খুলনার রূপসায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক নিহত
কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত
মেঘনায় ট্রলারডুবিতে চার জেলে নিখোঁজ
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাংবাদিকের বাড়ি লক্ষ্য করে আগুন ও বোমা নিক্ষেপ
ঝিনাইদহে মাটি খুঁড়তে গিয়ে দুটি অবিস্ফোরিত  গ্রেনেড উদ্ধার
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ

টেকনাফ সীমান্তে রাখাইন সংঘর্ষের প্রভাব, গোলাবর্ষণে আতঙ্কে স্থানীয়রা

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
বিনোদন

তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি
অপরাধ

বরিশালে ভ্যান চালককে কুপিয়ে হত্যা

বরিশাল জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
ছবি: সংগৃহীত
অর্থনীতি

ডিসেম্বরে দেশে এলো ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স, শীর্ষে সৌদি আরব

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
বাংলাদেশি টাকার আজকের আন্তর্জাতিক বিনিময় হার

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশি টাকার বিভিন্ন বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। শনিবার (৩ জানুয়ারি) অনুযায়ী প্রধান মুদ্রার বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার হারের তালিকা হল: •    ইউএস ডলার: ১২২.৩৫ টাকা •    ইউরো: ১৪৩.৭১ টাকা •    ব্রিটিশ পাউন্ড: ১৬৪.৮৯ টাকা •    অস্ট্রেলিয়ান ডলার: ৮১.৬৬ টাকা •    জাপানি ইয়েন: ০.৭৮ টাকা •    কানাডিয়ান ডলার: ৮৯.১৫ টাকা •    সিঙ্গাপুর ডলার: ৯৫.১৭ টাকা •    চীনা ইউয়ান রেনমিনবি: ১৭.৫৩ টাকা •    ভারতীয় রুপি: ১.৩৬ টাকা •    শ্রীলঙ্কান রুপি: ২.৫৩ টাকা •    মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত: ৩০.১৬ টাকা •    সৌদি রিয়াল: ৩২.৬০ টাকা •    কুয়েতি দিনার: ৩৯৭.১৬ টাকা •    সুইডিশ ক্রোনা: ১৩.৩০ টাকা উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠা-নামার কারণে যেকোনো সময় মুদ্রার বিনিময় হারে পরিবর্তন ঘটতে পারে।  

ডলারের দাম বাড়ছে: কী প্রভাব পড়ছে আমদানি-রপ্তানিতে?

ডলারের দাম বাড়ার ফলে বাংলাদেশে আমদানি ও রপ্তানি খাতে দেখা দিচ্ছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। একদিকে আমদানিকারকরা পড়ছেন চাপের মুখে, অন্যদিকে রপ্তানিকারীরা কিছুটা সুবিধা পাচ্ছেন। আমদানি খাতে ডলারের দর বাড়ায় বিদেশ থেকে পণ্য আনতে খরচ বেড়ে গেছে। বিশেষ করে জ্বালানি, ভোজ্যতেল, কাঁচামাল, ওষুধের উপাদান এবং প্রযুক্তিপণ্য—এসব আমদানিতে এখন আগের তুলনায় অনেক বেশি টাকা খরচ করতে হচ্ছে। ব্যাংকগুলো ডলার সংকটে ভুগছে, ফলে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খোলার ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে এবং অনেক সময় ব্যবসায়ীরা বাজার থেকে ডলার সংগ্রহ করতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। এর প্রভাব সরাসরি পড়ছে বাজারে — পণ্যের দাম বাড়ছে, মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, রপ্তানির ক্ষেত্রে ডলার মূল্য বৃদ্ধির ফলে রপ্তানিকারকরা প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন। এতে তাদের আয় কিছুটা বাড়ছে, যা রপ্তানি খাতকে কিছুটা চাঙ্গা রাখতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে ডলারের দরবৃদ্ধি একটি প্রণোদনার মতো কাজ করছে। তবে এর একটি সীমাবদ্ধতা রয়েছে — আন্তর্জাতিক ক্রেতারা অনেক সময় অর্ডারের মূল্য সমন্বয় করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত লাভ সবসময় নিশ্চিত হয় না। রেমিট্যান্স প্রেরকদের জন্যও ডলারের দাম বাড়া স্বস্তির খবর। প্রবাসীরা এখন প্রতি ডলারে বেশি টাকা পাচ্ছেন, ফলে ব্যাংক চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে উৎসাহী হচ্ছেন। এতে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে, যদিও আমদানি ব্যয় এখনও বেশি থাকায় চাপে রয়েছে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতি। কেন্দ্রীয় ব্যাংক একদিকে রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে উৎসাহ দিচ্ছে, অন্যদিকে আমদানির চাপ নিয়ন্ত্রণে আনতে নানা নীতিগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। নিয়ন্ত্রিত বিনিময় হার ব্যবস্থা বা managed floating system এর মাধ্যমে ডলারের বাজারে ভারসাম্য আনার চেষ্টা চলছে। ডলারের দাম বৃদ্ধির এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। আমদানিকারকদের উচিত দীর্ঘমেয়াদি মূল্য চুক্তি ও বিকল্প উৎস নির্ধারণ করা। রপ্তানিকারকদের বাজার বৈচিত্র্য ও উৎপাদন দক্ষতায় নজর দেওয়া দরকার। একইসাথে সরকারের উচিত ডলার সংকট মোকাবিলায় কাঠামোগত সংস্কার ও রিজার্ভ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা। পরিস্থিতির উন্নতি না হলে আমদানিনির্ভর শিল্প ও সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ আরও বাড়বে। তাই এখনই প্রয়োজন ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা, সুচিন্তিত অর্থনৈতিক পরিকল্পনা এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সকে দীর্ঘমেয়াদি ভিত্তিতে টেকসই করা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নীতিমালা: বাজারে কেমন প্রভাব পড়বে?

বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত নতুন মুদ্রানীতিতে অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়া, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ হ্রাস, এবং ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট প্রেক্ষাপটে এই নীতিমালা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। মুদ্রানীতিতে রেপো রেট আগের মতো ১০ শতাংশেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে সুদের হারও মোটামুটি স্থিতিশীল থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এতে ঋণের খরচ আগের মতোই থাকবে, যার ফলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর কিছুটা চাপ অব্যাহত থাকবে। এই নীতিমালায় মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা শিথিল করে ৭ থেকে ৮ শতাংশ ধরা হয়েছে। যদিও আগের মুদ্রানীতিতে তা ৬ দশমিক ৫ শতাংশের আশপাশে রাখা হয়েছিল। সরকার এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক যৌথভাবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বৈশ্বিক বাজারে খাদ্য, জ্বালানি ও ডলারের মূল্যবৃদ্ধি তা কঠিন করে তুলছে। ফলে নতুন লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা বাস্তবভিত্তিক বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন। নতুন নীতিমালায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির হার ৯ দশমিক ৮ শতাংশ এবং সরকারি খাতে ১৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বেসরকারি বিনিয়োগে কিছুটা মন্থরতা থাকতে পারে, যদিও সরকারের বড় প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নে ব্যাংক খাতের সম্পৃক্ততা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিদেশি মুদ্রার বাজারে চাপ কমাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যবস্থাপনা নির্ভর ভাসমান বিনিময় হার’ (managed floating exchange rate) নীতিতে অটল থাকবে বলে জানানো হয়েছে। প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারে হস্তক্ষেপ করবে এবং রপ্তানি ও রেমিট্যান্সে উৎসাহ দেবে। রপ্তানিকারকদের জন্য প্রণোদনা অব্যাহত রাখা, এবং রেমিট্যান্স উৎসাহে প্রবাসীদের ব্যাংক চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এনবিএফআই তথা নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠানের শাখা সম্প্রসারণে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। কোনো নতুন শাখা খোলার ক্ষেত্রে এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। এতে আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সামগ্রিকভাবে বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই মুদ্রানীতি দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক হলেও স্বল্পমেয়াদে কিছু চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করতে পারে। উচ্চ সুদের পরিবেশে বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবাহ কমে যেতে পারে, যা উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে প্রভাব ফেলতে পারে। অন্যদিকে, বিনিয়োগকারীদের আস্থা রক্ষায় স্বচ্ছতা, স্থিতিশীল নীতিমালা ও নিয়মিত তথ্যপ্রবাহ অত্যন্ত জরুরি। এই মুহূর্তে বাজারে প্রতিটি সিদ্ধান্তকেই গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। মুদ্রানীতির বাস্তব প্রয়োগ ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সক্রিয় তদারকি ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক গতি-প্রবাহ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেয়ার বাজারে অস্থিরতা: বিনিয়োগকারীদের কী করণীয়?

বাংলাদেশের শেয়ার বাজারে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চলছে টানা অস্থিরতা। সূচকের উত্থান-পতন, লেনদেনের নিম্নগতি এবং কিছু বড় প্রতিষ্ঠানের শেয়ারে হঠাৎ দরপতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ। অনেকেই দিনশেষে লোকসান নিয়ে বাড়ি ফিরছেন, আবার কেউ কেউ বিনিয়োগ না করেই ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ অবস্থানে রয়েছেন। অস্থিরতার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে অর্থনীতির সামগ্রিক চাপ, বিশেষ করে ডলারের মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি ও ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট। এসব কারণে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ খাতে ঝুঁকছেন এবং ঝুঁকিপূর্ণ সম্পদ থেকে দূরে থাকছেন। অন্যদিকে, কিছু কোম্পানির দুর্বল মৌলভিত্তি এবং গুজবের ভিত্তিতে দর বাড়া কিংবা কমা — বাজারকে আরও বেশি অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে উঠেছে কঠিন। বিশেষ করে যারা স্বল্প অভিজ্ঞ, তাদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেশি। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন সময়ে আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন ঠান্ডা মাথায় বিশ্লেষণ করে বিনিয়োগের। প্রথমত, যেসব কোম্পানি দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক, যাদের ব্যবসার ভিত্তি শক্ত এবং ডিভিডেন্ড প্রদানে নিয়মিত, সেসব কোম্পানিতেই বিনিয়োগ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা। এই সময় ‘শেয়ার কম দামে কিনে দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখা’ কৌশল বেশ কার্যকর হতে পারে। দ্বিতীয়ত, গুজব বা বাজারে হঠাৎ ওঠা কোনো খবরের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। অনেক সময় কিছু 'পাম্প অ্যান্ড ডাম্প' স্টকে আকর্ষণীয় মুনাফার লোভ দেখিয়ে ফাঁদ পাতা হয়, যা শেষ পর্যন্ত সাধারণ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির মুখে ফেলে। তৃতীয়ত, কারও যদি অর্থনৈতিক সংকট থাকে বা ধার করা অর্থ দিয়ে শেয়ার কেনার চিন্তা থাকে, তাহলে আপাতত বাজারে প্রবেশ না করাই উত্তম। কারণ বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল, এবং সামান্য ভুল সিদ্ধান্ত বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এছাড়া প্রযুক্তি ও নিউজভিত্তিক এনালাইসিসের পাশাপাশি মৌলিক বিশ্লেষণ (ফান্ডামেন্টাল অ্যানালাইসিস) করা বিনিয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কেউ চাইলে শেয়ার বাজার সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ নিতে পারে বা অভিজ্ঞ বিনিয়োগকারীর পরামর্শও গ্রহণ করতে পারে। সবশেষে বলা যায়, শেয়ার বাজারে অস্থিরতা নতুন কিছু নয়। ইতিহাস বলছে, প্রতিটি পতনের পরই বাজার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু সেই ঘুরে দাঁড়ানোর সময়টা ধরতে পারে কেবল ধৈর্যশীল ও সচেতন বিনিয়োগকারীরা। তাই আতঙ্ক নয়, জ্ঞান ও কৌশলের মাধ্যমে বিনিয়োগ করাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ করণীয়।

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব

২০২৫ সালে মদিনায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বেগম খালেদা জিয়াকে অমানবিক প্রক্রিয়ায় হত্যা করা হয়েছে: ওয়াদুদ ভূইয়া

এইচ এম প্রফুল্ল জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার বলইবুনিয়া ইউনিয়নের দোনা গ্রামের কৃষক আজিজুল হাকীম শীতপ্রবাহ উপেক্ষা করে নিজের এক একর জমিতে কুইক স্টার বিটকপি চাষ করে বাম্পার ফলন তুলে নিয়েছেন। দীর্ঘ ৩০ বছরের কৃষিজীবনে এটি তার অন্যতম সফল চাষ বলে জানাচ্ছেন তিনি। চাষি আজিজুল হাকীম জানান, তার ক্ষেতে কুইক স্টার এবং জিরো-৫ প্রজাতির বিটকপি চারা রোপণ করা হয়েছে। ৮৫ দিনের চাষে তিনি প্রায় ৫০০ মন বিটকপি উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। চারা রোপণ, সার, কীটনাশক ও শ্রমিক মজুরি মিলিয়ে তার মোট ব্যয় হয়েছে প্রায় এক লাখ টাকা। তবে ফলন অনুযায়ী তিনি আশা করছেন প্রায় ৫ লাখ টাকার লাভ করতে পারবেন। এ ফসল থেকে তিনি নিজের পরিবারে বৃদ্ধ মাতা, স্ত্রী ও ছয় সন্তানসহ সংসারের সব ব্যয় মিটিয়ে কিছু সঞ্চয়ও করতে পারবেন।     আজিজুল হাকীম বলেন,  “পৈত্রিক জমিতে কুইক স্টার চাষ করে এত ভালো ফলন পেয়েছি, এটি আমার জন্য এক অনন্য আনন্দ। পরিশ্রমের মূল্য এই ফলন দেখিয়ে দিয়েছে। ভবিষ্যতে আরও কৃষক শীতকালীন রবি শস্য ও সবজি চাষে আগ্রহী হবেন।” উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা এস এম আলী আশরাফ জানান, “আজিজুল হাকীমের সফলতা পুরো ইউনিয়নের জন্য দৃষ্টান্ত। কৃষি দপ্তর নতুন নতুন ফসল উৎপাদন ও আধুনিক চাষপ্রণালীর প্রশিক্ষণ দিয়ে এমন চাষিদের উৎসাহিত করছে। শীতকালীন সবজি চাষে এ ধরনের সফলতা স্থানীয় কৃষকদের জন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।” সরেজমিন দেখা যায়, আজিজুল হাকীমের একর জমিতে সবুজ কুইক স্টার বিটকপি ঘনবিপুলভাবে ছড়িয়ে আছে। মাঠে কাজ করা শ্রমিকদের চোখে স্বচ্ছ আনন্দ ও চাষির মুখে সন্তুষ্টির হাসি প্রকৃত অর্থেই তার সফলতার প্রমাণ বহন করছে।

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
Irregular rainfall disrupts farming

বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

বাংলাদেশের কৃষি খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে সবজি রপ্তানির মাধ্যমে। চলতি বছর সবজি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ, যা দেশের কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি লাউ, কাঁচামরিচ, শিম, বেগুন, এবং মুলার চাহিদা বেড়েছে ব্যাপক হারে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (EPB) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রথম আট মাসে সবজি রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ১৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষ করে সৌদি আরব, কুয়েত, কাতার, মালয়েশিয়া, এবং যুক্তরাজ্যে প্রবাসী বাংলাদেশিদের কারণে দেশীয় সবজির চাহিদা বেশি দেখা গেছে।   কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. জাহিদুল হাসান বলেন, “সরকার রপ্তানি-উপযোগী কৃষিপণ্য উৎপাদনে কৃষকদের সহায়তা করছে। নিরাপদ এবং রাসায়নিক মুক্ত উৎপাদনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। হিমাগার ও রপ্তানি মান অনুযায়ী প্যাকেজিং সুবিধাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে।” ঢাকার সন্নিকটে সাভারের কৃষক রফিকুল ইসলাম জানালেন, “আমি আগে শুধু স্থানীয় হাটে বিক্রি করতাম। এখন এলাকার একটি সংগঠনের মাধ্যমে আমাদের সবজি দুবাই পাঠানো হয়। দামও ভালো পাই, সময়মতো টাকা পেয়ে যাই।”   বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বাংলাদেশে বছরব্যাপী সবজি উৎপাদনের ক্ষমতা থাকায় এই খাতে রপ্তানির অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তারা এটাও বলছেন যে, আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা, সঠিক হিমায়ন ব্যবস্থা, ও সময়মতো পরিবহন নিশ্চিত করা এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা রপ্তানির জন্য নির্দিষ্ট অঞ্চল ভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। যেমন—নরসিংদী, যশোর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে সবজি উৎপাদনের পাশাপাশি রপ্তানিযোগ্য মানের ফসল উৎপাদনে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।   বিমানবন্দরে দ্রুত সবজি পার্সেল হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধা, কৃষিপণ্য পরীক্ষার জন্য আলাদা ল্যাব, এবং নতুন কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করলে এই রপ্তানি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশ্ববাজারে সবজি রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ চাহিদাও যাতে পূরণ হয়, সে বিষয়েও নজর রাখছে সরকার। কৃষকদের জন্য ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে ‘কৃষক বাজার’ এবং ডিজিটাল মার্কেটিং অ্যাপও চালু করা হয়েছে।   বাংলাদেশের কৃষি খাত এখন শুধু দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে না, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। যদি অবকাঠামো ও মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও জোরদার করা যায়, তাহলে বাংলাদেশ অচিরেই বিশ্বের অন্যতম প্রধান সবজি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারে।

