পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে
নিজস্ব প্রতিবেদক
তিন দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার (১১ আগস্ট)। এই সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ ইস্যু বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে। সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সফরের প্রথম দিনেই মালয়েশিয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান ও আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে। মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ড. ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে, যেখানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ। এছাড়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হবে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তিনি জানান, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো অভিবাসন এবং বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং বাংলাদেশ চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মী যেন মালয়েশিয়ায় কাজ করার সুযোগ পায়।
এছাড়াও, প্রধান উপদেষ্টার সফরে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়া এবং রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়েও জোরালোভাবে আলোচনা করা হবে। ঢাকা রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়াসহ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাবে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি সহযোগিতা, এফবিসিসিআই ও এমসিসিআইয়ের মধ্যে ব্যাবসায়িক কাউন্সিল গঠনসহ মোট পাঁচটি সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি 'নোট বিনিময়' হওয়ার কথা রয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকার প্রধান উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের পর প্রধান উপদেষ্টা একটি ব্যবসায়ী ফোরামে অংশ নেবেন এবং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সফরের তৃতীয় দিন বুধবার মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) প্রধান উপদেষ্টাকে একটি সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করবে। এরপর তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি স্মারক বক্তৃতা দেবেন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
তিন দিনের সরকারি সফরে মালয়েশিয়া যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস আজ সোমবার (১১ আগস্ট)। এই সফরে অভিবাসন ও বিনিয়োগ ইস্যু বিশেষভাবে গুরুত্ব পাবে। সফরের সময় দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা, জ্বালানি খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। গতকাল রোববার (১০ আগস্ট) এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
সফরের প্রথম দিনেই মালয়েশিয়ায় প্রধান উপদেষ্টাকে গার্ড অব অনার প্রদান ও আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানানো হবে। মঙ্গলবার পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ড. ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে একটি একান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। এরপর প্রতিনিধি পর্যায়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হবে, যেখানে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন খাতে নতুন করে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে জোর দেবে বাংলাদেশ। এছাড়া বাণিজ্য, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, হালাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর শিল্প, কৃষি, শিক্ষা এবং মানুষে-মানুষে যোগাযোগ বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হবে।
প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এই সফর দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। তিনি জানান, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো অভিবাসন এবং বিনিয়োগ নিয়ে আলোচনা। মালয়েশিয়া বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং বাংলাদেশ চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক কর্মী যেন মালয়েশিয়ায় কাজ করার সুযোগ পায়।
এছাড়াও, প্রধান উপদেষ্টার সফরে আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়া এবং রিজিওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে (আরসিইপি) বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়েও জোরালোভাবে আলোচনা করা হবে। ঢাকা রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে মালয়েশিয়াসহ আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাবে।
দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি সহযোগিতা, এফবিসিসিআই ও এমসিসিআইয়ের মধ্যে ব্যাবসায়িক কাউন্সিল গঠনসহ মোট পাঁচটি সমঝোতা স্মারক এবং তিনটি 'নোট বিনিময়' হওয়ার কথা রয়েছে। এসব অনুষ্ঠানে দুই দেশের সরকার প্রধান উপস্থিত থাকবেন। অনুষ্ঠানের পর প্রধান উপদেষ্টা একটি ব্যবসায়ী ফোরামে অংশ নেবেন এবং মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
সফরের তৃতীয় দিন বুধবার মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান (ইউকেএম) প্রধান উপদেষ্টাকে একটি সম্মানসূচক ডিগ্রি প্রদান করবে। এরপর তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে একটি স্মারক বক্তৃতা দেবেন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্র, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টাসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রয়েছেন।
ওষুধের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে এমনিতেই মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। এর মধ্যে আবার পাওয়া যাচ্ছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগও। এবার জানা গেল দাম বাড়ার প্রধান কারণ। বছরে একটি ওষুধ কোম্পানি কেবল প্রচারণার পেছনেই খরচ করে ১০০ কোটি টাকা।
৯ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন বলেছেন, নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত রেলওয়ে হাসপাতালকে দ্রুত মেডিকেল কলেজে হিসাবে রুপান্তর করা হবে। প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগেরোববার বিকেল ৩ টায় প্রথমে বিএনপির সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হবে। এরপর সাড়ে ৪ টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এবং সন্ধ্যা ৬ টায় বৈঠক হবে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির সাথে
১৩ ঘণ্টা আগেকেবল নুরুল হক নুরের ওপরই নয়, এই ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরেও আঘাত বলে মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
১৩ ঘণ্টা আগেওষুধের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে এমনিতেই মানুষের নাভিশ্বাস অবস্থা। এর মধ্যে আবার পাওয়া যাচ্ছে, নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে ওষুধ বিক্রির অভিযোগও। এবার জানা গেল দাম বাড়ার প্রধান কারণ। বছরে একটি ওষুধ কোম্পানি কেবল প্রচারণার পেছনেই খরচ করে ১০০ কোটি টাকা।
বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন বলেছেন, নীলফামারীর সৈয়দপুরে অবস্থিত রেলওয়ে হাসপাতালকে দ্রুত মেডিকেল কলেজে হিসাবে রুপান্তর করা হবে। প্রকল্পটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
রোববার বিকেল ৩ টায় প্রথমে বিএনপির সাথে সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক হবে। এরপর সাড়ে ৪ টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে এবং সন্ধ্যা ৬ টায় বৈঠক হবে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির সাথে
কেবল নুরুল হক নুরের ওপরই নয়, এই ধরনের সহিংসতা ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ঐতিহাসিক সংগ্রামে জাতিকে একত্রিত করা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের স্পিরিটের ওপরেও আঘাত বলে মনে করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার