দেশে বাড়ছে সহিংসতা
৩লাখ মানুষের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন
শিয়ালের মাংস খাসি বলে বিক্রির চেষ্টা
বরিশালে দায়ের আঘাতে বিড়ালের পা ভেঙে দিলেন নারী, থানায় অভিযোগ
ঢাকা-টাঙ্গাইল বাসে কলেজছাত্রীকে রাতভর ধর্ষণ, ৩ গ্রেফতার
বাংলাদেশ

দেশে বাড়ছে সহিংসতা

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
এরফান সোলতানি
বিশ্ব

ইরানে গ্রেফতার এরফানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
জাকারিয়া তাহের সুমন
অপরাধ

জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাত মামলার আসামী তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ডিসেম্বরে দেশে এলো ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, শীর্ষে সৌদি আরব

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
বাংলাদেশি টাকার আজকের আন্তর্জাতিক বিনিময় হার

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশি টাকার বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার (৩ জানুয়ারি) অনুযায়ী প্রধান মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হারের তালিকা হল: •    ইউএস ডলার: ১২২.৩৫ টাকা •    ইউরো: ১৪৩.৭১ টাকা •    ব্রিটিশ পাউন্ড: ১৬৪.৮৯ টাকা •    অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮১.৬৬ টাকা •    জাপানি ইয়েন: ০.৭৮ টাকা •    কানাডিয়ান ডলার: ৮৯.১৫ টাকা •    সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৫.১৭ টাকা •    চীনা ইউয়ান রেনমিনবি: ১৭.৫৩ টাকা •    ভারতীয় রুপি: ১.৩৬ টাকা •    শ্রীলঙ্কান রুপি: ২.৫৩ টাকা •    মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০.১৬ টাকা •    সৌদি রিয়াল: ৩২.৬০ টাকা •    কুয়েতি দিনার: ৩৯৭.১৬ টাকা •    সুইডিশ ক্রোনা: ১৩.৩০ টাকা উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠা-নামার কারণে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটতে পারে।  

ডলারের দাম বাড়ছে: কী প্রভাব পড়ছে আমদানি-রপ্তানিতে?

ডলারের দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি খাতে দেখা দিচ্ছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদিকে আমদানিকারকরা পড়ছেন চাপের মুখে, অন্যদিকে রপ্তানিকারীরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন। আমদানি খাতে ডলারের দর বাড়ায় বিদেশ থেকে পণ্য আনতে খরচ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, ভোজ্যতেল, কাঁচামাল, ওষুধের উপাদান এবং প্রযুক্তিপণ্য—এসব আমদানিতে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ব্যাংকগুলো ডলার সংকটে ভুগছে, ফলে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে এবং অনেক সময় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাজারে — পণ্যের দাম বাড়ছে, মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, রপ্তানির ক্ষেত্রে ডলার মূল্য বৃদ্ধির ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন। এতে তাদের আয় কিছুটা বাড়ছে, যা রপ্তানি খাতকে কিছুটা চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ডলারের দরবৃদ্ধি একটি প্রণোদনার মতো কাজ করছে। তবে এর একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে — আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক সময় অর্ডারের মূল্য সমন্বয় করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত লাভ সবসময় নিশ্চিত হয় না। রেমিট্যান্স প্রেরকদের জন্যও ডলারের দাম বাড়া স্বস্তির খবর। প্রবাসীরা এখন প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন, ফলে ব্যাংক চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে, যদিও আমদানি ব্যয় এখনও বেশি থাকায় চাপে রয়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একদিকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে উৎসাহ দিচ্ছে, অন্যদিকে আমদানির চাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে নানা নীতিগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিয়ন্ত্রিত বিনিময় হার ব্যবস্থা বা managed floating system এর মাধ্যমে ডলারের বাজারে ভারসাম্য আনার চেষ্টা চলছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। আমদানিকারকদের উচিত দীর্ঘমেয়াদি মূল্য চুক্তি ও বিকল্প উৎস নির্ধারণ করা। রপ্তানিকারকদের বাজার বৈচিত্র্য ও উৎপাদন দক্ষতায় নজর দেওয়া দরকার। একইসাথে সরকারের উচিত ডলার সংকট মোকাবিলায় কাঠামোগত সংস্কার ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আমদানিনির্ভর শিল্প ও সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে। তাই এখনই প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা, সুচিন্তিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে টেকসই করা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালা: বাজারে কেমন প্রভাব পড়বে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতিতে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস, এবং ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট প্রেক্ষাপটে এই নীতিমালা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। মুদ্রানীতিতে রেপো রেট আগের মতো ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সুদের হারও মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এতে ঋণের খরচ আগের মতোই থাকবে, যার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর কিছুটা চাপ অব্যাহত থাকবে। এই নীতিমালায় মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা শিথিল করে ৭ থেকে ৮ শতাংশ ধরা হয়েছে। যদিও আগের মুদ্রানীতিতে তা ৬ দশমিক ৫ শতাংশের আশপাশে রাখা হয়েছিল। সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক যৌথভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বৈশ্বিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধি তা কঠিন করে তুলছে। ফলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাস্তবভিত্তিক বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। নতুন নীতিমালায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ৯ দশমিক ৮ শতাংশ এবং সরকারি খাতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বেসরকারি বিনিয়োগে কিছুটা মন্থরতা থাকতে পারে, যদিও সরকারের বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে ব্যাংক খাতের সম্পৃক্ততা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিদেশি মুদ্রার বাজারে চাপ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যবস্থাপনা নির্ভর ভাসমান বিনিময় হার’ (managed floating exchange rate) নীতিতে অটল থাকবে বলে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করবে এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে উৎসাহ দেবে। রপ্তানিকারকদের জন্য প্রণোদনা অব্যাহত রাখা, এবং রেমিট্যান্স উৎসাহে প্রবাসীদের ব্যাংক চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এনবিএফআই তথা নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখা সম্প্রসারণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কোনো নতুন শাখা খোলার ক্ষেত্রে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এতে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই মুদ্রানীতি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হলেও স্বল্পমেয়াদে কিছু চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ সুদের পরিবেশে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ কমে যেতে পারে, যা উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা রক্ষায় স্বচ্ছতা, স্থিতিশীল নীতিমালা ও নিয়মিত তথ্যপ্রবাহ অত্যন্ত জরুরি। এই মুহূর্তে বাজারে প্রতিটি সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। মুদ্রানীতির বাস্তব প্রয়োগ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্রিয় তদারকি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক গতি-প্রবাহ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার বাজারে অস্থিরতা: বিনিয়োগকারীদের কী করণীয়?

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছে টানা অস্থিরতা। সূচকের উত্থান-পতন, লেনদেনের নিম্নগতি এবং কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে হঠাৎ দরপতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকেই দিনশেষে লোকসান নিয়ে বাড়ি ফিরছেন, আবার কেউ কেউ বিনিয়োগ না করেই ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ অবস্থানে রয়েছেন। অস্থিরতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে অর্থনীতির সামগ্রিক চাপ, বিশেষ করে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ খাতে ঝুঁকছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে দূরে থাকছেন। অন্যদিকে, কিছু কোম্পানির দুর্বল মৌলভিত্তি এবং গুজবের ভিত্তিতে দর বাড়া কিংবা কমা — বাজারকে আরও বেশি অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে উঠেছে কঠিন। বিশেষ করে যারা স্বল্প অভিজ্ঞ, তাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেশি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন সময়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের। প্রথমত, যেসব কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক, যাদের ব্যবসার ভিত্তি শক্ত এবং ডিভিডেন্ড প্রদানে নিয়মিত, সেসব কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এই সময় ‘শেয়ার কম দামে কিনে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা’ কৌশল বেশ কার্যকর হতে পারে। দ্বিতীয়ত, গুজব বা বাজারে হঠাৎ ওঠা কোনো খবরের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। অনেক সময় কিছু 'পাম্প অ্যান্ড ডাম্প' স্টকে আকর্ষণীয় মুনাফার লোভ দেখিয়ে ফাঁদ পাতা হয়, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির মুখে ফেলে। তৃতীয়ত, কারও যদি অর্থনৈতিক সংকট থাকে বা ধার করা অর্থ দিয়ে শেয়ার কেনার চিন্তা থাকে, তাহলে আপাতত বাজারে প্রবেশ না করাই উত্তম। কারণ বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল, এবং সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়া প্রযুক্তি ও নিউজভিত্তিক এনালাইসিসের পাশাপাশি মৌলিক বিশ্লেষণ (ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস) করা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কেউ চাইলে শেয়ার বাজার সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ নিতে পারে বা অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীর পরামর্শও গ্রহণ করতে পারে। সবশেষে বলা যায়, শেয়ার বাজারে অস্থিরতা নতুন কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, প্রতিটি পতনের পরই বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেই ঘুরে দাঁড়ানোর সময়টা ধরতে পারে কেবল ধৈর্যশীল ও সচেতন বিনিয়োগকারীরা। তাই আতঙ্ক নয়, জ্ঞান ও কৌশলের মাধ্যমে বিনিয়োগ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করণীয়।

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

বাংলাদেশ

দেশে বাড়ছে সহিংসতা

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

সোনা রতন চাকমা ও দীনময় রোয়াজা
বাংলাদেশ

প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সোনা রতন চাকমা ও দীনময় রোয়াজা

