শিরোনাম
‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ’, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ’, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ দেশে আর রাজনীতি করতে পারবে না। তিনি দাবি করেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত চলমান ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে। শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে।”

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সে সময় তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত করে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তি ঘটানো সম্ভব হয়েছিল।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির প্রত্যাশা অনেক। অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে অবস্থান করে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করে। চেতনা বিক্রি ভালো নয়। যারা চেতনা নিয়ে ব্যবসা করবে, দেশের মানুষ তাদের পরিণতিও দেখবে।”

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার’ ও ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আহত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ’, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
‘আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ’, দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ দেশে আর রাজনীতি করতে পারবে না। তিনি দাবি করেন, দলটির রাজনৈতিক অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে এবং শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত চলমান ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ দেশে আর কোনোদিন রাজনীতি করতে পারবে না। আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে। শিগগিরই দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার শুরু হবে।”

জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, সে সময় তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দলকে সংগঠিত করে অরাজনৈতিক পরিচয়ে আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তি ঘটানো সম্ভব হয়েছিল।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণে জাতির প্রত্যাশা অনেক। অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় সবাইকে ধৈর্য ধরতে হবে। সরকার পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করছে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের পলাতক নেতাকর্মীরা বিদেশে অবস্থান করে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।

তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের চেতনা নিয়ে কেউ যেন ব্যবসা না করে। চেতনা বিক্রি ভালো নয়। যারা চেতনা নিয়ে ব্যবসা করবে, দেশের মানুষ তাদের পরিণতিও দেখবে।”

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার’ ও ‘আমরা জুলাইযোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় কমিটির আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আহত জুলাইযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন, আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

আওয়ামী লীগের যেকোনো তৎপরতা রুখতে মাঠে থাকবে এনসিপি
আওয়ামী লীগের যেকোনো তৎপরতা রুখতে মাঠে থাকবে এনসিপি

কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে দলটির যেকোনো তৎপরতা মোকাবিলায় মঙ্গলবার (২৩ জুন) সারা দেশে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

সোমবার দলের দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা স্বাক্ষরিত এক জরুরি নির্দেশনায় জানানো হয়, ‘আওয়ামী ফ্যাসিস্ট কর্তৃক সংঘটিত সব গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার দাবিতে’ বিকেল ৫টায় দেশের সব জেলা শহর ও মহানগরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ কর্মসূচিতে দলের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সদস্যদেরও অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এনসিপির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য আকরাম হুসাইন বলেন, গুম, খুন ও গণহত্যার বিচার বাস্তবায়ন নিয়ে তাদের সংশয় রয়েছে। তার অভিযোগ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই মঙ্গলবারের বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে র‍্যাবের কড়া সতর্কবার্তা
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে র‍্যাবের কড়া সতর্কবার্তা

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ২৩ জুন ঘিরে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা নাশকতার চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

রোববার (২১ জুন) রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-২-এর অধিনায়ক নায়মুল হাসান বলেন, ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে কেউ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা করলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। যেকোনো মূল্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে।

তিনি জানান, এ বিষয়ে দেশের সব র‍্যাব ইউনিট ও স্টেশনে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। কেউ অস্ত্র বা অন্য কোনো উপায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য হুমকি সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্প্রতি কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে ঘিরে সম্ভাব্য তৎপরতার প্রেক্ষাপটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সারা দেশে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং গোপন মিছিল বা নাশকতার যেকোনো চেষ্টা প্রতিরোধে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ

বরিশালের গৌরনদীতে ভুরঘাটা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি রাজনৈতিক সংগঠনের ব্যানারে ঝটিকা বিক্ষোভ মিছিলের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১ মে) ভোরে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কের ওই এলাকায় এ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী ব্যানারসহ ভুরঘাটা ব্রিজ এলাকা থেকে মিছিল শুরু করে বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলে সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের ছবি সংবলিত ব্যানারও দেখা যায়। অংশগ্রহণকারীরা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পুলিশ হত্যার বিচারের দাবিতে স্লোগান দেন।

ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের দাবি, মিছিলে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের স্থানীয় বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ভিডিও সূত্রে আরও জানা যায়, উপজেলা পর্যায়ের এক ইউপি সদস্য ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে এ মিছিল সংগঠিত হয়। তবে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ভোরেও একই দাবিতে একই এলাকায় অনুরূপ একটি মিছিল অনুষ্ঠিত হয় বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে মিছিলকারীরা দ্রুত সরে যায়। তিনি জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।