সিলেট ও আশপাশের এলাকায় সোমবার ভোরে পরপর দুটি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রথম ভূমিকম্পটি ঘটেছে ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে, যার মাত্রা ছিল ৫.২। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প ঘটেছে ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে, যার মাত্রা ৫.৪। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, উভয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের গোয়াহাটির কাছে মরিগাও এলাকায় ছিল এবং উভয়ই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। তিনি সতর্ক করেছেন, ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে মধ্যম মানের হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আফটারশক অর্থাৎ পরবর্তী ছোট মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা জরুরি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি এলাকায় নিরাপদ স্থানে অবস্থান রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
পৌষের কনকনে শীত ও সবুজ প্রকৃতির টানে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকের ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে চায়ের রাজ্য খ্যাত এই জেলায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাত, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান ও শমশেরনগর গলফ মাঠসহ বিভিন্ন স্পটে প্রতিদিনই পর্যটকের আনাগোনা রয়েছে। দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও ভ্রমণে আসছেন। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের টিকিট কাউন্টার সূত্র জানায়, গত দুই সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার পর্যটক উদ্যানে প্রবেশ করেছেন। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের বিশেষ টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, শীত মৌসুমে হোটেল, রিসোর্ট ও পরিবহনসহ পর্যটনভিত্তিক ব্যবসা ভালো যাচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। টুরিস্ট পুলিশের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান চৌধুরী জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সব পর্যটন কেন্দ্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
সিলেট ও আশপাশের এলাকায় সোমবার ভোরে পরপর দুটি মধ্যম মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। প্রথম ভূমিকম্পটি ঘটেছে ভোর ৪টা ৪৭ মিনিট ৩৯ সেকেন্ডে, যার মাত্রা ছিল ৫.২। মাত্র ৩০ সেকেন্ডের ব্যবধানে দ্বিতীয় ভূমিকম্প ঘটেছে ৪টা ৪৭ মিনিট ৫২ সেকেন্ডে, যার মাত্রা ৫.৪। কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, উভয় ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ভারতের আসাম রাজ্যের গোয়াহাটির কাছে মরিগাও এলাকায় ছিল এবং উভয়ই ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। তিনি সতর্ক করেছেন, ৫.৪ মাত্রার ভূমিকম্পকে মধ্যম মানের হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার ফলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় আফটারশক অর্থাৎ পরবর্তী ছোট মাত্রার ভূমিকম্পের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা জরুরি সতর্কতা অবলম্বনের পাশাপাশি এলাকায় নিরাপদ স্থানে অবস্থান রাখার পরামর্শ দিয়েছেন।
পৌষের কনকনে শীত ও সবুজ প্রকৃতির টানে মৌলভীবাজারের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে বেড়েছে দর্শনার্থীর সংখ্যা। গত দুই সপ্তাহ ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকের ভিড়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে চায়ের রাজ্য খ্যাত এই জেলায়। সরেজমিনে দেখা গেছে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাত, বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ, শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান ও শমশেরনগর গলফ মাঠসহ বিভিন্ন স্পটে প্রতিদিনই পর্যটকের আনাগোনা রয়েছে। দেশীয় পর্যটকের পাশাপাশি বিদেশি পর্যটকরাও ভ্রমণে আসছেন। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের টিকিট কাউন্টার সূত্র জানায়, গত দুই সপ্তাহে প্রায় ১০ হাজার পর্যটক উদ্যানে প্রবেশ করেছেন। জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকতে পারে। পর্যটকদের নিরাপত্তায় টুরিস্ট পুলিশ ও জেলা পুলিশের বিশেষ টহল ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, শীত মৌসুমে হোটেল, রিসোর্ট ও পরিবহনসহ পর্যটনভিত্তিক ব্যবসা ভালো যাচ্ছে, যা স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। টুরিস্ট পুলিশের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ জোনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুল হাসান চৌধুরী জানান, পর্যটকদের নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন ভ্রমণ নিশ্চিত করতে সব পর্যটন কেন্দ্রে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।