সাতক্ষীরায় কিশোরীকে ধর্ষণ ও ভিডিও ছড়ানোর অভিযোগে কলেজছাত্র গ্রেফতার
শুধু সততা বা যোগ্যতা নয়, রাষ্ট্র চালাতে দুটির সমন্বয় জরুরি: ডা. সুলতান আহমদ
সমুদ্রতলে মিসাইল সুড়ঙ্গের ভিডিও প্রকাশ, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের
শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত
খুলনায় জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়-ক্ষতি নিরসনে দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত
জাতীয়

ভারতের সংসদে খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব অনুমোদন

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব

মহারাষ্ট্রে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
খেলা

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের নতুন ইতিহাস, আউন্সপ্রতি দাম ছাড়াল ৫,২০০ ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
দুর্নীতি ও পরিবারতন্ত্রে বিপন্ন বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত: গভর্নর মনসুর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান হাবিব মনসুর দেশীয় ব্যাংকিং খাতের বর্তমান দুরবস্থা ও পুনর্গঠনের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং খাত: বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে পরিবারতন্ত্র, দুর্নীতি ও সুশাসনের অভাবের কারণে ২০–২৫ বিলিয়ন ডলার দেশের বাইরে পাচার হয়েছে। বর্তমানে দেশে ব্যাংকের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যধিক, তাই বাস্তবতার ভিত্তিতে মাত্র ১০–১৫টি ব্যাংকই যথেষ্ট হবে। তিনি আরও জানান, খেলাপি ঋণের হার নিয়ন্ত্রণে আনা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা কমিয়ে রেশনালাইজেশন করা সরকারের লক্ষ্য। বাংলাদেশ ব্যাংক রেজ্যুলিউশন ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে ৩০–৪০ হাজার কোটি টাকা জমা রাখা হবে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এই কাঠামোর আওতায় আনা হবে। গভর্নর আশ্বাস দেন, মার্চের মধ্যে খেলাপি ঋণ ২৫ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ সম্ভব। তবে সংশোধিত বাংলাদেশ ব্যাংক অধ্যাদেশ জারি না হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ আবার ফিরে আসার ঝুঁকি রয়েছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শরিফ মোশারফ হোসেন এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মাহবুব উল্লাহ। তারা সবাই ব্যাংকিং খাতের সংকট ও প্রয়োজনীয় পুনর্গঠনের উপর গুরুত্বারোপ করেন।  

জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ খেলাপি

  রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের ৭০ শতাংশেরও বেশি ঋণ এখন খেলাপি। এই বিশাল পরিমাণ টাকা আদায় হবে কি-না সেটা অনিশ্চিত। এদের মধ্যে অনেকেই পালিয়ে গেছে। সদ্য শেষ হওয়া ২০২৫ সালে সুদ খাতে ৪ হাজার কোটি টাকারও বেশি লোকসান গুনেছে ব্যাংকটি। ফলে বছর শেষে জনতা ব্যাংকের পরিচালন লোকসান দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বলছে, নিরীক্ষার পর লোকসানের পরিমাণ ৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছাড়াবে ৭০ হাজার কোটি টাকার বেশি এবং মূলধন ঘাটতি ছাড়াবে ৬৬ হাজার কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ এর আদায় এবং কীভাবে খেলাপির পরিমাণ কমিয়ে আনা হবে, সেটা এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক্ষেত্রে খেলাপি ব্যক্তির ঋণ নেওয়ার সময় যে জামানত আছে, সেটা বিক্রি করে টাকা আদায়ের প্রক্রিয়ায় গিয়েছে ব্যাংকগুলো। একইসঙ্গে ঐ ব্যক্তির শেয়ার জব্দ করে টাকা আদায় হচ্ছে। কিন্তু এটা করতে গিয়ে নানা জটিলতাও তৈরি হয়েছে। যেমন- খেলাপি ঋণের বিপরীতে যে জামানত রাখা আছে, সেটার মূল্যমান ঋণের তুলনায় কম। অর্থাৎ দশ টাকার জামানত নিয়ে একহাজার টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। সেক্ষেত্রে এসব জামানত বিক্রি করেও লাভ হচ্ছে না। বড় বড় ঋণগুলো দেওয়া হয়েছে বেনামে। এস আলম গ্রুপসহ অনেকেই নেপথ্যে থেকে বেনামে এসব ঋণ বের করে নিয়েছেন। ঋণগ্রহীতারা বিদেশে পলাতক। টাকাও বিদেশে পাচার হয়ে গেছে। ফলে টাকা আদায় হচ্ছে না। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান শুধু জনতা ব্যাংকের এক শাখা থেকেই ঋণের নামে বের করে নিয়েছেন প্রায় ২৭ হাজার কোটি টাকা। যা ওই শাখার মোট ঋণের ৬৫ শতাংশ। এসব ঋণের অধিকাংশই ছিল বেনামি। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক উদ্যোগে বেনামি ঋণগুলো তার নামে সংযুক্ত করেছে। জনতা ব্যাংকের নথি ঘেঁটে এ তথ্য পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও জনতা ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের লোকাল অফিস থেকে বেক্সিমকো গ্রুপ এবং গ্রুপ সম্পর্কিত মোট ৩২টি প্রতিষ্ঠানের নামে ২৬ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছে। এসব ঋণের বেশির ভাগই নেওয়া হয় ২০২১, ২২ ও ২৩ সালে। সাবেক অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের ঘনিষ্ঠজন হিসাবে পরিচিত কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি সালাউদ্দিন আহমেদ ব্যাংক থেকে নেওয়া ঋণের টাকা মেরে দিয়ে এখন প্রবাসে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। জনতা ব্যাংকের ৩০০ কোটি টাকা লুটপাট করে অস্ট্রেলিয়ায় আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন তিনি। সালাউদ্দিন আহমেদ জেলার নাঙ্গলকোট উপজেলার রাজাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। জনতা ব্যাংক সূত্র জানায়, ২০১৪ সালে জনতা ব্যাংক ঢাকার মতিঝিল শাখা থেকে আসিফ অ্যাপারেলস ১৪৭ কোটি ৮০ লাখ এবং আসিফ ফ্যাশনের নামে ১৩৯ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়। এসব ঋণ সুদে-আসলে বেড়ে ৪০০ কোটি টাকার ওপরে দাঁড়িয়েছে। ঋণের চাইতে তার ব্যাবসাপ্রতিষ্ঠানের মর্টগেজ মূল্য অনেক কম হওয়ায় তিনি কৌশলে ব্যাবসাটি গুটিয়ে নেন। এরপর সপরিবারে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। বন্ধ প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেয়ারটেকার নিয়োগ করে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। চার বছর ধরে কেয়ারটেকার হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন জনতা ব্যাংকের গার্ড মাহবুব খান। এদিকে আব্দুল কাদির মোল্লার থার্মেক্স গ্রুপটির কাছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রুপালীসহ একডজন কমার্শিয়াল ব্যাংকের পাওনা রয়েছে প্রায় আট হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে খেলাপির পরিমাণ সবচেয়ে বেশী জনতা ব্যাংকের কাছে। এত অনিয়ম ও আর্থিক এ বিপর্যয়ের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফেরেনি। তড়িঘড়ি করে গত ৭ ডিসেম্বর ব্যাংকটির ২৬ কর্মকর্তাকে উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) থেকে দেয়া এ পদোন্নতির ক্ষেত্রে জনপ্রতি ২০-৩০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুস গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে। ঋণ বিতরণে ঘুস গ্রহণের সুযোগ সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় শীর্ষ কর্মকর্তারা এখন পদোন্নতি ও বদলির মাধ্যমে ঘুস নিচ্ছেন বলে সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন। আর্থিক সংকট কাটাতে উচ্চ সুদের আমানত সংগ্রহে জোর দিয়েছে জনতা ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। গত দেড় বছরে ব্যাংকটি প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার আমানত সংগ্রহ করেছে, যার বেশির ভাগই উচ্চ সুদের। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১০-১২ শতাংশ সুদে নেয়া এ আমানত দীর্ঘমেয়াদে ব্যাংকটির জন্য আরো ঝুঁকি তৈরি করছে। জনতা ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ব্যাংকটির সংগৃহীত আমানতের ৫৫ শতাংশই উচ্চ সুদের। মুনাফা নয়, বরং সংগৃহীত এ আমানত থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করছে ব্যাংকটি। রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের বিপর্যয়ের সূত্রপাত ২০০৯ সালে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অন্য ব্যাংকের মতো এ ব্যাংকেও রাজনৈতিক নেতাদের দিয়ে পর্ষদ গঠন করা হয়। ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিয়োগ, কর্মীদের পদোন্নতি, ঋণ বিতরণসহ যাবতীয় কর্মকাণ্ড পরিচালনা হতো রাজনৈতিক বিবেচনায়। এ সময়ে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি লুণ্ঠনের শিকার হয়েছে জনতা ব্যাংক। বেক্সিমকো, এস আলম, এননটেক্স, থার্মেক্স গ্রুপ ক্রিসেন্টসহ বেশকিছু বড় গ্রুপ ব্যাংকটি থেকে ৬০ হাজার কোটি টাকার বেশি ঋণ নিয়েছে। এসব ঋণ এখন খেলাপির খাতায়। বাংলাদেশে খেলাপি ঋণে অ্যাননটেক্স গ্রুপ, বেক্সিমকো, থার্মেক্স গ্রুপ ও এস আলমসহ বড় বড় কোম্পানি নামে-বেনামে বড় অংকের ঋণ খেলাপি হয়েছে দেশটিতে। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে দেশটিতে খেলাপি ঋণ ছিলো বাইশ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ এগারো হাজার কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের জুন নাগাদ খেলাপি ঋণ গিয়ে ঠেকেছে পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ একবছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে তিন লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যাচ্ছে, গত কয়েকমাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ পাঁচ লাখ ত্রিশ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ছয় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। সে হিসেবে দেশটির মোট ঋণের তেত্রিশ শতাংশরও বেশি খেলাপি হয়ে গেছে। জনতা ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০২৪ সালে ব্যাংকটি ২ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা পরিচালন লোকসান দিয়েছে। ওই বছর সুদ খাতে ব্যাংকটির লোকসান ছিল ৩ হাজার ৪২ কোটি টাকা। ২০২৫ সালে এসে এ লোকসান আরো বেড়েছে। গত বছর জনতার পরিচালন লোকসান দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৯৮ কোটি টাকায়।  বড় লোকসানের মধ্যেও জনতা ব্যাংকের কর্মীদের বেতন-ভাতা খাতে ব্যয় বাড়ছে। ২০২৪ সালে এ খাতে ব্যাংকটির ব্যয় ছিল ১ হাজার ৩৬৮ কোটি টাকা। গত বছর-এ ব্যয় বেড়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। বেতন-ভাতা বৃদ্ধির এ পরিস্থিতির মধ্যেও ব্যাংকটির বিভিন্ন স্তরে পদোন্নতি দেয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে ঘুস লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জনতা ব্যাংকের এমডি মো. মজিবর রহমান বলেন, “অত্যন্ত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এজিএম থেকে ডিজিএম পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। পদোন্নতির বোর্ডে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধিও ছিলেন। ১২০ জনের মধ্যে মাত্র ২৬ জন পদোন্নতি পাওয়ায় কথা উঠছে। আমি যোগদানের পর ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় সুশাসন ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছি। কিছু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে একই বিভাগে কাজ করে আসছিলেন। নীতি অনুযায়ী যাদের একই অফিসে তিন বছর হয়ে গেছে, তাদের ভিন্ন অফিসে বদলি করেছি।” বিদ্যমান পরিস্থিতিতে জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে আর টেনে নেয়ার সুযোগ নেই বলে মনে করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, “জনগণের করের টাকা থেকে মূলধন জোগান দিয়ে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোকে যুগের পর যুগ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সুশাসনের ঘাটতি ও অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে জনতা ব্যাংকসহ অন্য ব্যাংকগুলোতে যে ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে, সেটি মেনে নেয়া যায় না। কোনো ব্যাংকের যখন ৭০ শতাংশের বেশি ঋণ খেলাপি হয়ে যায়, সেটিকে আর বাঁচিয়ে রাখার কোনো অর্থও হয় না।”

