অনলাইন ডেস্ক
বর্ষায় পানিবাহিত রোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ। এছাড়া বর্ষায় মশা এবং রোগবাহী পোকামাকড়ের বিস্তার বেড়ে যাওয়ার ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এসব থেকে বাঁচতে একটু বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সাতটি টিপস মেনে চললে খুব সহজেই বর্ষায় শারীরিক সুস্থতা ধরে রাখা সম্ভব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান
বর্ষা মৌসুমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন খাবার বেশি গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবুজ শাক-সবজি, আদা, রসুন, হলুদ খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন
বর্ষায় সুস্থ থাকতে নিজের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পূর্বশর্ত। নিয়মিত হাত ধুতে হবে, যার মাধ্যমে জীবাণু দূর করে ঠাণ্ডা-কফ জাতীয় সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
বিশুদ্ধ পানি পান করুন
বর্ষাকালে শরীরে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ দূষিত পানি। এমন পানি গ্রহণের ফলে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডের মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ে। তাই বর্ষায় বিশুদ্ধ পানি পানের ক্ষেত্রে সচেতনতা প্রয়োজন।
স্ট্রিট ফুড এড়িয়ে চলুন
বর্ষায় খাবারের ব্যাপারে একটু বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। বাসায় তৈরি খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে, এড়িয়ে চলতে হবে স্ট্রিট ফুড।
মশক নিধনে ব্যবস্থা নিন
বর্ষা মৌসুমে মশার কারণে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়ার মতো রোগবালাই ছড়ায়। তাই মশার স্প্রে, ক্রিম এবং মশারি ব্যবহার করতে হবে।
পোশাকের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে
বর্ষাকালে সুস্থ থাকতে যথাযথ পোশাক পরিধান করতে হবে। ফুলহাতা শার্ট এবং পা পুরোপুরি ঢেকে রাখে এমন প্যান্ট পরিধান করলে সংক্রমণের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে
বর্ষায় নিজের ঘরদোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির কোথাও যেন পানি না জমে, কারণ সেখান থেকেই ডেঙ্গু ছড়িয়ে দেওয়া এডিস মশার জন্ম হতে পারে। এছাড়া চারপাশ পরিষ্কার রাখলে জীবাণুর উপস্থিতি কিছুটা হলেও কমবে।
বর্ষায় পানিবাহিত রোগের সংখ্যা বেড়ে যায়। দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ। এছাড়া বর্ষায় মশা এবং রোগবাহী পোকামাকড়ের বিস্তার বেড়ে যাওয়ার ফলে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, টাইফয়েডের মতো রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এসব থেকে বাঁচতে একটু বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সাতটি টিপস মেনে চললে খুব সহজেই বর্ষায় শারীরিক সুস্থতা ধরে রাখা সম্ভব।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান
বর্ষা মৌসুমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এমন খাবার বেশি গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ফল, সবুজ শাক-সবজি, আদা, রসুন, হলুদ খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকুন
বর্ষায় সুস্থ থাকতে নিজের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পূর্বশর্ত। নিয়মিত হাত ধুতে হবে, যার মাধ্যমে জীবাণু দূর করে ঠাণ্ডা-কফ জাতীয় সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা যায়।
বিশুদ্ধ পানি পান করুন
বর্ষাকালে শরীরে নানাবিধ রোগ বাসা বাঁধার পেছনে অন্যতম প্রধান কারণ দূষিত পানি। এমন পানি গ্রহণের ফলে ডায়রিয়া, কলেরা, টাইফয়েডের মতো রোগ ছড়িয়ে পড়ে। তাই বর্ষায় বিশুদ্ধ পানি পানের ক্ষেত্রে সচেতনতা প্রয়োজন।
স্ট্রিট ফুড এড়িয়ে চলুন
বর্ষায় খাবারের ব্যাপারে একটু বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। বাসায় তৈরি খাবারকে প্রাধান্য দিতে হবে, এড়িয়ে চলতে হবে স্ট্রিট ফুড।
মশক নিধনে ব্যবস্থা নিন
বর্ষা মৌসুমে মশার কারণে ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়ার মতো রোগবালাই ছড়ায়। তাই মশার স্প্রে, ক্রিম এবং মশারি ব্যবহার করতে হবে।
পোশাকের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে
বর্ষাকালে সুস্থ থাকতে যথাযথ পোশাক পরিধান করতে হবে। ফুলহাতা শার্ট এবং পা পুরোপুরি ঢেকে রাখে এমন প্যান্ট পরিধান করলে সংক্রমণের সম্ভাবনা হ্রাস পায়।
চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে
বর্ষায় নিজের ঘরদোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে বাড়ির কোথাও যেন পানি না জমে, কারণ সেখান থেকেই ডেঙ্গু ছড়িয়ে দেওয়া এডিস মশার জন্ম হতে পারে। এছাড়া চারপাশ পরিষ্কার রাখলে জীবাণুর উপস্থিতি কিছুটা হলেও কমবে।
জাম্বুরা একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল, যা দেশের প্রায় সব স্থানেই পাওয়া যায়। এটি ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস। সাধারণত এটি বিভিন্ন মসলা দিয়ে চাটনি করে অথবা এমনিতেই খাওয়া হয়। তবে যেকোনো খাবারের মতোই জাম্বুরার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যা সবার জন্য উপয
৫ দিন আগেভালো ফল পেতে প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিনই ব্যবহার করুন। দ্বিতীয় সপ্তাহে ৩-৪ বার। তৃতীয় সপ্তাহে ২-৩ বার। এভাবে পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে ২ দিন করে ব্যবহার করুন। ১ ঘণ্টা তেল লাগিয়ে এরপর ধুয়ে ফেলুন। এই এক ঘণ্টার মধ্যে সম্ভব হলে দুবার মালিশ করুন
৬ দিন আগেতখন তো ফেসবুক ছিলো না। লেখা ভাইরাল কিনা সেটা বোঝারও উপায় ছিলো না। কিন্তু মিরপুর থেকে যখন কারওয়ানবাজারগামী বাসে উঠতাম, তখন দেখতাম, বাসের লোকজন প্রথম আলো পত্রিকা খুলে ঠিক আমার লেখাটাই পড়ছে। তাদের চোখেমুখে আনন্দের আভা।
৬ দিন আগেসবজি হোক বা বাটা মসলা সব কিছু সংরক্ষণের কিছু নিয়ম আছে। নিয়ম না মেনে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে তা রাখলে ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটতে পারে
১২ দিন আগেজাম্বুরা একটি জনপ্রিয় এবং পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল, যা দেশের প্রায় সব স্থানেই পাওয়া যায়। এটি ভিটামিন সি, ফাইবার এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস। সাধারণত এটি বিভিন্ন মসলা দিয়ে চাটনি করে অথবা এমনিতেই খাওয়া হয়। তবে যেকোনো খাবারের মতোই জাম্বুরার কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে, যা সবার জন্য উপয
ভালো ফল পেতে প্রথম সপ্তাহে প্রতিদিনই ব্যবহার করুন। দ্বিতীয় সপ্তাহে ৩-৪ বার। তৃতীয় সপ্তাহে ২-৩ বার। এভাবে পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে ২ দিন করে ব্যবহার করুন। ১ ঘণ্টা তেল লাগিয়ে এরপর ধুয়ে ফেলুন। এই এক ঘণ্টার মধ্যে সম্ভব হলে দুবার মালিশ করুন
তখন তো ফেসবুক ছিলো না। লেখা ভাইরাল কিনা সেটা বোঝারও উপায় ছিলো না। কিন্তু মিরপুর থেকে যখন কারওয়ানবাজারগামী বাসে উঠতাম, তখন দেখতাম, বাসের লোকজন প্রথম আলো পত্রিকা খুলে ঠিক আমার লেখাটাই পড়ছে। তাদের চোখেমুখে আনন্দের আভা।
সবজি হোক বা বাটা মসলা সব কিছু সংরক্ষণের কিছু নিয়ম আছে। নিয়ম না মেনে দীর্ঘ দিন পর্যন্ত ফ্রিজে তা রাখলে ছত্রাকের সংক্রমণ ঘটতে পারে