নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর বিভিন্ন খাতের বরাদ্দের বিল ছাড়ে অনিয়ম ও ঘুষ দাবির অভিযোগ উঠেছে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফ-উল-আলমের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন তিনি।
অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার প্রায় ৯০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কন্টিনজেন্সি বিল, বিদ্যুৎ বিল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বাবদ বরাদ্দ, বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপনের ব্যয়, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষার উপকরণ ক্রয়ের অর্থ এবং ক্রীড়া কার্যক্রমের বরাদ্দের বিল চলতি মাসের ১২ তারিখ পেরিয়ে গেলেও ছাড় করা হয়নি।
একাধিক প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষক অভিযোগ করেন, ঘুষ না দেওয়ায় ইচ্ছাকৃতভাবে এসব বিল আটকে রাখা হয়েছে। তাদের দাবি, ‘অডিট খরচ’-এর অজুহাতে বিল ছাড়ের ক্ষেত্রে অবৈধ অর্থ দাবি করা হচ্ছে। এ অর্থ সংগ্রহে কয়েকজন অসাধু প্রধান শিক্ষক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে উপজেলার অধিকাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিক্ষা অফিস এবং একটি প্রভাবশালী চক্রের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন বলে দাবি করেন তারা।
এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফ-উল-আলম বলেন, “অফিসে জনবল সংকটের কারণে বিল প্রক্রিয়াকরণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। আজই বিলগুলো ছাড় করে দেওয়া হবে। ঘুষ বা অবৈধ অর্থ দাবি করার অভিযোগের কোনো সত্যতা নেই।”
তবে অভিযোগকারী শিক্ষকদের দাবি, পুরো বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানান তারা।