ডিসেম্বরে দেশে এলো ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, শীর্ষে সৌদি আরব

ডিসেম্বর মাসে প্রবাসী আয়ে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে বাংলাদেশ। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য বিদায়ী মাসে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, যা দেশের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মাসিক রেমিট্যান্স হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু ডিসেম্বরেই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ২২২ কোটি ৬৭ লাখ মার্কিন ডলার। এই প্রবাহ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে আরও শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকেরা। দেশভিত্তিক হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে—৪৯ কোটি ডলারের বেশি। খুব কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, যেখান থেকে এসেছে প্রায় ৪৭ কোটি ৬০ লাখ ডলার। এ ছাড়া যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি ও ওমান থেকেও উল্লেখযোগ্য অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে এসেছে। ব্যাংকভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহ সবচেয়ে বেশি, যা মোট আয়ের বড় অংশ জুড়ে রয়েছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ও বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, ধারাবাহিক প্রণোদনা, হুন্ডি দমন এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপর আস্থা বৃদ্ধির ফলেই রেমিট্যান্স প্রবাহ ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরেও প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে ভূমিকা রাখছে।

বাংলাদেশি টাকার আজকের আন্তর্জাতিক বিনিময় হার

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশি টাকার বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার (৩ জানুয়ারি) অনুযায়ী প্রধান মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হারের তালিকা হল: •    ইউএস ডলার: ১২২.৩৫ টাকা •    ইউরো: ১৪৩.৭১ টাকা •    ব্রিটিশ পাউন্ড: ১৬৪.৮৯ টাকা •    অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮১.৬৬ টাকা •    জাপানি ইয়েন: ০.৭৮ টাকা •    কানাডিয়ান ডলার: ৮৯.১৫ টাকা •    সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৫.১৭ টাকা •    চীনা ইউয়ান রেনমিনবি: ১৭.৫৩ টাকা •    ভারতীয় রুপি: ১.৩৬ টাকা •    শ্রীলঙ্কান রুপি: ২.৫৩ টাকা •    মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০.১৬ টাকা •    সৌদি রিয়াল: ৩২.৬০ টাকা •    কুয়েতি দিনার: ৩৯৭.১৬ টাকা •    সুইডিশ ক্রোনা: ১৩.৩০ টাকা উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠা-নামার কারণে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটতে পারে।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

অপরাধ

প্লাস্টিক কারখানায় অভিযান : নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

বরিশাল জানুয়ারী ২০, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
অপরাধ

বাগেরহাটের যাত্রাপুরে বাথরুম থেকে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