খাগড়াছড়ি জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের কৃষক আজিজুল হাকীম শীতপ্রবাহ উপেক্ষা করে নিজের এক একর জমিতে কুইক স্টার বিটকপি চাষ করে বাম্পার ফলন তুলে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কৃষিজীবনে এটি তার অন্যতম সফল চাষ বলে জানাচ্ছেন তিনি। চাষি আজিজুল হাকীম জানান, তার ক্ষেতে কুইক স্টার এবং জিরো-৫ প্রজাতির বিটকপি চারা রোপণ করা হয়েছে। ৮৫ দিনের চাষে তিনি প্রায় ৫০০ মন বিটকপি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। তবে ফলন অনুযায়ী তিনি আশা করছেন প্রায় ৫ লাখ টাকার লাভ করতে পারবেন। এ ফসল থেকে তিনি নিজের পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ সংসারের সব ব্যয় মিটিয়ে কিছু সঞ্চয়ও করতে পারবেন।     আজিজুল হাকীম বলেন,  “পৈত্রিক জমিতে কুইক স্টার চাষ করে এত ভালো ফলন পেয়েছি, এটি আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ। পরিশ্রমের মূল্য এই ফলন দেখিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কৃষক শীতকালীন রবি শস্য ও সবজি চাষে আগ্রহী হবেন।” উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম আলী আশরাফ জানান, “আজিজুল হাকীমের সফলতা পুরো ইউনিয়নের জন্য দৃষ্টান্ত। কৃষি দপ্তর নতুন নতুন ফসল উৎপাদন ও আধুনিক চাষপ্রণালীর প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন চাষিদের উৎসাহিত করছে। শীতকালীন সবজি চাষে এ ধরনের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” সরেজমিন দেখা যায়, আজিজুল হাকীমের একর জমিতে সবুজ কুইক স্টার বিটকপি ঘনবিপুলভাবে ছড়িয়ে আছে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের চোখে স্বচ্ছ আনন্দ ও চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি প্রকৃত অর্থেই তার সফলতার প্রমাণ বহন করছে।

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

বাংলাদেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে সবজি রপ্তানির মাধ্যমে। চলতি বছর সবজি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ, যা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি লাউ, কাঁচামরিচ, শিম, বেগুন, এবং মুলার চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (EPB) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে সবজি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষ করে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, এবং যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কারণে দেশীয় সবজির চাহিদা বেশি দেখা গেছে।   কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জাহিদুল হাসান বলেন, “সরকার রপ্তানি-উপযোগী কৃষিপণ্য উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা করছে। নিরাপদ এবং রাসায়নিক মুক্ত উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। হিমাগার ও রপ্তানি মান অনুযায়ী প্যাকেজিং সুবিধাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।” ঢাকার সন্নিকটে সাভারের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানালেন, “আমি আগে শুধু স্থানীয় হাটে বিক্রি করতাম। এখন এলাকার একটি সংগঠনের মাধ্যমে আমাদের সবজি দুবাই পাঠানো হয়। দামও ভালো পাই, সময়মতো টাকা পেয়ে যাই।”   বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশে বছরব্যাপী সবজি উৎপাদনের ক্ষমতা থাকায় এই খাতে রপ্তানির অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তারা এটাও বলছেন যে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা, সঠিক হিমায়ন ব্যবস্থা, ও সময়মতো পরিবহন নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা রপ্তানির জন্য নির্দিষ্ট অঞ্চল ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যেমন—নরসিংদী, যশোর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি রপ্তানিযোগ্য মানের ফসল উৎপাদনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।   বিমানবন্দরে দ্রুত সবজি পার্সেল হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধা, কৃষিপণ্য পরীক্ষার জন্য আলাদা ল্যাব, এবং নতুন কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করলে এই রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববাজারে সবজি রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদাও যাতে পূরণ হয়, সে বিষয়েও নজর রাখছে সরকার। কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক বাজার’ এবং ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাপও চালু করা হয়েছে।   বাংলাদেশের কৃষি খাত এখন শুধু দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে না, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যদি অবকাঠামো ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা যায়, তাহলে বাংলাদেশ অচিরেই বিশ্বের অন্যতম প্রধান সবজি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারে।

হোসেন মাঝি জুন ২৮, ২০২৫ 0

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

জলবায়ু সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল ভাঙনের মুখে

জলবায়ু সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল ভাঙনের মুখে বাংলাদেশ একটি নদীভিত্তিক দেশ। এর বিস্তীর্ণ উপকূলরেখা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি ও জীবিকার অন্যতম অবলম্বন। কিন্তু জলবায়ু সংকটের কারণে এই উপকূলরেখা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলে ভাঙন ও সুনামির মতো দুর্যোগের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে গলছে হিমবাহ ও বরফের স্তর, যার ফলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। বাংলাদেশ উপকূলের বালু, মাটি ও মঙ্গোভ বনের ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, প্রবল ঝড় ও সুনামির হারও বেড়েছে, যা উপকূলীয় এলাকা ও জনজীবনকে আরও বেশি বিপন্ন করছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবিকা কৃষি ও মৎসধরনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাটির ক্ষয় এবং পানির ক্ষারাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। বহু পরিবার তাদের বসতবাড়ি হারাচ্ছে, অনেকেই নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতা নতুন জাতিগত ও অর্থনৈতিক সমস্যাও তৈরি করছে। সরকার ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা উপকূল সংরক্ষণের জন্য নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। বাঁধ নির্মাণ, ম্যানগ্রোভ বনে রক্ষণাবেক্ষণ, এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চেষ্টা চলছে ক্ষয় রোধের। তবে এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ—কার্বন নিঃসরণ কমানোতে আন্তর্জাতিকভাবে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা, অপ্রয়োজনীয় শক্তি ব্যবহার এড়িয়ে চলা এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন করা। কারণ জলবায়ু সংকট শুধু প্রকৃতির সমস্যা নয়, এটি মানবজাতির সুরক্ষারও ব্যাপার। উপকূলীয় এলাকার এই সংকট মোকাবেলায় আমাদের দেশের সরকার, সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

বৃষ্টি কম, তাপমাত্রা বেশি: অস্বাভাবিক জলবায়ু নিয়ে চিন্তিত বিজ্ঞানীরা

পরিবেশ ও জলবায়ুর পরিবর্তন: মানব সভ্যতার জন্য এক অদৃশ্য হুমকি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বেড়েছে ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগের প্রকোপ

এরফান সোলতানি
ইরানে গ্রেফতার এরফানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইরানের কারাজে গ্রেফতার ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করা হবে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এ ফাঁসির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগো অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এরফানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তার কারাজ শহরের ফারদিস আবাসিক এলাকায়। রোববার (১১ জানুয়ারি) পরিবারের কাছে জানানো হয়, আদালত মাত্র দুই দিনের মধ্যে তার বিচার শেষ করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এরফানের পরিবারের সদস্যরা শেষবারের জন্য মাত্র ১০ মিনিটের দেখা করতে পারছেন। ইরানের কর্তৃপক্ষ এ মামলার নথি তার বোন, যিনি একজন নিবন্ধিত আইনজীবী, দেখার সুযোগও দেননি। সংস্থার মুখপাত্র আওয়ার শেখি বলেন,    “এ ঘটনা ইরানের সরকারের তৎপরতা প্রদর্শন করে, যা দেশের নাগরিকদের ওপর ভয়ভীতি ও দমন চালাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।” ২০২২ সালের পর ইরানে চলা বৃহত্তম সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয় মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনে অন্তত ২,৫৭১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ১২ শিশু রয়েছেন। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যাচ্ছেনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ফাঁসির সম্ভাবনা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজকে তিনি বলেন, “যদি ইরান সরকার ফাঁসি কার্যকর করে, আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।”  তবে এ পদক্ষেপের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাননি। এই ঘটনা ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চ্যালেঞ্জের সঙ্গে দেশটির কঠোর দমননীতি উদ্ভাসিত করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে বিক্ষোভ দমনে হাজারো প্রাণহানির আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

কলকাতায় আন্তর্জাতিক প্রজ্ঞা পুরস্কার পেলেন পাঁচ সুরসাধক

ছবি: সংগৃহীত
২০২৫ সালে মদিনায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ সম্পন্ন

মদিনার মসজিদে নববীতে ২০২৫ সালে কোরআন মুখস্থ করেছেন ৮ হাজার ৩৩৫ শিক্ষার্থী। মসজিদ কর্তৃপক্ষের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বছরে দেশ-বিদেশের ৭১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কোরআন ও সুন্নাহ শিক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন গড়ে ৩৩ জন হিফজ সম্পন্ন করেছেন। ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অনলাইন ও দূরশিক্ষণের মাধ্যমে পড়াশোনা করছেন। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশে দৈনিক তিন হাজারের বেশি হালাকাহ পরিচালিত হয়, যেখানে এক হাজার ৫০০ শিক্ষক পাঠদান করছেন। ২০২৫ সালে কোরআন ও সুন্নাহ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী গ্রন্থে ইজাজা পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, এবং প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ও ইসলামী গ্রন্থ মুখস্থ করেছেন। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য দৈনিক ছয় হাজারের বেশি বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশ থেকে অংশ নিয়েছেন। বছরে মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী নতুনভাবে ভর্তি হয়েছেন এবং দুই লাখের বেশি সনদপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ৩০ লাখের বেশি খাবার সরবরাহসহ শিক্ষার ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ঘণ্টা। মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে কোরআন ও হাদিস শিক্ষার প্রসার ভবিষ্যতেও সম্প্রসারিত করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটনে শপথ নিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানে বিক্ষোভ তীব্র,খামেনির কঠোর হুঁশিয়ারি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় অনড় ট্রাম্প

