গার্ডিয়ানকে টিউলিপ
নিখাদ খবর ডেস্ক
যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর খালার (শেখ হাসিনা) মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এর জেরে তিনি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
রোববার গার্ডিয়ানে টিউলিপের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে টিউলিপ দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত ওই মন্তব্য করেন।
অবৈধভাবে পূর্বাচলে প্লট ও ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় আজ সোমবার (১১ আগস্ট) থেকে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হবে। এর আগের দিন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন টিউলিপ।
এতে তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানেন না। তবে গত সপ্তাহে এক সাংবাদিকদের বরাতে তার আইনজীবী জানতে পারেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির অভিযোগকে তিনি ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু আওয়ামী সরকারের লোকজন দুর্নীতি করেছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি। টিউলিপ বলেন, কোনো সন্দেহ নেই বাংলাদেশে অনেকে খারাপ কাজ করেছে। এজন্য তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু আমি ওই খারাপদের মধ্যে একজন নই।
দুর্নীতির মামলার ব্যাপার টিউলিপ বলেন, আমি এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সমন পাইনি। আমি বলছি, আমি একটি বিদেশি রাষ্ট্রে শো-কেস বিচারের কাছাকাছি আছি। আমি এখনো জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী। আমি যেন কাফকাসকেউর দুঃস্বপ্নে পড়েছি। যেখানে আমার বিচার করা হচ্ছে। কিন্তু আমি জানি না অভিযোগগুলো কী এবং কিসের বিচার হচ্ছে।
টিউলিপের বিরুদ্ধে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে রাশিয়া সফরে যাওয়ার তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর। তবে টিউলিপ জানিয়েছেন, ওই বছর তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাশিয়া গিয়েছিলেন এবং হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। অপরদিকে পুতিনের সঙ্গে তার মাত্র দুই মিনিট কথা হয়েছিল।
টিউলিপ দাবি করেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার খালা সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বন্দ্বে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, সত্যি হলো আমি মুহাম্মদ ইউনূস এবং আমার খালার দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে গেছি। এগুলো হলো সেই বড় বিষয়, যেগুলোর বিরুদ্ধে আমি লড়াই করছি।
এছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা দুর্নীতির তদন্ত নিয়েও মন্তব্য করেছেন টিউলিপ। তিনি বলেছেন, আমি আমার খালার পক্ষে সাফাই গাইছি না। তার সরকারের শেষ কীভাবে হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে, আমি তা জানি। আমি আশা করি বাংলাদেশের মানুষ যা চায় তাই তারা পাবে।
যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী টিউলিপ সিদ্দিক দ্য গার্ডিয়ানকে বলেছেন, বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর খালার (শেখ হাসিনা) মধ্যে দ্বন্দ্ব আছে। এর জেরে তিনি ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
রোববার গার্ডিয়ানে টিউলিপের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়েছে। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন গার্ডিয়ানের প্রধান প্রতিবেদক ড্যানিয়েল বফি। সাক্ষাৎকারের শেষাংশে টিউলিপ দ্বন্দ্ব সম্পর্কিত ওই মন্তব্য করেন।
অবৈধভাবে পূর্বাচলে প্লট ও ফ্ল্যাট দুর্নীতি মামলায় আজ সোমবার (১১ আগস্ট) থেকে ব্রিটিশ এমপি ও সাবেক স্বৈরাচার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাগ্নি টিউলিপ সিদ্দিকসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে বিচার শুরু হবে। এর আগের দিন ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন টিউলিপ।
এতে তিনি দাবি করেছেন, তার বিরুদ্ধে কোন দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, সে ব্যাপারে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট করে কিছু জানেন না। তবে গত সপ্তাহে এক সাংবাদিকদের বরাতে তার আইনজীবী জানতে পারেন, বাংলাদেশে দুর্নীতির অভিযোগে তাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতির অভিযোগকে তিনি ‘সম্পূর্ণ অযৌক্তিক’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন। কিন্তু আওয়ামী সরকারের লোকজন দুর্নীতি করেছে বলে স্বীকার করেছেন তিনি। টিউলিপ বলেন, কোনো সন্দেহ নেই বাংলাদেশে অনেকে খারাপ কাজ করেছে। এজন্য তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু আমি ওই খারাপদের মধ্যে একজন নই।
