খেলা

বিদেশে খেলা প্রতিভা দেশে তোলা BFF–র চেষ্টায় — প্রবাসী ফুটবলারদের ‘ট্রায়াল’ ডাকা হলো

Hamza Choudhury–র (লেস্টার সিটি) বাংলাদেশে খেলার ঘোষণা BFF–এর জন্য প্ররোচনা হিসেবে কাজ করেছে। স্পীডস্টার ফুটবলার হিসেবে তার অভিষেকের পর, BFF একাধিক প্রবাসী ট্যালেন্ট খুঁজে বের করে বাংলাদেশ দলে নেওয়ার পরিকল্পনা শুরু করেছে। 🔹 বিদেশি মূল–বিশ্বে পরিচিত কিছু নাম শামীট সোম (Shamit Som/Shamit Shome): কানাডায় থাকা ২৭ বছর বয়সী মিডফিল্ডার, কানাডার জাতীয় দলেরও অংশ ছিলেন। BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানিয়েছেন, তৈরি হয়েছে দুই সপ্তাহের সময়, যাতে তিনি ক্লাব ও কোচদের সঙ্গে আলোচনা করে বাংলাদেশে খেলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন । এর পাশাপাশি, ফাহামিদুল ইসলাম (ইতালির চতুর্থ বিভাগ), ফারহান মাহমুদ (ফ্রান্স), ক্যারিম হাসান স্মিথ, ইলমান মাতিন, ও আশিকুর রহমান (ইংল্যান্ড), নাবিদ আহমেদ (কানাডা), আমির সামি (যুক্তরাষ্ট্র) সহ ১৩ দেশের ৩২ জন বিদেশি খেলোয়াড় BFF–র নজরে এসেছে । 🔹 ট্রায়াল ও পরিকল্পনা BFF ছয় থেকে সাত দিনব্যাপী ১–৫ জুন ২০২৫ ট্রায়ালের আয়োজন করেছে ঢাকায়, যেখানে প্রবাসী ১৬–২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স যাচাই করা হবে । BFF–র ভাইস প্রেসিডেন্ট ফাহাদ করিম জানান, এটি দীর্ঘমেয়াদে বিদেশি–বাংলাদেশি যোগ উইঙ্গার বা মিডফিল্ডার হিসেবে সম্ভাবনাময় জুড়ির একটি চেষ্টার অংশ en.wikipedia.org। 🔹 Hamza Choudhury–এর ভূমিকা ও প্রভাব Hamza–র বাংলাদেশ দলে অন্তর্ভুক্তির পরে BFF–র উদ্যোগ আরো জোরালো হয়েছে। তিনি অক্টোবর ২০২৪–এ FIFA অনুমোদনের মাধ্যমে বাংলাদেশ দলের জন্য যোগ্যতা পান tds-images.thedailystar.net+3dhakatribune.com+3thedailystar.net+3। BFF–র প্রেসিডেন্ট তাবিথ আওয়াল ও নির্বাহী সদস্য ইমতিয়াজ হামিদ সভুজ–এর সাথে UK’র King Power স্টেডিয়ামে দেখা করেন; এসময় Hamza–র সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক তৈরি করা হয় — যা BFF–র বিদেশি খেলোয়াড়দের প্রলোভনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে । BFF মূলত চায়, Hamza কেবল মাঠেই নয়,Pro-ফর্ম ও আন্তর্জাতিক মানে গাইড হিসেবে কাজ করুক এবং তাকে অনুসরণ করে অন্য প্রতিভাবান খেলোয়াড়রা বাংলাদেশ দলে আসুক reddit.com+14jagonews24.com+14dhakatribune.com+14। 🔹 ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা সচরাচর বিদেশি জাতীয় দল ইতিবাচক ভাবে একাধিক ম্যাচের জটিলতা সামলে প্রবাসীদের গ্রহণে সময় নেয়, তবে BFF–র পরিকল্পনায় প্রথম ফোকাস থাকবে বিদেশে জন্ম বা প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত যুববলদের, যেন তারা দ্রুত জাতীয় দলের সঙ্গে তাল মিলাতে পারে । সামিট সোম–এর জিপিএস–ম্যাপ হওয়া, স্কুলছাত্রদের টুর্নামেন্ট থেকে উঠে আসা andere তরুণদের ধরে বাংলাদেশের শিবিরে যোগ দিতে ইচ্ছুক— জুজের পথ প্রশস্ত হতে পারে আগামী মাসগুলোতে। সংক্ষেপে বিষয় পরিস্থিতি প্রবাসী খেলোয়াড়দের সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৩২ জন (১৩ দেশ) প্রধান উদাহরণ Hamza Choudhury, Shamit Shome ট্রায়াল সময় জুন ২০২৫ গতিগতি Hamza–র অভিষেক ও FIFA অনুমোদনের পর BFF–র আরো সক্রিয় পদক্ষেপ লক্ষ্য বিদেশি-প্রমাণ পয়েন্টে প্রয়োগযোগ্য ফুটবলারদের সন্ধান ও সংযোজন বিশ্লেষণ খেলোয়াড় sourced from Europe/N. America–এর সংখ্যা বাড়ছে—এটা বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য স্বপ্নের সম্ভাবনা। Hamza Choudhury–র অভিজ্ঞতা মাইলফলক হিসেবে কাজ করছে। BFF–র লক্ষ্য, এই প্রবাসীদের inclusion–এর মাধ্যমে জাতীয় দলে গুণগত মান ও প্রতিযোগিতা বাড়ানো—এতে SAFF, AFC, ও বিশ্বমানের প্রতিযোগিতায় দলটি শক্তিশালী দাঁড়াতে পারবে। তবে এই পরিকল্পনা সফল করতে হলে BFF–কে পারমিট, ক্লাব-নমঞ্জুরি, এবং FIFA–এর clearance ত্বরান্বিত করতে হবে। পাশাপাশি ম্যাচফিটনেস ও জাতীয় আদর্শে খেলোয়াড়দের অভ্যস্ত করতে হবে। প্রবাসী প্রজন্মের সুশৃঙ্খল তালিকাভুক্তকরণ প্রতিযোগিতামূলক মান উন্নত করবে। Shamit Shome–এর মতো অভিজ্ঞ ও তরুণ মুখগুলোর দ্রুত বাংলাদেশ দলে সংযোজন সম্ভাব্য হলে, ভবিষ্যতে প্রবল প্রভাব বিস্তার করতে ব্যর্থ হবে না।

Admin ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0
আগস্টেই আংশিক Camp Nou-তে ঘরোয়া ম্যাচের প্রস্তুতি