ছবি: প্রতিনিধি
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলীয় নেতাদের শোক প্রকাশ

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার একাধিক প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা। শোক প্রকাশকারীদের মধ্যে রয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার ফেডারেল সিনেটর ডেব সারর্মা, নিউ সাউথ ওয়েলস লিবারেল পার্টির বিরোধীদলীয় নেতা ডেমেইয়েন টিউডহোপ এমপি, ছায়া মাল্টিকালচারাল মন্ত্রী মার্ক কুরি এমপি এবং হোলসওয়ার্দি আসনের এমপি টিনা আইয়ার্ড। শোকবার্তায় তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির একজন আপসহীন ও প্রভাবশালী নেত্রী। দীর্ঘদিন জনসেবা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তার অবদান অনস্বীকার্য। তারা তার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বিএনপি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মোসলেহ উদ্দিন হাওলাদার আরিফ জানান, অস্ট্রেলিয়ার লিবারেল পার্টি ও তাদের নেতারা গত ১৭ বছর ধরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার আন্দোলনে বিএনপির পাশে ছিলেন। ভবিষ্যতে একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনেও সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তারা।  

অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ১১ দিনে বিক্ষোভে নিহত ৩৪ জন, সহিংসতায় উত্তেজনা বাড়ছে

ছবি: সংগৃহীত

খামেনিকে লক্ষ্য করে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘চরম পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি

ছবি: প্রতিনিধি
সিডনিতে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা সভা

প্রবাসী লেখক ও সাংবাদিকদের বৃহত্তম সংগঠন অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (ABJA) বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিডনির ল্যাকেম্বার ধানসিঁড়ি ফাংশন সেন্টারে ‘গণতন্ত্রায়ণে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভা আয়োজন করে। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত বরেণ্য সাংবাদিক ও লেখক সোহরাব হাসান। সভা মোহাম্মাদ আবদুল মতিনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ ও কার্যনির্বাহী সদস্য আকিদুল ইসলামের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্য রাখেন ড. ওয়ালিউল ইসলাম, ড. হুমায়ুর চৌধুরি রানা, জাকির আলম লেলিন, মোবারক হোসেন প্রমুখ। বক্তারা রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক চাপ সাংবাদিকদের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি উল্লেখ করে নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। সভা শেষে ABJA’র পক্ষ থেকে সোহরাব হাসানকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

ছবি: প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক

মারিয়া কোরিনা মাচাদো

মাদুরো–পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র করতে চান মাচাদো

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
রাফসান–জেফারের গোপন সম্পর্কের গুঞ্জনে ইতি আজ

দীর্ঘদিনের গুঞ্জনের পর উপস্থাপক রাফসান সাবাব ও সংগীতশিল্পী জেফার রহমানের সম্পর্ক আনুষ্ঠানিক রূপ পেতে যাচ্ছে। একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের তথ্যমতে, বুধবার (১৪ জানুয়ারি) ঢাকার অদূরে আমিনবাজারের একটি রিসোর্টে তাঁদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। বিনোদন অঙ্গনে কয়েক বছর ধরেই দুজনের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আলোচনা চলছিল। বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠান ও বিদেশ সফরে একসঙ্গে উপস্থিতি এবং ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লেও এতদিন তারা সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে স্বীকার করেননি। বরং দুজনই একে অপরকে বন্ধু ও সহকর্মী হিসেবে উল্লেখ করে আসছিলেন।     উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের শেষ দিকে রাফসান সাবাবের আগের দাম্পত্য জীবনের অবসানের পর থেকেই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও জোরালো হয়। সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন এই দুই তারকা। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তারা নিজ নিজ অবস্থান থেকে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিল আদালত

তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

২০২৬ সালের মাধ্যমিক (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা ২১ এপ্রিল থেকে শুরু, ব্যবহারিক পরীক্ষা ৭-১৪ জুনে সম্পন্ন হবে। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ সময়সূচি ঘোষণা করেছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, তত্ত্বীয় পরীক্ষা প্রতিদিন সকাল ১০টায় শুরু হবে এবং ২০ মে পর্যন্ত চলবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা শিক্ষার্থী নিজ নিজ কেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশাবলির মধ্যে রয়েছে:  প্রবেশপত্র পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে সংগ্রহ করা, প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সময় অনুসরণ, বহুনির্বাচনি ও রচনামূলক অংশে আলাদা করে অংশগ্রহণ ও পাস নিশ্চিত করা, ব্যবহারিক নম্বর অনলাইনে বোর্ডে পাঠানো, এবং পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ। এছাড়া পরীক্ষার্থীরা কেবল নিবন্ধিত বিষয়েই পরীক্ষা দিতে পারবেন। ফলাফল প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে পুনঃনিরীক্ষণের জন্য অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন প্রক্রিয়া ও সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইট ও দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

দেশে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়েই চলেছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও শিল্প নির্ভর অর্থনীতিতে টিকে থাকতে হলে শুধু সাধারণ শিক্ষায় নয়, বাস্তবভিত্তিক ও হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের দিকেও গুরুত্ব দিতে হবে। সেই বিবেচনা থেকেই সরকার এবার কারিগরি শিক্ষার প্রসারে নতুন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো দেশের প্রতিটি অঞ্চলের যুবসমাজকে দক্ষ করে তোলা এবং তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো।   বর্তমানে দেশে কারিগরি শিক্ষার পরিসর সীমিত। অধিকাংশ কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র জেলা বা বিভাগীয় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ। ফলে গ্রামীণ ও প্রান্তিক এলাকার তরুণরা এই ধরনের শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। তবে নতুন এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপিত হবে, যেখানে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এতে করে একদিকে যেমন স্থানীয়ভাবে দক্ষ জনবল গড়ে উঠবে, অন্যদিকে কর্মসংস্থানেও নতুন দ্বার খুলবে।   প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে মূলত বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক্স, গাড়ি মেরামত, ফ্রিজ ও এসি রিপেয়ারিং, কম্পিউটার ও আইটি, ফ্যাশন ডিজাইন, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, সৌরবিদ্যুৎ এবং রোবোটিক্সের মতো চাহিদাসম্পন্ন কোর্স চালু করা হবে। এসব কোর্সের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে শিখে চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের উপযোগী হয়ে উঠবে। প্রশিক্ষণের শেষে তাদের সার্টিফিকেটও প্রদান করা হবে, যা চাকরির ক্ষেত্রেও মূল্যায়িত হবে। তাছাড়া অনেকে নিজের উদ্যোগেও ব্যবসা শুরু করতে পারবে, যার ফলে বেকারত্ব হ্রাস পাবে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে।   এই প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে আধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব জ্ঞান অর্জনে সক্ষম হয়। প্রশিক্ষকেরাও হবেন অভিজ্ঞ ও দক্ষ, যারা যুগোপযোগী পদ্ধতিতে পাঠদান করবেন। কিছু প্রশিক্ষণ কেন্দ্রকে বিশেষায়িত করাও হবে, যেমন কোনো এলাকায় কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ বেশি, আবার অন্য এলাকায় আইটি নির্ভর প্রশিক্ষণ বেশি দেওয়া হবে। এইভাবে স্থানীয় চাহিদা ও সম্ভাবনার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণের ধরন নির্ধারণ করা হবে।   এই উদ্যোগ শুধু কর্মসংস্থানের দিক থেকেই নয়, সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে নারী ও প্রতিবন্ধীদের অংশগ্রহণ বাড়ানো হবে, যাতে কারিগরি শিক্ষা সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রশিক্ষণ শেষে ঋণ সুবিধা, উদ্যোক্তা পরামর্শ ও চাকরির সংযোগও দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে, যা প্রকল্পকে বাস্তবিক ও দীর্ঘমেয়াদি সফলতায় রূপান্তর করবে।   সার্বিকভাবে বললে, প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের এই উদ্যোগ গ্রামীণ উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের তরুণ সমাজ আরও দক্ষ, আত্মনির্ভর ও ভবিষ্যতমুখী হয়ে উঠবে, যা স্মার্ট বাংলাদেশের পথে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পৃথক পৃথক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা আর থাকছে না। শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি কেন্দ্রীয় অনলাইন আবেদন ও মেধাতালিকা ভিত্তিক ভর্তি ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।   নতুন ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আলাদা ফরম পূরণ ও পরীক্ষা দেওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্তি মিলবে। শিক্ষার্থীরা একবার আবেদন করে পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ বেছে নিতে পারবেন, এবং সেই অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে।   শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য: শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি বলেছেন, “বছরের পর বছর ধরে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা একাধিক ভর্তি পরীক্ষার জন্য মানসিক ও আর্থিক চাপে থাকেন। এই পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের সময়, টাকা এবং কষ্ট—সবকিছুই বাঁচাবে।”   বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রতিক্রিয়া কিছু বিশ্ববিদ্যালয় এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান একে আত্মনিয়ন্ত্রণের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করেছে। তবে ইউজিসি জানিয়েছে, সব বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই পদ্ধতির আওতায় আনা হবে এবং প্রয়োজনে আলোচনা করে বিশেষায়িত ক্ষেত্রের জন্য নীতিমালা নির্ধারণ করা হবে।   অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মতামত নতুন এই পদ্ধতি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। ঢাকার একটি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী জানায়, “আমার জন্য এটা ভালো খবর। এখন একবার প্রস্তুতি নিলেই চলবে, আলাদা আলাদা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ফি আর যাওয়া-আসার খরচও কমবে।” অন্যদিকে, একজন অভিভাবক বলেন, “এটা যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয়, তাহলে এটি শিক্ষার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হবে।”   পরবর্তী পদক্ষেপ আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইউজিসি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয় এই কেন্দ্রীয় ভর্তিপদ্ধতির জন্য একটি আলাদা ওয়েবসাইট চালু করবে এবং বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0
অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

সময় হচ্ছে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ, বিশেষ করে ছাত্রজীবনে। পড়াশোনা, বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, এবং নিজের শখের কাজ—সবকিছুর জন্যই সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা খুব জরুরি। কিন্তু এই ব্যস্ত জীবনের মাঝে অনেক সময় আমরা অনুভব করি, সময় যেন ঠিক মতো আমাদের পাশে থাকে না, সবকিছু করার জন্য সময় কমে যায়। ছাত্রজীবন মানেই চ্যালেঞ্জের সময়। পরীক্ষা, প্রজেক্ট, অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাসের বাইরে নানা কার্যকলাপ—এসবের মধ্যে সামঞ্জস্য রাখতে না পারলে সময় যেন হাতছাড়া হয়ে যায়। ফলে অনেকেই পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়, চাপ বেড়ে যায়, আর স্বপ্নের সফলতা দূরে সরে যায়। টাইম ম্যানেজমেন্ট বা সময় পরিচালনার গুরুত্ব এখানেই। যদি আমরা আমাদের প্রতিদিনের কাজগুলো পরিকল্পিতভাবে করতে না শিখি, তবে সময়ের অপচয় হয়ে পড়বে, আর এর ফলে হতাশা, দেরি, এবং শেষ পর্যন্ত ফলাফল খারাপ হতে পারে। এই ব্লগে আমি তোমাদের জন্য নিয়ে এসেছি সহজ কিছু টিপস ও কৌশল যা তোমার সময়কে আরও সুশৃঙ্খল করতে সাহায্য করবে। আমরা আলোচনা করবো কীভাবে ছোট ছোট পরিকল্পনা দিয়ে মনোযোগ বাড়ানো যায়, সময় বাঁচানো যায়, এবং পড়াশোনায় সফল হওয়া যায়। তাই চল, আজ থেকেই শেখা শুরু করি—কিভাবে তোমার ছাত্রজীবনকে আরো ফলপ্রসূ ও আনন্দময় করা যায় সঠিক টাইম ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে।   ২. টাইম ম্যানেজমেন্ট কি?   টাইম ম্যানেজমেন্ট মানে হলো, আমাদের হাতে থাকা সময়কে এমনভাবে পরিকল্পনা ও ভাগ করা, যেন আমরা প্রয়োজনীয় কাজগুলো সময়মতো শেষ করতে পারি এবং অপ্রয়োজনীয় সময় অপচয় এড়িয়ে যেতে পারি। সহজভাবে বললে—"ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করা"—এটাই সময় ব্যবস্থাপনার মূলমন্ত্র।   🎯 কেন এটা ছাত্রদের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ?   ছাত্রজীবনেই ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়ে ওঠে। এই সময়টা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ—   পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয় নিয়মিত ক্লাস, অ্যাসাইনমেন্ট, প্রজেক্ট থাকে পাশাপাশি ঘুম, বিশ্রাম, পরিবার, বন্ধুবান্ধব, নিজের শখের দিকেও নজর দিতে হয়   যদি সময় ঠিকভাবে ম্যানেজ না করা যায়—   পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়া মানসিক চাপ বেড়ে যাওয়া রাত জেগে পড়া, ঘুম কম হওয়া আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলা   👉 অথচ সঠিক পরিকল্পনায় প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টাই যথেষ্ট—শুধু জানতে হবে কোন সময় কোন কাজটা সবচেয়ে দরকারি।   🗂️ সময়ের পরিকল্পনা ও প্রাধান্য নির্ধারণের গুরুত্ব   সব কাজ একসাথে করা যায় না। তাই প্রয়োজন কাজগুলোকে প্রাধান্য (Priority) অনুযায়ী সাজানো। এখানে সময় ব্যবস্থাপনার দুটি মূল বিষয়:   প্ল্যানিং (Planning): প্রতিদিন বা সাপ্তাহিকভাবে নিজের সময়ের একটা পরিকল্পনা করা কখন পড়বে, কখন বিশ্রাম নেবে, সেটার একটা রুটিন তৈরি করা   প্রায়োরিটাইজিং (Prioritizing): কোন কাজ এখন করতেই হবে? কোনটা একটু দেরি হলেও চলবে? কোনটা একেবারে বাদ দেওয়া যায়?   🎯 উদাহরণ: পরের দিন পরীক্ষা, আর তোমার কাছে কোনো গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ আসলো—এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করাটা কি জরুরি, নাকি রিভিশন নেওয়া?   👉 এই বেছে নেওয়ার বুদ্ধিমত্তাটাই সময় ব্যবস্থাপনার আসল শক্তি। টাইম ম্যানেজমেন্ট মানে নিজের সময়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ। আর ছাত্রজীবনে যদি এই স্কিলটা শিখে ফেলা যায়, তাহলে পরবর্তী জীবনেও সফলতার পথ সহজ হয়ে যায়।   ৩. প্রধান সমস্যা: সময়ের অপচয় কেন হয়?   ছাত্রজীবনে সময়ের সবচেয়ে বড় শত্রু হলো অসচেতনতা—আমরা বুঝতেই পারি না কখন সময়টা পেছনের দরজা দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। অথচ একেকটা দিন, সপ্তাহ, মাস পেরিয়ে গেলে বোঝা যায়, আসলে কিছুই ঠিকঠাক হয়নি। তাহলে কী কারণে সময় অপচয় হয়?   💤 ১. টালবাহানা বা Procrastination   “আচ্ছা, পরে করব…” – এই কথাটাই সময় নষ্টের প্রথম ধাপ। শুরুটা ঠিক সময়ে না করতে পারলে কাজ জমে যায়, চাপ বাড়ে, আর তখন আর কাজের প্রতি আগ্রহও থাকে না।   👉 পরীক্ষার আগের রাতে হঠাৎ সব পড়া মনে পড়া—এই দৃশ্য কি খুব চেনা?   📱 ২. অতিরিক্ত মোবাইল/সোশ্যাল মিডিয়ায় আসক্তি Facebook, YouTube, Instagram, TikTok — একটু রিল দেখতে গিয়ে ঘণ্টা উধাও। বেশিরভাগ ছাত্রছাত্রী “বিরতির নাম করে” সোশ্যাল মিডিয়ায় যায়, কিন্তু সেখান থেকে ফেরা আর হয় না। 👉 গবেষণায় দেখা গেছে, একজন সাধারণ তরুণ প্রতিদিন গড়ে ৩–৪ ঘণ্টা মোবাইলে কাটায়—যেটা সময়ের বিরাট অপচয়।   🧭 ৩. অস্পষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনার অভাব   “আজকে কী করব?”—এই প্রশ্নের উত্তর না থাকলে দিনটা কোথায় যায়, বোঝাই যায় না। যাদের পড়াশোনার বা জীবনের কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নেই, তাদের সময় নষ্ট হওয়াটা খুব সহজ। 👉 যেদিনের প্ল্যান থাকে না, সেদিন কাজে কিছুই হয় না—শুধু সময় পার হয়ে যায়।   😵 ৪. একসাথে অনেক কিছু করার চেষ্টা (Multitasking)   একদিকে পড়া, একদিকে চ্যাট, আবার মাঝে YouTube খুলে রাখা—সব মিলিয়ে কিছুই ঠিকঠাক হয় না। 👉 বারবার মনোযোগ বদলালে কোন কাজই ঠিকমতো শেষ হয় না, আর সময় শুধু ঘুরতেই থাকে।   ⏰ ৫. বিশ্রামের সময়েও দুশ্চিন্তা বা গিল্টি ফিলিং   অনেক সময় ছাত্ররা বিশ্রাম নিচ্ছে, কিন্তু মনে শান্তি নেই—“পড়তে বসিনি”, “সময় নষ্ট করছি” এসব চিন্তায় ঘুরপাক খায়। 👉 এতে বিশ্রাম হয় না, আবার কাজেও ফোকাস আসে না।   ✅ সমাধান কোথায়?   সমস্যার ধরন বুঝলেই সমাধান সহজ হয় সময় কোথায় নষ্ট হচ্ছে, সেটা লিখে রাখলে (time tracker দিয়ে) সহজে ধরা পড়ে মূল চ্যালেঞ্জটা খুঁজে বের করে ধাপে ধাপে ঠিক করতে হবে সময় অপচয়ের মূল কারণগুলো খুব সাধারণ, কিন্তু ভয়ংকর। এগুলো যদি আমরা চিনে নিতে পারি, তাহলে সমাধান খুঁজে ফেলা অনেক সহজ।   ৪. সফল টাইম ম্যানেজমেন্টের কৌশলসমূহ   সময় তো সবার কাছেই সমান—দিনে ২৪ ঘণ্টা। কিন্তু কেউ সেই ২৪ ঘণ্টায় অসাধারণ কিছু করে, আবার কেউ কিছু না করেই দিনটা শেষ করে ফেলে। পার্থক্যটা কোথায়? 👉 টাইম ম্যানেজমেন্টে। নিচে কিছু প্রমাণিত এবং বাস্তবসম্মত কৌশল দেওয়া হলো, যেগুলো ছাত্রজীবনে সফল সময় ব্যবস্থার চাবিকাঠি হতে পারে:   📋 ১. ডেইলি টু-ডু লিস্ট তৈরি করা   প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে (বা আগের রাতে) একটা ছোট লিস্ট বানাও: আজ কী কী করব কোনটা বেশি জরুরি কোনটা সময়সাপেক্ষ ✅ লিস্টের কাজগুলো করে করে চেক দিলে মনেও তৃপ্তি আসে!   🍅 ২. Pomodoro Technique ব্যবহার করো পড়াশোনায় ফোকাস বাড়াতে এটা অসাধারণ: ২৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে কাজ ৫ মিনিট বিরতি প্রতি ৪ বার পর ১৫–২০ মিনিট দীর্ঘ বিরতি 👉 এর ফলে মনোযোগ কমে না, আবার ক্লান্তিও জমে না।   🧭 ৩. প্রায়োরিটাইজ করো (Prioritization) সব কাজ সমান জরুরি নয়। তাই— সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও deadline-আসন্ন কাজ আগে করো ছোট, সহজ কাজ পরে করলেও চলবে 🎯 একটি জনপ্রিয় নিয়ম: Eisenhower Matrix – কাজগুলোকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায় (জরুরি/অ-জরুরি × গুরুত্বপূর্ণ/অ-গুরুত্বপূর্ণ)   🌱 ৪. “Time Blocking” মেথড প্রয়োগ করো দিনটাকে ভাগ করো: সকাল ৮–১০: পড়া ১০–১০:৩০: বিশ্রাম ১০:৩০–১২: অ্যাসাইনমেন্ট 👉 এভাবে সময় আলাদা করে রাখলে মাথায় পরিষ্কার থাকে কখন কী করব।   