বাগেরহাট জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

২১ বছর ইপিজেডে চাকরি করে একঘেয়ে জীবন থেকে বেরিয়ে এসে কৃষিতে সফলতার গল্প গড়েছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের সুমন মিয়া (৪০)। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া মাত্র ২৪ শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম (পেপসিক্যাম) চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। চার মাস আগে বাড়ির পাশের জমিতে উচ্চমূল্যের এই সবজি চাষ শুরু করে ইতোমধ্যে দেড় লাখ টাকা আয় করেছেন সুমন। আরও দুই মাস ফসল তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন, যেখানে অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ টাকা আয় হবে বলে তার ধারণা। সবুজ আপেলের মতো ক্যাপসিক্যাম থোকায় থোকায় ঝুলতে থাকায় এটি দেখতে এলাকাবাসীর ভিড় জমছে। স্থানীয়ভাবে এটিই প্রথম বাণিজ্যিক ক্যাপসিক্যাম চাষ। বগুড়া এগ্রো ওয়ানের মাঠকর্মীদের পরামর্শে তিনি এ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। ক্যাপসিক্যামের পাশাপাশি তিনি দেড় বিঘা জমিতে তরমুজ এবং প্রায় দুই বিঘা জমিতে শসা ও টমেটো চাষ করে সব ক্ষেত্রেই লাভের মুখ দেখেছেন। সুমন মিয়া বলেন, ভরা মৌসুমে সবাই একসঙ্গে একই ফসল চাষ করলে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যায়, ফলে দাম পড়ে যায়। তাই আগাম ও ব্যতিক্রম সময়ের ফসল চাষ করলেই লাভবান হওয়া যায়। তিনি জানান, মালচিং পদ্ধতিতে পানি সাশ্রয় হয়, জমির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং আগাছা ও রোগবালাই কমে। ফলে ক্যাপসিক্যাম দাগমুক্ত থাকে এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। তবে পলিহাউস না থাকায় পোকামাকড় দমনে বাড়তি শ্রম ও খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি। সরকারের কাছে উদ্যোক্তাদের জন্য পলিহাউস সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান সুমন। তিনি আরও বলেন, ক্যাপসিক্যামের বাজার মূলত শহরকেন্দ্রিক। রংপুর, সৈয়দপুর ও নীলফামারীর বাজার, সুপারশপ ও অভিজাত রেস্টুরেন্টে এর চাহিদা বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ক্যাপসিক্যাম ভিটামিন সি, এ, বি-৬, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, ক্যাপসিক্যাম চাষ ব্যয়বহুল হলেও বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। চলতি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় চারজন উদ্যোক্তা এ সবজি চাষ করছেন।

নীলফামারী প্রতিনিধি> জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming
বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে প্রকৃতি ও নির্ধারিত ঋতুচক্র। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি যেমন চাষাবাদের জন্য আশীর্বাদ, তেমনি এর অনিয়মিততা কৃষকের জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে বৃষ্টির আচরণে যে অনিয়ম দেখা যাচ্ছে, তাতে কৃষিজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। আগে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে চাষাবাদ করা যেত নির্দ্বিধায়, এখন সেখানে কৃষকদের পড়তে হচ্ছে দোটানার মধ্যে। কখন বৃষ্টি হবে, কতটা হবে, কবে হবে—এই অনিশ্চয়তা কৃষকের পরিকল্পনা ভেস্তে দিচ্ছে বারবার।   জুন-জুলাই মাসেই বর্ষাকাল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন অনেক বছরেই দেখা যায়, বৃষ্টি শুরু হচ্ছে দেরিতে অথবা হচ্ছে অতিরিক্ত অল্প সময়ে। এতে করে রোপা আমনের মতো ফসল সময়মতো রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কখনো বৃষ্টি হচ্ছে হঠাৎ করে অতিরিক্ত, যা বীজতলা ধ্বংস করে দিচ্ছে বা সদ্য রোপণ করা চারা নষ্ট করে দিচ্ছে। আবার কখনো দীর্ঘদিন খরা বিরাজ করায় জমিতে ফাটল ধরছে, শুকিয়ে যাচ্ছে ফসল। এর ফলে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ যেমন কমছে, তেমনি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে।   অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে চাষাবাদের চক্রে পরিবর্তন আসছে। অনেক কৃষকই নির্ধারিত সময়ে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। কোনো কোনো অঞ্চলে আবার বৃষ্টি এসে প্রস্তুত জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে, যা চাষাবাদের উপযোগিতা নষ্ট করছে। আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময়েই হঠাৎ বৃষ্টি নেমে ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে। এতে করে কৃষকদের শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই হচ্ছে না, সাথে বাড়ছে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা।   এক সময়ের নির্ভরযোগ্য কৃষি মৌসুমগুলো এখন অনেকটাই অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থাও অনেক সময় যথাযথ তথ্য দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, ফলে কৃষকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। এমন অবস্থায় অনেক কৃষকই বাধ্য হয়ে কৃষিকাজ ছেড়ে দিচ্ছেন অথবা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে কৃষিখাতের জন্য বড় হুমকি। এতে করে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।   বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণ শুধু ধান বা গম নয়, শাকসবজি, তিল, আখ কিংবা মসুরের মতো ফসলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চাষের পর সঠিক সময়ে পানি না পাওয়ায় ফসল স্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে না। আবার বেশি পানি পেয়ে অনেক ক্ষেতেই গাছ পচে যাচ্ছে বা ফলন হচ্ছে অপূর্ণাঙ্গ। এতে কৃষকদের আয় দিনদিন কমছে, আর ঋণগ্রস্ততার হার বাড়ছে।   এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা এবং কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। টেকসই চাষাবাদ পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন। কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা, এবং আবহাওয়া তথ্য সেবা সহজলভ্য করতে হবে। একইসাথে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু প্রকৃতির উপর নির্ভর না করে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের দিকে এগিয়ে যেতে না পারলে এই অনিয়মিত বৃষ্টির চক্র আগামীতে আরও বড় সমস্যা তৈরি করবে। তাই এখনই সময় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

বাংলাদেশের কৃষি খাতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। এক সময়ের সম্পূর্ণভাবে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল কৃষিকাজ এখন আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও দক্ষ ও লাভজনক হয়ে উঠছে। সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এবং কৃষি প্রযুক্তি কোম্পানির উদ্যোগে বর্তমানে কৃষকের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে স্মার্ট কৃষি যন্ত্রপাতি, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি, এবং মোবাইল অ্যাপ-ভিত্তিক কৃষি পরামর্শ।   চুয়াডাঙ্গা, যশোর, রাজশাহী, ও বগুড়া অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে ‘স্মার্ট কৃষি প্ল্যাটফর্ম’ নামক একটি প্রকল্প। এর মাধ্যমে কৃষকরা মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার তথ্য, কীটনাশকের পরিমাণ, জমিতে পানির প্রয়োজনীয়তা, এবং বাজারে ফসলের বর্তমান দাম জানতে পারছেন। এতে করে তারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন, এবং লাভজনকভাবে ফসল বিক্রি করতে পারছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট ধান উৎপাদন প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪% বেশি। বিশেষ করে হাইব্রিড জাতের ধান, গম, ভুট্টা এবং শাকসবজি চাষে এই উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে। জেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখন কৃষকদের শুধু সার আর বীজ দিচ্ছি না, আমরা তাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ এবং ডিজিটাল টুলস ব্যবহারে সহায়তা করছি। কৃষির ভবিষ্যৎ এখন প্রযুক্তিনির্ভর, এবং আমাদের কৃষকরাও তা গ্রহণ করছেন।”   অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষি খাতে কিছু চ্যালেঞ্জও দেখা দিচ্ছে। খরার সময় বৃদ্ধি, বন্যার প্রকোপ, এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলো জল-সংরক্ষণ প্রযুক্তি, বিকল্প ফসল, এবং সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে। নওগাঁর এক কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, “আগে আমরা অনুমান করে কাজ করতাম। এখন মোবাইলে আবহাওয়ার খবর পাই, কখন বৃষ্টি হবে, কখন সেচ দেওয়া দরকার—সব জানা যায়। এইভাবে খরচও কমে, ফলনও বাড়ে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের কৃষি যদি প্রযুক্তির সঙ্গে আরও দ্রুত যুক্ত হতে পারে, তবে ভবিষ্যতে দেশ শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, বরং কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিতে পারবে। বাংলাদেশের কৃষি খাতে ধীরে ধীরে পরিবর্তন আসছে। এক সময়ের সম্পূর্ণভাবে আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল কৃষিকাজ এখন আধুনিক প্রযুক্তি ও বিজ্ঞানভিত্তিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে আরও দক্ষ ও লাভজনক হয়ে উঠছে। সরকারের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা এবং কৃষি প্রযুক্তি কোম্পানির উদ্যোগে বর্তমানে কৃষকের হাতে পৌঁছে যাচ্ছে স্মার্ট কৃষি যন্ত্রপাতি, আধুনিক সেচ প্রযুক্তি, এবং মোবাইল অ্যাপ-ভিত্তিক কৃষি পরামর্শ।   চুয়াডাঙ্গা, যশোর, রাজশাহী, ও বগুড়া অঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছে ‘স্মার্ট কৃষি প্ল্যাটফর্ম’ নামক একটি প্রকল্প। এর মাধ্যমে কৃষকরা মোবাইল ফোনে আবহাওয়ার তথ্য, কীটনাশকের পরিমাণ, জমিতে পানির প্রয়োজনীয়তা, এবং বাজারে ফসলের বর্তমান দাম জানতে পারছেন। এতে করে তারা সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন, এবং লাভজনকভাবে ফসল বিক্রি করতে পারছেন। কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের মোট ধান উৎপাদন প্রায় ৩ কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪% বেশি। বিশেষ করে হাইব্রিড জাতের ধান, গম, ভুট্টা এবং শাকসবজি চাষে এই উৎপাদন বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে। জেলা কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, “আমরা এখন কৃষকদের শুধু সার আর বীজ দিচ্ছি না, আমরা তাদের প্রশিক্ষণ, পরামর্শ এবং ডিজিটাল টুলস ব্যবহারে সহায়তা করছি। কৃষির ভবিষ্যৎ এখন প্রযুক্তিনির্ভর, এবং আমাদের কৃষকরাও তা গ্রহণ করছেন।” অন্যদিকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে কৃষি খাতে কিছু চ্যালেঞ্জও দেখা দিচ্ছে। খরার সময় বৃদ্ধি, বন্যার প্রকোপ, এবং অনিয়মিত বৃষ্টিপাত কৃষকদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার এবং উন্নয়ন সংস্থাগুলো জল-সংরক্ষণ প্রযুক্তি, বিকল্প ফসল, এবং সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতির উপর গুরুত্ব দিচ্ছে।   নওগাঁর এক কৃষক শহিদুল ইসলাম জানান, “আগে আমরা অনুমান করে কাজ করতাম। এখন মোবাইলে আবহাওয়ার খবর পাই, কখন বৃষ্টি হবে, কখন সেচ দেওয়া দরকার—সব জানা যায়। এইভাবে খরচও কমে, ফলনও বাড়ে।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের কৃষি যদি প্রযুক্তির সঙ্গে আরও দ্রুত যুক্ত হতে পারে, তবে ভবিষ্যতে দেশ শুধু খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে না, বরং কৃষিপণ্য রপ্তানিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান নিতে পারবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0
শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