ফেসব্যাক্সট্ম Camp Nou রেনোভেশন প্রকল্প ২০২৩ সালের জুনে শুরু হয়ে দীর্ঘ বিলম্বের পর, অবশেষে গ্যাম্পার ট্রফির মাধ্যমে ১০ আগস্ট ২০২৫ সালে ‘আংশিক’ কার্যক্রমে ফিরছে বার্সেলোনা। এই সময় পর্যন্ত ক্লাব ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে মিল রেখেও রয়েছে ফিনান্সিয়াল ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জ, যা প্রকল্পকে ধাপে এগিয়ে দিয়েছে। সময়সূচির পরিবর্তন ও প্রগতির সারাংশ বার্সেলোনা থেকে ২০২৩–২০২৬ সময়ের ‘Espai Barça’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে Camp Nou পুনর্নির্মাণ শুরু হয় ২০২৩ সালের জুনে, যা শুরুতে ডিসেম্বরে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু তা পিছিয়ে সেপ্টেম্বর ২০২৫–এ সরাসরি এবং ২০২৬–এর গ্রীষ্মে সম্পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে reuters.com+15padmagazine.co.uk+15fcbarcelonanoticias.com+15thisismoney.co.uk+3eurofootball.news+3reddit.com+3 । মাঠে বায়ো-হাইব্রিড ঘাস বসানো শুরু হয়েছে এপ্রিল ২০২৫–এ, যা মূল যাত্রার সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে । ১ম ও ২য় স্তরে প্রায় ৩৯,০০০ সিট বসানো সম্পন্ন, ৩য় শ্রেণির ভিত্তিক নির্মাণ চলছে ও VIP রিং‑এর কাঠামো তৈরি দ্রুতগতি পেয়েছে । আর্থিক পুনর্গঠন ও ঋণের অধঃবিন্যাস রেনোভেশনের জন্য €১.৪৫–€১.৫ বিলিয়ন ঋণ নেওয়া হয়েছিল। তার মধ্যে €৪২৪ মিলিয়ন বর্তমানে বন্ড ইস্যু করে, ২০২৮ থেকে ২০৩৩-৫০ পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়ে পরিশোধ পরিকল্পনা করা হয়েছে । এই ধরণের আর্থিক পদক্ষেপ ক্লাবের বার্ষিক রাজস্ব বাড়াতে সাহায্য করবে, বিশেষ করে স্পন্সরশিপ ও টিকিট বিক্রয়ের মাধ্যমে €২০০–€৩৫০ মিলিয়ন সম্ভাব্যভাবে অর্জনের হিসেব আছে । প্রশাসনিক বাধা ও অনুমোদন প্রক্রিয়া গ্যাম্পার ট্রফির আগে সিটি কাউন্সিল, ফায়ার সার্ভিস, মসোস দ’Esquadra ও UEFA-র সাথে বেশ কিছু পারমিট নিতে হবে as.com । বার্সেলোনা পাত্তা দিচ্ছে নেই, এবং আশা করছে জুলাই মাসে আংশিকভাবে লাইসেন্স পেয়ে যাবে । তবে, VIP সেকশন, পঞ্চম তলা, ছাদ অর্থাৎ “roof” ইনস্টলেশন ২০২৬ গ্রীষ্মে সমাপ্ত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে । ⚽ গ্যাম্পার ট্রফি ও স্বাগতম চান্স ১০ আগস্ট Trofeu Joan Gamper আংশিকভাবে নতুন Camp Nou-তে আয়োজনের পরিকল্পনা, যেখানে আনুমানিক ৫০,০০০–৬০,০০০ দর্শক অংশ নিতে পারে cincodias.elpais.com+13as.com+13elpais.com+13 । ছাদ ছাড়া, লিফ্ট, গ্যালারি, ভিআইপি এলাকা ও বাথরুমে কিছু কাজ অসম্পূর্ণ থাকবে — ক্লাব এটি “ট্রায়াল ফেজ” হিসেবে দেখছে, এবং ভক্তদের ধৈর্য কামনা করেছে । সারসংক্ষেপ উপাদান অবস্থা উল্লেখযোগ্য তারিখ মাঠ ও সিট ঘাস বসানো–সিটিং প্রায় সম্পন্ন এপ্রিল–মে ২০২৫ VIP/তৃতীয় শ্রেণি কাঠামো তৈরি প্রক্রিয়াধীন চলমান ছাদ বিলম্বিত, ২০২৬ গ্রীষ্মে সম্ভাব্য — পারমিট অপেক্ষমাণ, জুলাইয়ে মিলতে পারে — আংশিক খোলা গ্যাম্পার ট্রফি: ১০ আগস্ট ২০২৫ ১০ আগস্ট ২০২৫ পূর্ণ উদ্বোধন ২০২৬ গ্রীষ্মের দিকে — ঋণ পুনর্গঠন €৪২৪ মিলিয়ন বন্ড, ২০৩৩–৫০ পর্যন্ত সময়সীমা জুন ২০২৫ Spotify Camp Nou ইউরোপের বৃহত্তম স্টেডিয়াম হিসেবে নতুন করে আত্মপ্রকাশের পথে; তবে নির্মাণ বিলম্ব এবং পারমিট-সংক্রান্ত বাধাগুলি টেকনিক্যাল চ্যালেঞ্জের শুরু। অর্থনৈতিক পুনর্গঠন অর্থসঙ্কট সামলে রাখা হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখবে। ক্লাবের এখন মূল অগ্রাধিকার আছে — ১০ আগস্টে আংশিক রিটার্ন দিয়ে ফ্যানদের সাথে পুনঃমিলন ঘটানো। আর এটি যদি সাফল্যের সাথে সফল হয়, তাহলে পরবর্তী বছরের পূর্ণাঙ্গ ক্যাপাসিটিতে ফিরতে সহজ পথ উন্মোচিত হবে।

Admin ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0
আর্থিক সঙ্কটে ইতিহাসের গভীরে লিয়োন — প্রশাসনিকভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে

ফ্রান্সের সাতবারের চ্যাম্পিয়ন Olympique Lyonnais (OL) এক বিপদের মুখে পড়েছে — ক্রীড়া না খেলার কারণে নয়, বরং আর্থিক অস্বচ্ছতা ও ঋণ বোঝাইয়ের কারণে তাদের শাস্তি হিসেবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে নামানো হয়েছে। কী ঘটেছে? LFP-র নিয়ন্ত্রক সংস্থা DNCG ২০২৪ সালের নভেম্বরেই Lyonকে আর্থিক অস্থিতিশীলতার জন্য সতর্ক করেছিল। তারপরও ক্লাব দেড়শো মিলিয়নের বেশি নিশ্চিত তহবিল না জমিয়ে জুনে তাদের নিশ্চিতভাবে অবনমনের নির্দেশ দেন aftonbladet.se+15beinsports.com+15en.wikipedia.org+15reddit.com+1reddit.com+1reddit.com+4indiatoday.in+4indiatoday.in+4। OL-এর মালিক John Textor আর ইকোনমিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে; যদিও মেডিয়া সেলস এবং প্লেয়ার ট্রান্সফার থেকে আয় ছিল, তাও DNCG-কে মিটাতে পারল না । ক্লাব ও মালিক অভিযোগ করছে, “আমরা যথেষ্ট তহবিল জমিয়েছি, এবং ঠান্ডা মাথায় দেখি কিভাবে এটা অলিম্পিক উইথ এফেল্ট করবে”—তাই তারা আপিল জমা দিয়েছে । আর্থিক পটভূমি & ঋণের পরিমাণ DNCG রিপোর্ট অনুযায়ী, OL-এর দেড়শো মিলিয়ন ইউরোর ঋণ আছে। John Textor-এর হোল্ডিং সংস্থা Eagle Football Group-এর দায়ও প্রায় €445–422 মিলিয়ন reddit.com+15ft.com+15indiatoday.in+15। ক্যাপিটাল ইনজেকশনের অধীনে Crystal Palace-এর একটি স্টেক বিক্রি করার পরও Lyon তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি indiatoday.in। ক্লাবের প্রতিক্রিয়া Lyon তাদের অবনমন "বিশ্বাসঘাতক ও অযৌক্তিক" বলেছে এবং দ্রুত apel (appeal) জমা দিয়েছে । প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাবের মালিক কিছু কার্যক্রম নিয়েছেন: Crystal Palace থেকে স্টেক বিক্রি, নারী দলের বিক্রি, প্লেয়ার বিক্রয়াদি — যাতে নগদ প্রবাহ বাড়ানো যায় । ক্রীড়া প্রভাব যদিও Lyon লিগে ছয় নম্বরে শেষ করেছে এবং ইউরোপে জায়গা পেয়েছিল, প্রশাসনিক অবনমন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বাধা হিসেবে দাঁড়াতে পারে indiatoday.in+13theplayoffs.news+13talksport.com+13। UEFA মাল্টি‑ক্লাব হয়রানির কারণে Lyon-এ Europa League-র কোটা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে; কৃষকভাবে তারা ডিসকোয়ালিফাইড হলে অন্য ক্লাব যেমন Strasbourg বা Crystal Palace প্রভাবিত হতে পারে । কি হতে পারে পরবর্তী ধাপ? DNCG‑তে আপিল: Lyon-এর আপিল সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে thekenyatimes.com+10as.com+10beinsports.com+10।   অর্থ সংকটের পুনর্মূল্যায়ন: ক্লাবকে সম্ভবত নতুন গ্যারান্টি দেখাতে হবে। যদি পুনরায় ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের স্থান ধরে নিতে পারে Stade Reims । ইউরোপ ব্যবস্থা: Lyon নিশ্চিত করতে চাইবে Europa League-এ খেলতে পারে কি না—UEFA-মাল্টি ownership বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সারসংক্ষেপ বিষয় বিবরণ স্থিতি DNCG-র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: Ligue 2-এ অবনমন ঋণের পরিমাণ প্রায় €422–445 মিলিয়ন যোগ্যতা Ligue 1-এ 6ম স্থান; ইউরোপে Europa League-এ জায়গা দেওয়া হয়েছিল ক্লাব প্রতিক্রিয়া “অযৌক্তিক” বলছে, আপিলে যাচ্ছে + ফান্ড সংগ্রহে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় তারা ইউরোপীয় প্রভাব মাল্টি-ক্লাব ownership বিষয় নিয়ে UEFA সিদ্ধান্ত অপেক্ষায়   Olympique Lyonnais-বিশ্বের এক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, তবে তাদের আর্থিক নীতির ভঙ্গ হয়েছিল বেশ কয়েকবার। উপরে উল্লেখিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে — কিন্তু তা না হলে দ্বিতীয় বিভাগে নামা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ক্লাব ও সমর্থকদের নজর এখন শুধু খেলোয়াড়ি প্রতিযোগিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা ও নিয়ন্ত্রক মান বজায় রাখা—এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে থাকবে।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
ডোপিং-বানের পর ফেরার পথে পগবা — মোনাকোতে চূড়ান্তভাবে।

ফরাসি মিডফিল্ডার পল পগবা দীর্ঘ ১৮ মাস ধরে চলা ডোপিং-বানের পর ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং চূড়ান্তভাবে তিনি যুক্ত হতে চলেছেন ফরাসি ক্লাব AS মোনাকো'-তে। ⏯️ ফেরার সময়রেখা জুলাই ২০২২-এ জুভেন্টাসে ফিরে দুর্দান্ত শুরুর পরই ২০২৩ সালের আগস্টে ডোপ পরীক্ষায় পজিটিভ আসে, যা ৪ বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় ইটালিয়ান অ্যান্টিডোপিং ট্রাইব্যুনাল thesun.co.uk+15en.wikipedia.org+15footballtransfers.com+15। কিন্তু তারা সেই শাস্তি ১৮ মাসে কমিয়ে দেয়, যার ফলে মার্চ ২০২৫ থেকে পগবা আবার মাঠে নামতে পারবেন । আর এখন, জুন ২০২৫-এ জানা যাচ্ছে, তিনি মোনাকো-র সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করতে চলেছেন, যা আগামী জুন ২০২৭ পর্যন্ত থাকবে । 📝 চুক্তির বিবরণ গণমাধ্যম “লা প্যারিসিয়েন” এবং BBC জানিয়েছে পগবা মোনাকোর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তিতে মৌখিকভাবে একমত হয়েছেন । Guardian আরও পরিষ্কারভাবে জানাচ্ছে: ২০২৩ সালের শেষ থেকে প্রতিযোগিতা থেকে দূরে থাকলেও, তিনি অবশেষে মোনাকোতে ফিরছেন, যেখানে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের প্লে-অফ অনুরূপ জায়গা নিশ্চিত রয়েছে । পরবর্তী সপ্তাহে তাকে মেডিক্যাল পরীক্ষা দিতে হবে ও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কার প যন । 🎯 মোনাকোর পরিকল্পনা মোনাকো ২০২৪–২৫ মৌসুমে ফ্রেঞ্চ লিগে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে এবং চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফিরছে — সেখানে পগবার অভিজ্ঞতা তাঁদের মসৃণ অন্তর্ভুক্তি ও তরুণদের জন্য নেতৃত্বের প্রাধান্য জোগাবে । The Guardian লিখেছে, 'তাঁর যোগদানে মোনাকোর মিডফিল্ডে দৃঢ়তা বাড়তে পারে' । €৬–৭ মিলিয়ন পরিসরে বার্ষিক বেতন পার হওয়া সম্ভাবনা রয়েছে, যা ফ্রি ট্রান্সফার হলেও প্রতিযোগিতামূলক এক ডিল । 🔄 অন্য ক্লাবের আগ্রহ পগবা ছিলেন মার্সেইয়েল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়েল মাদ্রিদ, গোল্ডন বিৎস্য চাইকার সঙ্গে সুসংলগ্ন । তবে সে-সব আগ্রহ এখন মিথ্যা বা অনিশ্চিত — তবে জুভেন্টাস ছাড়ার পর তিনি এলএফসি, মাইয়ামি ও স울 লিগের দিকে তাকিয়েছিলেন । অবশেষে, ইউরোপে থেকে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন মোনাকোই তাঁর প্রথম পছন্দ । 🌍 জাতীয় দলের আশাবাদের সাথে সম্পর্ক পগবা তার ৯১টি জাতীয় দলের ক্যাপ ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য । তিনি চান আগামী ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের জন্য ফ্রান্স দলে জায়গা করতে পারেন, কিন্তু ফর্ম আর ম্যাচ ফুটবল পাওয়া জরুরি । Didier Deschamps খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর মান পুনঃস্থাপনের সুযোগে আশাবাদী, যদিও ফর্মই শেষ বিচারক । ✅ সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা নিষেধাজ্ঞা সমাপ্তি মার্চ ২০২৫ চুক্তি ক্লাব AS মোনাকো (২০২৫–২০২৭) চুক্তির ধরণ দুই বছর, ফ্রি ট্রান্সফার প্রতিযোগিতা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ, Ligue 1 অন্যান্য ক্লাব আগ্রহ ছিল মার্সেইয়েল, ম্যান ইউ, রিয়েল মাদ্রিদ; MLS/সৌদি আগ্রহী ছিল জাতীয় দলের স্বপ্ন ২০২৬ বিশ্বকাপ-এ ফেরা   পগবার এই মোনাকো-ফেরা প্রমাণ করে, তিনি এখনো বড় মঞ্চে খেলার ক্ষমতা নিয়ে দৃঢ় মনোভাবী। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এবং প্রিমিয়ারের চাইতে একটি সম্ভাবনাময় পরিবেশ চেয়েছেন। ফ্রান্স জাতীয় দলে ফেরার জন্য মাঝপথে পা ফেলতে চান। তবে, ১৮ মাসের পার্থিব জার্নি এবং শরীরচর্চার খোলিকতা এখনো সমঝোতা প্রয়োজন — সেটাই আসল পরীক্ষা।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
প্রিমিয়ার লিগে যাওয়ার স্বপ্নে গ্যাকারেস, স্পোর্টিং লিসবন ছাড়তে প্রস্তুত!