হোসেন মাঝি জুন ২৮, ২০২৫ 0

আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়ায় বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের কৃষি খাত

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

শহরে গরমের তীব্রতা: গাছ কম, সমস্যা বেশি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

খরা ও বন্যা একসঙ্গে: কৃষির জন্য নতুন হুমকি

জলবায়ু সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল ভাঙনের মুখে

জলবায়ু সংকটের প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূল ভাঙনের মুখে বাংলাদেশ একটি নদীভিত্তিক দেশ। এর বিস্তীর্ণ উপকূলরেখা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি ও জীবিকার অন্যতম অবলম্বন। কিন্তু জলবায়ু সংকটের কারণে এই উপকূলরেখা এখন ভয়াবহ বিপর্যয়ের মুখোমুখি। সাম্প্রতিক সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলে ভাঙন ও সুনামির মতো দুর্যোগের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রের স্তর দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং এর কারণে গলছে হিমবাহ ও বরফের স্তর, যার ফলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে। বাংলাদেশ উপকূলের বালু, মাটি ও মঙ্গোভ বনের ক্ষয়ক্ষতি বেড়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি, প্রবল ঝড় ও সুনামির হারও বেড়েছে, যা উপকূলীয় এলাকা ও জনজীবনকে আরও বেশি বিপন্ন করছে। উপকূলীয় এলাকার মানুষের জীবিকা কৃষি ও মৎসধরনের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু মাটির ক্ষয় এবং পানির ক্ষারাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। বহু পরিবার তাদের বসতবাড়ি হারাচ্ছে, অনেকেই নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এই বাস্তবতা নতুন জাতিগত ও অর্থনৈতিক সমস্যাও তৈরি করছে। সরকার ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা উপকূল সংরক্ষণের জন্য নানা উদ্যোগ নিচ্ছে। বাঁধ নির্মাণ, ম্যানগ্রোভ বনে রক্ষণাবেক্ষণ, এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে চেষ্টা চলছে ক্ষয় রোধের। তবে এই সমস্যার সমাধান করতে হলে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের মূল কারণ—কার্বন নিঃসরণ কমানোতে আন্তর্জাতিকভাবে আরো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব হলো পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি করা, অপ্রয়োজনীয় শক্তি ব্যবহার এড়িয়ে চলা এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন করা। কারণ জলবায়ু সংকট শুধু প্রকৃতির সমস্যা নয়, এটি মানবজাতির সুরক্ষারও ব্যাপার। উপকূলীয় এলাকার এই সংকট মোকাবেলায় আমাদের দেশের সরকার, সমাজ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রয়াস ছাড়া ভবিষ্যতে বড় ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া কঠিন।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0

বৃষ্টি কম, তাপমাত্রা বেশি: অস্বাভাবিক জলবায়ু নিয়ে চিন্তিত বিজ্ঞানীরা

পরিবেশ ও জলবায়ুর পরিবর্তন: মানব সভ্যতার জন্য এক অদৃশ্য হুমকি

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বেড়েছে ডেঙ্গু ও অন্যান্য রোগের প্রকোপ

কলকাতায় আন্তর্জাতিক প্রজ্ঞা পুরস্কার পেলেন পাঁচ সুরসাধক

কলকাতায় উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক সঙ্গীত মেলা ও তৃতীয় ‘প্রজ্ঞা আন্তর্জাতিক পুরস্কার’ প্রদান অনুষ্ঠান। রোববার (৪ জানুয়ারি) তাপসকুমার পাল একাডেমি অব মিউজিক অ্যান্ড কালচারাল ফাউন্ডেশনের আয়োজনে নগরীর উত্তমমঞ্চে দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন সম্পন্ন হয়। পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা—এই দুই পর্বে বিভক্ত অনুষ্ঠানে দেশ ও বিদেশের পাঁচজন বিশিষ্ট শিল্পী ও সংস্কৃতিসাধককে তাঁদের আজীবন সাধনা, সৃজনশীলতা ও সাংস্কৃতিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘আন্তর্জাতিক প্রজ্ঞা পুরস্কার–২০২৫’ প্রদান করা হয়। এবারের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন—শ্রীলঙ্কার কলম্বো ভিজ্যুয়াল অ্যান্ড পারফর্মিং আর্টস বিভাগের প্রখ্যাত বেহালাবাদক অধ্যাপক (ড.) রুউইন রঙিত ডায়াস, প্রবীণ রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী বিদুষী বিভা সেনগুপ্ত, মণিপুরী নৃত্যের কিংবদন্তি গুরু অধ্যাপক কলাবতী দেবী, খ্যাতিমান পাখোয়াজগুরু অধ্যাপক পণ্ডিত চঞ্চল ভট্টাচার্য এবং এসরাজ ও হারমোনিয়াম বাদক অধ্যাপক পণ্ডিত দেবপ্রসাদ দে।   অনুষ্ঠানের সূচনা হয় একাডেমির শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় ভায়োলিন অর্কেস্ট্রায় রবীন্দ্রসংগীত ‘আলো আমার আলো’ এবং গৌড়ীয় নৃত্যে গুরুবন্দনার মাধ্যমে। পরবর্তীতে অতিথিদের উপস্থিতিতে প্রদীপ প্রজ্বালন, সংবর্ধনা ও আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও সংস্কৃতিজনদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে। অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীদের সম্মিলিত পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে। রবীন্দ্রসংগীত, মণিপুরী নৃত্য ও শাস্ত্রীয় বাদ্যযন্ত্রের পরিবেশনায় এক অনন্য সাংস্কৃতিক আবহ সৃষ্টি হয়। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ছিল ৯৩ বছর বয়সী বিদুষী বিভা সেনগুপ্তের পরিবেশনা, যা দর্শক-শ্রোতাদের আবেগাপ্লুত করে তোলে।   অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে একাডেমির প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত হয় বিশেষ অর্কেস্ট্রা ‘গ্লোবাল অর্কেস্ট্রা: বাংলার যোগ’, যা অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করে। পুরো আয়োজনটি পরিচালনা করেন রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট বেহালাশিল্পী তাপসকুমার পাল।   আয়োজকরা জানান, আন্তর্জাতিক পরিসরে সংগীত ও সংস্কৃতির চর্চা ছড়িয়ে দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাঁদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও এই আয়োজন বিশ্ব সংস্কৃতি অঙ্গনে বাংলাদেশের সঙ্গে উপমহাদেশের সৃজনশীল ঐতিহ্যকে আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরবে।  