জলবায়ু সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল ভাঙনের মুখে

সমুদ্রতলে মিসাইল সুড়ঙ্গের ভিডিও প্রকাশ, যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া বার্তা ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান তার সামরিক সক্ষমতার নতুন প্রদর্শন ঘটিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ক্রমবর্ধমান টানাপোড়েনের মধ্যে দেশটি সমুদ্রের নিচে নির্মিত গোপন মিসাইল সুড়ঙ্গের ভিডিও প্রকাশ করেছে, যা আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) আরব নিউজের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই ভিডিওতে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ শাখার কমান্ডার আলীরেজা তাঙসিরিকে সুড়ঙ্গের ভেতরে অবস্থান করতে দেখা যায়। ভিডিওতে পানির নিচে সারিবদ্ধভাবে রাখা একাধিক ক্রুজ মিসাইল উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত অবস্থায় প্রদর্শিত হয়। আইআরজিসির নৌ কমান্ডার জানান, ইরানের উপকূলীয় জলসীমা ও ওমান সাগরজুড়ে সমুদ্রতলের নিচে বিস্তৃত একটি মিসাইল অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এসব সুড়ঙ্গে সংরক্ষিত শত শত মিসাইল প্রয়োজনে উপসাগরীয় অঞ্চল ও আশপাশে অবস্থানরত মার্কিন নৌবহরের বিরুদ্ধে ব্যবহারের সক্ষমতা রাখে। তার দাবি অনুযায়ী, এসব ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় এক হাজার কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। তিনি আরও বলেন, ‘কাদের-৩৮০ এল’ মডেলের মিসাইলগুলোতে উন্নত প্রযুক্তির ট্র্যাকিং সিস্টেম সংযোজন করা হয়েছে, যা আঘাতের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুর অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম। এর আগে ইরান সতর্ক করে জানায়, দেশটির ওপর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হলে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিরাপদ থাকবে না—যা আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন ও জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছেন। বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি থেকে সম্পূর্ণ সরে আসতে হবে এবং তা নিশ্চিত করতে হলে নতুন করে চুক্তিতে আসার বিকল্প নেই। অন্যথায় বড় ধরনের সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। প্রসঙ্গত, গত বছরের জুনে ইরানের কয়েকটি পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্র বিমান হামলা চালিয়েছিল। সেই সময় ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। সাম্প্রতিক এই পাল্টাপাল্টি হুমকি মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকেরা।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মহারাষ্ট্রে উড়োজাহাজ দুর্ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত

ইরানবিরোধী অভিযানে সৌদি আকাশসীমা ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা

ইন্দোনেশিয়ার পাহাড় ধসে ৭ প্রাণহানি, ৮২ নিখোঁজ

যুদ্ধ অবসানে প্রথমবার ত্রিপাক্ষীক আলোচনায় রাশিয়া–ইউক্রেন–যুক্তরাষ্ট্র

২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার আগ্রাসনের পর এই প্রথম ইউক্রেন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র একই আলোচনার কাঠামোয় বৈঠকে বসেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত এ ত্রিপক্ষীয় আলোচনাকে কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে দেখা হলেও, শান্তি চুক্তির মূল বিরোধগুলোতে কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি বলে জানিয়েছে বিবিসি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সক্রিয় মধ্যস্থতা এবং চাপের মধ্যেই এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ট্রাম্প সম্প্রতি সতর্ক করে বলেন, সমঝোতায় ব্যর্থ হলে উভয় পক্ষই ‘অযৌক্তিক আচরণ’ করবে। তবে বৈঠকে ইউক্রেনের ভূখণ্ড, নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ও রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন বন্ধের প্রশ্নে কোনো ঐকমত্য হয়নি। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি আলোচনাকে শান্তির পথে একটি ‘প্রাথমিক পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করলেও একে ইতিবাচক অগ্রগতি বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, শান্তি চুক্তির প্রায় ৯০ শতাংশ বিষয়ে সমঝোতা হলেও বাকি ১০ শতাংশ—বিশেষ করে দনবাস অঞ্চলের ভূখণ্ড প্রশ্ন—এখনও সবচেয়ে বড় বাধা। অন্যদিকে রাশিয়া স্পষ্ট করেছে, দনবাস অঞ্চল ছাড়ার প্রশ্নে তারা কোনো ছাড় দেবে না। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ জানান, ভূমি-সংক্রান্ত দাবি মেনে নেওয়া না হলে যুদ্ধক্ষেত্রেই লক্ষ্য অর্জন করবে মস্কো। একই সঙ্গে ইউক্রেনের ন্যাটো সদস্যপদ ও দেশটিতে ন্যাটো বাহিনীর উপস্থিতির বিরোধিতাও পুনর্ব্যক্ত করেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার আশ্বাস দিলেও এর বাস্তব কাঠামো ও আইনি ভিত্তি এখনও প্রকাশ পায়নি। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান ও আগের সিদ্ধান্তগুলোর কারণে এই নিশ্চয়তার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন রয়ে গেছে। এদিকে যুদ্ধ অব্যাহত থাকায় ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোতে রুশ হামলা তীব্রতর হয়েছে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো পরিস্থিতিকে ‘অত্যন্ত সংকটাপন্ন’ আখ্যা দিয়ে নাগরিকদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, দীর্ঘ যুদ্ধের অবসানে আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হলেও, ভূখণ্ড ও নিরাপত্তা ইস্যুতে অনড় অবস্থানের কারণে ইউক্রেন সংকটের সমাধান এখনও অনিশ্চিতই রয়ে গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদের স্থায়ী পদে যোগ দিতে ১০০ কোটি ডলারের শর্ত