স্পোর্টিং লিসবনের সুইডিশ স্ট্রাইকার ভিক্টর গ্যাকারেস চলতি গ্রীষ্মে ইউরোপিয়ান ফুটবলে সবচেয়ে আলোচিত নামগুলোর একটি। ২০২৪–২৫ মৌসুমে অসাধারণ পারফরম্যান্সের পর এবার তিনি নিজেই ক্লাব ছাড়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। প্রিমিয়ার লিগের তিনটি বড় ক্লাব—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড এবং লিভারপুল—তাকে দলে নিতে মরিয়া। গ্যাকারেস কেন আলোচনায়? গত মৌসুমে স্পোর্টিং লিসবনের হয়ে গ্যাকারেস ৫২ ম্যাচে ৪৩টি গোল এবং ১৫টি অ্যাসিস্ট করেছেন। শুধু লিগে নয়, ইউরোপীয় প্রতিযোগিতাতেও তিনি নজর কেড়েছেন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে। শক্তিশালী ফিনিশিং, শারীরিক শক্তি এবং গোলে নজরদারি গ্যাকারেসকে ইউরোপের সেরা স্ট্রাইকারদের কাতারে তুলে এনেছে। খেলোয়াড়ের মনোভাব সম্প্রতি একাধিক ইউরোপীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, গ্যাকারেস ক্লাব সভাপতিকে জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি আর স্পোর্টিংয়ে খেলতে চান না। প্রিমিয়ার লিগে খেলাই তার মূল লক্ষ্য, বিশেষ করে চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকলে। সূত্র বলছে, তিনি ইতোমধ্যে পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেরও জানিয়ে দিয়েছেন—তিনি ইংল্যান্ডে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ট্রান্সফার ফি এবং ক্লাবের অবস্থান গ্যাকারেসের বর্তমান চুক্তিতে একটি রিলিজ ক্লজ রয়েছে, যার পরিমাণ প্রায় ৮৫ মিলিয়ন ইউরো। স্পোর্টিং ক্লাব স্পষ্ট করে দিয়েছে, এই পুরো পরিমাণ না পেলে তারা তাকে ছাড়বে না। যদিও কিছু আগে গুঞ্জন ছিল যে, ৬০ মিলিয়ন ইউরো অফার করলেই চুক্তি হতে পারে, তবে ক্লাবের সাম্প্রতিক কড়া অবস্থানের কারণে আলোচনায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। কোন ক্লাব কোথায় দাঁড়িয়ে? আর্সেনাল আর্সেনাল ইতিমধ্যে গ্যাকারেসের জন্য প্রায় ৬০ মিলিয়ন ইউরোর একটি প্রস্তাব দিয়েছিল, যা স্পোর্টিং প্রত্যাখ্যান করেছে। ক্লাবটি আবারো প্রস্তাব বাড়াতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তাদের চ্যাম্পিয়নস লিগে অংশগ্রহণ নিশ্চিত, যা গ্যাকারেসের জন্য বড় প্রলুব্ধকারী হতে পারে। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ম্যান ইউ গ্যাকারেসকে দলে নিতে আগ্রহী। তার এজেন্টের সঙ্গে আলোচনা চলছে। কোচিং স্টাফের পক্ষ থেকে ইতিবাচক বার্তা থাকলেও চূড়ান্ত প্রস্তাব এখনো দেওয়া হয়নি। লিভারপুল লিভারপুল গ্যাকারেসকে একটি বিকল্প স্ট্রাইকার হিসেবে দেখছে, কারণ আলেক্সান্ডার ইসাকের ট্রান্সফার সম্ভবত ভেস্তে যাচ্ছে। তবে তারা এখনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়নি। চূড়ান্ত পরিস্থিতি স্পোর্টিং লিসবন আগামী ১ জুলাই থেকে তাদের প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু করতে যাচ্ছে। গ্যাকারেস সেই প্রস্তুতিতে অংশ নেবেন কি না, তা নিয়ে জোর জল্পনা চলছে। অনেকেই মনে করছেন, খেলোয়াড় হয়তো ক্লাবের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে অনুশীলন বর্জনের পথ বেছে নিতে পারেন। সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ বিষয় অবস্থা খেলোয়াড়ের ইচ্ছা ক্লাব ছাড়তে চান, প্রিমিয়ার লিগে যেতে আগ্রহী স্পোর্টিংয়ের অবস্থান ৮৫ মিলিয়ন ইউরোর রিলিজ ক্লজে অনড় আর্সেনালের অবস্থান ৬০ মিলিয়ন ইউরোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ম্যান ইউনাইটেড আগ্রহী, তবে প্রস্তাব এখনো চূড়ান্ত নয় লিভারপুল বিকল্প হিসেবে বিবেচনা করছে সম্ভাব্য সমাপ্তি জুলাইয়ের আগে সিদ্ধান্ত না হলে দ্বন্দ্ব বাড়তে পারে ভিক্টর গ্যাকারেসের ট্রান্সফার সাগা আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইউরোপিয়ান ফুটবলের বড় আলোচ্য বিষয় হয়ে থাকবে। তিনি কোথায় যাবেন—আর্সেনাল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড না লিভারপুল? নাকি থেকে যাবেন স্পোর্টিংয়ে? উত্তরটি পেতে নজর রাখতে হবে জুলাইয়ের শুরুতে ক্লাবগুলোর আনুষ্ঠানিক কর্মকাণ্ডের দিকে.