দুর্নীতির মামলার ব্যাপার টিউলিপ বলেন, আমি এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক সমন পাইনি। আমি বলছি, আমি একটি বিদেশি রাষ্ট্রে শো-কেস বিচারের কাছাকাছি আছি। আমি এখনো জানি না আমার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো কী। আমি যেন কাফকাসকেউর দুঃস্বপ্নে পড়েছি। যেখানে আমার বিচার করা হচ্ছে। কিন্তু আমি জানি না অভিযোগগুলো কী এবং কিসের বিচার হচ্ছে।
টিউলিপের বিরুদ্ধে রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও উঠেছে। বিশেষ করে ২০১৩ সালে শেখ হাসিনার সঙ্গে রাশিয়া সফরে যাওয়ার তার বিরুদ্ধে অভিযোগের তীর। তবে টিউলিপ জানিয়েছেন, ওই বছর তিনি ব্যক্তিগতভাবে রাশিয়া গিয়েছিলেন এবং হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। অপরদিকে পুতিনের সঙ্গে তার মাত্র দুই মিনিট কথা হয়েছিল।
টিউলিপ দাবি করেছেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার খালা সাবেক স্বৈরাচার শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বন্দ্বে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তিনি বলেন, সত্যি হলো আমি মুহাম্মদ ইউনূস এবং আমার খালার দ্বন্দ্বের মাঝে পড়ে গেছি। এগুলো হলো সেই বড় বিষয়, যেগুলোর বিরুদ্ধে আমি লড়াই করছি।
এছাড়া শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গণহত্যা দুর্নীতির তদন্ত নিয়েও মন্তব্য করেছেন টিউলিপ। তিনি বলেছেন, আমি আমার খালার পক্ষে সাফাই গাইছি না। তার সরকারের শেষ কীভাবে হয়েছে তা নিয়ে তদন্ত হচ্ছে, আমি তা জানি। আমি আশা করি বাংলাদেশের মানুষ যা চায় তাই তারা পাবে।
গাজা যুদ্ধ নিয়ে আঙ্কারা বরাবরই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান একে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছেন
১৭ ঘণ্টা আগেরায়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বর্ধিত শুল্ক প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করতে পারবেন ট্রাম্প। সেই জন্য ফেডারেল আপিল আদালত ট্রাম্পকে সময় দিয়েছেন। রায়ে আপিল আদালত বলেছেন, আগামী ১৪ অক্টোবরের পর এই রায় কার্যকর হবে
১৮ ঘণ্টা আগেএই নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ফ্রান্সের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জাতিসংঘ অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। এবং এ পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন
২০ ঘণ্টা আগেদীর্ঘদিন ধরেই এই তিন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকলেও পশ্চিমাদের ওপর ক্ষোভ ও স্বার্থের কারণে এবার তারা একসঙ্গে শক্তি প্রদর্শনে নামছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাদের আসন্ন বৈঠক কেবল প্রতীকী সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির পালাবদলের ইঙ্গিত বহন করছে
২ দিন আগেগাজা যুদ্ধ নিয়ে আঙ্কারা বরাবরই কঠোর অবস্থান নিয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান একে গণহত্যা আখ্যা দিয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের সঙ্গে তুলনা করেছেন
রায়ে ট্রাম্প প্রশাসনকে বর্ধিত শুল্ক প্রত্যাহারের আদেশ দিয়েছেন আদালত। তবে এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দায়ের করতে পারবেন ট্রাম্প। সেই জন্য ফেডারেল আপিল আদালত ট্রাম্পকে সময় দিয়েছেন। রায়ে আপিল আদালত বলেছেন, আগামী ১৪ অক্টোবরের পর এই রায় কার্যকর হবে
এই নিষেধাজ্ঞা এমন এক সময়ে এসেছে, যখন ফ্রান্সের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় জাতিসংঘ অধিবেশনে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছে। এবং এ পদক্ষেপের বিরোধিতা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন
দীর্ঘদিন ধরেই এই তিন দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান থাকলেও পশ্চিমাদের ওপর ক্ষোভ ও স্বার্থের কারণে এবার তারা একসঙ্গে শক্তি প্রদর্শনে নামছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, তাদের আসন্ন বৈঠক কেবল প্রতীকী সৌজন্য সাক্ষাৎ নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতির পালাবদলের ইঙ্গিত বহন করছে