নরসিংদী
নরসিংদীর ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) দিনগত রাত দুইটার দিকে রায়পুরা উপজেলার মরজাল এলাকা থেকে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুরে শহরের বাসাইল এলাকার ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে নবজাতকটি চুরি হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
নবজাতক চুরি করা নারীর নাম ফাতেমা বেগম। তিনি শিবপুর উপজেলার কুমারটেকের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি রায়পুরা থানার রাজবাড়ি (মৌলভি বাড়ি)।
নবজাতকের স্বজনরা জানান, ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে রোববার (১০ আগস্ট) দুপুর ২ টার দিকে নবজাতকটি চুরি হয়। ওই নবজাতক জেলার শিবপুর উপজেলার বাড়ৈআলগী এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক শরীফ মিয়া ও মিথিলা দম্পতির সন্তান।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে নবজাতকের নানি ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে এক অপরিচিত নারী নবজাতকটি নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে অভিযান চালিয়ে নবজাতকটি উদ্ধার করা হয়।
নবজাতকের বাবা শরীফ হোসেন জানান, শনিবার (৯ আগস্ট) তার স্ত্রী মিথিলা ছেলে সন্তান প্রসব করেন। রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে এক নারী তার বাচ্চাটি চুরি করে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, শিশু চুরি করা ওই নারী নিজেকে শিশুর মায়ের আত্মীয় পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি বেশ কিছু সময় সেখানে ছিলেন এবং শিশুটি তার কোলে ছিল।
নবজাতকের স্বজনরা জানান, ওই নারী নিজেকে হাসপাতালের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, বাচ্চাটি চুরি হওয়ার সংবাদ ও অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় তারা নবজাতকটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ওই নারীর পরিবারে ছেলে সন্তান না থাকায় স্বামীর চাপে নবজাতকটি চুরি করেন তিনি। নবজাতক চুরি করার দায়ে নারীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
নরসিংদীর ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে চুরি হওয়া নবজাতক উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) দিনগত রাত দুইটার দিকে রায়পুরা উপজেলার মরজাল এলাকা থেকে নবজাতককে উদ্ধার করা হয়। এর আগে দুপুরে শহরের বাসাইল এলাকার ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে নবজাতকটি চুরি হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ এমদাদুল হক।
নবজাতক চুরি করা নারীর নাম ফাতেমা বেগম। তিনি শিবপুর উপজেলার কুমারটেকের সিরাজুল ইসলামের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি রায়পুরা থানার রাজবাড়ি (মৌলভি বাড়ি)।
নবজাতকের স্বজনরা জানান, ন্যাশনাল হেলথ কেয়ার হাসপাতাল থেকে রোববার (১০ আগস্ট) দুপুর ২ টার দিকে নবজাতকটি চুরি হয়। ওই নবজাতক জেলার শিবপুর উপজেলার বাড়ৈআলগী এলাকার সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক শরীফ মিয়া ও মিথিলা দম্পতির সন্তান।
পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার দুপুরে নবজাতকের নানি ওয়াশরুমে যাওয়ার সুযোগে এক অপরিচিত নারী নবজাতকটি নিয়ে পালিয়ে যান। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানালে অভিযান চালিয়ে নবজাতকটি উদ্ধার করা হয়।
নবজাতকের বাবা শরীফ হোসেন জানান, শনিবার (৯ আগস্ট) তার স্ত্রী মিথিলা ছেলে সন্তান প্রসব করেন। রোববার (১০ আগস্ট) দুপুরে এক নারী তার বাচ্চাটি চুরি করে পালিয়ে যান। এরপর পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, শিশু চুরি করা ওই নারী নিজেকে শিশুর মায়ের আত্মীয় পরিচয় দিয়েছিলেন। তিনি বেশ কিছু সময় সেখানে ছিলেন এবং শিশুটি তার কোলে ছিল।
নবজাতকের স্বজনরা জানান, ওই নারী নিজেকে হাসপাতালের কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, বাচ্চাটি চুরি হওয়ার সংবাদ ও অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ অভিযান শুরু করে। বিভিন্ন স্থানের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ও প্রযুক্তির সহায়তায় তারা নবজাতকটি উদ্ধার করতে সক্ষম হন।
তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় ওই নারীর পরিবারে ছেলে সন্তান না থাকায় স্বামীর চাপে নবজাতকটি চুরি করেন তিনি। নবজাতক চুরি করার দায়ে নারীকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
চায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
১ ঘণ্টা আগেরাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
৩ ঘণ্টা আগেঅধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
৫ ঘণ্টা আগেপার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।
১৭ ঘণ্টা আগেচায়ের দোকানে বসে থাকার সময় মোটরসাইকেলে তিনজন ব্যক্তি এসে তাঁর ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে হামলা চালায়। বুকে ছুরির আঘাতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করতে গিয়ে আহত হন তারেক গাজী। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করে
রাঙামাটি শহরের চম্পকনগর এলাকায় একসঙ্গে কীটনাশক (বিষ) পান করেন দুই বান্ধবী। এতে একজন মারা যান। অন্যজন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
অধ্যাপক সিরাজুল হক ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গবেষক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের আলোকবর্তিকা। তার চিন্তাধারা ও কর্ম নতুন প্রজন্মের জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে
পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি-সম্প্রীতি ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে খাগড়াছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী নিরলসভাবে কাজ করে আসছে।