ইরানে হামলা নয়, আচরণ বদলই যুক্তরাষ্ট্রের আসল লক্ষ্য

এরফান সোলতানি
ইরানে গ্রেফতার এরফানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ইরানের কারাজে গ্রেফতার ২৬ বছর বয়সী এরফান সোলতানিকে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করা হবে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) এ ফাঁসির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার কথা। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হেনগো অর্গানাইজেশন ফর হিউম্যান রাইটস সোমবার (১২ জানুয়ারি) এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থার ভাষ্য অনুযায়ী, এরফানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) তার কারাজ শহরের ফারদিস আবাসিক এলাকায়। রোববার (১১ জানুয়ারি) পরিবারের কাছে জানানো হয়, আদালত মাত্র দুই দিনের মধ্যে তার বিচার শেষ করে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন। সংবাদ সূত্রে জানা গেছে, এরফানের পরিবারের সদস্যরা শেষবারের জন্য মাত্র ১০ মিনিটের দেখা করতে পারছেন। ইরানের কর্তৃপক্ষ এ মামলার নথি তার বোন, যিনি একজন নিবন্ধিত আইনজীবী, দেখার সুযোগও দেননি। সংস্থার মুখপাত্র আওয়ার শেখি বলেন,    “এ ঘটনা ইরানের সরকারের তৎপরতা প্রদর্শন করে, যা দেশের নাগরিকদের ওপর ভয়ভীতি ও দমন চালাতে ব্যবহৃত হচ্ছে।” ২০২২ সালের পর ইরানে চলা বৃহত্তম সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয় মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে। দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চলা আন্দোলনে অন্তত ২,৫৭১ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও ১২ শিশু রয়েছেন। ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকার কারণে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যাচ্ছেনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের ফাঁসির সম্ভাবনা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সিবিএস নিউজকে তিনি বলেন, “যদি ইরান সরকার ফাঁসি কার্যকর করে, আমরা অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নেব।”  তবে এ পদক্ষেপের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে তিনি জানাননি। এই ঘটনা ইরানের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চ্যালেঞ্জের সঙ্গে দেশটির কঠোর দমননীতি উদ্ভাসিত করছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৪, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে বিক্ষোভ দমনে হাজারো প্রাণহানির আশঙ্কা, আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ

ডোনাল্ড ট্রাম্প

নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট দাবি করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

কলকাতায় আন্তর্জাতিক প্রজ্ঞা পুরস্কার পেলেন পাঁচ সুরসাধক

ছবি: সংগৃহীত
২০২৫ সালে মদিনায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ সম্পন্ন

মদিনার মসজিদে নববীতে ২০২৫ সালে কোরআন মুখস্থ করেছেন ৮ হাজার ৩৩৫ শিক্ষার্থী। মসজিদ কর্তৃপক্ষের বার্ষিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, বছরে দেশ-বিদেশের ৭১ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কোরআন ও সুন্নাহ শিক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন। প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন গড়ে ৩৩ জন হিফজ সম্পন্ন করেছেন। ৪০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অনলাইন ও দূরশিক্ষণের মাধ্যমে পড়াশোনা করছেন। এছাড়া মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশপাশে দৈনিক তিন হাজারের বেশি হালাকাহ পরিচালিত হয়, যেখানে এক হাজার ৫০০ শিক্ষক পাঠদান করছেন। ২০২৫ সালে কোরআন ও সুন্নাহ শিক্ষার পাশাপাশি ইসলামী গ্রন্থে ইজাজা পেয়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী, এবং প্রায় ২৫ হাজার শিক্ষার্থী গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ ও ইসলামী গ্রন্থ মুখস্থ করেছেন। শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য দৈনিক ছয় হাজারের বেশি বিনামূল্যে পরিবহন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্বের ১৭০টির বেশি দেশ থেকে অংশ নিয়েছেন। বছরে মোট দুই লাখের বেশি শিক্ষার্থী নতুনভাবে ভর্তি হয়েছেন এবং দুই লাখের বেশি সনদপত্র ইস্যু করা হয়েছে। ৩০ লাখের বেশি খাবার সরবরাহসহ শিক্ষার ব্যয় হয়েছে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ ঘণ্টা। মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মুসলিম উম্মাহর মধ্যে কোরআন ও হাদিস শিক্ষার প্রসার ভবিষ্যতেও সম্প্রসারিত করা হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটনে শপথ নিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানে বিক্ষোভ তীব্র,খামেনির কঠোর হুঁশিয়ারি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় অনড় ট্রাম্প

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
শেরপুর ঝিনাইগাতীতে বিএনপি-জামায়েত সংঘর্ষ, ৩০ আহত

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়েতে ইসলামী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে জামায়েত প্রার্থীর কর্মীরা আগে থেকেই বসে থাকলেও বিএনপি প্রার্থী দেরিতে পৌঁছানোর কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা সংঘর্ষে রূপ নেয়। ঘটনাস্থলে একটি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়, পাশাপাশি দুইজন সাংবাদিক আহত ও তাদের মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. রাজীব সাহা জানান, আহতদের মধ্যে ১২ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪ জনকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। উভয় পক্ষ একে অপরকে দায়ী করলেও প্রশাসন জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেরপুর প্রতিনিধি> জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0

সাড়ে ১২ কোটির গাড়ি কিনে আম্বানি-শাহরুখের লিস্টে স্থান পেলেও আফসোস বাদশার

তামান্না ভাটিয়া

রুপালি পর্দা পেরিয়ে ব্যবসার জগতে তামান্না ভাটিয়া

হানিয়া আমির

বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তায় আলোচনায় হানিয়া আমির

তাহসান খান
তাহসান খানের নতুন শুরু

বিচ্ছেদের ঘোষণার পর ব্যক্তিগত জীবনের আলোচনায় ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান। সেই আলোচনার মধ্যেই এলো তাঁর পেশাগত অগ্রযাত্রার খবর। নতুন একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আবারও পর্দায় ফিরছেন তিনি—এবার উপস্থাপক হিসেবে। জানা গেছে, জনপ্রিয় গেম শো ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’–এর দ্বিতীয় সিজনের সঞ্চালনার দায়িত্ব পেয়েছেন তাহসান। প্রথম সিজনে তাঁর সাবলীল ও প্রাণবন্ত উপস্থাপনা দর্শকমহলে ব্যাপক প্রশংসা পায়। সেই অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এবারও তাঁকেই উপস্থাপক হিসেবে নির্বাচন করেছে। অনুষ্ঠানটির নতুন সিজনে দেশের ৬৪ জেলা থেকে সংগৃহীত তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন যুক্ত করা হয়েছে, যা দর্শকদের জন্য বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করবে বলে জানিয়েছেন তাহসান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেছেন ওয়াহিদুল ইসলাম এবং প্রযোজনা করেছে বঙ্গ। ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ সিজন–২ আগামীকাল থেকে প্রতি সোমবার রাত সাড়ে ৯টায় এনটিভিতে প্রচারিত হবে। ব্যক্তিগত সংকটের মধ্যেও পর্দায় তাহসানের এই প্রত্যাবর্তনকে বিনোদন অঙ্গনে ইতিবাচক বার্তা হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৮, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

ম্রুণাল–ধানুশের বিয়ের গুঞ্জন

মহানায়িকা সুচিত্রা সেন

১২ বছর আগে ওপারে চলে গেছেন সুচিত্রা সেন

ছবি: সংগৃহীত

রাফসান–জেফারের গোপন সম্পর্কের গুঞ্জনে ইতি আজ

ঢাকার আদালতে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী
মেহজাবীন ও তাঁর ভাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিল আদালত

হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। নির্ধারিত দিনে আসামিপক্ষ লিখিত জবাব দাখিল করলে আদালত তা বিবেচনায় নিয়ে মামলা থেকে তাঁদের অব্যাহতি দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার। এর আগে আমিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭(৩) ধারায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ব্যবসায়িক লেনদেনকে কেন্দ্র করে মেহজাবীন ও তাঁর ভাই তাঁকে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেছেন। অভিযোগের বিষয়ে আদালত শুনানি নিয়ে অভিযোগের পর্যাপ্ত ভিত্তি না পাওয়ায় মামলা থেকে আসামিদের অব্যাহতি প্রদান করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0

তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

শিক্ষা

আরও দেখুন
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ, স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এআই অ্যাপের সহায়তায় উত্তর খোঁজার অভিযোগে এক ভর্তিচ্ছুক শিক্ষার্থীকে আটক করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আটক শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরীর বাসিন্দা হলেও স্থায়ী নিবাস খুলনায়। তার বাবা ড. সাহা চঞ্চল কুমার জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার এবং মা অল্পনা সাহা গৃহিণী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, পরীক্ষা চলাকালে হলের দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শিক্ষক ওই শিক্ষার্থীর অস্বাভাবিক আচরণ লক্ষ্য করেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি মোবাইল ফোনে ছবি তুলে ‘ডিপসিক’ নামের একটি এআই অ্যাপ ব্যবহার করে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর অফিসে নেওয়া হয়। এ বিষয়ে সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ওই শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজশাহী জানুয়ারী ১৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি

কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

দেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরেই শিক্ষক সংকট একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আসছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও দুর্গম অঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে এই সংকট আরও প্রকট। অনেক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক না থাকায় একজন শিক্ষককেই একাধিক শ্রেণির পাঠদান করতে হচ্ছে। এতে করে পাঠদানের মান যেমন ব্যাহত হচ্ছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহও কমে যাচ্ছে।   সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৬৫ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিদ্যালয়েই শিক্ষক স্বল্পতা রয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটি বিদ্যালয়ে তিন থেকে চারজন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে দেখা যায়, কোনো কোনো স্কুলে মাত্র একজন বা দুজন শিক্ষক দিয়ে পুরো বিদ্যালয় চালানো হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একজন শিক্ষককে একসঙ্গে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির পাঠদান করতে হয়, যা কোনোভাবেই মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারে না।   এ ধরনের পরিস্থিতিতে শিক্ষকরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়েন। একজন শিক্ষক যখন একই সময় একাধিক শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের পড়ান, তখন স্বাভাবিকভাবেই কোনো শ্রেণির উপর পর্যাপ্ত সময় ও মনোযোগ দেওয়া সম্ভব হয় না। ফলে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় জ্ঞান অর্জনে ব্যর্থ হয়। এইভাবে ধাপে ধাপে শিখনের ঘাটতি তৈরি হয়, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়ে ভবিষ্যত শিক্ষাজীবনেও।   শুধু পাঠদানের ক্ষেত্রেই নয়, একজন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজ, মিডডে মিল, বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে সমন্বয়, শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হিসাব রাখা, নানা রিপোর্ট প্রস্তুত করাসহ আরও অনেক দায়িত্ব পালন করতে হয়। এক্ষেত্রে শিক্ষক যতই আন্তরিক হোন না কেন, সীমিত জনবল ও অপ্রতুল সময়ের কারণে শিক্ষার মান উন্নয়ন অসম্ভব হয়ে পড়ে।   অন্যদিকে, শিক্ষার্থীরাও এই সংকটের কারণে দুর্বল ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করে। একজন শিক্ষক একসঙ্গে দুই-তিনটি শ্রেণির ক্লাস নেওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একঘেয়েমি সৃষ্টি হয় এবং তারা ধীরে ধীরে স্কুলে আসার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। এর ফলে ঝরে পড়ার হারও বাড়ছে।   সরকার শিক্ষক নিয়োগে বিভিন্ন সময় উদ্যোগ নিলেও তা বাস্তবায়নে দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে সংকট কাটছে না। অনেক সময় নিয়োগপ্রাপ্তরাও দুর্গম এলাকায় যোগদান করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, ফলে গ্রামাঞ্চলের বিদ্যালয়গুলোতেই সংকট সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে দ্রুত ও কার্যকর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করা দরকার। বিশেষ করে দুর্গম ও গ্রামীণ অঞ্চলের স্কুলগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ, স্থায়ী পদ সৃষ্টি, নিয়োগপ্রাপ্তদের প্রণোদনা প্রদান এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। এছাড়া প্রযুক্তিনির্ভর বিকল্প শিক্ষা পদ্ধতিও বিবেচনায় আনা যেতে পারে, যাতে শিক্ষক সংকট থাকা সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় পাঠ গ্রহণ করতে পারে।   প্রাথমিক স্তরেই যদি শিক্ষার্থীরা মানসম্পন্ন শিক্ষা না পায়, তবে তা পুরো শিক্ষাজীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই এখনই সময় কার্যকর সিদ্ধান্ত নেওয়ার, যেন একজন শিক্ষককে আর একা একাধিক শ্রেণির ভার বইতে না হয় এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

দেশের সরকারি প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি এবার থেকে নজরদারির আওতায় আসছে প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক পদ্ধতিতে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার প্রায় এক হাজার স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হচ্ছে এই ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থা। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।   ✅ কীভাবে কাজ করবে ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতি? ডিজিটাল হাজিরা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি রেকর্ড হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, আইডি কার্ড স্ক্যান অথবা ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তির মাধ্যমে। প্রতিদিন সকালের শুরুতে হাজিরা রেকর্ড হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং তা অভিভাবকের মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে পাঠানো হবে। শিক্ষকরা মোবাইল অ্যাপ অথবা অনলাইন ড্যাশবোর্ড থেকে তাৎক্ষণিকভাবে হাজিরার তথ্য দেখতে পারবেন। এর ফলে শিক্ষকের সময় বাঁচবে এবং অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সহজে শনাক্ত করা যাবে।   🎯 উদ্দেশ্য কী এই পদক্ষেপের? এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হলো— ✅ শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা ✅ বিদ্যালয়ে সময়মতো উপস্থিতির সংস্কৃতি গড়ে তোলা ✅ অভিভাবকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন ✅ শৃঙ্খলা, মনোযোগ ও পাঠদানে স্বচ্ছতা আনা শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, "ডিজিটাল হাজিরা শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার জন্য নয়, এটি শিক্ষার মান উন্নয়ন, বিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের আরও সম্পৃক্ত করার একটি আধুনিক মাধ্যম।"   📊 পরীক্ষামূলক কার্যক্রমে ইতিবাচক ফল প্রাথমিক পর্যায়ে চালু করা স্কুলগুলো থেকে ইতিমধ্যেই আসছে আশাব্যঞ্জক ফলাফল। হাজিরার হার বেড়েছে ৮৫% থেকে ৯৬% পর্যন্ত। ময়মনসিংহের একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, "আগে অনেক শিক্ষার্থী বেলা ১১টায় এসে ক্লাসে ঢুকত, কিন্তু এখন সবাই ঠিক ৮টায় হাজির। অভিভাবকেরাও সময়মতো স্কুলে পাঠাতে সচেষ্ট হচ্ছেন।"   📱 অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অভিভাবক পর্যবেক্ষণ এই ডিজিটাল সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে একটি মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইট, যেখানে প্রতিদিনের হাজিরা, ফলাফল, পরীক্ষার সময়সূচি ও শিক্ষকের মন্তব্য অভিভাবকরা দেখতে পারবেন। একজন অভিভাবক বলেন, "আগে আমরা জানতাম না সন্তান স্কুলে যাচ্ছে কিনা। এখন প্রতিদিন সকালে এসএমএস পেয়ে নিশ্চিন্ত হতে পারি।"   🏫 চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা যদিও এই পদ্ধতি অত্যাধুনিক, তবে প্রযুক্তিগত অবকাঠামো, ইন্টারনেট সংযোগ ও শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ—এই তিনটি ক্ষেত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ। তবে শিক্ষা অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে ৫০০০ বিদ্যালয়ে সফটওয়্যার ও প্রশিক্ষণ বিতরণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।   📌 উপসংহার সরকারি বিদ্যালয়ে ডিজিটাল হাজিরা চালু হওয়া নিঃসন্দেহে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এটি শুধু উপস্থিতির হিসাব রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন, জবাবদিহিতা এবং প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলেই শিক্ষাবিদরা মনে করছেন।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