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
বার্সেলোনায় যাচ্ছেন নিকো উইলিয়ামস? ট্রান্সফার ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে

স্পেনের উদীয়মান ফুটবল তারকা নিকো উইলিয়ামসকে নিয়ে চলতি ট্রান্সফার উইন্ডোতে শুরু হয়েছে জোর গুঞ্জন। অ্যাথলেটিক বিলবাও-এর এই তরুণ উইঙ্গার নিজেই প্রকাশ করেছেন, তিনি বার্সেলোনায় যোগ দিতে আগ্রহী। তবে অর্থনৈতিক বাধা এবং ক্লাবগুলোর অবস্থান এই সম্ভাব্য চুক্তিকে ঘিরে তৈরি করেছে নাটকীয়তা। খেলোয়াড়ের ইচ্ছা স্পষ্ট নিকো উইলিয়ামস এরইমধ্যে অ্যাথলেটিক বিলবাও ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, তিনি হ্যান্সি ফ্লিকের অধীনে বার্সেলোনায় খেলতে আগ্রহী। একাধিক সংবাদমাধ্যমে জানা গেছে, বার্সার নতুন কোচ ফ্লিকও উইলিয়ামসকে তার স্কোয়াডে পেতে আগ্রহী। ট্রান্সফার ফি ও ক্লজ নিয়ে জটিলতা নিকোর চুক্তিতে থাকা রিলিজ ক্লজ ৫৮ মিলিয়ন ইউরো, যা বার্সেলোনা পরিশোধে প্রস্তুত। তবে অ্যাথলেটিক বিলবাও চাচ্ছে পুরো অর্থ একসাথে (lump sum) বুঝে নিতে, যেখানে বার্সা চাচ্ছে কিস্তিতে (installments) পরিশোধ করতে। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে অ্যাথলেটিক লা লিগার কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেছে। তারা চাইছে বার্সেলোনার আর্থিক অবস্থা এবং ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে নীতিমালা মানা হচ্ছে কি না, তা যাচাই করে দেখা হোক। বার্সেলোনার জবাব বার্সেলোনা প্রেসিডেন্ট হোয়ান লাপোর্তা এক বিবৃতিতে বলেছেন, "আমরা রিলিজ ক্লজ পরিশোধে প্রস্তুত এবং কোনো ধরনের গোপনীয়তা নেই। অ্যাথলেটিক যদি চায়, তারা তদন্ত করতেই পারে।" তবে লা লিগা প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের তেবাসের মতে, "বার্সেলোনা এখনো ১:১ ফিন্যান্সিয়াল নীতির আওতায় আসেনি। নতুন খেলোয়াড় নিবন্ধন করতে হলে তাদের এই শর্ত পূরণ করতে হবে।" অন্য ক্লাবগুলোর আগ্রহ নিকো উইলিয়ামসকে দলে নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বায়ার্ন মিউনিখ ও আর্সেনালও। তবে খেলোয়াড় নিজে জানিয়েছেন, তার অগ্রাধিকার বার্সেলোনা। এই কারণে অ্যাথলেটিক বিলবাও যদি তাকে বিক্রি করতেই চায়, তাহলে বার্সাই তার প্রথম পছন্দ। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কবে? বার্সেলোনার প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি শুরু হবে ৯ জুলাই। এর আগেই নিকোর ট্রান্সফার সম্পন্ন করতে চায় উভয় পক্ষ। তবে রিলিজ ক্লজ এককালীন না দিলে অ্যাথলেটিক তাদের অবস্থানে অনড় থাকবে বলেই ইঙ্গিত দিয়েছে। নিকো উইলিয়ামসের সম্ভাব্য বার্সেলোনা যোগদান স্প্যানিশ ফুটবল ভক্তদের মাঝে নতুন উত্তেজনার জন্ম দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়, বার্সেলোনা কীভাবে অর্থনৈতিক জটিলতা মোকাবিলা করে তার কাঙ্খিত উইঙ্গারকে দলে ভেড়ায়।

Mahidujjaman Tamim জুন ২৮, ২০২৫ 0
টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!
টাইগারদের দুর্দান্ত জয়: বাংলাদেশ ৭ উইকেটে হারালো ভারতকে!

ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য এ যেন এক রোমাঞ্চকর দিন! চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতকে ৭ উইকেটে হারিয়ে আবারও প্রমাণ করল — টাইগাররা কোনো অংশে কম নয়। পুরো ম্যাচজুড়ে ছিল আত্মবিশ্বাস, পরিকল্পনা আর নিখুঁত বাস্তবায়ন। ভারতের দেওয়া 265 রানের টার্গেট সহজেই টপকে যায় বাংলাদেশ। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন অধিনায়ক শান্ত ও মেহেদী হাসান মিরাজ। বিশেষ করে শান্তর ব্যাট থেকে আসে এক চমৎকার সেঞ্চুরি, যেটি ছিল পুরো ইনিংসের মূল চালিকা শক্তি। এর আগে বল হাতে দারুণ শুরু করেন মোস্তাফিজ ও তাসকিন। পাওয়ার প্লে'তে ভারতকে চাপে ফেলে দেয় টাইগাররা। মিডল অর্ডারে কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ভারত থামে 264 রানে। ম্যাচ শেষে অধিনায়ক শান্ত বলেন, "এই জয় আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। পুরো দল একসঙ্গে ভালো খেলেছে। বিশেষ কৃতিত্ব দিতে হবে আমাদের বোলারদের।" বাংলাদেশের এই জয়ে স্টেডিয়াম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বইছে উচ্ছ্বাসের জোয়ার। সমর্থকরা বলছেন, "এটাই আসল টাইগাররা!" 🇧🇩🕊️ এই জয় শুধু একটি ম্যাচ নয় — এটি এক আত্মবিশ্বাসের গল্প, এক লড়াইয়ের নাম। টাইগাররা আবারও দেখিয়ে দিল, তারা হার মানতে জানে না। 👏🔥

Admin জুন ২৮, ২০২৫ 0
২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবল: কোরিয়া দক্ষিণ ও জাপান ফাইনালে মুখোমুখি

দোহা, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ এশিয়ান কাপ ফুটবলের ফাইনাল ম্যাচে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জাতীয় দল। এই দুই দল এশিয়ার সেরা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠিত এবং তাদের লড়াই ফুটবল প্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় পরিবেশ তৈরি করেছে।   দক্ষিণ কোরিয়ার অধিনায়ক পার্ক চুল-হো বলেন, “আমরা ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছি এবং এখন পুরো দল প্রস্তুত সেরা পারফরম্যান্স দেখানোর জন্য। জাপানের মতো শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে খেলতে হলে আমাদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য লাগবে। আমরা দলগত একতা ও দ্রুতগতির খেলায় বিশ্বাস করি।”   অন্যদিকে, জাপানের কোচ ইয়ামামোতো শিগেরু বলেছেন, “দক্ষিণ কোরিয়া একটি শক্তিশালী প্রতিপক্ষ, কিন্তু আমরা ইতোমধ্যে কৌশলগত প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। খেলোয়াড়রা শারীরিক এবং মানসিকভাবে ফাইনালের জন্য প্রস্তুত।”\   এই ফাইনাল ম্যাচটি আগামী শনিবার কাতারের দোহায় অনুষ্ঠিত হবে এবং পুরো এশিয়া মহাদেশের ফুটবলপ্রেমীরা সরাসরি সম্প্রচারে এটিকে দেখবেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ম্যাচটি গত দশকের অন্যতম উত্তেজনাপূর্ণ এশিয়ান কাপ ফাইনাল হতে চলেছে।   দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান উভয়ই তীক্ষ্ণ আক্রমণ এবং দৃঢ় রক্ষণভাগ নিয়ে মাঠে নামবে। তাদের মধ্যে কোন দল জয়ী হবে তা অনেকটাই নির্ভর করবে তাদের কৌশল, দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং মানসিক স্থিতিশীলতার উপর।   ফুটবল বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই দুই দলের মধ্যে লড়াই শুধু জয়ের জন্য নয়, বরং এশিয়ার ফুটবলের মান উন্নয়নে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করার সুযোগ।” আগামী ম্যাচের জন্য দুই দলের প্রস্তুতি চলছে তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মোকাবেলায়। কোচরা খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির উপর জোর দিচ্ছেন যাতে তারা চাপ সামলাতে সক্ষম হয়। ফুটবল ভক্তরা এখন প্রতিক্ষায় রয়েছেন, সেই মুহূর্তের জন্য যখন এই দুই শক্তিধর দল মাঠে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে এবং নতুন ইতিহাস গড়বে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
আর্জেন্টিনা বনাম নেদারল্যান্ডস হকি ফাইনালে আজ মুখোমুখি

