৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে ঘরে তুলে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ

৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে ঘরে তুলে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় এক ৭ম শ্রেণীর স্কুলছাত্রীকে (১৪) জোরপূর্বক ঘরে তুলে নিয়ে ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর পিতা মোঃ বাবলু বাদী হয়ে আজ (৫জুন) সরিষাবাড়ী থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি কুমারপাড়া গ্রামের মৃত নজরুলের ছেলে মোঃ ইব্রাহিম (৩৫) ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে।
থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ ও মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ঘটনার শিকার ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে সপ্তম শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। বিবাদী মোঃ ইব্রাহিম বিবাহিত এবং দুই সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী ছাত্রীকে তার ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে নানাভাবে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল।লোকলজ্জার ভয়ে ওই ছাত্রী বিষয়টি প্রথমে তার পরিবারকে জানায়নি।

গতকাল (৪জুন)  বিকেল আনুমানিক ৪:০০ ঘটিকায় ওই ছাত্রী বিবাদী ইব্রাহিমের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময়, বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ইব্রাহিম তাকে জোরপূর্বক টেনে-হেঁচড়ে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। সেখানে মেয়েটিকে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধ/র্ষ/ণ করে।
পরবর্তীতে মেয়েটিকে বাড়িতে না পেয়ে তার আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীর ফুফুসহ কতিপয় লোকজন ইব্রাহিমের ঘরে তল্লাশি চালিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করেন।উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত ইব্রাহিম কৌশলে ঘর থেকে পালিয়ে যায়। পরে ভুক্তভোগী ছাত্রী তার পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করে।
সরিষাবাড়ী থানা পুলিশ আজ ৫ জুন সকাল ১০:২৫ মিনিটে অভিযোগটি গ্রহণ করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন মামলা রুজু করেন।

এই বিষয়ে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার্স ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল হোসেন জানায়,অভিযোগ পাওয়ার পরপরই মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর