খুলনা প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালেও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনের এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, “ক্ষমতার অহংকার ও কর্তৃত্ববাদ শেষ পর্যন্ত শাসকের অপমানজনক পরিণতি ডেকে আনে। গণতান্ত্রিক উদারতা একজন নেতাকে ইতিহাসে সম্মানের আসনে বসায়। বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও রাজনীতি তার প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, শাসনামলে খালেদা জিয়া ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল ছিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সন্ত্রাস দমনসহ দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। শোকসভায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সভা শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে, পরিচালনা করেন এমইউজে খুলনার সহ-সভাপতি মো. নূরুজ্জামান।
খুলনা প্রেসক্লাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালেও মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের আয়োজনের এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। অধ্যাপক পরওয়ার বলেন, “ক্ষমতার অহংকার ও কর্তৃত্ববাদ শেষ পর্যন্ত শাসকের অপমানজনক পরিণতি ডেকে আনে। গণতান্ত্রিক উদারতা একজন নেতাকে ইতিহাসে সম্মানের আসনে বসায়। বেগম খালেদা জিয়ার জীবন ও রাজনীতি তার প্রমাণ।” তিনি আরও বলেন, শাসনামলে খালেদা জিয়া ভিন্নমতের প্রতি সহনশীল ছিলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও সন্ত্রাস দমনসহ দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন। শোকসভায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, এনসিপি ও বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়। সভা শুরু হয় কুরআন তেলাওয়াত ও দোয়া-মোনাজাতের মাধ্যমে, পরিচালনা করেন এমইউজে খুলনার সহ-সভাপতি মো. নূরুজ্জামান।