ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও হ্যান্ড ট্রলির সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. টিপু সুলতান। ওসি জানান, শেরপুরের বকশিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ‘জি কে পরিবহন’ নামের একটি বাস বেলা ১২টার দিকে তারাকান্দা উপজেলার বাগুন্দা নামকস্থানে পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও হ্যান্ড ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হন। পরে হতাহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসটির বেপরোয়া গতি ও সড়কের ভেজা অবস্থাই দুর্ঘটনার মূল কারণ।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। স্থানীয়রাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা শেরপুর-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হওয়া এবং বাসের বেপরোয়া গতি এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ।
তারাকান্দা থানার ওসি টিপু সুলতান জানান, নিহতদের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। তাদের আটকে অভিযান চলছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার একই উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হন।
ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বাস, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও হ্যান্ড ট্রলির সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায় তিনজন নিহত এবং অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ৭ জনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. টিপু সুলতান। ওসি জানান, শেরপুরের বকশিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ‘জি কে পরিবহন’ নামের একটি বাস বেলা ১২টার দিকে তারাকান্দা উপজেলার বাগুন্দা নামকস্থানে পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা সিএনজিচালিত অটোরিকশা, পিকআপ ভ্যান, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ও হ্যান্ড ট্রলির সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হন। পরে হতাহতদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরেকজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বাসটির বেপরোয়া গতি ও সড়কের ভেজা অবস্থাই দুর্ঘটনার মূল কারণ।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। স্থানীয়রাও উদ্ধার কাজে অংশ নেন। দুর্ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা শেরপুর-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে সেনাবাহিনীর সহায়তায় যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আতিকুর রহমান জানান, বৃষ্টির কারণে সড়ক পিচ্ছিল হওয়া এবং বাসের বেপরোয়া গতি এই দুর্ঘটনার সম্ভাব্য কারণ।
তারাকান্দা থানার ওসি টিপু সুলতান জানান, নিহতদের মরদেহ পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়না তদন্ত ছাড়া হস্তান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হয়েছে। চালক ও হেলপার পলাতক রয়েছে। তাদের আটকে অভিযান চলছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার একই উপজেলায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত হন।
চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
৩ ঘণ্টা আগেরাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৪ ঘণ্টা আগেঅধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
৬ ঘণ্টা আগেপার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
১৮ ঘণ্টা আগেচায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
রাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।