নরসিংদী জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

২০২৫ সালে মদিনায় ৮ হাজার শিক্ষার্থীর কোরআন হিফজ সম্পন্ন

ছবি: সংগৃহীত

ওয়াশিংটনে শপথ নিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন

আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি

ইরানে বিক্ষোভ তীব্র,খামেনির কঠোর হুঁশিয়ারি

গ্রিনল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় অনড় ট্রাম্প

গ্রিনল্যান্ডের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দিতে রাজি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেল শিল্পের শীর্ষ নির্বাহীদের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ নিতেও পিছপা হবে না। ট্রাম্পের যুক্তি, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে না এলে সেখানে রাশিয়া বা চীন প্রভাব বিস্তার করতে পারে, যা ওয়াশিংটনের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে মালিকানা প্রয়োজন—লিজ বা আংশিক নিয়ন্ত্রণ যথেষ্ট নয়। রুশ সংবাদ সংস্থা তাসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আপাতত গ্রিনল্যান্ড কেনার অর্থনৈতিক দিক নিয়ে আলোচনা না হলেও ভবিষ্যতে বিষয়টি আলোচনার টেবিলে থাকতে পারে। এর আগেও ট্রাম্প সামরিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ করেননি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র তার মিত্রদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। বর্তমানে গ্রিনল্যান্ড ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হলেও ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তি অনুযায়ী এর নিরাপত্তার দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ন্যস্ত। তবে প্রেসিডেন্টের সাম্প্রতিক অবস্থান ন্যাটোর অভ্যন্তরীণ সম্পর্ক এবং আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামো নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে বিশ্লেষকদের মত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলীয় নেতাদের শোক প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত

ভারতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি শুল্ক বাড়ানোর সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত

ইরানে ১১ দিনে বিক্ষোভে নিহত ৩৪ জন, সহিংসতায় উত্তেজনা বাড়ছে

ছবি: সংগৃহীত
খামেনিকে লক্ষ্য করে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘চরম পদক্ষেপের’ হুঁশিয়ারি

ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, বিক্ষোভ দমনে সহিংসতা চালানো হলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির বিরুদ্ধেও চরম পদক্ষেপ নিতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গ্রাহাম বলেন, জনগণের ওপর রাষ্ট্রীয় দমন–পীড়ন চালানো হলে ওয়াশিংটন কঠোর প্রতিক্রিয়া জানাতে দ্বিধা করবে না। তিনি দাবি করেন, বর্তমান পরিস্থিতি মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নিতে পারে। অর্থনৈতিক সংকট ও মূল্যস্ফীতির জেরে ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ দমনে দেশটির বিচার বিভাগ ও নিরাপত্তা বাহিনী কঠোর অবস্থান নিয়েছে। তবে প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে দাঙ্গাবাজদের পার্থক্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের মন্তব্যকে ইরান তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় দেশটির সামরিক নেতৃত্বও কড়া ভাষায় সতর্কবার্তা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি হুমকি মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করছে এবং দীর্ঘদিনের বৈরিতা আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।    

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৮, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সিডনিতে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে আলোচনা সভা

ছবি: প্রতিনিধি

সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন ছিলেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

ছবি: প্রতিনিধি

যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য ১৫ হাজার ডলারের ভিসা বন্ড বাধ্যতামূলক

মারিয়া কোরিনা মাচাদো
মাদুরো–পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান মিত্র করতে চান মাচাদো

ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্ভাব্য ক্ষমতার পালাবদলের প্রেক্ষাপটে দেশটির প্রধান বিরোধী নেতা ও নোবেল শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত মারিয়া কোরিনা মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রঘনিষ্ঠ নতুন রাষ্ট্রনীতির রূপরেখা উপস্থাপন করেছেন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, মাদুরো-পরবর্তী ভেনেজুয়েলাকে লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান কৌশলগত মিত্র এবং জ্বালানি সম্পদের কেন্দ্রে পরিণত করা হবে। মাচাদো দাবি করেন, সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ভেনেজুয়েলায় দীর্ঘদিনের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়েছে এবং এটি আইনের শাসন ও গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ভবিষ্যৎ সরকার যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা স্বার্থ রক্ষায় আঞ্চলিক অপরাধচক্র দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে, একই সঙ্গে বাজার উন্মুক্তকরণ ও বিদেশি বিনিয়োগ সুরক্ষার মাধ্যমে জ্বালানি খাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, বিদেশে আশ্রয় নেওয়া লাখো ভেনেজুয়েলাবাসীকে দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের পূর্ণ ম্যান্ডেট অর্জনের ব্যাপারে তিনি আশাবাদী। বর্তমানে আত্মগোপনে থাকা মাচাদো অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বের সমালোচনা করলেও রাজনৈতিক পরিবর্তনকে ভেনেজুয়েলায় গণতান্ত্রিক শাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সুযোগ হিসেবে দেখছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৬, ২০২৬ 0

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

কলম্বিয়া ও কিউবাকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

ছবি: সংগৃহীত

হোয়াইট হাউসের ‘পার্প ওয়াক’ ভিডিও ও মার্কিন হামলায় কাঁপল ভেনেজুয়েলা

প্রবাস

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র‍্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

বিনোদন

আরও দেখুন
তাহসান-রোজার সংসার এবার ভাঙার পথে

জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খানের দাম্পত্য জীবন শেষের পথে। মেকআপ আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্ক ঝড়ের মুখে। কালের কণ্ঠকে একান্ত সাক্ষাৎকারে তাহসান খান নিশ্চিত করেছেন, “জুলাইয়ের শেষ থেকে আমরা আলাদা থাকছি। ব্যক্তিগত কারণে এখন বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।” তিনি জানান, সম্প্রতি বিবাহবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে ভুয়া খবর ছড়ানোর কারণে এই তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছেন। তাহসান ২০২৫ সালের ৪ জানুয়ারি মাত্র চার মাসের পরিচয় শেষে রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। রোজা একজন অভিজ্ঞ মেকআপ আর্টিস্ট, যিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রে ব্রাইডাল মেকআপে কাজ করছেন এবং নিউইয়র্কে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এর আগে ২০০৬ সালে অভিনেত্রী রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন তাহসান, যা ১১ বছরের পর ২০১৭ সালে শেষ হয়। এই সংসারে তাহসানের এক কন্যাসন্তান—আইরা তাহরিম খান।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

শিক্ষা

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী। সভায় জানানো হয়, বি.এস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সকাল ৯টা ৩০ থেকে দুপুর ১২টা ৩০ পর্যন্ত, আর বিআর্ক প্রোগ্রামের অংকন পরীক্ষা দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে ১টা ৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের নিরাপত্তা, যানজট ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধসহ পরীক্ষা চলাকালীন সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মাকসুদ হেলালী বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত দায়িত্ব অপরিহার্য।”

খুলনা জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

করোনা মহামারির সময় থেকেই দেশে অনলাইন ক্লাসের প্রচলন শুরু হয়। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতির এই প্রয়োগ অনেকটাই জরুরি অবস্থা মোকাবিলার অংশ ছিল। শুরুতে শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিষয়টি গ্রহণ করলেও ধীরে ধীরে এর প্রতি আগ্রহ কমতে শুরু করে। এখন দেখা যাচ্ছে, অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতির হার বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন ক্লাস কার্যকর হতে হলে নির্দিষ্ট অবকাঠামো, উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে, দেশের অনেক শিক্ষার্থী এখনো নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা পায় না। আবার অনেকের বাড়িতে নেই প্রয়োজনীয় ডিভাইস, কিংবা থাকলেও তা পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ভাগ করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতার অভাব শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারানোর অন্যতম কারণ।   শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যাই নয়, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। অনেক সময় তারা বুঝেও না বোঝার ভান করে ক্লাস শেষ করে দেয়। এতে করে বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং শিখনে ঘাটতি দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস অনেক সময় একঘেয়েমি ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, ফলে শেখার গতি ব্যাহত হয়।   শিক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অনলাইন ক্লাসে পাঠদানের পদ্ধতি এখনও যথাযথভাবে মানসম্মত হয়নি। অধিকাংশ শিক্ষকই শুধু পাঠ্যবই পড়ে শোনান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। অপরদিকে, অনেক শিক্ষক নিজেরাও প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন, ফলে ক্লাস পরিচালনায় তারা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাসে সম্পৃক্ততা কমে যায় এবং তারা পড়াশোনা থেকে ধীরে ধীরে বিমুখ হয়ে পড়ে।   অভিভাবকরাও বলছেন, শিশুদের ঘরে বসে অনলাইনে পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। অনেক সময় তারা মোবাইল বা ল্যাপটপে ক্লাসের নাম করে অন্য কিছুর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে, যা পড়াশোনার ক্ষতি করে। এছাড়া দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখে সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন হাইব্রিড লার্নিং পদ্ধতি—যেখানে অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমকে ভারসাম্যের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের কনটেন্টকে আরও ইন্টারেক্টিভ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তোলা, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও আগ্রহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।   দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নয়তো এই ধারাবাহিক শিখন ঘাটতি আগামী দিনে একটি প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতার মানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?
অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে?

অনলাইন শিক্ষার ভবিষ্যৎ: ক্লাসরুম কি চিরতরে বদলে যাচ্ছে? গত কয়েক বছর ধরে অনলাইন শিক্ষা ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারির সময় ঘর থেকে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোর ফলে এই মাধ্যমের চাহিদা আশ্চর্যজনকভাবে বেড়েছে। আজকের দিনে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই বিশ্বের যেকোনো কোর্সে ভর্তি হতে পারছে, আর শিক্ষকরা তাদের লেকচার দিতে পারছেন অনলাইনের মাধ্যমে। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এই অনলাইন শিক্ষা কি চিরতরে আমাদের ক্লাসরুমের ধারণাকেই বদলে দেবে? অনলাইন শিক্ষার সবচেয়ে বড় সুবিধাগুলো হলো সময় ও স্থানগত স্বাধীনতা। আর্থ-সামাজিকভাবে পিছিয়ে থাকা অনেক শিক্ষার্থী যারা আগে দূরত্বের কারণে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেত না, তারা এখন অনলাইনের মাধ্যমে বিভিন্ন কোর্স করতে পারছে। এছাড়া, পুনরাবৃত্তি করে ভিডিও লেকচার দেখা, নিজস্ব গতিতে শেখার সুযোগ পাওয়া এবং নানা রকম ইন্টারেক্টিভ টুলস ব্যবহার করা যেকোনো শিক্ষার্থীর জন্য বড় সুবিধা। কিন্তু অনলাইন শিক্ষার কিছু চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিশেষ করে অনেক শিক্ষার্থী অভিজ্ঞতা করেন মনোযোগ হারানো, প্রযুক্তিগত সমস্যায় পড়া, আর ব্যক্তিগত যোগাযোগের অভাব। যেখানে ক্লাসরুমে শিক্ষকের সঙ্গে সরাসরি কথোপকথন এবং সহপাঠীদের সঙ্গে আলোচনার সুযোগ থাকে, অনলাইনে সেইটা অনেক সময় পূর্ণ হয় না। এছাড়া, ইন্টারনেটের স্থায়িত্ব ও উপকরণের অভাব অনেক এলাকায় অনলাইন শিক্ষাকে বাধাগ্রস্ত করছে। অন্যদিকে, শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোও এখন ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনে জোর দিচ্ছে। ভবিষ্যতে শিক্ষকের ভূমিকা কেবল জ্ঞান দানকারী নয়, বরং ডিজিটাল টুলসের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গাইড ও উৎসাহিত করাই প্রধান কাজ হবে। শিক্ষা আরও ব্যক্তিগতকৃত এবং প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠবে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা হয়তো সব শিক্ষার্থীর জন্য কার্যকর নয়, তবে একটি হাইব্রিড মডেল বা সংকর পদ্ধতি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠবে। এতে কিছু দিন ক্লাসরুমে শিখন হবে, কিছু সময় অনলাইনে। এই পদ্ধতি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও নমনীয়তা ও সুযোগ এনে দেবে। বাংলাদেশেও অনেক প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই এই পরিবর্তনে এগিয়ে এসেছে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন অনলাইন ক্লাস, ডিজিটাল অ্যাসাইনমেন্ট এবং ভার্চুয়াল ল্যাব চালু করছে। তবে সফলতার জন্য দরকার আরো ভালো অবকাঠামো, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত সমর্থন। সবমিলিয়ে, অনলাইন শিক্ষা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে এবং ভবিষ্যতে এর গুরুত্ব আরও বাড়বে। তবে এটি কখনোই ঐতিহ্যবাহী ক্লাসরুমকে সম্পূর্ণ বদলে ফেলবে না, বরং দুটির সংমিশ্রণ আমাদের শিক্ষাকে আরো উন্নত এবং সামগ্রিক করবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

নতুন শিক্ষানীতিতে বড় পরিবর্তন: শিক্ষার্থীদের জন্য কী অপেক্ষা করছে?

পরবর্তী প্রজন্মের জন্য কারিগরি শিক্ষার গুরুত্ব

ছাত্র জীবনে টাইম ম্যানেজমেন্ট: সফলতার চাবিকাঠি

আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ

আন্তর্জাতিক ভাষা দক্ষতা পরীক্ষাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি হলো IELTS (International English Language Testing System)। যারা বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি কিংবা অভিবাসনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তাদের জন্য এই পরীক্ষায় ভালো স্কোর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই পরীক্ষায় সফল হতে হলে সঠিক প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি। নিচে আইইএলটিএস প্রস্তুতির ১০টি কার্যকর ধাপ তুলে ধরা হলো যা অনুসরণ করলে আপনি সহজেই ভালো স্কোর অর্জন করতে পারবেন। আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ নিচে "আইইএলটিএসের প্রস্তুতি মেনে চলুন এই ১০ ধাপ" শিরোনামে একটি SEO-ফ্রেন্ডলি, ৫০০ শব্দের নিউজ ওয়েবসাইট উপযোগী বাংলা আর্টিকেল দেওয়া হলোঃ ১. পরীক্ষার কাঠামো ভালোভাবে জানুন প্রথমেই আপনাকে জানতে হবে IELTS এর চারটি সেকশন – Listening, Reading, Writing ও Speaking – কীভাবে কাজ করে। প্রতিটির প্রশ্নপদ্ধতি, সময়সীমা এবং মূল্যায়ন কৌশল ভালোভাবে বুঝে নিন। ২. একটি রিয়েলিস্টিক টাইমলাইন তৈরি করুন IELTS প্রস্তুতির জন্য কমপক্ষে ২–৩ মাস সময় নিয়ে একটি রুটিন তৈরি করুন। কোন দিন কী পড়বেন, কোন স্কিলগুলোর উপর বেশি ফোকাস করবেন – এসব পরিকল্পনা আগেই নির্ধারণ করে নিন। ৩. প্রতিদিন ইংরেজিতে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন নিউজপেপার, ম্যাগাজিন, ব্লগ, বা ইংরেজি বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুললে Reading স্কিল উন্নত হয়। নতুন শব্দ শিখুন এবং সেগুলো ব্যবহার করার চেষ্টা করুন। ৪. শুনে শুনে শেখার অভ্যাস Listening অংশে ভালো করার জন্য ইংরেজি পডকাস্ট, BBC News, TED Talks ইত্যাদি নিয়মিত শুনুন। এতে উচ্চারণ, টোন এবং বোঝার দক্ষতা বাড়বে। ৫. রাইটিং প্র্যাকটিস করুন Academic বা General – আপনি যেই IELTS টাইপ দিন না কেন, Writing Task 1 ও 2 নিয়মিত অনুশীলন করুন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেখা শেষ করার অভ্যাস গড়ে তুলুন। ৬. স্পিকিংয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়ান প্রতিদিন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে বা বন্ধুর সঙ্গে ইংরেজিতে কথা বলার চর্চা করুন। বিষয়ভিত্তিক স্পিকিং টপিক নিয়ে রিহার্সাল দিন। ৭. অফিশিয়াল মক টেস্ট দিন IELTS অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম থেকে মক টেস্ট দিয়ে নিজের স্কোর যাচাই করুন। এতে সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়বে। যেসব প্রশ্নে ভুল করেন সেগুলো চিহ্নিত করুন এবং কেন ভুল হয়েছে তা বুঝে ঠিক করার চেষ্টা করুন। ভুল সংশোধন IELTS প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ৮. দক্ষ প্রশিক্ষকের সহায়তা নিন যদি সম্ভব হয়, তাহলে অভিজ্ঞ IELTS কোচের কাছে গাইডলাইন নিন। তারা আপনার দুর্বল দিক চিহ্নিত করে সঠিক পথ দেখাতে পারবেন। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মানসিকভাবে দৃঢ় থাকা। পরীক্ষা যতই কঠিন হোক না কেন, আত্মবিশ্বাস বজায় রাখলে আপনি সফল হবেন। শেষ কথা: IELTS এ ভালো স্কোর পাওয়া কোনো অলৌকিক বিষয় নয়, এটি পরিকল্পনা, পরিশ্রম ও ধারাবাহিক প্রস্তুতির ফল। উপরের ১০টি ধাপ মেনে চললে আপনি নিশ্চয়ই কাঙ্ক্ষিত ব্যান্ড স্কোর অর্জনে সক্ষম হবেন। আজ থেকেই প্রস্তুতি শুরু করুন এবং আপনার স্বপ্নের গন্তব্যে পৌঁছে যান।

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0

কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বাড়লেও চাকরি নিশ্চিত নয়

প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা: সুযোগের চেয়ে চ্যালেঞ্জ বেশি?

