসদে এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম

বাগেরহাট–৩ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের রেকর্ড বিজয়

শেরপুর-১ আসনে জামায়াত ও শেরপুর-২ আসনে বিএনপি'র বিজয়