দেশের তৈরি পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে বিদেশি নামে
ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার ধ্বংস
প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বিশ্বজুড়ে নারীদের অভিনন্দন জানালেন
ফকিরহাটে আলোচিত শিশুধর্ষণ মামলার আসামী চট্টগ্রাম থেকে আটক
কিশোরগঞ্জে তুলার গোডাউন সহ ৭টি ঘর আগুনে পুড়ে ২০ লাখ ক্ষয়ক্ষতি
বাংলাদেশ

যুদ্ধের আগেই হরমুজ পেরোনো ১৫ জাহাজ ভিড়ছে চট্টগ্রাম বন্দরে

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
বিশ্ব

মার্কিন অভিযানে দিশেহারা ইরান, ৩ হাজার স্থাপনায় আঘাত

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সালাহউদ্দিন আম্মার
শিক্ষা

ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
সর্বশেষ
অর্থনীতি

কমল স্বর্ণের দাম

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
ব্যাংক একীভূতকরণ চলবে, খেলাপি ঋণ আদায়ে বিকল্প পদক্ষেপ নেয়া হবে: গভর্নর

নতুন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক একীভূতকরণের প্রক্রিয়া ও সংশ্লিষ্ট সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, খেলাপি ঋণ আদায়ে সমস্ত বিকল্প পদক্ষেপ কার্যকর করতে হবে এবং বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায়। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত সভায় একীভূতকরণের উদ্যোগে থাকা পাঁচটি ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে আলোচনায় গভর্নর মোস্তাকুর রহমান আরও বলেন, গ্রাহক সেবা ও আমানত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে সব পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেছেন, ব্যাংকের বন্ধ কলকারখানা নিয়মের মধ্যে চালু করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ ত্বরান্বিত করা হবে। সভা সূত্রে জানা গেছে, শিগগির একীভূত ব্যাংকগুলিতে নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নিয়োগ দেওয়া হবে। এই পদক্ষেপে লক্ষ্য হচ্ছে ব্যাংকগুলোর আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা, খেলাপি ঋণ কমানো এবং দেশের অর্থনীতিতে অবদান বৃদ্ধি করা। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেন, পূর্ববর্তী উদ্যোগের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ব্যাংক সংস্কার ও একীভূতকরণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হবে।

আবারও সোনার দামে বড় লাফ, ভরি কত?

সোনার বাজারে দর বেড়ে নতুন রেকর্ড স্থাপন, ভরিতে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ছাড়াল। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) জানিয়েছে, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকায়। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। প্রকাশিত নতুন মূল্যে ২১ ক্যারেট সোনার দাম ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। রুপার দামও সমন্বয় করে ২২ ক্যারেট প্রতি ভরিতে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং সংগঠন নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে।

রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের নতুন এমডি ভারতীয় প্রকৌশলী রমানাথ

বাগেরহাটের রামপালে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে যোগ দিয়েছেন প্রকৌশলী রমানাথ পূজারী। এতে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সাবেক এমডি প্রকৌশলী সঙ্গীতা কৌশিকের স্থলভিষিক্ত হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (২৪ ফ্রেব্রুয়ারি) তার যোগদানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামপাল কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ডিজিএম (এইচআর-পিআর) আনোয়ারুল আজিম।রামপাল তাপ বিদ্যুকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, এই পদে যোগদানের আগে তিনি রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের প্রকল্প পরিচালক ও নির্বাহী পরিচালক হিসেবে এই কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির প্ল্যান্ট পরিচালনা, প্ল্যান্ট নির্ভরযোগ্যতা, প্ল্যান্টের দক্ষতা উন্নত করাসহ পরিবেশগত নিয়মাবলী পরিপালনের সম্পৃক্ত ছিলেন। এই সময়ে তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধিতে অবদান রেখেছেন এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম এবং প্রকল্পের ভিতরে টাউনশিপ উন্নয়নমূলক কাজও পরিচালনা করেছেন। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটির ডিজিএম (এইচআর-পিআর) আনোয়ারুল আজিম বলেন, নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী রমানাথ পূজারী ১৯৬৮ সালে ভারতের ওড়িশায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাড়ি সেখানেই। তিনি ভুবনেশ্বরের কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি থেকে বিই (মেকানিক্যাল) ডিগ্রি ও গুরগাঁওয়ের এমডিআই থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ভারতের আহমেদাবাদ থেকে আইআইএম ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন এবং ১৯৮৯ সালে ভারতের এনটিপিসিতে যোগদান করেন। ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের ২৯৮০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন এনটিপিসির সিপাত পাওয়ার স্টেশনের প্রধানসহ বিদ্যুৎখাতে তার প্রায় ৩৬ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত, দুই সন্তানের জনক।

দেশীয় বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দামে পুনরায় সমন্বয় আনা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি করে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।  সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে এ মূল্য কার্যকর হয়েছে বলে সংগঠনটির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। বাজুসের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এই নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। সংশোধিত মূল্যতালিকা অনুযায়ী—২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় বিক্রি হবে। বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি সংযোজিত হবে। গয়নার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ মূল্য সমন্বয় করা হয়েছিল। এদিকে, স্বর্ণের দাম বাড়লেও রুপার মূল্য অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।  

সর্বাধিক পঠিত

বাংলাদেশ

  • ময়মনসিংহ
  • বরিশাল
  • খুলনা
  • রংপুর
  • রাজশাহী
  • সিলেট
  • চট্টগ্রাম
  • ঢাকা

অর্থনীতি

কমল স্বর্ণের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৪, ২০২৬ 0
আবারও সোনার দামে বড় লাফ, ভরি কত?
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬ 0
দেশীয় বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
ফের ঊর্ধ্বগতি সোনার দামে
নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

ফলো করুন

প্রস্তাবিত পোস্ট

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

বাগেরহাটে হাদী হত্যার বিচার দাবিতে ছাত্রজনতার আল্টিমেটাম

বাগেরহাট ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬ 0

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

যে পরিবারের সবাই প্রতিবন্ধি

নীলফামারী প্রতিনিধি> মার্চ ৪, ২০২৬ 0
নিউজ স্টোরিজ

ভিডিও বার্তা

আরও দেখুন

মতামত

প্রযুক্তি

অপরাধ

লাইফস্টাইল

স্বাস্থ্য

কৃষি ও জলবায়ু

আরও দেখুন
ছবি: প্রতিনিধি
ঠাকুরগাঁওয়ের লিচুতে এবার ২০ হাজার টনের স্বপ্ন

উত্তরের শান্ত জনপদ ঠাকুরগাঁও এখন পীত-সবুজে সেজেছে। বসন্তের বিদায়ের পর লিচু বাগানগুলো মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে ২০ হাজার মেট্রিক টন লিচু উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও আবহাওয়া লিচু চাষের জন্য আদর্শ। সদর, বালিয়াডাঙ্গী ও পীরগঞ্জ উপজেলার বাগানগুলোতে উৎপন্ন ‘বেদানা লিচু’ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃত। পাতলা চামড়া, ছোট আঁটি ও মিষ্টি রসের কারণে এটি দেশের যেকোনো অঞ্চলে পরিচিত। ২০ হাজার টন লিচু উৎপাদিত হলে স্থানীয় অর্থনীতিতে কয়েকশ কোটি টাকার রোজগার সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। লিচু পাড়া, বাছাই, খাঁচা তৈরি ও পরিবহন কাজে যুক্ত হবে হাজারো শ্রমিক, যা গ্রামীণ কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করবে। তবে প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো সংরক্ষণ ও বিপণন। লিচু পচনশীল, এবং ঠাকুরগাঁওয়ে হিমাগার বা আধুনিক প্রক্রিয়াজাতকরণ সুবিধার অভাব থাকায় কৃষকরা প্রায়ই কম দামে বিক্রি করতে বাধ্য হন। মধ্যস্বত্বভোগী বা ফড়িয়ারা এই সুযোগ নিয়ে বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি করে, ফলে চাষিরা অর্থনৈতিকভাবে বঞ্চিত হন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবও উদ্বেগজনক। উচ্চ তাপমাত্রায় লিচু ফেটে যেতে বা গুটি ঝরে পড়তে পারে। আধুনিক সেচ প্রযুক্তি এবং বালাইনাশকের যথাযথ ব্যবহার ছাড়া লক্ষ্যমাত্রা অর্জন চ্যালেঞ্জিং হতে পারে।   ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু শিল্পকে বাঁচাতে হলে: ১. রপ্তানি বাজার তৈরি: বেদানা ও চায়না-৩ লিচু মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপে রপ্তানি করা সম্ভব,          ‘GAP’ নিশ্চিত করতে হবে। ২. প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প: লিচু থেকে জুস, জ্যাম বা ক্যানিং উৎপাদন করলে উদ্বৃত্ত ফল অপচয় হবে না। ৩. পরিবহন সুবিধা: ‘লিচু স্পেশাল’ ট্রেনের ব্যবস্থা করলে বড় শহরে সরাসরি লিচু পাঠানো সহজ হবে।   উৎপাদন ও বিপণন একযোগে কাজ করলে ঠাকুরগাঁওয়ের লিচু শুধুমাত্র উৎসবের অংশ নয়, বরং জেলার স্থায়ী অর্থনৈতিক ভিত্তি হয়ে উঠবে। কৃষকের শ্রম যেন মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে না যায়, সেটিই এবারের মৌসুমের মূল লক্ষ্য।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি মার্চ ৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

মৌ মৌ গন্ধে সুরভিত করে তুলেছে সজনে ফুল, বাড়ছে বাণিজ্যিক চাষ

ছবি: প্রতিনিধি

নীলফামারীতে নিজের নামে উদ্ভাবিত মাল্টার জাত দেশব্যাপী ছড়িয়ে দিতে চান রাজু

ছবি: প্রতিনিধি

দেবীগঞ্জে গম ও ভুট্টা চাষে নতুন সম্ভাবনা, গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাফল্য

ছবি: প্রতিনিধি
মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে জীবন বদলাতে চান সুমন

২১ বছর ইপিজেডে চাকরি করে একঘেয়ে জীবন থেকে বেরিয়ে এসে কৃষিতে সফলতার গল্প গড়েছেন নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নিতাই ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের সুমন মিয়া (৪০)। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া মাত্র ২৪ শতক জমিতে মালচিং পদ্ধতিতে ক্যাপসিকাম (পেপসিক্যাম) চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। চার মাস আগে বাড়ির পাশের জমিতে উচ্চমূল্যের এই সবজি চাষ শুরু করে ইতোমধ্যে দেড় লাখ টাকা আয় করেছেন সুমন। আরও দুই মাস ফসল তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন, যেখানে অতিরিক্ত প্রায় এক লাখ টাকা আয় হবে বলে তার ধারণা। সবুজ আপেলের মতো ক্যাপসিক্যাম থোকায় থোকায় ঝুলতে থাকায় এটি দেখতে এলাকাবাসীর ভিড় জমছে। স্থানীয়ভাবে এটিই প্রথম বাণিজ্যিক ক্যাপসিক্যাম চাষ। বগুড়া এগ্রো ওয়ানের মাঠকর্মীদের পরামর্শে তিনি এ চাষে উদ্বুদ্ধ হন। ক্যাপসিক্যামের পাশাপাশি তিনি দেড় বিঘা জমিতে তরমুজ এবং প্রায় দুই বিঘা জমিতে শসা ও টমেটো চাষ করে সব ক্ষেত্রেই লাভের মুখ দেখেছেন। সুমন মিয়া বলেন, ভরা মৌসুমে সবাই একসঙ্গে একই ফসল চাষ করলে বাজারে সরবরাহ বেড়ে যায়, ফলে দাম পড়ে যায়। তাই আগাম ও ব্যতিক্রম সময়ের ফসল চাষ করলেই লাভবান হওয়া যায়। তিনি জানান, মালচিং পদ্ধতিতে পানি সাশ্রয় হয়, জমির আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং আগাছা ও রোগবালাই কমে। ফলে ক্যাপসিক্যাম দাগমুক্ত থাকে এবং বাজারে ভালো দাম পাওয়া যায়। তবে পলিহাউস না থাকায় পোকামাকড় দমনে বাড়তি শ্রম ও খরচ হচ্ছে বলে জানান তিনি। সরকারের কাছে উদ্যোক্তাদের জন্য পলিহাউস সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান সুমন। তিনি আরও বলেন, ক্যাপসিক্যামের বাজার মূলত শহরকেন্দ্রিক। রংপুর, সৈয়দপুর ও নীলফামারীর বাজার, সুপারশপ ও অভিজাত রেস্টুরেন্টে এর চাহিদা বেশি। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ক্যাপসিক্যাম ভিটামিন সি, এ, বি-৬, মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং চোখ ও ত্বকের জন্য উপকারী। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মঞ্জুর রহমান বলেন, ক্যাপসিক্যাম চাষ ব্যয়বহুল হলেও বাজারে উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। চলতি মৌসুমে নীলফামারী জেলায় চারজন উদ্যোক্তা এ সবজি চাষ করছেন।

নীলফামারী প্রতিনিধি> জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় এবছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে সরিষা ও মধু আহরণ

নীলফামারীতে আলুখেতে লেটব্রাইট রোগ, দিশাহারা চাষিরা

ছবি: প্রতিনিধি

কৃষক আজিজুলের মুখে তৃপ্তির হাঁসি

Irregular rainfall disrupts farming
বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণে চাষাবাদে ব্যাঘাত, কৃষকদের আয় কমছে দিনদিন

বাংলাদেশের কৃষি ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হচ্ছে প্রকৃতি ও নির্ধারিত ঋতুচক্র। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টি যেমন চাষাবাদের জন্য আশীর্বাদ, তেমনি এর অনিয়মিততা কৃষকের জন্য এক ভয়াবহ বিপর্যয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশে বৃষ্টির আচরণে যে অনিয়ম দেখা যাচ্ছে, তাতে কৃষিজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে ব্যাপকভাবে। আগে যেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ে চাষাবাদ করা যেত নির্দ্বিধায়, এখন সেখানে কৃষকদের পড়তে হচ্ছে দোটানার মধ্যে। কখন বৃষ্টি হবে, কতটা হবে, কবে হবে—এই অনিশ্চয়তা কৃষকের পরিকল্পনা ভেস্তে দিচ্ছে বারবার।   জুন-জুলাই মাসেই বর্ষাকাল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন অনেক বছরেই দেখা যায়, বৃষ্টি শুরু হচ্ছে দেরিতে অথবা হচ্ছে অতিরিক্ত অল্প সময়ে। এতে করে রোপা আমনের মতো ফসল সময়মতো রোপণ করা সম্ভব হচ্ছে না। আবার কখনো বৃষ্টি হচ্ছে হঠাৎ করে অতিরিক্ত, যা বীজতলা ধ্বংস করে দিচ্ছে বা সদ্য রোপণ করা চারা নষ্ট করে দিচ্ছে। আবার কখনো দীর্ঘদিন খরা বিরাজ করায় জমিতে ফাটল ধরছে, শুকিয়ে যাচ্ছে ফসল। এর ফলে ফসল উৎপাদনের পরিমাণ যেমন কমছে, তেমনি উৎপাদন ব্যয়ও বাড়ছে।   অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে চাষাবাদের চক্রে পরিবর্তন আসছে। অনেক কৃষকই নির্ধারিত সময়ে জমি প্রস্তুত করতে পারছেন না। কোনো কোনো অঞ্চলে আবার বৃষ্টি এসে প্রস্তুত জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করছে, যা চাষাবাদের উপযোগিতা নষ্ট করছে। আবার অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, ধান কাটা-মাড়াইয়ের সময়েই হঠাৎ বৃষ্টি নেমে ফসল নষ্ট করে দিচ্ছে। এতে করে কৃষকদের শুধু অর্থনৈতিক ক্ষতিই হচ্ছে না, সাথে বাড়ছে মানসিক চাপ ও অনিশ্চয়তা।   এক সময়ের নির্ভরযোগ্য কৃষি মৌসুমগুলো এখন অনেকটাই অনির্ভরযোগ্য হয়ে পড়েছে। আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থাও অনেক সময় যথাযথ তথ্য দিতে ব্যর্থ হচ্ছে, ফলে কৃষকরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। এমন অবস্থায় অনেক কৃষকই বাধ্য হয়ে কৃষিকাজ ছেড়ে দিচ্ছেন অথবা অন্য পেশায় ঝুঁকছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে কৃষিখাতের জন্য বড় হুমকি। এতে করে ভবিষ্যতে খাদ্য ঘাটতির আশঙ্কাও তৈরি হতে পারে।   বৃষ্টির অনিয়মিত আচরণ শুধু ধান বা গম নয়, শাকসবজি, তিল, আখ কিংবা মসুরের মতো ফসলেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। চাষের পর সঠিক সময়ে পানি না পাওয়ায় ফসল স্বাভাবিক বৃদ্ধি পাচ্ছে না। আবার বেশি পানি পেয়ে অনেক ক্ষেতেই গাছ পচে যাচ্ছে বা ফলন হচ্ছে অপূর্ণাঙ্গ। এতে কৃষকদের আয় দিনদিন কমছে, আর ঋণগ্রস্ততার হার বাড়ছে।   এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন জলবায়ু সহনশীল কৃষি পরিকল্পনা এবং কার্যকর পানি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা। টেকসই চাষাবাদ পদ্ধতি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ছাড়া এই সংকট মোকাবিলা করা কঠিন। কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে কৃষি ঋণ, কৃষি বীমা, এবং আবহাওয়া তথ্য সেবা সহজলভ্য করতে হবে। একইসাথে গবেষণা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতন করে তোলার উদ্যোগ নিতে হবে। শুধু প্রকৃতির উপর নির্ভর না করে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের দিকে এগিয়ে যেতে না পারলে এই অনিয়মিত বৃষ্টির চক্র আগামীতে আরও বড় সমস্যা তৈরি করবে। তাই এখনই সময় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

সবুজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব: স্মার্ট কৃষি যন্ত্রে বদলে যাচ্ছে গ্রামের চাষাবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ফসলের উৎপাদন হুমকিতে, কৃষকদের দুশ্চিন্তা বেড়েছে

সবজি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করলো বাংলাদেশের কৃষি খাত

ইরানের হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৩০ কোটি ডলারের থাড রাডার ধ্বংস

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক ‘থাড’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ রাডার ধ্বংস হয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র ও মার্কিন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, জর্ডানের মুওয়াফফাক সালতি বিমানঘাঁটিতে থাকা ৩০ কোটি ডলার মূল্যের ‘এন/টিপিওয়াই–২’ রাডারটি হামলায় অকেজো হয়ে গেছে। এই রাডার ছিল মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভবিষ্যতে অঞ্চলে হামলা প্রতিহত করার সক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন, এই ধ্বংসের ফলে ‘প্যাট্রিয়ট’ সিস্টেমের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে, কারণ থাডের সীমিত রাডার এখন আর কার্যকর নয়। দক্ষিণ কোরিয়া, গুয়াম ও অন্যান্য স্থানে যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র আটটি থাড ব্যাটারি রয়েছে, যার মধ্যে প্রতিটি ব্যাটারি প্রায় ১০০ কোটি ডলারের এবং রাডারের মূল্যই ৩০ কোটি ডলার। সামরিক ও প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই ধরণের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা হারানো যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত সক্ষমতার জন্য বড় ধাক্কা। সিআইএস এবং অন্যান্য গবেষণা সংস্থাগুলোর মতে, অঞ্চলটির আকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষা এখন আরও জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে গেছে। হোয়াইট হাউসে গত শুক্রবার লকহিড মার্টিন ও আরটিএক্সের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক বসিয়ে পেন্টাগন দ্রুত নতুন প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0
বালেন্দ্র শাহ

র‌্যাপার বালেন্দ্র শাহ নেপালের সম্ভাব্য নতুন প্রধানমন্ত্রী

নিরাপত্তা ঝুঁকিতে সাময়িক বন্ধ দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

আমিরাত ও কুয়েত লক্ষ্য করে ইরানের শক্তিশালী আক্রমণ

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে অপরিশোধিত তেলের দাম উর্ধ্বমুখী

ইরান ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক সংঘাতের প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি ও পুঁজিবাজারে তীব্র অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় অপরিশোধিত তেলের দাম শুক্রবার (৬ মার্চ) মাত্র একদিনেই ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলার অতিক্রম করেছে, যা সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পারস্য উপসাগরের গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’য় জ্বালানি তেলের প্রায় ২০ শতাংশ যাতায়াতের ওপর সংঘাতের প্রভাব পড়ায় সরবরাহ সংকট তৈরি হয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা এবং ইরানের প্রতিক্রিয়ার ফলে এশিয়ার শেয়ারবাজারে ছয় বছরের মধ্যে সর্বাধিক দরপতন রেকর্ড করা হয়েছে, একই সময়ে মার্কিন ক্রুড তেলের দাম ১৯ শতাংশ বেড়ে ৮০ ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে মূল্যস্ফীতি ও মুদ্রার অবমূল্যায়নের ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ডলারের শক্তিশালী অবস্থার কারণে ইউরো ও ব্রিটিশ পাউন্ডের মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সংঘাত কেবল মধ্যপ্রাচ্যের সীমাবদ্ধ সমস্যা নয়, বরং এটি বৈশ্বিক অর্থনীতিকে অস্থিরতার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে, যেখানে সাধারণ জনগণ ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান উভয়ের জন্য জ্বালানি খরচ ও পুঁজিবাজারের পতন বড় চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

আবারও ভূমিকম্পে কাঁপল ইরান

সৌদি তেলের খনিতে প্রথমবার ড্রোন হামলা চালালো ইরান

ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে ইসরায়েলকে জরুরি ভিত্তিতে ২০ হাজার বোমা সরবারহ করছে যুক্তরাষ্ট্র

এবার ইরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলা চালালো ইসরাইল

ইরানের রাজধানী তেহরান-এর প্রধান বাণিজ্যিক বিমানবন্দর মেহরাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শনিবার (৭ মার্চ) ভোরে ব্যাপক হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। হামলায় বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে আগুন ও বিস্ফোরণের ঘটনা ধ্বনিত হয়েছে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিও ও ছবিতে স্পষ্ট দেখা গেছে। প্রকাশিত ফুটেজে দেখা গেছে, একের পর এক বিস্ফোরণের সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে আগুনের বিশাল স্তূপ সৃষ্টি হচ্ছে। অপর ভিডিওতে হামলার তীব্রতা এবং বিস্ফোরণের ক্রমাগত মাত্রা দৃশ্যমান। ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী হামলার দায়িত্ব স্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের বিমানবাহিনী ইরানের সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরানে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আন্তর্জাতিক আইন ও বিমান নিরাপত্তা সংক্রান্ত নিয়মের আলোকে এ হামলার প্রভাব এবং সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি বিবেচনায় রাখা জরুরি।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

মার্কিন অভিযানে দিশেহারা ইরান, ৩ হাজার স্থাপনায় আঘাত

ইরান যুদ্ধ ঘিরে হিসাব-নিকাশে চীন

সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি

স্থলযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ আরাঘচির

ইরানি ড্রোন হামলার নিশানায় মার্কিন রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কন

ইরানের সামরিক কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ওমান সাগরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ইরানি ড্রোন হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে। দেশটির খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের সামুদ্রিক সীমান্ত থেকে প্রায় ৩৪০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করার সময় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) নৌবাহিনীর ড্রোন ইউনিট রণতরীটির ওপর হামলা চালায়। হামলার পর জাহাজটি সহযোগী ডেস্ট্রয়ারসহ এলাকা ত্যাগ করে সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে দূরে সরে গেছে বলে তেহরানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪’-এর অংশ হিসেবে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এর আগে আইআরজিসি রণতরীটিকে লক্ষ্য করে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথাও জানিয়েছিল। ইরানের সামরিক সূত্র দাবি করেছে, হামলায় মার্কিন বাহিনীর উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে এবং বেশ কিছু সেনা হতাহত হয়েছেন। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি। ঘটনার পর ওমান সাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরানের সামরিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই দাবির সত্যতা যাচাই না হলেও ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬ 0

ইরানের আকাশসীমা পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র

২০ হাজার নাবিক আটকে আছে হরমুজ প্রণালীতে: জাতিসংঘ

স্থল অভিযান শুরু করতে ইরানে ঢুকেছে হাজার হাজার কুর্দি যোদ্ধা

প্রবাস

আরও দেখুন
বেইজিংয়ে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত

চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে গতকাল ২১ ফেব্রুয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের সাথে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত হয়েছে।  এই অনুষ্ঠানে দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রবাসী বাংলাদেশী সম্প্রদায়ের সদস্য এবং চীনা অতিথিরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।  সকালের অনুষ্ঠানে চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম দূতাবাস প্রাঙ্গণে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন এবং অন্তরীপ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এতে দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। এই অংশটি ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। বিকেলের অনুষ্ঠান পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ভাষা শহিদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়, যা দিবসটির তাৎপর্যকে আরও গভীর করে তোলে। আলোচনা সভায় ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ বেঙ্গল স্টাডিজের সভাপতি প্রফেসর দং ইয়ুচেন এবং চায়না মিডিয়া গ্রুপের বাংলা বিভাগের পরিচালক ইয়ু গুয়াংয়ু বাংলা ভাষায় বক্তব্য প্রদান করেন।  প্রফেসর দং ইয়ুচেন বলেন, "ভাষা আন্দোলন শুধু বাংলাদেশের ইতিহাস নয়, এটি বিশ্বের ভাষাগত বৈচিত্র্যের সংরক্ষণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।"   ইয়ু গুয়াংয়ু যোগ করেন, "চীনে বাংলা ভাষার প্রসারে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি, এবং এই দিবসটি আমাদের অনুপ্রাণিত করে।" রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম তার বক্তব্যে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, "১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালির জাতীয় চেতনার বিকাশ ঘটে, যা পরবর্তীতে স্বাধিকার আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম দেয়। প্রবাসী বাংলাদেশীদের আমি আহ্বান জানাই, মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।" অনুষ্ঠানের সমাপ্তিতে ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ-জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর ইফতার আয়োজন এবং আপ্যায়নের মধ্য দিয়ে দিবসটির উদযাপন শেষ হয়। এই অনুষ্ঠানটি চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে আরও মজবুত করার পাশাপাশি প্রবাসীদের মধ্যে জাতীয় চেতনা জাগরূক করেছে। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ইউনেস্কো কর্তৃক স্বীকৃত এই দিবসটি বিশ্বব্যাপী ভাষা সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে।

চীন প্রতিনিধি ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বসেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় ফের বাংলাদেশি বিজ্ঞানী ড. সাইদুর রহমান

বিনোদন

আরও দেখুন
ইকরা আরেকটি বিয়ে ও বাসর করেছে : আলভী

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতের একটি স্ট্যাটাসে অভিনেতা আলভী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ করেছেন, যা ইকরার মৃত্যুর তদন্তকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তিনি জানিয়েছেন, নেপাল শুটিংয়ের দিন থেকে বাড়িতে ইকরার বন্ধু ও সন্তানদের নিয়মিত যাওয়া-আসা চলত এবং মধ্যরাত পর্যন্ত মদ ও গাঁজার পার্টি হত; বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া যাবে। এছাড়া আলভী বলেছেন, ইকরার ফোনে কে ‘ডিসেবল’ করেছে তা ফরেনসিক রিপোর্টে নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং তিনি নিজেও তার ফোনের আলাপচারিতা তদন্তকারীদের খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছেন। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইকরার মৃত্যুর পর তা করাতে বাধা দেওয়া হলো এবং রিপোর্টে কারও চাপের কারণে তথ্য পরিবর্তন হওয়া যাবে না। নিজের স্ত্রীর সম্ভাব্য পরকীয়া বিষয়েও আলভী জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নাবিদ’ নামের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, যা তিনি ‘ভালোবাসার কারণে’ মেনে নিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, উপরের মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের প্রতিশোধপরায়ণতা এবং কর্মক্ষেত্রের অমনোবল তার তদন্তে বাধা দেবে। তাই অনুরোধ করেছেন, ছেলে রিজিকের স্বার্থে এবং সত্য উদঘাটনের জন্য ভক্তরা ইকরা মৃত্যুর আসল রহস্য প্রকাশে সহায়তা করবেন। ইকরার মৃতদেহ ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকালে আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। দম্পতির ১৪ বছরের সম্পর্কের ফলস্বরূপ রিজিক নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

‘সাধু সাজবেন না, সবার আমলনামা আছে’: তিথি

ড্রাইভারের সঙ্গে পরকীয়ার অভিযোগে এবার নীরবতা ভাঙলেন ডলি

ফেসবুকে ইকরাকে নিয়ে আলভীর নতুন পোস্টকে কেন্দ্র করে আবারো বিতর্ক

শুটিং সেটে মারধরের অভিযোগে আবারো বিতর্কে তানজিন তিশা

মানিকগঞ্জে একটি নাটকের শুটিং সেটে সহশিল্পীর প্রতি অসদাচরণ ও শারীরিক আঘাতের অভিযোগ উঠেছে ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা–এর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ দাবি করেছেন, দৃশ্য ধারণ চলাকালে স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়, যার ফলে তিনি রক্তাক্ত হন। জানা যায়, পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু–র নির্মাণাধীন একটি নাটকের শুটিং চলাকালে গত ২ মার্চ এ ঘটনা ঘটে। নাটকে আরও অভিনয় করছেন শহিদুজ্জামান সেলিমসহ একাধিক শিল্পী। অভিযোগ অনুযায়ী, দৃশ্য ধারণের সময় তিশা ইচ্ছাকৃতভাবে খামচি দিয়ে অথৈয়ের হাতে আঘাত করেন। উপস্থিত সহকর্মীরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের সূত্রপাত একটি ব্যক্তিগত উপহার প্রদানকে কেন্দ্র করে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া অতীতে পেশাগত বিষয়ে ফোনে হুমকির অভিযোগও উত্থাপন করেছেন সামিয়া অথৈ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তানজিন তিশার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট মহলে পেশাগত আচরণবিধি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং শিল্পীদের পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার প্রশ্নটি সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী পক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি প্রতিকার চাইবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।     বিস্তারিত আসছে...   

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৩, ২০২৬ 0

আজ বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন বিজয়–রেশমিকা, আলোচনায় রাশমিকার ছোট বোন

ছবি: ‍সংগৃহীত

মানিকগঞ্জে ওমর সানীর রেস্তোরাঁয় গ্রাহককে কুপিয়ে আহত

তানিয়া বৃষ্টি

মস্তিষ্কে টিউমার ধরা পড়ায় অস্ত্রোপচারে অভিনেত্রী তানিয়া বৃষ্টি

ধানুশ
২০ কোটির ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনি নোটিশ ধানুশকে

দীর্ঘদিন ধরে একটি চলচ্চিত্রের কাজ ঝুলে থাকায় আইনি জটিলতায় পড়েছেন দক্ষিণী তারকা ধানুশ। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেনান্ডাল ফিল্মস অভিনেতার কাছে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া–র প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে ‘নান রুদ্রন’ শিরোনামের একটি সিনেমায় অভিনয় ও পরিচালনার জন্য ধানুশ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেও এখনো ছবিটির শুটিং শুরু হয়নি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পে একাধিক সময়সূচি পরিবর্তনে প্রযোজনা সংস্থা সম্মত হলেও দীর্ঘ বিলম্বে তাদের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থার দাবি, চুক্তিভুক্ত ছবির কাজ শেষ না করেই ধানুশ অন্য চলচ্চিত্রে সময় দেওয়ায় প্রকল্পটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে প্রাথমিক বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও নোটিশে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ধানুশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ 0

রুমিন ফারহানার সঙ্গে ছবিকে ঘিরে আলোচনায় অপু বিশ্বাস

শবনম ফারিয়া

নির্বাচনি আলোচনার শীর্ষে শবনম ফারিয়ার ফেসবুক পোস্ট

ওমর সানী

ধানের শীষে ভোটের ঘোষণায় বিতর্কে অভিনেতা ওমর সানী

রিনা খান
সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন রিনা খান

নির্বাচনী প্রচারণার শেষ দিনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির সমর্থিত শিল্পী রিনা খান সংরক্ষিত আসনে সংসদ সদস্য হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের মধ্যে রাজনৈতিক কারণে বিভিন্ন বাধা ও নির্যাতনের মুখোমুখি হয়েও তিনি নিজেকে দলের পাশে রেখেছেন। বিটিভির নিবন্ধিত শিল্পী রিনা খান জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, নির্বাচনের পর সংরক্ষিত আসনে এমপি হওয়ার সুযোগ থাকলে তা দেশের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। বর্তমানে তিনি ধানের শীষ প্রতীকে ভোট প্রার্থনার জন্য মাঠে নেমে প্রচারণায় অংশগ্রহণ করছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ 0

শাকিবের ‘রকস্টার’এর নায়িকা নিয়ে রহস্য, পাকিস্তানি নায়িকা থাকার গুঞ্জন

আজ প্রিয়জনকে মিষ্টতায় ভরিয়ে দেওয়ার দিন

পরীমনি

পরীমনিকে বিদেশি নম্বর থেকে প্রাণনাশের হুমকি

আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী-নিষ্ঠাবান মানুষ আব্বু : জাইমা

বাবা তারেক রহমানকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়েছেন মেয়ে জাইমা রহমান। তিনি লিখেছেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি এ কথা লেখেন। ছোটোবেলায় আমাদের সকলের মনেই বিশ্বাস জন্মে যে, আমাদের বাবারা সবকিছুতেই পারদর্শী। অনেক সময় তাঁরাই হয়ে ওঠেন আমাদের জীবনের প্রথম ও সবচেয়ে বড় আদর্শ। পোস্টে তিনি লেখেন, আমার আব্বু হলেন আমার দেখা সবচেয়ে পরিশ্রমী ও নিষ্ঠাবান মানুষ। আমার জীবনে তিনিই হলেন সেই একজন ব‍্যাক্তি- যার ওপর আমি নিশ্চিন্তে যেকোনো পরিস্থিতিতে ভরসা করতে পারি। বাংলাদেশ ও দেশের জনগণের প্রতি তাঁর গভীর ভালোবাসা ও দেশপ্রেমই তাঁকে আজকের এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে। তিনি আরও লেখেন, আমি খুবই আনন্দিত যে, সমগ্র বাংলাদেশ অবশেষে তাঁর এই অনন্য গুণাবলিগুলো প্রত্যক্ষ করবে। তাঁর মধ‍্যে থাকা অসাধারণ গুণাবলিগুলোই তাঁকে এই দেশ ও জনগণের একজন সত্যিকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে ইনশাআল্লাহ।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬ 0

শিক্ষা

আরও দেখুন
সালাহউদ্দিন আম্মার
ঢাবি নিয়ে আম্মারের বিতর্কিত মন্তব্য

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক মন্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-কেন্দ্রিক রাজনীতি নিয়ে সমালোচনামূলক বক্তব্য দেওয়ায় বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ ও জুলাই-পরবর্তী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়কেন্দ্রিক ‘কোরাম’ বা গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতির সমালোচনা করেন তিনি। পোস্টে নেপাল-এর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রসঙ্গ টেনে সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেন, সেখানে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিরা সরকার গঠন করতে পেরেছেন—কারণ সেখানে ঢাবিকেন্দ্রিক ‘ভাই-ব্রাদার কোরাম’ ধরনের রাজনীতির প্রভাব নেই বলে তিনি ইঙ্গিত করেন। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, তার বক্তব্যের সঙ্গে অনেকেই একমত হতে পারেন। রাকসুর এই নেতা তার স্ট্যাটাসে আরও বলেন, জুলাই-পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে নেতৃত্বের দাবি, সংগঠনিক ভূমিকা বা ব্যক্তিগত অবদান নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্ক তৈরি হয়েছে, যা তার ভাষায় ‘অপ্রয়োজনীয় প্রতিযোগিতা’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এছাড়া তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলন চলাকালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়-এর উদ্যোগ বা কর্মসূচি যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। পোষ্য কোটা আন্দোলনের সময়ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে এ বিষয়ে প্রত্যাশিত উদ্যোগ দেখা যায়নি বলে তিনি মন্তব্য করেন। নিজের অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আম্মার দাবি করেন, জুলাই-সম্পর্কিত নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন ঢাবিকেন্দ্রিকভাবে বড় পরিসরে হলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কর্মসূচি আয়োজনের প্রস্তাব নিয়ে সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে তিনি অবহেলার মুখে পড়েছেন। স্ট্যাটাসের শেষাংশে তিনি নেতৃত্ব নির্বাচনে জনপ্রিয়তা বা অনুসারীর সংখ্যার ভিত্তিতে মূল্যায়নের প্রবণতার সমালোচনা করেন এবং নেপাল-এর নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বকে শুভকামনা জানান।  

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ৭, ২০২৬ 0

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে সব পরীক্ষার্থী ‘মেয়ে’!

এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগে উন্নীতের ঘোষণা

বিদ্যালয়ের সংশোধিত ছুটির তালিকা জারি

শিক্ষার্থীদের থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় নিষিদ্ধ: শিক্ষা মন্ত্রণালয়

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ প্রকাশ করেছে, যা দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনিয়ম রোধ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জবাবদিহিতা জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে গৃহীত। নীতিমালা সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের মাধ্যমে জারি করা হয়। নীতিমালায় বলা হয়েছে, কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভর্তি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি আদায় করতে পারবে না। বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুযায়ী নির্ধারিত ফি নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে, কোনো নতুন খাত তৈরি করে অর্থ আদায় করা যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আয়-ব্যয় সরকারি আর্থিক বিধি-বিধান অনুসারে পরিচালনা করতে হবে। হিসাব সংরক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব প্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরিচালনা কমিটির উপর যৌথভাবে চাপানো হয়েছে। আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টরা আইন অনুযায়ী দায়বদ্ধ থাকবেন। নীতিমালায় ব্যাংকিং ও অর্থপ্রাপ্তির প্রক্রিয়াও নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রদত্ত সব ফি, দান-অনুদান ও সম্পত্তি থেকে প্রাপ্ত আয় সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংক বা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে। জরুরি বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে নগদ অর্থ গ্রহণ সম্ভব, যা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দিতে হবে। এছাড়া, আয়-ব্যয়ের খাতে কোনো সংযোজন, বিয়োজন বা পরিবর্তন করার আগে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ড বা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬ 0

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির প্রথম ভিসি হলেন ড. এ এস মো. আবদুল হাছিব

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় এআই অ্যাপ ব্যবহার, শিক্ষার্থী আটক

ছবি: সংগৃহীত

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ ঘোষণা

ছবি: প্রতিনিধি
কুয়েটে প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা নিরাপদ ও সুষ্ঠু করতে রবিবার (১১ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে নিরাপত্তা বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ মাকসুদ হেলালী। সভায় জানানো হয়, বি.এস-সি ইঞ্জিনিয়ারিং, বিইউআরপি ও বিআর্ক প্রোগ্রামের ভর্তি পরীক্ষা আগামী ১৫ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা সকাল ৯টা ৩০ থেকে দুপুর ১২টা ৩০ পর্যন্ত, আর বিআর্ক প্রোগ্রামের অংকন পরীক্ষা দুপুর ১২টা ৪৫ থেকে ১টা ৪৫ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, রেজিস্ট্রার, খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ, জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা ও অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আশপাশের নিরাপত্তা, পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকের নিরাপত্তা, যানজট ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল জালিয়াতি প্রতিরোধসহ পরীক্ষা চলাকালীন সকল প্রস্তুতি নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। ভাইস-চ্যান্সেলর ড. মাকসুদ হেলালী বলেন, “ভর্তি পরীক্ষা একটি গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বিত দায়িত্ব অপরিহার্য।”

খুলনা জানুয়ারী ১১, ২০২৬ 0

সাহিত্যপ্রেমীদের জন্যে পর্দা উঠলো ময়মনসিংহ বিভাগীয় বইমেলার

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষক সংকট: এক শিক্ষকেই সামলাচ্ছেন একাধিক শ্রেণি

কারিগরি শিক্ষার প্রসারে প্রতিটি উপজেলায় আধুনিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ

অনলাইন ক্লাসের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহ কমছে, বাড়ছে শিখন ঘাটতি

করোনা মহামারির সময় থেকেই দেশে অনলাইন ক্লাসের প্রচলন শুরু হয়। প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা পদ্ধতির এই প্রয়োগ অনেকটাই জরুরি অবস্থা মোকাবিলার অংশ ছিল। শুরুতে শিক্ষার্থীরা নতুন অভিজ্ঞতা হিসেবে বিষয়টি গ্রহণ করলেও ধীরে ধীরে এর প্রতি আগ্রহ কমতে শুরু করে। এখন দেখা যাচ্ছে, অনলাইন ক্লাসের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এবং এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে শিখন ঘাটতির হার বাড়ছে।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন ক্লাস কার্যকর হতে হলে নির্দিষ্ট অবকাঠামো, উপযুক্ত পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল প্রয়োগ করতে হয়। কিন্তু বাস্তব চিত্র হচ্ছে, দেশের অনেক শিক্ষার্থী এখনো নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সুবিধা পায় না। আবার অনেকের বাড়িতে নেই প্রয়োজনীয় ডিভাইস, কিংবা থাকলেও তা পরিবারের একাধিক সদস্যের মাঝে ভাগ করে ব্যবহার করতে হয়। ফলে নিয়মিত ক্লাসে অংশগ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়ে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিভ্রাট, মোবাইল নেটওয়ার্কের দুর্বলতা এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতার অভাব শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাসে মনোযোগ হারানোর অন্যতম কারণ।   শুধু প্রযুক্তিগত সমস্যাই নয়, অনলাইন ক্লাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সরাসরি যোগাযোগ করতে না পারায় অনেক শিক্ষার্থী প্রশ্ন করার সুযোগ পায় না। অনেক সময় তারা বুঝেও না বোঝার ভান করে ক্লাস শেষ করে দেয়। এতে করে বিষয়বস্তুর প্রতি আগ্রহ কমে যায় এবং শিখনে ঘাটতি দেখা দেয়। বিশেষ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের জন্য অনলাইন ক্লাস অনেক সময় একঘেয়েমি ও মানসিক চাপের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তারা ভার্চুয়াল মাধ্যমে বেশি সময় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না, ফলে শেখার গতি ব্যাহত হয়।   শিক্ষকদের একাংশ মনে করেন, অনলাইন ক্লাসে পাঠদানের পদ্ধতি এখনও যথাযথভাবে মানসম্মত হয়নি। অধিকাংশ শিক্ষকই শুধু পাঠ্যবই পড়ে শোনান, যা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আকর্ষণ সৃষ্টি করে না। অপরদিকে, অনেক শিক্ষক নিজেরাও প্রযুক্তি ব্যবহারে স্বচ্ছন্দ নন, ফলে ক্লাস পরিচালনায় তারা দ্বিধাগ্রস্ত থাকেন। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্লাসে সম্পৃক্ততা কমে যায় এবং তারা পড়াশোনা থেকে ধীরে ধীরে বিমুখ হয়ে পড়ে।   অভিভাবকরাও বলছেন, শিশুদের ঘরে বসে অনলাইনে পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখা অত্যন্ত কঠিন। অনেক সময় তারা মোবাইল বা ল্যাপটপে ক্লাসের নাম করে অন্য কিছুর প্রতি আসক্ত হয়ে পড়ে, যা পড়াশোনার ক্ষতি করে। এছাড়া দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখে সমস্যা, মানসিক অস্থিরতা ও একাকীত্বও বাড়ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।   এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে প্রয়োজন হাইব্রিড লার্নিং পদ্ধতি—যেখানে অফলাইন ও অনলাইন উভয় মাধ্যমকে ভারসাম্যের সঙ্গে ব্যবহার করা হবে। এছাড়া অনলাইন ক্লাসের কনটেন্টকে আরও ইন্টারেক্টিভ ও শিক্ষার্থীবান্ধব করে তোলা, শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং প্রযুক্তিগত অবকাঠামো উন্নত করার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আবারও আগ্রহ ফিরিয়ে আনা সম্ভব।   দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে অনলাইন শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বল দিকগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নয়তো এই ধারাবাহিক শিখন ঘাটতি আগামী দিনে একটি প্রজন্মের শিক্ষা ও দক্ষতার মানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলবে।

তামিম রেহমান জুন ২৮, ২০২৫ 0

ইউনিফর্ম ও উপবৃত্তি না পেয়ে শিক্ষার্থীদের স্কুলে অনুপস্থিতির হার বাড়ছে

সরকারি স্কুলে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল হাজিরা চালু, নজরদারিতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল, চালু হচ্ছে কেন্দ্রীয় আবেদন ও মেধাতালিকা

অবশেষে গাঁটছড়া বাধলেন সানিয়ার-অর্জুন, প্রকাশ্যে এলো বিয়ের প্রথম ছবি

দীর্ঘ জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন অর্জুন তেন্ডুলকর। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক পারিবারিক আয়োজনে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে। বিয়ের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ঘনিষ্ঠ স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কিছু ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা অল্প সময়েই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভক্তদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে ক্রিকেট ও বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, অর্জুন হলেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের পুত্র। তার এই বিয়েকে ঘিরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছার বার্তা অব্যাহত রয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৫, ২০২৬ 0

চীনের কাছে হেরে গেলো বাংলাদেশ

সাকিব আল হাসান

সাকিব আল হাসানের মামলার ফাইল যাচ্ছে সরকারে কাছে

মাশরাফি-সাকিবকে ফেরাতে সহনশীল ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল

আমিনুল ইসলাম বুলবুল
দেশ ত্যাগ করে অস্ট্রেলিয়ায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জরুরি প্রয়োজনে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে গেছেন। দেশ ছাড়ার আগে তিনি বিসিবির পরিচালকবৃন্দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তায় তার সফরের তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তার অনুপস্থিতিতেও স্ব-স্ব কমিটির কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তিনি অনলাইনে সক্রিয় থাকবেন। সফরের সময় তিনি বিসিবি সদস্যদের রমজান মাসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান এবং আশ্বস্ত করেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন। বুলবুল দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে দায়িত্ব দেয় এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি বিসিবির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
লিওনেল মেসি

ভোট দিচ্ছেন না মেসি, নিরপেক্ষ থাকছেন এই কিংবদন্তি

বিশ্বকাপে না খেললেও শাস্তি নয়, বরং বাড়তি আইসিসি ইভেন্ট পাচ্ছে বিসিবি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডের  টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ নিশ্চিত

ছবি: সংগৃহীত
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তে পাকিস্তানকে ধন্যবাদ আসিফ জানান নজরুল

বাংলাদেশকে ২০২৬ আইসিসি টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানান। এ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে রাখার প্রশ্নে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে ২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলে আইসিসি দলটিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক আশঙ্কা উপেক্ষা করেই আইসিসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে ভারতের টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ম্যাচ বর্জন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ নারী অনূর্ধ্ব-১৯ দল নেপালকে ৪-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে পাকিস্তান-ভারত উত্তেজনা, আইসিসি’র জরুরি বৈঠক

সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ
ফুটবলের কিংবদন্তি সামাদের ৬২তম মৃত্যু বার্ষিকী আজ

ফুটবলের কিংবদন্তি সৈয়দ আব্দুস সামাদ বা মহাজাদুকর সামাদ এর ৬২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি)। সামাদ ১৯৬৪ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পার্বতীপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ১৯১৫ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত ২৩ বছর খেলোয়াড়ি জীবনে তিনি তার অপূর্ব দক্ষতা এবং জাদুকরী ফুটবল খেলায় দেশ-বিদেশে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ক্রীড়াজগতের চমকপ্রদ ঘটনা ও তার অভিনব খেলার কৌশল আজও খেলাপ্রেমীদের মুখে মুখে জীবন্ত। সামাদ ১২ বছর বয়সে কোলকাতা মেইন টাউন ক্লাবে ফুটবল খেলা শুরু করেন। পরবর্তীতে ত্ররিয়িন্স ক্লাব, তাজ হাট ক্লাব, অল ইন্ডিয়া দল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে খেলেছেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর পার্বতীপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। তিনি রেলওয়েতে কর্মরত থাকলেও তার খ্যাতির কারণে নতুন পদ সৃষ্টি হয়। সামাদের স্মৃতি বিজড়িত ফুটবল মিলনায়তন ও বাড়ি বর্তমানে দখল হয়ে নষ্ট হতে বসেছে। সরকারি পর্যায়ের কোনো উদ্যোগ না থাকায় নতুন প্রজন্ম তার অবদান ভুলে যেতে বসেছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, সামাদের জীবন ও কৃতিত্ব প্রাথমিক শিক্ষাপাঠ্য ও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মও তার ইতিহাস থেকে শিক্ষালাভ করতে পারে।

সৈয়দপুর, নীলফামারী ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে আইসিসি–ক্রিকেটার সংগঠনের দ্বন্দ্ব তীব্র

আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে সর্বনিম্ন স্থানে বিপিএল

ছবি: প্রতিনিধি

ইয়ং টাইগার্স অনুর্ধ্ব-১৪ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী, আফগানিস্তানে তালেবানের নতুন দণ্ডবিধি

আফগানিস্তানে নারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর বিধান সংযোজন করে নতুন ফৌজদারি আইন জারি করেছে ক্ষমতাসীন তালেবান সরকার। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম The Independent–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নতুন আইনে স্বামীদের স্ত্রী ও সন্তানদের শারীরিকভাবে ‘শাস্তি’ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে, তবে ‘হাড় ভাঙা’ বা দৃশ্যমান জখমের ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯০ পাতার নতুন দণ্ডবিধিতে স্বাক্ষর করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা। পশতু ভাষায় প্রণীত ‘দ্য মাহাকুমু জাজাই উসুলনামা’ (আদালতের ফৌজদারি বিধি সংক্রান্ত নিয়মাবলি) ইতোমধ্যে দেশটির আদালতগুলোতে বিতরণ করা হয়েছে। আইনে বলা হয়েছে, স্বামী ‘অতিরিক্ত শক্তি’ প্রয়োগ করে স্ত্রীর হাড় ভাঙলে বা দৃশ্যমান জখম করলে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তবে অভিযোগ প্রমাণের দায় সম্পূর্ণভাবে নির্যাতিত নারীর ওপর বর্তাবে। নির্যাতনের প্রমাণ আদালতে উপস্থাপনের ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে—নারীকে পূর্ণ হিজাব পরিহিত অবস্থায় জখম দেখাতে হবে এবং তার সঙ্গে স্বামী অথবা প্রাপ্তবয়স্ক কোনো পুরুষ অভিভাবকের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া স্বামীর অনুমতি ছাড়া বিবাহিত নারীর আত্মীয়ের বাড়িতে যাওয়ার ক্ষেত্রেও শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যার সর্বোচ্চ সাজা তিন মাসের কারাদণ্ড। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নতুন দণ্ডবিধিতে সমাজকে চার শ্রেণিতে—উলামা, আশরাফ, মধ্য ও নিম্ন শ্রেণি—বিভক্ত করা হয়েছে। একই অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির মাত্রা অপরাধের ধরন নয়, বরং অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিতে নির্ধারিত হতে পারে বলে উল্লেখ রয়েছে। এই আইন জারির পর আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মহলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নিখাদ খবর ডেস্ক ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬ 0
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো

সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করছে ভেনেজুয়েলা

বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ে জাতিসংঘের জরুরি সতর্কবার্তা: জুলাইতে নতুন তাপমাত্রার রেকর্ডের আশঙ্কা

রাশিয়ার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে ইউক্রেনের আলোচনা জোরালো

চীনের সঙ্গে উত্তেজনা: দক্ষিণ চীন সাগরে ফের যুক্তরাষ্ট্রের নৌমহড়া

দক্ষিণ চীন সাগরে আবারও শক্তি প্রদর্শন করল যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী। মার্কিন নৌবাহিনীর এয়ারক্রাফ্ট ক্যারিয়ার USS Theodore Roosevelt এবং তার স্ট্রাইক গ্রুপ সম্প্রতি বিতর্কিত এই অঞ্চলে প্রবেশ করে টহল মিশনে অংশ নেয়। পেন্টাগনের দাবি, এটি একটি পূর্বনির্ধারিত ও নিয়মিত কার্যক্রম, যার মাধ্যমে তারা আন্তর্জাতিক জলসীমায় নৌপরিবহন স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে চায়। তবে চীন এই পদক্ষেপকে ‘উসকানিমূলক’ বলে মন্তব্য করেছে এবং তাদের নিজস্ব সামরিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করেছে। বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা এ ধরনের বিদেশি সামরিক উপস্থিতিকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং প্রয়োজন হলে তারা ‘প্রত্যুত্তর’ দিতে প্রস্তুত। দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। চীন প্রায় পুরো অঞ্চলকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করে, যদিও আন্তর্জাতিক আইন ও ২০১৬ সালের হেগ ট্রাইব্যুনালের রায়ে এই দাবি খারিজ হয়েছে।   আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি দক্ষিণ চীন সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক তৎপরতা শুধু চীনের জন্য নয়, বরং সমগ্র এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এখন শুধু নিজেরাই নয়, বরং আঞ্চলিক মিত্রদের সঙ্গে যৌথ মহড়ায় অংশ নিচ্ছে। সম্প্রতি ফিলিপাইনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত হয় এক বিশাল আকারের যৌথ সামরিক মহড়া, যেখানে উভয় দেশের নৌবাহিনী এবং কোস্ট গার্ড অংশগ্রহণ করে। এতে অংশ নেয় ডজনখানেক যুদ্ধজাহাজ, যুদ্ধবিমান ও নজরদারি ড্রোন। এই মহড়ার অংশ হিসেবে বিতর্কিত স্কারবোরো শোল এলাকার কাছাকাছিও কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়, যেটি চীন এবং ফিলিপাইন উভয় দেশের দাবির কেন্দ্রবিন্দু। এই যৌথ মহড়া চীনকে স্পষ্ট বার্তা দেয় যে যুক্তরাষ্ট্র এ অঞ্চলে এককভাবে নয় বরং মিত্রদের নিয়ে সক্রিয় অবস্থান নিচ্ছে। ফিলিপাইন, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া—এই চার দেশকেই এখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘নির্ভরযোগ্য কৌশলগত অংশীদার’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। চীন এই মহড়াকে ‘সীমান্ত লঙ্ঘন’ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি বলে উল্লেখ করেছে। চীনা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, “আমরা নিজের ভূখণ্ড ও জলসীমার নিরাপত্তা রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। কোনো প্রকার বাহ্যিক চাপ আমাদের প্রতিক্রিয়ায় প্রভাব ফেলবে না।”   বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে সম্ভাব্য ঝুঁকি নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ চীন সাগর বর্তমানে একটি ভূ-রাজনৈতিক সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র একে ‘ফ্রিডম অব নেভিগেশন’ ইস্যু হিসেবে দেখলেও চীন বিষয়টিকে তাদের ‘সার্বভৌমত্বের অবমাননা’ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে। এই দ্বন্দ্বের ফলে সামান্য ভুল বোঝাবুঝিও বড় ধরনের সংঘর্ষে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক নিরাপত্তা বিশ্লেষক ড. লি ঝাও বলেন, “দুই পক্ষের সেনাবাহিনী যখন এত ঘন ঘন এবং এত কাছাকাছি এলাকায় কার্যক্রম চালায়, তখন উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। কোন পক্ষ ভুলক্রমেও আগ্রাসী পদক্ষেপ নিলে পুরো অঞ্চলটাই অস্থির হয়ে উঠতে পারে।” বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, এই উত্তেজনা শুধুই সামরিক নয়, বরং বাণিজ্যিক ও কৌশলগত দিক থেকেও গুরুত্ব বহন করছে। দক্ষিণ চীন সাগর দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ সামুদ্রিক বাণিজ্য হয়, ফলে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জানিফ হাসান জুন ১২, ২০২৫ 0
ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইরানকে আলোচনায় ফেরাতে গোপনে তৎপর যুক্তরাষ্ট্র

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

iranqatar
ইরানের প্রেসিডেন্ট দুঃখ প্রকাশ করলেন কাতারের আমিরের কাছে, কেন?

মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক মঞ্চে ইরান ও কাতার দুই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র। যদিও তাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক বরাবরই বন্ধুত্বপূর্ণ, কিন্তু সাম্প্রতিক একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইরানের প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে কাতারের আমিরের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এমন দুঃখ প্রকাশ সাধারণত কূটনৈতিক মহলে খুব সচরাচর দেখা যায় না। তাহলে কী হয়েছিল?   কী ঘটেছিল? ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরান-ইসরায়েল চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইরানের একটি সামরিক ড্রোন ভুলবশত কাতারের আকাশসীমায় প্রবেশ করে। এই ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্য অনেক দেশের মতো কাতারের পক্ষেও উদ্বেগজনক ছিল। যদিও ড্রোনটি কোনো ক্ষয়ক্ষতি করেনি এবং দ্রুত ইরানের নিয়ন্ত্রণে ফিরে আসে, তবুও কাতারের আকাশসীমা লঙ্ঘন একটি গুরুতর কূটনৈতিক ইস্যু হয়ে দাঁড়ায়।   প্রেসিডেন্টের দুঃখ প্রকাশ ঘটনার পরদিন ইরানের প্রেসিডেন্ট একটি ফোনালাপে কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রেসিডেন্ট বলেন: “ঘটনাটি সম্পূর্ণরূপে অনিচ্ছাকৃত ও প্রযুক্তিগত বিভ্রাটের কারণে ঘটেছে। ইরান কাতারের সার্বভৌমত্বকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানায় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি।”   কাতারের প্রতিক্রিয়া কাতার ইরানের দুঃখ প্রকাশ গ্রহণ করলেও তারা ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়— “আমাদের আকাশসীমা লঙ্ঘন একটি গুরুতর বিষয়। যদিও বিষয়টি বন্ধুত্বপূর্ণ উপায়ে সমাধান হয়েছে, তবে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি বজায় রাখতে সকল পক্ষকে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।”   এর রাজনৈতিক তাৎপর্য   এই ঘটনাটি ছোট মনে হলেও এর কূটনৈতিক প্রভাব গভীর। এর মাধ্যমে বোঝা যায়:   ইরান এখন কূটনৈতিকভাবে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা নিতে চাচ্ছে, বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। কাতার তার আঞ্চলিক গুরুত্ব আরও একবার প্রমাণ করেছে—একটি ছোট দেশ হয়েও তারা তাদের সার্বভৌমত্বে আপসহীন। এটি মধ্যপ্রাচ্যের বড় দেশগুলোর মধ্যে বিদ্যমান অবিশ্বাসকেও সামনে এনেছে, যেখানে যেকোনো ছোট ঘটনা বড় উত্তেজনায় রূপ নিতে পারে।   উপসংহার   ইরানের প্রেসিডেন্টের কাতারের আমিরের কাছে দুঃখ প্রকাশ নিছক একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়। এটি একদিকে যেমন ইরানের কূটনৈতিক পরিপক্বতার ইঙ্গিত দেয়, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে পরিবর্তিত রাজনৈতিক সমীকরণও তুলে ধরে। ভবিষ্যতে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এমন দায়িত্বশীল আচরণ আরও প্রয়োজন।

হোসেন মাঝি জুন ২৫, ২০২৫ 0
ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ

ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধ কি সত্যিই শেষ—কে কী পেল?

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

রাজনীতি

আরও দেখুন
প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে চেয়ার দখল, কারাগারে জামায়াত নেতা

সাতক্ষীরার সদর উপজেলার বল্লী মো. মুজিবুর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে লাঞ্ছিত ও তাঁর চেয়ার দখলের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সহকারী শিক্ষক ও ইউনিয়ন জামায়াতের এক নেতাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নজরুল ইসলাম আসামি একেএম আজহারুজ্জামান মুকুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তিনি বল্লী ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি এবং ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। মামলার বাদী বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. জামিলুজ্জামান। তিনি ২০২৪ সালের ১৯ নভেম্বর সাতক্ষীরার আমলি আদালত-১ এ মামলা দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি তদন্ত করে সিআইডি। তদন্ত শেষে ২০২৫ সালের ১০ নভেম্বর একেএম আজহারুজ্জামান মুকুলসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। মামলার এজাহার অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে অভিযুক্তরা ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিত করে কক্ষ থেকে বের করে দেন এবং তাঁর চেয়ার দখল করেন। ঘটনাটির দুটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল মুজিদ জানান, সিআইডির তদন্তেও ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এদিকে, একই মামলায় এর আগে অভিযুক্ত মহব্বত খাঁ ও আজমল হোসেনকে কারাগারে পাঠানো হলেও পরে তারা জামিনে মুক্তি পান। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে।  

সাতক্ষীরা মার্চ ৫, ২০২৬ 0

বগুড়া-৬ এ তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া আসনে বিএনপির প্রার্থী রেজাউল বাদশা

ছবি: প্রতিনিধি

মিথ্যা চাঁদাবাজীর অভিযোগের প্রতিবাদে বিএনপি নেতার সংবাদ সম্মেলন

হঠাৎ অসুস্থ জামায়াত আমির

আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের বিষয় খতিয়ে দেখা হবে: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী আওয়ামী লীগের নতুন অফিস খোলার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।  নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “আমরা চাইনি। যেহেতু আইনগতভাবে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তাই সব ক্ষেত্রে আইনগতভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।” ফখরুল বলেন, নয়াপল্টন কার্যালয় বিএনপির আন্দোলন ও কর্মসূচির কেন্দ্রবিন্দু ছিল এবং এর মাধ্যমে জনগণকে অনুপ্রাণিত করা হতো।  স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কেও তিনি জানান, সরকারি নিয়ম মেনে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সঠিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হবে দলীয় সংযুক্তি ও জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২৬ 0

হাসনাতের পর নাসীরুদ্দীনের পোস্টেও সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়

হাসনাত আবদুল্লাহ

হাসনাত আবদুল্লাহর দুই শব্দের পোস্টে মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড়

মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম ‘সমঝোতার’ কথা বলে চাঁদাবাজিকে বৈধ করছে: জামায়াতে ইসলামী

শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরকে ঘিরে ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’ স্লোগান

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ভাষা শহীদদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী–এর আমির ডা. শফিকুর রহমান। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা ২২ মিনিটে তিনি বেদিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এটি শহীদ মিনারে তাঁর প্রথম আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টি–এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, দলের সদস্যসচিব আখতার হোসেনসহ ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারা। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে একদল যুবক ‘রাজাকার’ ও ‘একাত্তরের দালাল’–বিরোধী স্লোগান দেন। পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় জামায়াত সমর্থকরাও স্লোগান দিলে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, উভয় পক্ষের স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিবেশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন এবং নিরাপত্তা বলয় জোরদার করেন। পরে বিরোধীদলীয় নেতা ও জোটের অন্যান্য সদস্যরা নিরাপদে শহীদ মিনার এলাকা ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের তথ্য পাওয়া যায়নি।

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬ 0

মেঘমল্লার বসুর আত্মহত্যার চেষ্টা!

উজিরপুরে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন

হাসনাত আবদুল্লাহ

চাঁদা নিতে আসলে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখার নির্দেশ এমপি হাসনাতের

বগুড়া–৬ আসন ছাড়লেন তারেক রহমান

সংসদীয় আইনানুগ বাধ্যবাধকতার প্রেক্ষিতে একটি আসন রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সে অনুযায়ী তিনি বগুড়া–৬ আসনটি পরিত্যাগ করে বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করেছেন। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) কমিশনে পৌঁছানো চিঠিতে তিনি ঢাকা–১৭ আসনটি সংরক্ষণের কথা জানান। কমিশন সূত্র জানায়, আইন অনুযায়ী একাধিক আসনে নির্বাচিত হলেও সংসদ সদস্য হিসেবে কেবল একটি আসন গ্রহণ করা যায়; অবশিষ্ট আসন শূন্য ঘোষণা করে সেখানে উপনির্বাচনের আয়োজন করা হবে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬ 0
আফরোজা রিতা

মন্ত্রীসভায় কি থাকবেন আফরোজা রিতা?

এনসিপি যমুনায় আজ সন্ধ্যায় জুলাই সনদে স্বাক্ষর করবে

সন্ধ্যায় চরমোনাই পীরের বাসায় যাবেন তারেক রহমান