🌿 ৫. বিরতির সময় নির্ধারণ করো বিরতি নেওয়া মানেই অলসতা না। ৪৫–৫০ মিনিট পর একটু হাঁটাহাঁটি, চোখ বন্ধ করে বিশ্রাম শরীর/মাথা ফ্রেশ হলে কাজ আরও ভালো হয় ✅ নিয়মিত বিরতি productivity বাড়ায়।   📴 ৬. ডিজিটাল ডিস্ট্রাকশন কমাও মোবাইল “Do Not Disturb” বা “Focus Mode” করো ক্লাস/পড়ার সময় সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ রাখো নির্দিষ্ট সময়ে “মোবাইল চেক” সেশন রাখো 👉 একটু নিয়ন্ত্রণেই বিশাল সময় বাঁচবে।   📱 ৭. টাইম ম্যানেজমেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করো টেকনোলজি শুধু সময় নষ্ট করে না, বরং সময় বাঁচাতেও পারে! Todoist – লিস্ট আর রিমাইন্ডার Google Calendar – সময় ব্লকিং Forest / Focus Keeper – মনোযোগ বাড়াতে   ✅ একান্ত টিপস রাতে ঘুমানোর আগে “কালকের কাজের প্ল্যান” করে ঘুমাও "না" বলতে শিখো—অপ্রয়োজনীয় কাজ/বিপদে না গিয়ে নিজের সময় বাঁচাও সাপ্তাহিক রিভিউ করো—কী করেছ, কী করা হয়নি, কেন হয়নি? টাইম ম্যানেজমেন্ট কোনো কঠিন জিনিস নয়। বরং একটু সচেতনতা, ছোট কিছু অভ্যাস, আর পরিকল্পনার মধ্য দিয়েই তুমি তৈরি করতে পারো নিজের সফল ভবিষ্যতের পথ।     ৫. পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ   "আমি সফল হতে চাই" — এই কথাটা অনেকেই বলে। কিন্তু খুব কম মানুষই জানে, সফলতা আসলে প্ল্যানের ফলাফল। শুধু ইচ্ছা থাকলেই হয় না, দরকার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আর লক্ষ্য নির্ধারণ। ঠিক সেখানেই আসে টাইম ম্যানেজমেন্টের মূল শক্তি।   🎯 লক্ষ্য (Goal) মানে কী? লক্ষ্য হলো তোমার গন্তব্য। তুমি কোথায় যেতে চাও, সেটা যদি নিজেই না জানো, তাহলে সময় কীভাবে কাজে লাগাবে? “ভালো রেজাল্ট করব” — এটা একটা সাধারণ ইচ্ছা কিন্তু “এই টার্মে GPA ৪.৫ তোলার জন্য প্রতিদিন ৩ ঘণ্টা পড়ব”—এটা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য   ✅ SMART Goal পদ্ধতি লক্ষ্য নির্ধারণে সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো SMART মডেল। তোমার লক্ষ্য যেন হয়: S – Specific (নির্দিষ্ট): কী করতে চাও? M – Measurable (পরিমাপযোগ্য): কতটুকু উন্নতি? A – Achievable (বাস্তবসম্মত): করতে পারবে তো? R – Relevant (প্রাসঙ্গিক): তোমার ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত? T – Time-bound (সময়সীমা নির্ধারিত): কতদিনে করতে চাও? 🎯 উদাহরণ: “পরের ৪ সপ্তাহে গণিতে ৫টা অধ্যায় শেষ করব, প্রতিদিন ২ ঘণ্টা সময় দিয়ে।” 👉 এটা একটা SMART লক্ষ্য।   🗂️ কিভাবে পরিকল্পনা করবে?   ১. বড় লক্ষ্য ভেঙে ছোট করো বড় লক্ষ্যকে ছোট ছোট ধাপে ভাগ করলে সেটা সহজে আয়ত্তে আসে। যেমন: “SSC তে A+” → প্রতিমাসে একটি বিষয় → প্রতি সপ্তাহে নির্দিষ্ট চ্যাপ্টার   ২. সাপ্তাহিক ও দৈনিক প্ল্যান করো সপ্তাহের শুরুতে একটা রুপরেখা বানাও—কি কি কাজ শেষ করতে হবে প্রতিদিন সকালে বা আগের রাতে প্ল্যান সাজাও—কোনটা আগে, কোনটা পরে   ৩. টাইম ব্লক করো নির্দিষ্ট কাজের জন্য পড়া, অ্যাসাইনমেন্ট, বিশ্রাম—সবকিছুর জন্য সময় ঠিক করো যেকোনো কাজে “ঠিক কতক্ষণ সময় দিবে” তা নির্ধারণ করে ফেলো আগেই   📌 লক্ষ্য না থাকলে কী হয়? পড়াশোনার আগ্রহ হারিয়ে যায় সময় ঠিকঠাক কাজে লাগে না ছোট ছোট distraction-এ মন চলে যায় দিনের শেষে মনে হয় “আজ কিছুই করিনি!” 👉 লক্ষ্য থাকলে প্রতিটা দিন একটা নির্দিষ্ট দিকের দিকে এগোয়।   ছাত্রজীবনে পরিকল্পনা ও লক্ষ্য নির্ধারণ মানে ভবিষ্যতের ভিত্তি গড়া। তুমি যদি জানো কোথায় যেতে চাও, কীভাবে যাবা, আর সময়টাকে কীভাবে কাজে লাগাবে—তাহলে সফলতা সময়ের ব্যাপার মাত্র।   ৬. মনোযোগ বাড়ানোর উপায়   আজকের যুগে মনোযোগ ধরে রাখা যেন একটা যুদ্ধ! একদিকে ফোনের নোটিফিকেশন, অন্যদিকে ইনস্টাগ্রামের রিল, পাশেই ভাই বা বন্ধুর গল্প — এমন পরিস্থিতিতে পড়ার সময় মন বসানোটা সত্যিই চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু মনোযোগ ছাড়া সফল হওয়া সম্ভব নয়। তাই আসুন জেনে নিই কিছু কার্যকর ও ব্যবহারযোগ্য কৌশল, যা তোমার ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করবে।   🧘 ১. পড়ার পরিবেশ তৈরি করো   ✅ নীরব, আলো-বাতাসপূর্ণ, পরিপাটি পরিবেশে পড়ো ✅ টেবিল-চেয়ার থাকলে ভালো — শুয়ে পড়লে ঘুম পাবে ✅ দরকারি জিনিস যেমন বই, পেন, নোট একসাথে রাখো ❌ মোবাইল, টিভি বা অন্যান্য বিভ্রান্তি দূরে রাখো 👉 মন ফোকাস করে তখনই, যখন পরিবেশ মনোযোগবান্ধব হয়।   ⏳ ২. ছোট সময়ে মনোযোগী হও (Pomodoro Technique)   ২৫ মিনিট মনোযোগ দিয়ে পড়ো ৫ মিনিট বিরতি নাও এই চক্র ৪ বার চললে একটা লম্বা বিরতি ✅ এই পদ্ধতিতে ক্লান্তি আসে না, মনোযোগও স্থির থাকে।   📱 ৩. মোবাইল নিয়ন্ত্রণে রাখো   পড়ার সময় ফোন Silent বা Focus Mode রাখো পড়া শেষ হলে নির্দিষ্ট সময় দিয়ে স্ক্রল করো চাইলেই “Digital Detox” করে কিছুদিন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতিও নিতে পারো 👉 ফোনই আজকের সময়ে সবচেয়ে বড় distraction।   🧠 ৪. একসাথে একটাই কাজ করো   Multitasking করলে একটারও ঠিকভাবে হয় না। 👉 একসাথে পড়া, মেসেজ দেওয়া, গান শোনা — এতে মনোযোগ হারিয়ে যায়। ✅ পড়ার সময় শুধু পড়া, বিশ্রামের সময় পুরো বিশ্রাম।   🌿 ৫. নিয়মিত মেডিটেশন বা ব্রেথিং এক্সারসাইজ   দৈনিক ৫–১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে নিঃশ্বাসের অনুশীলন করলে: মাথা ঠান্ডা থাকে মন শান্ত হয় মনোযোগ বাড়ে 👉 মেডিটেশন এখন বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিতভাবে ফোকাস বাড়ায়।   📘 ৬. মনোযোগ ধরে রাখতে ছোট লক্ষ্য ঠিক করো   “আজ পুরো বই পড়ব” — এটা শুনতেই ক্লান্ত লাগে। 👉 বরং বলো, “আগামী ৩০ মিনিট শুধু এই চ্যাপ্টারটা শেষ করব।” ✅ ছোট লক্ষ্য হলে মন বসানো সহজ হয়, এবং সফল হলে আত্মবিশ্বাসও বাড়ে।   📅 ৭. নিয়মিত রুটিন মেনে চলো   প্রতিদিন যদি নির্দিষ্ট সময়ে পড়তে বসো, তাহলে মস্তিষ্ক অভ্যস্ত হয়ে যাবে। 👉 এক সময় নিজে থেকেই মন বসে যাবে।   মনোযোগ বাড়ানো কোনো ম্যাজিক নয়। এটা একটা অভ্যাস, যা চর্চার মাধ্যমে গড়ে ওঠে। সঠিক পরিবেশ, পরিষ্কার লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময় এবং প্রযুক্তির নিয়ন্ত্রণ — এই চারটি জিনিসই ছাত্রজীবনের মনোযোগ ধরে রাখার মূল চাবিকাঠি।   তুমি যদি সত্যি সময়টাকে কাজে লাগাতে চাও, তবে আজ থেকেই শুরু করো—একটু একটু করে মনোযোগী হয়ে উঠো। 👉 কারণ, মনোযোগ মানেই প্রগতি।   ৭. প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া   আজকাল আমরা প্রায়ই শুনি, “মোবাইল সব সময় নষ্ট করে দেয়”, “টেকনোলজির কারণে মনোযোগ হারিয়ে ফেলি” — এসব কথা আংশিক সত্য হলেও প্রযুক্তি আসলে নষ্টও করে, আবার ঠিকভাবে ব্যবহার করলে অনেক গড়ে তোলে। ছাত্রজীবনে সময় বাঁচাতে, কাজের গতি বাড়াতে, এমনকি মনোযোগ ধরে রাখতে অনেক দারুণ টুলস রয়েছে—শুধু জানতে আর ঠিকভাবে ব্যবহার করতে হয়।   📋 ১. টু-ডু লিস্ট ও প্ল্যানিং অ্যাপ   Todoist / Google Keep / Notion প্রতিদিনের কাজের তালিকা তৈরি কাজ শেষ হলে চেক করে আত্মতৃপ্তি Reminder সেট করে সময়মতো কাজের স্মরণ 👉 সময় ম্যানেজমেন্টের প্রথম ধাপই হলো—“কোন কাজটা করব, কবে করব” সেটা পরিষ্কার থাকা।   🧭 ২. ক্যালেন্ডার ও টাইম ব্লকিং টুল   Google Calendar / Microsoft Outlook পুরো সপ্তাহ বা মাসের পরিকল্পনা একেক সময় একেক কাজ ব্লক করে রাখা এক ক্লিকে দেখে ফেলা — কোন দিন কী আছে ✅ রুটিন মেনে চলতে চাইলে এসব টুল অমূল্য।   ⏱️ ৩. ফোকাস বাড়ানোর অ্যাপ   Forest / Focus To-Do / Brain.fm নির্দিষ্ট সময় ধরে মনোযোগ ধরে রাখা পড়ার সময় ফোনে ঢুকলেই গাছ ‘মরে যায়’ – এমন ফিচারে মোটিভেশন মনোযোগ বাড়াতে বিশেষ মিউজিক বা থেরাপি সাউন্ড 👉 যারা সহজে ডিস্ট্র্যাক্টেড হন, তাদের জন্য দারুণ কার্যকর।   