খাগড়াছড়ি
খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের আওতাধীন রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নম্বর সাজেক ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১১ কিলো নামক এলাকায় সেনাবাহিনী সফল অভিযান চালিয়ে ইউপিডিএফ প্রসীত(মূল) গ্রুপের দুইজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ চাঁদাবাজির সামগ্রীসহ আটক করা হয়েছে।
আটককৃত সন্ত্রাসীরা হচ্ছে, বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যার বাসিন্দা জ্ঞানময় চাকমা ছেলে সুবল ওরফে সুগা চাকমা ও একই উপজেলার বাসিন্দা কিরণ মোহন চাকমার ছেলে বিন্দুময় চাকমা।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার(১৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রবল বর্ষণে পুরো এলাকা ঢেকে ছিল অন্ধকারে দৃষ্টিসীমা ছিল মাত্র কয়েক ফুটের মধ্যে। এমন সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পাহাড়ি ঝুঁকি ও প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে নিখুঁতভাবে অভিযানটিকে সফল করেন।
আটক দুই সন্ত্রাসীর কাছে থেকে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে. ১টি পিস্তল,২টি কার্তুজ,৩ রাউন্ড গুলি,১২টি ল্যামিনেটেড চাঁদা আদায়ের রশিদ,১২টি রশিদের খাতা,নগদ টাকা,১টি মোবাইল ফোন.১টি হিসাব খাতা,১টি চাপাতি,১টি রামদা,১টি গুলতি,৪টি নোটবুক.২টি ব্যাগ,২১টি চাঁদা হিসাবের কাগজ ও ১টি বড় খাতা।
বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মাসুদ রানা, পিএসসি বলেন, জানান. গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি, ইউপিডিএফ (মূল) দলের সশস্ত্র সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বাঘাইহাট ও আশেপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয় এবং দুর্গমতার মধ্যেও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফল অভিযান চালিয়ে দুইজন সন্ত্রাসীকে আটক করতে সক্ষম হয়।এেই অভিযানের ফলে বাঘাইহাট অঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে,যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে এনেছে।
আটককৃত সন্ত্রাসী ও জব্দকৃত আলামতসমূহ মারিশ্যা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি সেনা রিজিয়নের আওতাধীন রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৩৬ নম্বর সাজেক ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ১১ কিলো নামক এলাকায় সেনাবাহিনী সফল অভিযান চালিয়ে ইউপিডিএফ প্রসীত(মূল) গ্রুপের দুইজন সশস্ত্র সন্ত্রাসীকে অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ চাঁদাবাজির সামগ্রীসহ আটক করা হয়েছে।
আটককৃত সন্ত্রাসীরা হচ্ছে, বাঘাইছড়ি উপজেলার মারিশ্যার বাসিন্দা জ্ঞানময় চাকমা ছেলে সুবল ওরফে সুগা চাকমা ও একই উপজেলার বাসিন্দা কিরণ মোহন চাকমার ছেলে বিন্দুময় চাকমা।
নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার(১৯ জুন) দুপুর ১টার দিকে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রবল বর্ষণে পুরো এলাকা ঢেকে ছিল অন্ধকারে দৃষ্টিসীমা ছিল মাত্র কয়েক ফুটের মধ্যে। এমন সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পাহাড়ি ঝুঁকি ও প্রতিকূল পরিবেশ উপেক্ষা করে নিখুঁতভাবে অভিযানটিকে সফল করেন।
আটক দুই সন্ত্রাসীর কাছে থেকে উদ্ধারকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে রয়েছে. ১টি পিস্তল,২টি কার্তুজ,৩ রাউন্ড গুলি,১২টি ল্যামিনেটেড চাঁদা আদায়ের রশিদ,১২টি রশিদের খাতা,নগদ টাকা,১টি মোবাইল ফোন.১টি হিসাব খাতা,১টি চাপাতি,১টি রামদা,১টি গুলতি,৪টি নোটবুক.২টি ব্যাগ,২১টি চাঁদা হিসাবের কাগজ ও ১টি বড় খাতা।
বাঘাইহাট জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ মাসুদ রানা, পিএসসি বলেন, জানান. গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারি, ইউপিডিএফ (মূল) দলের সশস্ত্র সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে বাঘাইহাট ও আশেপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে চাঁদাবাজি করছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে অত্যন্ত প্রতিকূল আবহাওয় এবং দুর্গমতার মধ্যেও সেনাবাহিনীর সদস্যরা সফল অভিযান চালিয়ে দুইজন সন্ত্রাসীকে আটক করতে সক্ষম হয়।এেই অভিযানের ফলে বাঘাইহাট অঞ্চলে সন্ত্রাসী তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে,যা স্থানীয় জনগণের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে এনেছে।
আটককৃত সন্ত্রাসী ও জব্দকৃত আলামতসমূহ মারিশ্যা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
৩ ঘণ্টা আগেরাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৪ ঘণ্টা আগেঅধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
৬ ঘণ্টা আগেপার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
১৮ ঘণ্টা আগেচায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
রাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।