ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেছেন, সীমান্তে ভারতের ‘পুশইন’ কার্যক্রম আন্তর্জাতিক আইন ও মানবতার পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পঞ্চগড় জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠান শেষে জেলা কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চরমোনাই পীর বলেন, সীমান্তে যেভাবে মানুষকে জোরপূর্বক ঠেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটছে, তা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। মানুষের জীবনকে অমানবিক পরিস্থিতির মুখে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তিনি সীমান্তে দায়িত্ব পালনকারী -এর ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করছে। এ জন্য ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তিনি বিজিবিকে ধন্যবাদ জানান।
ভারতের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইনবহির্ভূত এ ধরনের আচরণ থেকে সরে এসে আলোচনা ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা উচিত। প্রয়োজনে -এর মতো আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মেও বিষয়টি উত্থাপন করা যেতে পারে।
বাজেট প্রসঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের আমির বলেন, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা ছাড়া কোনো বাজেট জনগণের প্রকৃত কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। দেশের প্রতিটি মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কর ও ভ্যাট প্রদান করে। তাই জনগণের অর্থ কোন খাতে এবং কীভাবে ব্যয় হচ্ছে, সে বিষয়ে জাতির সামনে স্পষ্ট জবাবদিহি থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বাজেটের সুফল তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে। সরকার যদি স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে, তাহলে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত হবে।