📊 ৪. স্টাডি ট্র্যাকার ও প্রোডাক্টিভিটি অ্যাপ   Toggl / Clockify / My Study Life কোন কাজে কত সময় ব্যয় হচ্ছে, সেটার হিসাব রাখা প্রতিদিন বা সাপ্তাহিক রিপোর্ট দেখা কোন বিষয় বেশি সময় নিচ্ছে, বুঝে নিয়ে সেটার পরিকল্পনা ঠিক করা 🎯 অনেক সময় আমরা বুঝতেই পারি না সময় কোথায় যাচ্ছে—এই অ্যাপগুলো সেটা ধরিয়ে দেয়।   📚 ৫. লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ও অনলাইন কোর্স   Coursera / YouTube / Khan Academy / 10 Minute School নির্দিষ্ট বিষয়ের জন্য ক্লাস বা টিউটোরিয়াল দেখা যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে শেখা সময়ের অপচয় বাদ দিয়ে নিয়মিত শেখার অভ্যাস ✅ এখন লাইব্রেরি না গিয়েও হাতের ফোনে “জ্ঞান” পাওয়া যায়—শুধু ইচ্ছা থাকা দরকার।   ✅ টিপস: প্রযুক্তি যেন শত্রু না হয়ে বন্ধু হয় “ব্যবহার” করো, কিন্তু “আসক্ত” হয়ো না অ্যাপস ব্যবহারের সময় নির্ধারণ করে রাখো নোটিফিকেশন বন্ধ রাখো যখন ফোকাস দরকার   প্রযুক্তিকে যদি তুমি কেবল বিনোদনের মাধ্যম মনে করো, তাহলে সেটা সময় নষ্ট করবে। কিন্তু যদি এটাকে কাজে লাগাও — তাহলে এটা হতে পারে তোমার সবচেয়ে বড় সহযোগী ও প্রডাক্টিভিটির সহায়ক। ছাত্রজীবনে যাদের হাতে আছে স্মার্টফোন, তাদের হাতে আছে একধরনের “বুদ্ধিমান সহকারী” — এখন শুধু শেখা দরকার, কীভাবে তাকে কাজে লাগাবে!     ৮. সাধারণ ভুল ও সতর্কতা   অনেকেই টাইম ম্যানেজমেন্টের কথা শোনার পর রুটিন বানায়, অ্যাপ ডাউনলোড করে, প্ল্যান করে—কিন্তু কয়েকদিন পর সবকিছু এলোমেলো হয়ে যায়। কেন এমন হয়? 👉 কারণ, আমরা কিছু সাধারণ ভুল করে ফেলি, যা পুরো ব্যবস্থাপনাকে ভেঙে দেয়। চলো জেনে নিই সেগুলো কী এবং কীভাবে এগুলো থেকে সাবধান থাকা যায়।   ❌ ১. “সব একসাথে করব” ভাবা (Overplanning) দিনের সব ঘন্টা প্ল্যান দিয়ে ভর্তি করে ফেলা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনই দমবন্ধও হয়ে যায়। 👉 সব কাজের জন্য সময় রাখা জরুরি, কিন্তু সেই সময় যেন বাস্তবসম্মত হয়। ✅ 🔹 টিপ: প্রতিদিন ৩–৫টা মূল কাজ ঠিক করো। বেশি নয়।   ❌ ২. বিশ্রামের সময় বাদ দেওয়া অনেকে মনে করে, “যত বেশি পড়ব, তত ভালো রেজাল্ট আসবে।” কিন্তু মাথা ও শরীরকে বিশ্রাম না দিলে কাজের মান কমে যায়, একসময় ক্লান্তি ও বিরক্তি চলে আসে। ✅ 🔹 টিপ: প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা ঘুম এবং প্রতি ঘণ্টায় ৫ মিনিট বিরতি রাখো।   ❌ ৩. লক্ষ্য না ঠিক করে দৌড়ানো লক্ষ্যহীনভাবে শুধু পড়তে বসা টাইম ম্যানেজমেন্ট নয়। 👉 “কি পড়ছি, কেন পড়ছি”—এই প্রশ্নের উত্তর না থাকলে সময় অপচয় হবেই। ✅ 🔹 টিপ: প্রতিটি কাজের পিছনে একটা উদ্দেশ্য রাখো।   ❌ ৪. “না” বলতে না পারা বন্ধুদের ডাক, অপ্রয়োজনীয় টিউশনি, বা পারিবারিক চাপ—সবকিছুই মেনে নিতে গেলে নিজের সময় কোথায় থাকবে? ✅ 🔹 টিপ: তোমার সময় তোমার সম্পদ। অপ্রয়োজনীয় কাজ politely না বলা শিখো।   ❌ ৫. মোবাইলকে “দাঁতের ব্রাশ” বানিয়ে ফেলা সকালে উঠেই ফোন, ঘুমাতে যাওয়ার আগেও ফোন। এতে সময় নষ্ট হয় শুধু না, মনোযোগও হারিয়ে যায়। ✅ 🔹 টিপ: সকালে অন্তত ৩০ মিনিট ফোন ছাড়াই থাকো।   ❌ ৬. ফাঁকা পরিকল্পনা করে ফেলা প্ল্যান বানানোই সব কিছু না। প্ল্যান ফলো করাই আসল! 👉 প্ল্যান লিখে রেখে না মানলে কোনো লাভ নেই। ✅ 🔹 টিপ: রাতের শেষে রিভিউ করো—কী করলে, কী বাকি, কেন হয়নি।   ⚠️ সতর্কতা টাইম ম্যানেজমেন্ট শেখা মানেই প্রতিদিন একেবারে পারফেক্ট হওয়া নয় ভুল হবে, গাফিলতি হবে—কিন্তু হাল ছাড়া যাবে না নিয়মিত চর্চার মধ্য দিয়েই সময় ব্যবস্থাপনায় দক্ষ হওয়া সম্ভব   ছাত্রজীবনে সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—নিজের সময়কে সম্মান করা। তুমি যদি এই সাধারণ ভুলগুলো এড়িয়ে সচেতনভাবে সময় কাজে লাগাতে পারো, তাহলে সফলতা শুধু সময়ের ব্যাপার। 👉 মনে রেখো, "শুধু কাজের মানুষ হওয়া নয়, কাজের সময় মানুষ হওয়াই হলো বুদ্ধিমানের কাজ!"     ৯. সফল ছাত্রদের অভিজ্ঞতা থেকে শিখুন   টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে যত থিওরি পড়ি না কেন, বাস্তব জীবনের গল্পগুলোই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা। তাদের দেখলেই বোঝা যায়—সফলতা আসলে কোনো জাদু নয়, বরং সময়কে ঠিকঠাকভাবে ব্যবহার করার ফল। চলো জেনে নিই এমন ৩ জন শিক্ষার্থীর বাস্তব অভিজ্ঞতা যাদের টাইম ম্যানেজমেন্ট বদলে দিয়েছে তাদের জীবন।   🧑‍🎓 গল্প ১: ফারহানা, মেডিকেল স্টুডেন্ট – "ঘড়ির কাঁটায় বাঁধা রুটিন"   ঢাকা মেডিকেলের ছাত্রী ফারহানা প্রতিদিন মাত্র ৬ ঘণ্টা পড়তেন, কিন্তু সময়ের এত ভালো ব্যবস্থাপনা ছিল যে তার সব সাবজেক্টে রিভিশন হতো সময়মতো। প্রতিদিন সকাল ৮টায় পড়া শুরু Pomodoro টেকনিকে ২৫+৫ স্টাডি সেশন সন্ধ্যায় ৩০ মিনিট ফেসবুক/ইউটিউব — guilt-free!   🎯 ফলাফল: পরীক্ষার আগের রাতেও সে চাপমুক্ত থাকত, আত্মবিশ্বাস ছিল তুঙ্গে।   🧑‍💻 গল্প ২: সাদমান, HSC ছাত্র ও ফ্রিল্যান্সার – “সময় মানেই টাকা”   সাদমান পড়াশোনার পাশাপাশি গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে আয় করে। সে জানে, “সময়টা যদি না ম্যানেজ করি, পড়াও যাবে, আয়ও যাবে।” রাত ৮টা–১০টা: কেবল পড়া রাত ১০টা–১২টা: ক্লায়েন্টের কাজ দিনে ১৫ মিনিট সময় ব্লক করে প্রজেক্ট ম্যানেজ করে   🎯 ফলাফল: GPA ৫.০০ পেয়েছে, এবং মাসে ১০–১২ হাজার টাকা ইনকাম!   👩‍🏫 গল্প ৩: নুসরাত, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী – “না বলতে শিখে জীবন বদলেছে”   নুসরাত আগে বন্ধুদের ডাক না ফেলতে পারত না—ফলে প্ল্যান করে কিছুই হতো না। একসময় সে বুঝল, "না" বলা মানেই খারাপ হওয়া না, বরং নিজের লক্ষ্য রক্ষা করা। অপ্রয়োজনীয় আড্ডা কমিয়ে দিয়েছে সাপ্তাহিক রুটিন ফলো করে রবিবার রাতে সব সপ্তাহের প্ল্যান বানায় 🎯 ফলাফল: ক্লাসে রেগুলার, CGPA বেড়েছে, পরিবার-বন্ধুদের সঙ্গেও সময় দিতে পারছে।   🧠 আমরা কী শিখলাম?   এই গল্পগুলো থেকে পরিষ্কার ৩টি বিষয় শেখা যায়: সময় থাকেই—শুধু ঠিকমতো ব্যবহার করাটা শেখা দরকার "না" বলতে শেখা মানে নিজেকে সময় দেওয়া ফাঁকা সময় মানেই অলসতা নয়, সেটা কাজে লাগালে ভবিষ্যত বদলায়   📌 ছোট্ট চ্যালেঞ্জ তোমার জন্য   আজকেই ১টা রিয়েল প্ল্যান বানাও— আগামী ৩ দিনে কী কী করব? কোন সময় কোন কাজ করব? কী বাদ দিবো, কীতে মনোযোগ বাড়াবো?   👉 মনে রেখো, তোমার প্রতিটি মিনিটই একেকটা বিনিয়োগ।   উপসংহার   সময় কারও জন্য থামে না। চাই তুমি একজন স্কুলছাত্র হও, কলেজ পড়ুয়া বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী—তোমার হাতে প্রতিদিন ২৪ ঘণ্টাই আছে। প্রশ্ন হলো: তুমি সেটা কীভাবে ব্যবহার করছ?   এই ব্লগের মাধ্যমে আমরা দেখেছি— ✅ সময়ের গুরুত্ব কতটা ✅ কীভাবে সময় অপচয় হয় ✅ কোন কোন কৌশলে সফলভাবে সময়কে নিয়ন্ত্রণে আনা যায় ✅ প্রযুক্তিকে বন্ধু করে ব্যবহার করা যায় ✅ আর ভুলগুলো চিনে সতর্ক থাকা যায় তোমার আশপাশেই এমন অনেক সফল ছাত্রছাত্রী আছেন যারা সময়ের দাম বুঝে আজ নিজেদের জীবন গড়ে তুলছে। তুমি কেন পারবে না?   🔑 মনে রাখো: "টাইম ম্যানেজমেন্ট মানে শুধু রুটিন না, এটা নিজেকে গড়ার প্রতিজ্ঞা।" তুমি যদি আজ থেকেই একটু একটু করে সচেতন হও— 📅 ছোট ছোট প্ল্যান করো 🕒 সময়মতো কাজ শেষ করো 📵 অপ্রয়োজনীয় distraction এড়িয়ে চলো তাহলে সফলতা তোমার খুব বেশি দূরে না।   🎁 লেখাটি পড়ে এখন তোমার করণীয়:   📌 একটা খাতা বা অ্যাপ নিয়ে শুরু করো 📌 আগামী ৭ দিনের জন্য সময় ব্যবস্থার একটা রুপরেখা বানাও 📌 নিজেই নিজের পরিবর্তনের সাক্ষী হও   📣 পাঠকের প্রতি প্রশ্ন:   তুমি কীভাবে সময় ম্যানেজ করো? তোমার কোন কৌশল সবচেয়ে ভালো কাজ করে? নাকি টাইম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে এখনো লড়াই করছো? 👉 নিচে মন্তব্যে জানাও — অথবা বন্ধুদের সঙ্গে লেখাটি শেয়ার করো, যারা এই সমস্যায় ভুগছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই একজন সাধারণ ছাত্রকে অসাধারণ করে তোলে। আজই শুরু করো — কারণ সময় কারও জন্য অপেক্ষা করে না।