কারিগরি শিক্ষা কেবল ডিগ্রি নয়, কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মূল চাবিকাঠি। জানুন কেন এই শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। বর্তমান বিশ্বে শিক্ষা কেবল বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক বিশ্বে দক্ষতা নির্ভর শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। তাই কারিগরি শিক্ষা এখন শুধু বিকল্প নয়, বরং একটি সময়োপযোগী ও বাস্তবমুখী শিক্ষাধারা। কারিগরি শিক্ষা এখন সময়ের দাবি। এটি শুধু কর্মসংস্থানের পথ নয়, বরং টেকসই উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনের অন্যতম উপায়। সরকার, সমাজ ও পরিবার—সকলকে সম্মিলিতভাবে এই শিক্ষার গুরুত্ব অনুধাবন করে আগামী প্রজন্মকে দক্ষ ও কর্মক্ষম করে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষা কী? কারিগরি শিক্ষা বলতে বোঝায় এমন এক শিক্ষাব্যবস্থা যা শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কোনো পেশাগত বা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের জন্য প্রস্তুত করে। যেমন: ইলেকট্রিশিয়ান, ওয়েল্ডার, কম্পিউটার অপারেটর, অটোমোবাইল মেকানিক, গ্রাফিক ডিজাইনার, ফ্যাশন ডিজাইনার, ওয়েব ডেভেলপার ইত্যাদি পেশায় কাজ করার জন্য প্রশিক্ষণ দেয়। কেন কারিগরি শিক্ষা জরুরি? কারিগরি শিক্ষা হলো ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের গেটওয়ে। এটি পরবর্তী প্রজন্মকে শুধু আত্মনির্ভরশীল করে তোলে না, বরং দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সময় এসেছে কারিগরি শিক্ষাকে মূল ধারার শিক্ষার মতো মর্যাদা দেয়ার। সরকারের পাশাপাশি পরিবার ও সমাজকেও এই পরিবর্তনের অংশ হতে হবে। চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি  সাধারণ একাডেমিক ডিগ্রির তুলনায় কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষিত একজন ব্যক্তি খুব দ্রুত কর্মজীবনে প্রবেশ করতে পারে। কারণ এই শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে কাজ শেখে এবং সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট পেশার জন্য প্রস্তুত হয়। উদ্যোক্তা হওয়ার সুযোগ কারিগরি জ্ঞান থাকলে নিজের উদ্যোগেও কাজ শুরু করা যায়। যেমন: একজন দক্ষ মেকানিক বা মোবাইল টেকনিশিয়ান খুব সহজেই একটি সার্ভিস সেন্টার খুলে আয় করতে পারে। গ্লোবাল জব মার্কেটে চাহিদা বিদেশেও দক্ষ কারিগরি পেশাজীবীদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ফলে প্রবাসে চাকরি পাওয়ার ক্ষেত্রে এই শিক্ষাগ্রহণ করা তরুণদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। আধুনিক শিল্প ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশের জন্য ভিত্তি একটি দেশ যদি টেকসই উন্নয়ন চায়, তাহলে তাকে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে হবে। কারিগরি শিক্ষাই সেই দক্ষতা তৈরির মূল চাবিকাঠি। বর্তমান বিশ্বে কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকতে হলে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে হবে বাস্তবমুখী এবং দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার মাধ্যমে। এই প্রেক্ষাপটে কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব দিন দিন বেড়ে চলেছে। এটি শুধু একটি বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থা নয়, বরং ভবিষ্যতের চাকরি ও উদ্যোক্তা সৃষ্টির অন্যতম হাতিয়ার।  

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়লেও চাকরি নিশ্চিত নয়

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) নিয়ে চলমান বিতর্ক এবার আন্তর্জাতিক স্বীকৃত পর্যায়েও প্রতিফলিত হলো। ব্রিটিশ ক্রিকেটবিষয়ক সাময়িকী দ্য ক্রিকেটার প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক পর্যালোচনায় আইসিসি স্বীকৃত ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগগুলোর মধ্যে বিপিএলকে সর্বনিম্ন অবস্থানে রাখা হয়েছে। বিনোদনমূল্য, খেলার মান, গ্রহণযোগ্যতা ও সামগ্রিক অবস্থান—এই চারটি মানদণ্ডে বিশ্বের ১০টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের মূল্যায়ন করে এ র‌্যাংকিং প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে দেখা যায়, তিনটি সূচকে বিপিএলের অবস্থান দশম এবং স্থায়িত্ব ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে নবম। সামগ্রিক বিবেচনায় ভারতের আইপিএল শীর্ষে রয়েছে, এরপর দক্ষিণ আফ্রিকার এসএ টি-টোয়েন্টি। বিপিএলের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে শ্রীলঙ্কার এলপিএল ও যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটও। দ্য ক্রিকেটার–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগের কারণে এলপিএল ও বিপিএল তুলনামূলকভাবে কম রেটিং পেয়েছে। প্রতিবেদনে এই দুটি লিগকে সবচেয়ে দুর্বল ব্যবস্থাপনাসম্পন্ন আসর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বিসিবি সভাপতির প্রশ্ন: ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহ কেন?

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

ট্রিনিটি রডম্যান
নারী ফুটবলে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবে ইতিহাস গড়লেন ট্রিনিটি রডম্যান

২৩ বছরের ট্রিনিটি রডম্যান নারী ফুটবলের ইতিহাস গড়লেন। ফুটবলের কেরিয়ারে মাত্র কিছু বছর কাটলেও, ট্রিনিটি রডম্যান নারী ফুটবলে বিশ্বসেরা আয়কারী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন।  যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নারী সুপার লিগের (এনডব্লুএসএল) ওয়াশিংটন স্পিরিটের সঙ্গে তিন বছরের নতুন চুক্তি করে তিনি প্রতি বছরে বোনাসসহ ২০ লাখ ডলার (প্রায় ২৪ কোটি ৪৬ লাখ টাকা) উপার্জন করবেন। এই চুক্তি অনুযায়ী ২০২৮ পর্যন্ত তিনি ক্লাবের হয়ে খেলবেন। রডম্যানের আগের চুক্তি ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হওয়ায় তিনি ফ্রি এজেন্ট ছিলেন। নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের পর তিনি উচ্ছ্বসিত, বলেন,  “এটা আমার জীবনের অন্যতম বড় ঘটনা, যা সব কিছু বদলে দেবে।”  ট্রিনিটি সাবেক বাস্কেটবল তারকা ডেনিস রডম্যানের কন্যা এবং ২০২১ সালে মাত্র ১৮ বছর বয়সে স্পিরিটে যোগ দিয়ে উদীয়মান ফুটবলারের পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র নারী জাতীয় দলের ক্রীড়াবিদ হিসেবেও খেলবেন। এই চুক্তির মাধ্যমে ট্রিনিটি স্পেনের আইতানা বোনমাতিকে ছাড়িয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ আয় করা নারী ফুটবলারের মর্যাদা অর্জন করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৪, ২০২৬ 0

বাংলাদেশ টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ইস্যুতে আইসিসিকে চিঠি, বিসিবির পাশে দাঁড়াল পিসিবি

আইসিসির অ্যান্টি করাপশন এবং নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান অ্যান্ড্রু এফগ্রেভ

বাংলাদেশের ভিসা না পাওয়ায় আইসিসির ভারতীয় কর্মকর্তা অনুপস্থিত, আসছেন এক প্রতিনিধি

ছবি: সংগৃহীত
বিপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে, ক্রিকেটারদের অনড় অবস্থান ও কোয়াবের দাবির প্রেক্ষিতে পরিচালক এম নাজমুল ইসলামকে অর্থ কমিটির দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং চলমান বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হলো। বিসিবির সূত্রে জানা গেছে, টাইগার ক্রিকেট বোর্ড শর্ত দিয়েছিল, আজকের মধ্যে খেলোয়াড়রা মাঠে না ফিরলে বিপিএল বন্ধ করা হবে। এর প্রেক্ষিতে আজ (১৫ জানুয়ারি) দিনের সমস্ত ম্যাচ বাতিল করা হয়েছে। রাজশাহী ওয়ারিয়রস ও সিলেট টাইটানসের সন্ধ্যা ম্যাচ, পাশাপাশি নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও চট্টগ্রাম রয়্যালসের দুপুরের ম্যাচ মাঠে গড়ায়নি। বিসিবি নিশ্চিত করেছে, বৃহস্পতিবার রাতে (১৫ জানুয়ারি) ফ্রাঞ্চাইজিদের আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিতকরণ ও পদক্ষেপের তথ্য জানানো হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১৫, ২০২৬ 0