আর্জেন্টিনা ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে অনুষ্ঠিতব্য ২০২৫ আন্তর্জাতিক হকি বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচ ফুটবল প্রেমীদের মতো হকি প্রেমীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ তৈরি করেছে। ইতোমধ্যে টুর্নামেন্টের কঠিন পর্ব অতিক্রম করে দুই দলই নিজেদের সেরাটা দিয়ে ফাইনালে উঠেছে। আগামীকাল অনুষ্ঠিতব্য এই ফাইনাল ম্যাচে উভয় দল নিজেদের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শনের জন্য প্রস্তুত।   আর্জেন্টিনা দল এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ আত্মবিশ্বাস ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। অধিনায়ক লুকাস মার্টিনেজ সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “আমরা টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই কঠোর পরিশ্রম করেছি। দলের সবাই একসঙ্গে কাজ করে ফাইনালে পৌঁছেছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট — বিশ্বকাপ জিততে হবে। প্রতিটি ম্যাচের জন্য আমরা আত্মনিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ বজায় রেখেছি এবং আগামী ম্যাচেও তা বজায় রাখব।” আর্জেন্টিনা দলের ফিজিক্যাল ট্রেনার জানান, দল খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও মানসিক প্রস্তুতির জন্য বিশেষ অনুশীলন চালাচ্ছে যাতে ফাইনালে তারা চাপ সামলাতে পারে।   অন্যদিকে নেদারল্যান্ডসের কোচ মাইকেল ডি ইয়ং ফাইনালের আগের প্রস্তুতি নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের দল গত কয়েক মাস ধরে কৌশলগত প্রস্তুতি নিয়েছে। খেলোয়াড়রা মানসিক ও শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা চাই এই বিশ্বকাপে নিজেদের ইতিহাস গড়ে একটি শক্তিশালী ছাপ রেখে যেতে।” কোচ আরো বলেন, “আমাদের লক্ষ্য শুধুমাত্র ফাইনালে উঠা নয়, বরং বিশ্বকাপ জয়। আমরা প্রতিপক্ষের দুর্বলতা চিহ্নিত করে নিজেদের পরিকল্পনা সাজাচ্ছি।”   বিশ্বের হকি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের ফাইনাল ম্যাচটি গত দশকের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ এবং ঘনিষ্ঠ প্রতিযোগিতা হতে চলেছে। উভয় দলের কৌশল, বল নিয়ন্ত্রণ ও দ্রুতগতির খেলায় যে মেধা প্রদর্শিত হয়েছে, তা ফুটবলের মতো অন্য কোনো খেলার ক্ষেত্রে বিরল। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ফাইনালে দলের মানসিক স্থিতিশীলতা ও চাপ সামলানোর ক্ষমতা বিজয় নির্ধারণে মূল ভূমিকা পালন করবে।   মাঠে উভয় দলের খেলোয়াড়রা দ্রুতগতির পাস, শক্তিশালী ডিফেন্স এবং আক্রমণাত্মক স্ট্র্যাটেজি নিয়ে মাঠ মাতানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আর্জেন্টিনার স্ট্রাইকারের গতিবেগ এবং নেদারল্যান্ডসের মিডফিল্ডারদের কৌশলগত দক্ষতা ম্যাচে প্রধান আকর্ষণ হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়াও গোলরক্ষকদের প্রতিটি সেভ এবং প্রতিপক্ষের আক্রমণ রুখে দেওয়াও ম্যাচের ফলাফলে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।   বিশ্বজুড়ে লাখো হকি ভক্ত এই ম্যাচের সরাসরি সম্প্রচার দেখার জন্য অপেক্ষায় আছেন। অনলাইনে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং অনুষ্ঠিত হবে এবং অনেক দেশের টেলিভিশনও সরাসরি সম্প্রচার করবে। হকি প্রেমীরা এই ম্যাচ থেকে দারুণ উত্তেজনা, দক্ষতা এবং খেলা উপভোগ করার আশা করছে।   মাঠের বাইরেও ভক্তদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকরা একত্রে সময় কাটিয়ে খেলার আনন্দ ভাগাভাগি করবেন। এছাড়াও টুর্নামেন্ট পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ সব ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে যাতে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা না ঘটে এবং খেলা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়।   বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষে দুই দলের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে বিশ্ব হকির নতুন ধারার রূপরেখা নির্ধারণ করা হবে। এই ম্যাচের ফলাফল আগামী দশক ধরে হকির কৌশলগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।   এই প্রতিযোগিতা বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের হকি টুর্নামেন্ট হওয়ায় এর প্রতি ভক্তদের আগ্রহ ও উন্মাদনা সত্যিই অবিশ্বাস্য। সবাই আশা করছেন, আগামীকালের ফাইনাল হবে একটি স্মরণীয় খেলা, যেখানে স্পোর্টসম্যানশিপ, দক্ষতা ও উত্তেজনা থাকবে সর্বোচ্চ মাত্রায়।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
আন্তর্জাতিক হকিতে উত্তেজনার পারদ: আজ শুরু হচ্ছে ২০২৫ আইএইচএফ বিশ্ব কাপ