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়লেও চাকরি নিশ্চিত নয়

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা: সুযোগের চেয়ে চ্যালেঞ্জ বেশি?

ছবি: সংগৃহীত
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে, ক্রিকেটারদের অনড় অবস্থান ও কোয়াবের দাবির প্রেক্ষিতে পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। বিসিবির সূত্রে জানা গেছে, টাইগার ক্রিকেট বোর্ড শর্ত দিয়েছিল, আজকের মধ্যে খেলোয়াড়রা মাঠে না ফিরলে বিপিএল বন্ধ করা হবে। এর প্রেক্ষিতে আজ (১৫ জানুয়ারি) দিনের সমস্ত ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। রাজশাহী ওয়ারিয়রস ও সিলেট টাইটানসের সন্ধ্যা ম্যাচ, পাশাপাশি নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের দুপুরের ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। বিসিবি নিশ্চিত করেছে, বৃহস্পতিবার রাতে (১৫ জানুয়ারি) ফ্রাঞ্চাইজিদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিতকরণ ও পদক্ষেপের তথ্য জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0

ক্রিকেটারদের চাপেই বিসিবি অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুলকে বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত

নাজমুলের পদত্যাগে অনড় ক্রিকেটাররা, বিপিএলসহ খেলা বন্ধের শঙ্কা

সেপাক টাকরো খেলায় দেশসেরা সৈয়দপুরের মেয়েরা

ছবি: সংগৃহীত
নিরাপত্তা আশ্বাসে আইসিসি নিশ্চিত করেছে বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করেছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল উদ্বেগ সমাধানের মাধ্যমে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং টুর্নামেন্টের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিসিবির পরামর্শকে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করবে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আলটিমেটাম’ সংক্রান্ত খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং অসত্য। বোর্ডের লক্ষ্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা এবং নিশ্চিত করা, যাতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। বিসিবি আরও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পেশাদার, সহযোগিতামূলক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখবে। বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে, আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও সন্তোষজনক সমাধান দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় দল বিশ্বকাপের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ না গেলে ভারতের লোকসান হবে প্রায় ৩০ কোটি রুপি

আইপিএল খেলা সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা, বাদ পড়ল শান্ত–জাকের

মুস্তাফিজুর রহমান
আইপিএল ২০২৬ থেকে মুস্তাফিজকে বাদ দিলো কেকেআর

আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে না রাখার নির্দেশ পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিসিসিআই সূত্র জানিয়েছে, কেকেআরকে মুস্তাফিজকে স্কোয়াড থেকে ছাড়ার পাশাপাশি তার পরিবর্তে নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি দেবজিত সাইকিয়া ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের মিনি নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় কেকেআর, যা ছিল কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ মূল্য। তবে নিলামের পর থেকেই বিষয়টি ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতার সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই হস্তক্ষেপ করে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই আইপিএল ২০২৬-এ মুস্তাফিজুর রহমানের কেকেআর অধ্যায়ের ইতি ঘটছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো

আগস্টেই আংশিক Camp Nou-তে ঘরোয়া ম্যাচের প্রস্তুতি

আর্থিক সঙ্কটে ইতিহাসের গভীরে লিয়োন — প্রশাসনিকভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে

ডোপিং-বানের পর ফেরার পথে পগবা — মোনাকোতে চূড়ান্তভাবে।

ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা ডোপিং-বানের পর ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং চূড়ান্তভাবে তিনি যুক্ত হতে চলেছেন ফরাসি ক্লাব AS মোনাকো'-তে। ⏯️ ফেরার সময়রেখা জুলাই ২০২২-এ জুভেন্টাসে ফিরে দুর্দান্ত শুরুর পরই ২০২৩ সালের আগস্টে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে, যা ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইটালিয়ান অ্যান্টিডোপিং ট্রাইব্যুনাল thesun.co.uk+15en.wikipedia.org+15footballtransfers.com+15। কিন্তু তারা সেই শাস্তি ১৮ মাসে কমিয়ে দেয়, যার ফলে মার্চ ২০২৫ থেকে পগবা আবার মাঠে নামতে পারবেন । আর এখন, জুন ২০২৫-এ জানা যাচ্ছে, তিনি মোনাকো-র সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করতে চলেছেন, যা আগামী জুন ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে । 📝 চুক্তির বিবরণ গণমাধ্যম “লা প্যারিসিয়েন” এবং BBC জানিয়েছে পগবা মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে মৌখিকভাবে একমত হয়েছেন । Guardian আরও পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছে: ২০২৩ সালের শেষ থেকে প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকলেও, তিনি অবশেষে মোনাকোতে ফিরছেন, যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ অনুরূপ জায়গা নিশ্চিত রয়েছে । পরবর্তী সপ্তাহে তাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কার প যন । 🎯 মোনাকোর পরিকল্পনা মোনাকো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছে — সেখানে পগবার অভিজ্ঞতা তাঁদের মসৃণ অন্তর্ভুক্তি ও তরুণদের জন্য নেতৃত্বের প্রাধান্য জোগাবে । The Guardian লিখেছে, 'তাঁর যোগদানে মোনাকোর মিডফিল্ডে দৃঢ়তা বাড়তে পারে' । €৬–৭ মিলিয়ন পরিসরে বার্ষিক বেতন পার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে, যা ফ্রি ট্রান্সফার হলেও প্রতিযোগিতামূলক এক ডিল । 🔄 অন্য ক্লাবের আগ্রহ পগবা ছিলেন মার্সেইয়েল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়েল মাদ্রিদ, গোল্ডন বিৎস্য চাইকার সঙ্গে সুসংলগ্ন । তবে সে-সব আগ্রহ এখন মিথ্যা বা অনিশ্চিত — তবে জুভেন্টাস ছাড়ার পর তিনি এলএফসি, মাইয়ামি ও স울 লিগের দিকে তাকিয়েছিলেন । অবশেষে, ইউরোপে থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন মোনাকোই তাঁর প্রথম পছন্দ । 🌍 জাতীয় দলের আশাবাদের সাথে সম্পর্ক পগবা তার ৯১টি জাতীয় দলের ক্যাপ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য । তিনি চান আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্স দলে জায়গা করতে পারেন, কিন্তু ফর্ম আর ম্যাচ ফুটবল পাওয়া জরুরি । Didier Deschamps খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর মান পুনঃস্থাপনের সুযোগে আশাবাদী, যদিও ফর্মই শেষ বিচারক । ✅ সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা নিষেধাজ্ঞা সমাপ্তি মার্চ ২০২৫ চুক্তি ক্লাব AS মোনাকো (২০২৫–২০২৭) চুক্তির ধরণ দুই বছর, ফ্রি ট্রান্সফার প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, Ligue 1 অন্যান্য ক্লাব আগ্রহ ছিল মার্সেইয়েল, ম্যান ইউ, রিয়েল মাদ্রিদ; MLS/সৌদি আগ্রহী ছিল জাতীয় দলের স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ-এ ফেরা   পগবার এই মোনাকো-ফেরা প্রমাণ করে, তিনি এখনো বড় মঞ্চে খেলার ক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় মনোভাবী। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং প্রিমিয়ারের চাইতে একটি সম্ভাবনাময় পরিবেশ চেয়েছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরার জন্য মাঝপথে পা ফেলতে চান। তবে, ১৮ মাসের পার্থিব জার্নি এবং শরীরচর্চার খোলিকতা এখনো সমঝোতা প্রয়োজন — সেটাই আসল পরীক্ষা।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

বার্সেলোনায় যাচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস? ট্রান্সফার ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
১০ দলের ইসলামী আন্দোলন বাদ, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনিশ্চিত

১০ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত করতে বসলেও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ অংশ নেয়নি। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন জামায়াত, এনসিপি, খেলাফত মজলিস, এবি পার্টি, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি প্রমুখ। ইসলামী আন্দোলনের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান জানান, তারা বৈঠকের আগে সকাল ১০টায় বিষয়টি জানতে পেরেছিলেন, তাই প্রস্তুতি নিতে পারেননি। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, আসন সমঝোতা চূড়ান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক এখনও আলোচনার অধীনে। দুই দলই সমঝোতার দরজা খোলা রেখেছে, আলাদা হয়ে যাওয়ার কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের নেতৃত্ব একই সাথে সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে সমঝোতা সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। এই বৈঠক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জোটের চূড়ান্ত আসন বণ্টন নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0
মো. খায়রুল হাসান

জামায়াত প্রার্থী খায়রুল হাসানের আধুনিক কালীগঞ্জ গড়ার অঙ্গিকার

ছবি: সংগৃহীত

১১ দলের সংবাদ সম্মেলন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

শাহজাহান চৌধুরী

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরীকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে শোকজ

মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ
শেরপুর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ বহিষ্কার

দলীয় সিদ্ধান্ত অগ্রাহ্য করে নির্বাচনী তৎপরতা চালানোর অভিযোগে শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদকে দল থেকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।  বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় তাকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্র জানায়, শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কার বিপরীতে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন, যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম জানান, বহিষ্কারের চিঠি কেন্দ্র থেকে পাওয়া গেছে এবং বিষয়টি দলীয়ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, মো. শফিকুল ইসলাম মাসুদ অতীতে জেলা ছাত্রদল ও যুবদলের সভাপতি ছিলেন এবং সর্বশেষ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।  

শেরপুর প্রতিনিধি> জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0

সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন মির্জা ফখরুল, আইএসপিআর যা জানালো

জাপা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করতে বিএনপি প্রার্থীর আপিল

ছবি: প্রতিনিধি

বাহাদুরাবাদ ইউপি জনপ্রতিনিধিদের দলবেঁধে বিএনপিতে যোগদান

ছবি: প্রতিনিধি
নির্বাচনী ট্রেন ট্র্যাকে উঠেছে, তবে চালকের হাতেই ঝুঁকি

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ও নির্বাচন বিশ্লেষক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, নির্বাচনের প্রক্রিয়া ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, এখন তা কতটা নিরাপদ হবে তা নির্ভর করছে রাজনীতিবিদদের আচরণের ওপর। সোমবার (১২ জানুয়ারি) বরিশালে সুজন আয়োজিত বিভাগীয় সংলাপ শেষে তিনি সাংবাদিকদের জানান, “নির্বাচনি ট্রেন ট্র‍্যাকে উঠে গেছে। শঙ্কা থাকলেও সেটি ট্র‍্যাকচ্যুত করতে পারেন রাজনীতিবিদ ও তাঁদের মনোনীত প্রার্থীরাই। সদাচরণ নিশ্চিত হলে বড় কোনো ঝুঁকি থাকবে না।” ড. বদিউল আলম আরও বলেন,  “রাজনীতিবিদরা যদি উত্তেজনা কমান, সহিংসতায় না জড়ান এবং এমপি হওয়ার জন্য অপকৌশল পরিহার করেন, তাহলে নির্বাচন সুন্দর, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে।” সংলাপে বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও নেতারা অংশ নেন এবং নির্বাচনকালীন আচরণ, রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও প্রয়োজনীয় সংস্কারের বিষয়ে মতামত দেন।  

বরিশাল জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

২২ জানুয়ারি মৌলভীবাজারে আসছেন তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলে জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মীর বিএনপিতে যোগদান

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সরকারের ব্যর্থতায় অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার হয়নি: মির্জা ফখরুল

ছবি: সংগৃহীত
কম্বল বিতরণে শোকজের জবাব দিলেন বিএনপি প্রার্থী

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে তলব হলেও শেষ পর্যন্ত অভিযোগমুক্ত হলেন যশোর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগের কোনো ভিত্তি না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) যশোর-৩ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ মো. মাসুদ রানার আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ খারিজের আদেশ দেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুনানিকালে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, আদালত অভিযোগ খারিজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আগে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দাবি করেন, অভিযোগে উল্লেখিত কর্মসূচিগুলো তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নয়, সেগুলো যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টুঙ্গিপাড়া যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেলিন সাহা শনিবার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

টুঙ্গিপাড়ায় পদত্যাগ করলেন তিন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা

ছবি: প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে এনসিপির নেতৃবৃন্দের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময়

ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরে ৩ শতাধিক নেতা বিএনপিতে যোগদান, রাজনীতিতে নতুন ধারা