ক্রিকেটারদের চাপেই বিসিবি অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুলকে বরখাস্ত

ছবি: সংগৃহীত

নাজমুলের পদত্যাগে অনড় ক্রিকেটাররা, বিপিএলসহ খেলা বন্ধের শঙ্কা

সেপাক টাকরো খেলায় দেশসেরা সৈয়দপুরের মেয়েরা

ছবি: সংগৃহীত
নিরাপত্তা আশ্বাসে আইসিসি নিশ্চিত করেছে বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করেছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল উদ্বেগ সমাধানের মাধ্যমে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং টুর্নামেন্টের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিসিবির পরামর্শকে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করবে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আলটিমেটাম’ সংক্রান্ত খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং অসত্য। বোর্ডের লক্ষ্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা এবং নিশ্চিত করা, যাতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। বিসিবি আরও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পেশাদার, সহযোগিতামূলক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখবে। বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে, আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও সন্তোষজনক সমাধান দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় দল বিশ্বকাপের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ না গেলে ভারতের লোকসান হবে প্রায় ৩০ কোটি রুপি

আইপিএল খেলা সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা, বাদ পড়ল শান্ত–জাকের

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ডা. সুলতান আহমদ
শুধু সততা বা যোগ্যতা নয়, রাষ্ট্র চালাতে দুটির সমন্বয় জরুরি: ডা. সুলতান আহমদ

বরগুনা-২ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় কেবল সততা বা কেবল যোগ্যতা—এককভাবে কোনোটি দিয়েই কার্যকর শাসনব্যবস্থা গড়ে ওঠে না। সুশাসনের জন্য উভয়ের সমন্বয় অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনার বেতাগী উপজেলার মোকামিয়া এলাকায় আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে যোগ্য মানুষের অভাব নেই, কিন্তু সর্বস্তরে দুর্নীতির বিস্তার উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে। তার দাবি, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে সংগঠিত ও নৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, যা জামায়াতে ইসলামী প্রতিষ্ঠাগতভাবে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বক্তব্যে ডা. সুলতান আহমদ বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে হিন্দুবিদ্বেষী হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে, তবে ঐতিহাসিকভাবে এর কোনো ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ন্যায়বিচার, ধর্মীয় সহাবস্থান ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় জামায়াতে ইসলামী দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে তিনি জানান, নির্বাচিত হলে বরগুনায় একটি মেডিকেল কলেজ, একটি সরকারি বা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাথরঘাটা, বামনা ও বেতাগী উপজেলার স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবেন। একই সঙ্গে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সৎ ও নীতিবান নেতৃত্বকে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই—দায় নিতে হবে সবাইকেই।  

বরিশাল জানুয়ারী ২৯, ২০২৬ 0

শেরপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি স্থগিত

নিহত মাওলানা রেজাউল করিম

শেরপুরে নির্বাচনী সংঘর্ষে জামায়াত নেতা নিহত, আহত  ৩০

ছবি: প্রতিনিধি

চোর-দুর্নীতিবাজকে ভোট দিলে ভালো শাসন আশা করা যায় না: গোলাম পরওয়ার

ছবি: প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ভোটারদের টাকা দেওয়ার অভিযোগ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে ভোটের বিনিময়ে টাকা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের জগৎপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূঞাপুর ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক ও জামায়াত নেতা কাজী নূরুল ইসলামসহ কয়েকজন জামায়াত নেতাকর্মী এলাকায় ভোট চাইতে গিয়ে ভোটারদের টাকা দেন। এ সময় কয়েকজন ভোটারকে ৫০০ ও ১ হাজার টাকার নোট দেখাতে দেখা যায়। তারা দাবি করেন, ভোটের জন্য ওই টাকা জামায়াত নেতাকর্মীদের কাছ থেকে পেয়েছেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা দ্রুত ভাইরাল হয়। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এ ঘটনায় জামায়াত নেতা রবিউল আলম তালুকদার বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে ভূঞাপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে, বিকেলে ভূঞাপুর প্রেসক্লাবে জরুরি সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইল-২ (ভূঞাপুর–গোপালপুর) আসনের জামায়াত প্রার্থী মাওলানা হুমায়ুন কবির অভিযোগগুলোকে ‘মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ভোট চাইতে গেলে প্রতিপক্ষ দলের লোকজন নিজেরাই টাকা দেখিয়ে ভিডিও ধারণ করে জামায়াতের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এ সময় জামায়াত নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়, গলায় থাকা মাফলার ছিঁড়ে ফেলা হয় এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এসব ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে বিকেলে ভূঞাপুর বাসস্ট্যান্ড মসজিদের সামনে জামায়াত নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং দোষীদের শাস্তির দাবি জানান। পুলিশ জানায়, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টাঙ্গাইল জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

৩১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল যাচ্ছেন বিএনপি'র চেয়ারম্যান তারেক রহমান

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারী-৪ আসনে লাঙ্গল প্রার্থী সিদ্দিকের প্রচারণা

ছবি: প্রতিনিধি

শেষ মুহূর্তের প্রচারে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছেন লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী আশু

ছবি: প্রতিনিধি
বরিশালে প্রচার প্রচারণায় বাধার অভিযোগ ডা: মনীষার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল সদর-৫ আসনে প্রচারণা জোরদার করেছে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ) ও বিএনপি। সকালে বাসদ প্রার্থী ডা. মনিষা চক্রবত্তী বিএম কলেজ এলাকায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, চরকাউয়া ইউনিয়নের কর্ণকাঠি গ্রামে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে তার নির্বাচনী অফিস নির্মাণে বাধা দেওয়া হয়েছে। তবু ভোটারদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাচ্ছেন এবং আশা করছেন, ভোটাররা বাসদের মই মার্কার পক্ষে রায় দেবেন। দুপুরে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার নগরীতে গণসংযোগ করেন। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, মানুষ ধানের শীষে ভোট দিয়ে তাকে বিজয়ী করবে। বরিশাল সদর-৫ আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।  

বরিশাল জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

ফেনীতে প্রথমবারের মতো মহিলা জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

ঝিনাইদহে বিএনপি-জামায়াতের মুখোমুখি লড়াই

ছবি: প্রতিনিধি

জামায়াতে আমির আসছেন বরিশালে, জনসভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন

ছবি: প্রতিনিধি
নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ আছে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, নৌকা প্রতীক না থাকলেও এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রধান প্রতিপক্ষ দাড়িপাল্লা। অতীতেও এই প্রতীককে ভোটের মাঠে দেখা গেছে, তবে তখন খুব বেশি সমর্থন পায়নি। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের মোলানী বাজারে নির্বাচনী গণসংযোগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের সঙ্গে কাজ করেছেন এবং কখনো এলাকা ছেড়ে যাননি। নির্বাচিত হলে জেলার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেন তিনি। মির্জা ফখরুল বলেন, অতীতে মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেনি। এবার একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, যেখানে ভোটাররা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। তিনি আরও বলেন, যারা অন্যায় করেছে তাদের বিচার হবে, আর সাধারণ মানুষকে বিএনপি পাশে নিয়ে এগিয়ে যাবে। শিল্পকারখানা স্থাপন, উন্নত হাসপাতাল গড়ে তোলা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক জীবনের শেষ নির্বাচন উল্লেখ করে তিনি ধানের শীষে ভোট দিয়ে কাজ করার সুযোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। এ সময় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।  

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানুয়ারী ২৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

তারেক রহমানের রাজনীতি পাহাড়-সমতলের মানুষ নিয়ে: ওয়াদুদ ভূইয়া

ছবি: প্রতিনিধি

ফ্যামিলি কার্ড দেয়ার নামে নারীকে অপমান করতে দেয়া হবে না : জামাত আমীর

ছবি: প্রতিনিধি

বাগেরহাটে ড. শেখ ফরিদুল ইসলামের নির্বাচনি জনসভা