মাস্ট্রিখ্ট, নেদারল্যান্ডস, ২৬ জুন ২০২৫ – আজ থেকে নেদারল্যান্ডসের মাস্ট্রিখ্ট শহরে শুরু হতে যাচ্ছে ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক হকি ফেডারেশন (আইএইচএফ) বিশ্ব কাপ, যা বিশ্ব হকির এক অন্যতম বড় টুর্নামেন্ট হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের সেরা ১৬টি দল এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ভারত, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া, আর্জেন্টিনা, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং আরও কয়েকটি শক্তিশালী দল।   এই বিশ্বকাপ হকির ভক্তদের জন্য এক অনবদ্য উৎসব। প্রতিটি দল তাদের সেরা খেলোয়াড় নিয়ে মাঠে নামবে এবং আগামী তিন সপ্তাহ ধরে চলবে কঠোর লড়াই ও দারুণ খেলা। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী দিনে নেদারল্যান্ডস বনাম অস্ট্রেলিয়া ম্যাচটি সবচেয়ে বেশি নজর কাড়বে, যেখানে দুই দলের অভিজ্ঞ খেলোয়াড়রা নিজেদের দক্ষতা ও কৌশল প্রদর্শন করবেন।   ভারতের অধিনায়ক রাহুল সিংহ বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এই বিশ্বকাপে সেরা অবস্থান অর্জন করা। আমরা কঠোর পরিশ্রম করেছি এবং দলের মধ্যে একতা বজায় রেখে প্রতিটি ম্যাচ খেলতে প্রস্তুত।” অপরদিকে, পাকিস্তান দলের কোচ কামরান আকবর জানিয়েছেন, “টুর্নামেন্টটি খুবই চ্যালেঞ্জিং হবে, কিন্তু আমাদের খেলোয়াড়রা আত্মবিশ্বাসী। আমরা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স দিয়ে নিজেদের সেরা ফলাফল আনতে চেষ্টা করব।” বিশ্ব হকির বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিশ্বকাপ হকির আধুনিক কৌশল ও দ্রুত গতির খেলার জন্য একটি মাইলফলক হবে। তারা বলেন, “বর্তমান যুগের হকি খেলোয়াড়রা যেভাবে দ্রুতগতিতে বল নিয়ন্ত্রণ ও পাস করছে, তা ভবিষ্যতে খেলার ধরনে ব্যাপক পরিবর্তন আনবে।”   বিশ্বকাপ চলাকালীন দর্শকদের জন্য বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ফ্যান জোন আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে খেলোয়াড় ও ভক্তরা একসঙ্গে মিলিত হয়ে এই খেলা উপভোগ করবেন। আগামী তিন সপ্তাহের এই টুর্নামেন্ট বিশ্ব হকির ভক্তদের কাছে সেরা বিনোদন হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।  

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
সেরা দলগুলো কঠোর পরিশ্রমে, খেলোয়াড়দের ফিটনেসে জোর

ইউরোপ, ২৬ জুন ২০২৫ – আগামী সেপ্টেম্বরে শুরু হতে যাওয়া ইউরো ২০২৫ ফুটবল টুর্নামেন্টের উত্তেজনা ইতিমধ্যে পুরো বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। ইউরোপের ২৪টি সেরা জাতীয় দল কঠোর অনুশীলন ও প্রস্তুতিতে ব্যস্ত রয়েছে। এই টুর্নামেন্টকে সামনে রেখে খেলোয়াড়রা নিজেদের ফিটনেস বৃদ্ধি, কৌশলগত দক্ষতা ও দলগত সমন্বয়ের দিকে বিশেষ জোর দিচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম সেরা দল জার্মানি, স্পেন, ফ্রান্স, ইংল্যান্ড, ইতালি ও নেদারল্যান্ডস তাদের তরুণ ও অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে শক্তিশালী দল গঠন করেছে। জার্মানির প্রধান কোচ হান্স মুলার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমরা ইউরো জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নামছি। আমাদের তরুণ খেলোয়াড়রা গত কয়েক বছরে অনেক উন্নতি করেছে এবং অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিলিয়ে আমরা একটি প্রতিদ্বন্দ্বী দল গড়ে তুলেছি।” স্পেনীয় কোচ মিগুয়েল রামোস নতুন কৌশল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “ফুটবল ক্রমশ পরিবর্তিত হচ্ছে। গত কয়েক বছর আমরা একটি নতুন খেলার ধরন অনুশীলন করেছি। ইউরো ২০২৫-এ আমরা সেই নতুন কৌশল মাঠে প্রয়োগ করবো এবং প্রতিপক্ষদের চমকে দেব।” ইংল্যান্ডের কোচ লরেন্স হারপারের মতে, তরুণদের সঙ্গে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঠিক সমন্বয় দলকে শক্তিশালী করবে, এবং তারা এই টুর্নামেন্টে উচ্চমানের খেলা প্রদর্শন করবে। তিনি বলেন, “আমাদের যুবপ্রজন্ম ফুটবলের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিয়েছে। তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞদের একসাথে কাজ করার ফলে আমরা আশাবাদী।” টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব ইউরোপের বিভিন্ন শহরে অনুষ্ঠিত হবে। এবারের ইউরো ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬-এর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে নতুন তারকাদের আবির্ভাব হবে, যারা বিশ্ব ফুটবলের ভবিষ্যত গড়ার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। বিশ্ব ফুটবল বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এবারের ইউরো হবে গত কয়েক বছরে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক ও উত্তেজনাপূর্ণ টুর্নামেন্ট। বিভিন্ন দল তাদের সেরা খেলোয়াড়দের নিয়ে মাঠে নামবে এবং দর্শকদের জন্য মনোমুগ্ধকর মুহূর্ত উপহার দেবে। বিশ্বজুড়ে ফুটবল ভক্তরা উন্মুখ হয়ে অপেক্ষা করছেন এই আসরের জন্য, যেখানে তাদের প্রিয় দল এবং তারকারা একসঙ্গে ফুটবল ইতিহাস রচনা করবে।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াই, ঢাকা ও চট্টগ্রামের ম্যাচে রোমাঞ্চ ছড়াল

ঢাকা, ২৬ জুন ২০২৫ – দেশের ঘরোয়া ক্রিকেট লিগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এ এবারও উত্তেজনার পারদ চড়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত ঢাকা ডায়নামাইটস ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের মধ্যকার ম্যাচটি দর্শকদের জন্য ছিল এক অনবদ্য ক্রিকেট মহোৎসব। উভয় দলই মাঠে লড়াই করেছে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে, যা খেলা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত অবিরাম উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।   ঢাকার বিপক্ষে চট্টগ্রামের বোলাররা শক্তিশালী বোলিং প্রর্দশন করেছে এবং গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছে। তবে ঢাকা ডায়নামাইটসের ব্যাটসম্যানরা ধীরে ধীরে রানের গতিকে ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত বড় সংগ্রহ গড়তে সক্ষম হয়েছে। ম্যাচ শেষে ঢাকা ডায়নামাইটস ১৫০ রান করে, যা প্রতিহত করতে চট্টগ্রাম ব্যাটসম্যানরা নেমেছে।   এই ম্যাচে ঢাকার তরুণ ব্যাটসম্যান সোহেল রহমান তার অর্ধশতক দিয়ে দলকে বিপর্যয় থেকে রক্ষা করেছেন। চট্টগ্রামের পেসার আবু বক্কর ম্যাচে চার উইকেট নিয়েছেন, যা দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ অবদান। খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ ও দলের কৌশল নিয়েও বিশেষ আলোচনা হয়েছে।   ঘরোয়া ফুটবলেও চলেছে তীব্র লড়াই। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত জাতীয় লীগে ঢাকার কয়েকটি দল নিজেদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা ইউনাইটেড ও রাজশাহী রেঞ্জার্সের ম্যাচে লক্ষ্যণীয় ছিল দলের স্ট্র্যাটেজি ও খেলোয়াড়দের দক্ষতা। দুই দলই সমানভাবে সুযোগ তৈরি করেছে, যার ফলে ম্যাচটি সমবয়স্ক ও উত্তেজনাপূর্ণ হয়েছে।   এছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলার ক্রীড়া সংস্থা ও ক্লাবগুলো নিয়মিত টুর্নামেন্ট ও প্রশিক্ষণ শিবির পরিচালনা করছে, যা দেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রের উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেশের ঘরোয়া ক্রীড়া আরও বেশি মনোযোগ ও বিনিয়োগ পেলে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের ক্রীড়াবিদদের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হবে। তারা বলেন, “ঘরোয়া পর্যায়ে নিয়মিত প্রতিযোগিতা ও দক্ষ প্রশিক্ষণ দেশের খেলোয়াড়দের সক্ষমতা বাড়ায় এবং জাতীয় দলের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।”   পরবর্তী মাসগুলোতে ঘরোয়া ক্রিকেট ও ফুটবলের নানা ম্যাচ ও টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকায় খেলাধুলাপ্রেমীরা নতুন রোমাঞ্চের প্রত্যাশায় রয়েছেন।

