সম্ভাব্য পুশইনের আশঙ্কায় মাইকে সতর্কবার্তা প্রচারের পর লাঠি, ফলা ও দেশীয় সরঞ্জাম নিয়ে সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নিতে দেখা গেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। সোমবার (৮ জুন) দিবাগত রাতে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার পাররামপুর ইউনিয়নের উত্তর রহিমপুরসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি এলাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উত্তর রহিমপুর গ্রামের বিপরীতে সীমান্তের ১০৮০ নম্বর পিলার এলাকায় কয়েকটি ভারতীয় গাড়ি ও বিএসএফ সদস্যদের উপস্থিতি নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে মাইকিংয়ের মাধ্যমে সতর্কবার্তা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা রাতভর সীমান্ত এলাকায় জড়ো হয়ে পরিস্থিতির ওপর নজরদারি করেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতে বিজিবির পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদেরও সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মাইকে খবর শুনে আমরা সীমান্তে এসেছি। দেশের নিরাপত্তার প্রশ্নে বিজিবির পাশে থেকে সতর্ক অবস্থানে রয়েছি।”
এদিকে সম্ভাব্য অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশইন, মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তে বিশেষ নজরদারি ও টহল জোরদার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। দেওয়ানগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত টহল পরিচালনা করা হচ্ছে।
জামালপুর-৩৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, “সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে উদ্বেগজনক কোনো পরিস্থিতি নেই। তবে যেকোনো ধরনের অবৈধ অনুপ্রবেশ বা পুশইনের চেষ্টা প্রতিরোধে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।”