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

ছবি: সংগৃহীত
নিরাপত্তা আশ্বাসে আইসিসি নিশ্চিত করেছে বিসিবি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নিশ্চিত করেছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত সকল উদ্বেগ সমাধানের মাধ্যমে আগামী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দলের পূর্ণাঙ্গ ও নিরাপদ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে। বিসিবির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) বোর্ডের উত্থাপিত উদ্বেগগুলো গভীর মনোযোগের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং টুর্নামেন্টের বিস্তারিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়নের ক্ষেত্রে বিসিবির পরামর্শকে গুরুত্বসহকারে গ্রহণ করবে। বিসিবি স্পষ্ট করেছে, কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত ‘আলটিমেটাম’ সংক্রান্ত খবর সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং অসত্য। বোর্ডের লক্ষ্য জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হিসেবে রাখা এবং নিশ্চিত করা, যাতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সুষ্ঠু, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। বিসিবি আরও জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তারা আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পেশাদার, সহযোগিতামূলক ও গঠনমূলক আলোচনা অব্যাহত রাখবে। বোর্ড আশা প্রকাশ করেছে, আলোচনার মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত ও সন্তোষজনক সমাধান দ্রুত পাওয়া সম্ভব হবে এবং বাংলাদেশের জাতীয় দল বিশ্বকাপের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত অবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ না গেলে ভারতের লোকসান হবে প্রায় ৩০ কোটি রুপি

আইপিএল খেলা সম্প্রচার সাময়িক বন্ধ রাখার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের স্কোয়াড ঘোষণা, বাদ পড়ল শান্ত–জাকের

মুস্তাফিজুর রহমান
আইপিএল ২০২৬ থেকে মুস্তাফিজকে বাদ দিলো কেকেআর

আইপিএল ২০২৬ মৌসুমে বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে দলে না রাখার নির্দেশ পেয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর)। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে। বিসিসিআই সূত্র জানিয়েছে, কেকেআরকে মুস্তাফিজকে স্কোয়াড থেকে ছাড়ার পাশাপাশি তার পরিবর্তে নতুন খেলোয়াড় নেওয়ার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। বোর্ডের সেক্রেটারি দেবজিত সাইকিয়া ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইকে বলেন, বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গত ১৬ ডিসেম্বর আইপিএলের মিনি নিলামে ৯ কোটি ২০ লাখ রুপিতে মুস্তাফিজকে দলে ভেড়ায় কেকেআর, যা ছিল কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের সর্বোচ্চ মূল্য। তবে নিলামের পর থেকেই বিষয়টি ঘিরে ভারতে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিতর্ক তৈরি হয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নেতার সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত বিসিসিআই হস্তক্ষেপ করে। সব মিলিয়ে রাজনৈতিক চাপ ও কূটনৈতিক বাস্তবতার মধ্যেই আইপিএল ২০২৬-এ মুস্তাফিজুর রহমানের কেকেআর অধ্যায়ের ইতি ঘটছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো

আগস্টেই আংশিক Camp Nou-তে ঘরোয়া ম্যাচের প্রস্তুতি

আর্থিক সঙ্কটে ইতিহাসের গভীরে লিয়োন — প্রশাসনিকভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে

ডোপিং-বানের পর ফেরার পথে পগবা — মোনাকোতে চূড়ান্তভাবে।

ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা ডোপিং-বানের পর ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং চূড়ান্তভাবে তিনি যুক্ত হতে চলেছেন ফরাসি ক্লাব AS মোনাকো'-তে। ⏯️ ফেরার সময়রেখা জুলাই ২০২২-এ জুভেন্টাসে ফিরে দুর্দান্ত শুরুর পরই ২০২৩ সালের আগস্টে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে, যা ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইটালিয়ান অ্যান্টিডোপিং ট্রাইব্যুনাল thesun.co.uk+15en.wikipedia.org+15footballtransfers.com+15। কিন্তু তারা সেই শাস্তি ১৮ মাসে কমিয়ে দেয়, যার ফলে মার্চ ২০২৫ থেকে পগবা আবার মাঠে নামতে পারবেন । আর এখন, জুন ২০২৫-এ জানা যাচ্ছে, তিনি মোনাকো-র সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করতে চলেছেন, যা আগামী জুন ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে । 📝 চুক্তির বিবরণ গণমাধ্যম “লা প্যারিসিয়েন” এবং BBC জানিয়েছে পগবা মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে মৌখিকভাবে একমত হয়েছেন । Guardian আরও পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছে: ২০২৩ সালের শেষ থেকে প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকলেও, তিনি অবশেষে মোনাকোতে ফিরছেন, যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ অনুরূপ জায়গা নিশ্চিত রয়েছে । পরবর্তী সপ্তাহে তাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কার প যন । 🎯 মোনাকোর পরিকল্পনা মোনাকো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছে — সেখানে পগবার অভিজ্ঞতা তাঁদের মসৃণ অন্তর্ভুক্তি ও তরুণদের জন্য নেতৃত্বের প্রাধান্য জোগাবে । The Guardian লিখেছে, 'তাঁর যোগদানে মোনাকোর মিডফিল্ডে দৃঢ়তা বাড়তে পারে' । €৬–৭ মিলিয়ন পরিসরে বার্ষিক বেতন পার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে, যা ফ্রি ট্রান্সফার হলেও প্রতিযোগিতামূলক এক ডিল । 🔄 অন্য ক্লাবের আগ্রহ পগবা ছিলেন মার্সেইয়েল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়েল মাদ্রিদ, গোল্ডন বিৎস্য চাইকার সঙ্গে সুসংলগ্ন । তবে সে-সব আগ্রহ এখন মিথ্যা বা অনিশ্চিত — তবে জুভেন্টাস ছাড়ার পর তিনি এলএফসি, মাইয়ামি ও স울 লিগের দিকে তাকিয়েছিলেন । অবশেষে, ইউরোপে থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন মোনাকোই তাঁর প্রথম পছন্দ । 🌍 জাতীয় দলের আশাবাদের সাথে সম্পর্ক পগবা তার ৯১টি জাতীয় দলের ক্যাপ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য । তিনি চান আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্স দলে জায়গা করতে পারেন, কিন্তু ফর্ম আর ম্যাচ ফুটবল পাওয়া জরুরি । Didier Deschamps খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর মান পুনঃস্থাপনের সুযোগে আশাবাদী, যদিও ফর্মই শেষ বিচারক । ✅ সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা নিষেধাজ্ঞা সমাপ্তি মার্চ ২০২৫ চুক্তি ক্লাব AS মোনাকো (২০২৫–২০২৭) চুক্তির ধরণ দুই বছর, ফ্রি ট্রান্সফার প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, Ligue 1 অন্যান্য ক্লাব আগ্রহ ছিল মার্সেইয়েল, ম্যান ইউ, রিয়েল মাদ্রিদ; MLS/সৌদি আগ্রহী ছিল জাতীয় দলের স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ-এ ফেরা   পগবার এই মোনাকো-ফেরা প্রমাণ করে, তিনি এখনো বড় মঞ্চে খেলার ক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় মনোভাবী। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং প্রিমিয়ারের চাইতে একটি সম্ভাবনাময় পরিবেশ চেয়েছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরার জন্য মাঝপথে পা ফেলতে চান। তবে, ১৮ মাসের পার্থিব জার্নি এবং শরীরচর্চার খোলিকতা এখনো সমঝোতা প্রয়োজন — সেটাই আসল পরীক্ষা।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

বার্সেলোনায় যাচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস? ট্রান্সফার ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবল: কোরিয়া দক্ষিণ ও জাপান ফাইনালে মুখোমুখি

দোহা, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জাতীয় দল। এই দুই দল এশিয়ার সেরা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করেছে।   দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক পার্ক চুল-হো বলেন, “আমরা ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছি এবং এখন পুরো দল প্রস্তুত সেরা পারফরম্যান্স দেখানোর জন্য। জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য লাগবে। আমরা দলগত একতা ও দ্রুতগতির খেলায় বিশ্বাস করি।”   অন্যদিকে, জাপানের কোচ ইয়ামামোতো শিগেরু বলেছেন, “দক্ষিণ কোরিয়া একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, কিন্তু আমরা ইতোমধ্যে কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। খেলোয়াড়রা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।”\   এই ফাইনাল ম্যাচটি আগামী শনিবার কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো এশিয়া মহাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি সম্প্রচারে এটিকে দেখবেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ম্যাচটি গত দশকের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এশিয়ান কাপ ফাইনাল হতে চলেছে।   দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উভয়ই তীক্ষ্ণ আক্রমণ এবং দৃঢ় রক্ষণভাগ নিয়ে মাঠে নামবে। তাদের মধ্যে কোন দল জয়ী হবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে তাদের কৌশল, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানসিক স্থিতিশীলতার উপর।   ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই দুই দলের মধ্যে লড়াই শুধু জয়ের জন্য নয়, বরং এশিয়ার ফুটবলের মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার সুযোগ।” আগামী ম্যাচের জন্য দুই দলের প্রস্তুতি চলছে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মোকাবেলায়। কোচরা খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির উপর জোর দিচ্ছেন যাতে তারা চাপ সামলাতে সক্ষম হয়। ফুটবল ভক্তরা এখন প্রতিক্ষায় রয়েছেন, সেই মুহূর্তের জন্য যখন এই দুই শক্তিধর দল মাঠে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এবং নতুন ইতিহাস গড়বে।

হোসেন মাঝি জুন ২৬, ২০২৫ 0

আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আন্তর্জাতিক হকিতে উত্তেজনার পারদ: আজ শুরু হচ্ছে ২০২৫ আইএইচএফ বিশ্ব কাপ

সেরা দলগুলো কঠোর পরিশ্রমে, খেলোয়াড়দের ফিটনেসে জোর

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো
সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাস এবং অন্যান্য প্রদেশে শনিবার (৩ জানুয়ারি) একাধিক বিস্ফোরণ ঘটেছে। স্থানীয়রা বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন এবং ধোঁয়া উঠতে দেখেছেন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কারাকাসের কেন্দ্রস্থলস্থ সামরিক বিমানঘাঁটি লা কার্লোটা ও প্রধান সামরিক ঘাঁটি ফুয়ের্তে তিউনা। উভয় স্থানের বিস্ফোরণের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে হামলার জন্য দায়ী করেছে। তাদের দাবি, দেশজুড়ে সামরিক স্থাপনা এবং বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো জরুরি অবস্থা জারি করেছেন। হামলার কারণে কারাকাসসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, এবং আকাশে বিমান চলাচল অনিশ্চিত অবস্থায় রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার অভ্যন্তরে সামরিক স্থাপনাসহ বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন। এ ঘটনার প্রেক্ষিতে দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগ, নিকোলাস মাদুরো অবৈধভাবে নির্বাচিত এবং মাদক পাচারের সঙ্গে জড়িত।  

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে গোপনে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরায় শুরু করেছে—যদিও সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার মধ্যে এটি একটি অব্যাহত এবং সূক্ষ্ম পদক্ষেপ। জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরান আক্রমণের পরও টেবিলে কূটনৈতিক বিকল্প রেখেছে এবং ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জবাববৎ কিছু সীমাবদ্ধ পদক্ষেপ নিয়েছে । মঙ্গলবার মার্কিন মধ্যপ্রাচ্য বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন, "আলোচনাগুলো ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে, সরাসরি ও মধ্যস্থতার মাধ্যমে" এবং তিনি এগুলোকে “promising” হিসেবে বর্ণনা করেন । এদিকে রিপোর্টগুলো অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সমন্বিত প্রস্তাব দিতে পারে: ২০–৩০ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, নিষিদ্ধ নয়-সমৃদ্ধি পারমাণবিক উদ্যোগে এবং জমানো তহবিল মুক্ত করার সম্ভাবনা সহ । তবে ইরানের পক্ষ থেকে তেমন আগ্রহ প্রকাশ না করেই তারা জানাচ্ছে, “সংঘাত চলাকালীন কোনো অর্থবোধক আলোচনা হয়নি” এবং ইরান কোনো আলাপ-আলোচনায় অংশ নিতে ইচ্ছুক নয়—এ পর্যন্ত পরোক্ষ প্রতিক্রিয়ার মধ্যে । এই পরিস্থিতির পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের যৌক্তিকতা হলো—এটি একটি "হেডফেক" বা প্রকাশ্য হুমকির ছায়ায় গোপন দ Diplomacy, যা ইরানের উত্তেজনায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে তাকে পুনরায় টেবিলে আনাতে চায় । বেশ কিছু অনুসন্ধানমূলক মিডিয়া যেমন CNN ও NBC বলছে, এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশী ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মুক্তি এবং ফোর্ডো কেন্দ্রটি একটি বেসামরিক পারমাণবিক কেন্দ্র হিসেবে পুনর্গঠন উপস্থাপন করা হয়েছে । উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মিডিয়া প্রকাশনাগুলোতে সহজ-সরল বৈঠক নয়, বরং একটি স্ট্র্যাটেজিক কৌশল লক্ষ্য করা যাচ্ছে—যেখানে সামরিক হামলা ও কূটনৈতিক আমন্ত্রণ একই ছত্রছায়ায় অনুদিত হচ্ছে । এই প্রসঙ্গে সামুদ্রিক মধ্যপ্রাচ্যীয় প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও মধ্যস্থতাকারী দেশ যেমন ওমান ও কাতার নির্দ্বিধায় ভূমিকায় রয়েছে, যাতে তারা গোপন পর্যায়ে যোগাযোগ সহজতর করতে পারে । এতে বোঝা যায়, যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে পুনরায় আলোচনায় ফেরাতে চায়। যদিও সামনের দুর্গম পদক্ষেপগুলো নির্ভর করছে ইরানের উত্তর ও মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক উত্তেজনার দিকে নজর দিয়ে — আর তা জোরালো রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটের মধ্যে দিয়ে যেতে হবে।

আয়ান তাহরিম জুন ২৮, ২০২৫ 0
ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar

ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে ইসরায়েল ও ইরানের দ্বন্দ্ব নতুন কিছু নয়। বহু বছর ধরে এ দুই দেশের মধ্যে চলা গোপন ও প্রকাশ্য উত্তেজনা ২০২৫ সালে এসে সরাসরি সংঘর্ষে রূপ নেয়। ড্রোন হামলা, সাইবার আক্রমণ এবং সীমান্তে সরাসরি পাল্টা-প্রতিক্রিয়া পুরো অঞ্চলকে কাঁপিয়ে তোলে। তবে সাম্প্রতিক সময়ের একটি শান্তিপূর্ণ সমঝোতা এবং যুদ্ধবিরতির ঘোষণা কি সত্যিই এই দীর্ঘ শত্রুতা শেষের ইঙ্গিত দিচ্ছে? আর এই দ্বন্দ্বে কে কী পেল? যুদ্ধের পটভূমি ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ—দুইয়ের সংঘর্ষ থেকেই উত্তেজনার সূচনা। ইসরায়েলের দাবি ছিল, ইরান গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যা পুরো অঞ্চলের জন্য হুমকি। অন্যদিকে, ইরান বরাবরই দাবি করেছে, তাদের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ। ২০২৫ সালের শুরুতে সিরিয়ায় একটি ইরানি সামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের হামলার প্রতিশোধে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ও পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়। কয়েক সপ্তাহের এই সংঘাতে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়। যুদ্ধবিরতি ও শান্তি আলোচনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মহলের চাপ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও চীনের মধ্যস্থতায় অবশেষে দুই দেশ এক অঘোষিত যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। একটি অস্থায়ী চুক্তির আওতায়— ইরান পরমাণু কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনবে এবং আন্তর্জাতিক পরিদর্শনের অনুমতি দেবে ইসরায়েল নতুন করে ইরানি স্থাপনায় আঘাত না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশগুলো এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছে কে কী পেল? ইরান যা পেল: আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল হতে পারে আঞ্চলিক মিত্রদের (যেমন: হিজবুল্লাহ, সিরিয়া) সমর্থন অব্যাহত রাখতে পারবে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে একটি বিজয় দাবি করার সুযোগ ইসরায়েল যা পেল: ইরানের পরমাণু কর্মসূচিতে একটি সাময়িক নিয়ন্ত্রণ আঞ্চলিক নিরাপত্তায় কিছুটা স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক সমর্থন   তবে যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ?   এই প্রশ্নের উত্তর সহজ নয়। যদিও সাময়িক যুদ্ধবিরতি হয়েছে, কিন্তু দুই দেশের আস্থা একে অপরের প্রতি এখনও ভঙ্গুর। আঞ্চলিকভাবে প্রক্সি গোষ্ঠীর মাধ্যমে উত্তেজনা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্দার আড়ালে সংঘর্ষ, সাইবার হামলা ও গুপ্তচরবৃত্তি চলতেই থাকবে বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা। ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের এই পর্ব আপাতত শেষ হলেও প্রকৃত অর্থে শান্তি আসেনি। মধ্যপ্রাচ্য এখনও একটি বিস্ফোরক ভূখণ্ড, যেখানে যে কোনো সময় আবার উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই এই বিরতি শুধু "শ্বাস নেওয়ার" সময়, কিন্তু "সমাধান" নয়।

রতন লাল জুন ২৫, ২০২৫ 0

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
কম্বল বিতরণে শোকজের জবাব দিলেন বিএনপি প্রার্থী

নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে তলব হলেও শেষ পর্যন্ত অভিযোগমুক্ত হলেন যশোর-৩ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি অভিযোগের কোনো ভিত্তি না পাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দিয়েছেন। রোববার (১১ জানুয়ারি) যশোর-৩ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও জ্যেষ্ঠ সিভিল জজ মো. মাসুদ রানার আদালতে সশরীরে হাজির হয়ে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত লিখিত ও মৌখিকভাবে নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার ব্যাখ্যায় সন্তোষ প্রকাশ করে অভিযোগ খারিজের আদেশ দেন। অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের আইনজীবী দেবাশীষ দাস জানান, আদালত বিষয়টি পর্যালোচনা করে অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। শুনানিকালে জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এম এ গফুরসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন। জেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, আদালত অভিযোগ খারিজের পাশাপাশি ভবিষ্যতে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার বিষয়ে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আগে অনিন্দ্য ইসলাম অমিত দাবি করেন, অভিযোগে উল্লেখিত কর্মসূচিগুলো তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে নয়, সেগুলো যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আয়োজনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0
টুঙ্গিপাড়া যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লেলিন সাহা শনিবার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।

টুঙ্গিপাড়ায় পদত্যাগ করলেন তিন আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ নেতা

ছবি: প্রতিনিধি

খাগড়াছড়িতে এনসিপির নেতৃবৃন্দের সাথে জামায়াত প্রার্থীর মতবিনিময়

ছবি: সংগৃহীত

শরীয়তপুরে ৩ শতাধিক নেতা বিএনপিতে যোগদান, রাজনীতিতে নতুন ধারা

ডা: তাসনিম জারা
তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র বাতিলের চ্যালেঞ্জে ঢাকা-৯ স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা এবং কক্সবাজার-২ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হামিদুর রহমান আযাদ আপিলে জয়ী হয়েছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে কমিশন তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এই রায়ের ফলে উভয় প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পথে থাকা আইনি বাধা কাটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় নামতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, আপিল শুনানি আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলবে এবং প্রথম দিনে ১ থেকে ৭০ নম্বর আপিলের মধ্যে তাদের আপিল নিষ্পত্তি করা হয়েছে। এর আগে মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে দেশের ৩০০টি আসনের ২ হাজার ৫৬৮টি আবেদনপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২টি বৈধ এবং ৭২৬টি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। বাতিল প্রার্থীদের বিপরীতে মোট ৬৪৫টি আপিল জমা পড়েছে। চলমান শুনানিতে আগামী কয়েক দিনে আরও অনেক প্রার্থীর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ১০, ২০২৬ 0

ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে বিএনপি–এনসিপি সংঘর্ষ, আহত অন্তত ১০

বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান, উত্তরবঙ্গ শহর স্থগিত

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করবেন তারেক রহমান

জয়শঙ্কর তারেক রহমানের হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো একটি চিঠি তুলে দেন
ভারতের সঙ্গে বিএনপির কূটনৈতিক সংযোগে নতুন অধ্যায়

বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ এক কূটনৈতিক ইঙ্গিত মিলেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু পরবর্তী সময়ে। জানাজা উপলক্ষে ঢাকায় এসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পাঠানো শোকবার্তা হস্তান্তর করেন। কালো পোশাকে শোকাহত পরিবেশে অনুষ্ঠিত ওই সাক্ষাতে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক সমবেদনা জানানো হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জয়শঙ্কর জানান, খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক দর্শন ও মূল্যবোধ ভবিষ্যতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক দিকনির্দেশনা দিতে পারে—এমন প্রত্যাশা ভারতের। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য দীর্ঘদিনের ভারত–বিএনপি দূরত্ব কমানোর একটি কৌশলগত ইঙ্গিত। অতীতে বিএনপি–জামায়াত জোট, পাকিস্তানঘনিষ্ঠ অবস্থান এবং ভারতবিরোধী অভিযোগের কারণে নয়াদিল্লি আওয়ামী লীগকেই প্রধান মিত্র হিসেবে বিবেচনা করলেও বর্তমান বাস্তবতায় অবস্থান বদলের আভাস মিলছে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি এবং রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের প্রেক্ষাপটে বিএনপি এখন কেন্দ্রীয় শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে। দলটি জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছে এবং সংখ্যালঘু নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়ে তুলনামূলক সংযত বার্তা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের অভিমত, সাম্প্রতিক সৌজন্য সাক্ষাৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে, তবে সম্পর্কের স্থায়ী রূপ নির্ভর করবে ভবিষ্যৎ সরকার, নীতি ও পারস্পরিক আস্থার ওপর।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

তারেক রহমানের চার দিনের সফরসূচি ঘোষণা

কর ফাঁকির মামলায় শীর্ষে থাকা প্রার্থীর মনোনয়নপত্র স্থগিত

এ বি এম আব্দুস সাত্তার এবং এ এ এম সালেহ (সালেহ শিবলী)

বিএনপিতে দুই গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগ, একান্ত সচিব সাত্তার ও প্রেস সচিব সালেহ

ডা. তাসনিম জারা
ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল

ঢাকা-৯ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও এনসিপির সাবেক নেতা ডা. তাসনিম জারার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেন। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, ডা. তাসনিম পেশায় চিকিৎসক। তার বার্ষিক আয় ৭ লাখ ১৩ হাজার ৩৩৩ টাকা এবং দেশের বাইরে আয় ৩ হাজার ২০০ ব্রিটিশ পাউন্ড। তিনি আয়কর হিসেবে ইতিমধ্যেই ৩৪ হাজার ৫৭ টাকা পরিশোধ করেছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৩, ২০২৬ 0
নেত্রীমণ্ডলীর বৈঠকে জোট গঠনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে

জোট গঠনের আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে

নির্বাচনের প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশনের নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

নির্বাচনের প্রস্তুতি: নির্বাচন কমিশনের নতুন রোডম্যাপ প্রকাশ

জাতীয় বাজেট ঘিরে সংসদে তুমুল বিতর্ক

জাতীয় বাজেট ঘিরে সংসদে তুমুল বিতর্ক