Admin ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0
বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার টেস্ট সিরিজে উত্তেজনার পারদ চড়ছে

বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মধ্যে চলমান টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উত্তেজনায় ভরপুর ছিল। গতকাল অনুষ্ঠিত প্রথম দিনের খেলা শেষে শ্রীলঙ্কা ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানে অবস্থান নিয়েছে। আজকের দ্বিতীয় দিনেও বোলিং ও ব্যাটিং দু’দিক থেকেই খেলোয়াড়রা নিজেদের সর্বোচ্চ দিয়ে মাঠ মাতাচ্ছে।   বাংলাদেশ দলের বোলাররা শুরু থেকেই শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানদের ওপর চাপে রাখতে সক্ষম হয়েছে। বিশেষ করে মুশফিকুর রহমান দুর্দান্ত বোলিং করেছে; তিনি আজকের দিনে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নিয়েছেন। তার ধারাবাহিক বোলিং বাংলাদেশকে বড় ধরনের সুবিধা দিয়েছে। পাশাপাশি অধিনায়ক তানভীর হাসানের বোলিং স্ট্র্যাটেজি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখার ক্ষেত্রে কার্যকর হয়েছে।   শ্রীলঙ্কার ব্যাটসম্যানরা প্রথম দিকে কিছুটা চাপ সামলে লড়াই করলেও, দিনশেষে তারা বড় ইনিংস গড়তে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের একজন অলরাউন্ডার মাহিন্দা আজকের দিনে কিছু মুহূর্তে খেলা নিয়ন্ত্রণে এনেছেন। কিন্তু দল হিসেবে তাদের ব্যাটিং লাইনআপ এখনো পূর্ণ শক্তিতে আঘাত করতে পারেনি।   আজকের দিনটিকে ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ম্যাচের রূপকার হিসেবে বর্ণনা করেছেন। আজকের খেলা বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় স্কোর গড়ে সিরিজে জয় নিশ্চিত করার সুযোগ এনে দিতে পারে, অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার বোলারদের জন্য তা একটি কঠিন পরীক্ষা যেখানে তাদের পুরো দলের শক্তি ও ধৈর্য্যের প্রয়োজন। চট্টগ্রামের মাঠে উপস্থিত ক্রিকেট ভক্তরা প্রতিটি বল ও every উইকেটের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে। ম্যাচের উত্তেজনা এবং উভয় দলের লড়াই মাঠে প্রাণ সঞ্চার করেছে। মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশন ও অনলাইনে দেশের ক্রিকেট প্রেমিরা খেলার প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করছেন।   বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই সিরিজটি বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, যেখানে নতুন প্রজন্মের ক্রিকেটাররা নিজেদের দক্ষতা ও মানসিকতা প্রমাণ করছে। শ্রীলঙ্কা দলও হার মানতে নারাজ, তাই আজকের ম্যাচে পুরোটা সময় কঠিন লড়াই হবে।”   আগামী দিনগুলোতেও সিরিজের ফলাফল নির্ধারণে এই ম্যাচের ফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উভয় দলই চেষ্টা করছে সেরা পারফরম্যান্সের মাধ্যমে জয় নিশ্চিত করতে।   বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এই সিরিজকে সামনে রেখে মাঠ ও প্রশিক্ষণে বিশেষ প্রস্তুতি নিয়েছে। পাশাপাশি দেশের ক্রিকেটাররা নিজেদের সেরাটা দেয়ার জন্য মাঠে অঙ্গীকার দেখাচ্ছে।

Admin ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0
5-important-life-lessons-to-learn-from-messi
মেসির জীবন থেকে শেখার ৫টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

আপনি কি কখনো ভেবেছেন, একজন খাটো, চুপচাপ, অসুস্থ ছেলেটা কীভাবে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠল? প্রশ্নটা সহজ, কিন্তু উত্তরটা যতটা বাস্তব, ততটাই অনুপ্রেরণামূলক। এই গল্পটা কারো রূপকথা নয়। এটা লিওনেল আন্দ্রেস মেসি — এক বাস্তব জীবনের কিংবদন্তির কাহিনি।   মেসির জন্ম ১৯৮৭ সালে, আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে। ছোটবেলায়ই দেখা দেয় শারীরিক সমস্যা — তার শরীরে বৃদ্ধি হরমোন স্বাভাবিকভাবে কাজ করছিল না। চিকিৎসা ব্যয় এত বেশি ছিল যে তার পরিবার প্রায় দিশেহারা হয়ে পড়ে। কিন্তু ভাগ্য বদলায় যখন স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা তার প্রতিভা চিনে নেয়, এবং দায়িত্ব নেয় মেসির চিকিৎসার। সেখান থেকেই শুরু হয় এক মহান যাত্রা—যা শুধুই ট্রফি বা গোল নয়, বরং আত্মবিশ্বাস, অধ্যবসায় আর নীরব সাফল্যের প্রতীক।   আমরা যখন সফলতা ভাবি, তখন চোখে ভেসে ওঠে জাঁকজমক, জয়ের উল্লাস আর গ্ল্যামার। কিন্তু মেসির গল্প আমাদের শেখায়—নীরবে কাজ করে যাও, সময় আসলে পুরো দুনিয়া তোমাকে চিনবে।   এই লেখায় আমরা মেসির জীবন থেকে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা তুলে ধরব—যা কেবল একজন ফুটবলপ্রেমী নয়, বরং যে কেউ, যেকোনো বয়সে নিজের জীবনে কাজে লাগাতে পারে। চলো, শিখে নিই সেই শিক্ষা, যে শিক্ষা একজন খাটো ছেলেকে ফুটবলের আকাশছোঁয়া শিখরে পৌঁছে দিয়েছে।   ১. ছোটখাটো সীমাবদ্ধতা দিয়ে জীবন থেমে যায় না   যখন ছোট ছিল, তখন কেউ ভাবত না এই ছেলেটা একদিন বিশ্বের সেরা ফুটবলার হবে। লিওনেল মেসির উচ্চতা স্বাভাবিক ছিল না, কারণ তার দেহে “Growth Hormone Deficiency (GHD)” ছিল। অর্থাৎ, তার শরীর ঠিকভাবে বেড়ে উঠছিল না। বয়স বাড়ছিল, কিন্তু গড়ন ছিল ছোটদের মতো। একজন ফুটবলারের জন্য যেটা সরাসরি ক্যারিয়ারে প্রতিবন্ধক।   মেসির বাবা-মা অনেক চেষ্টা করেছিলেন—চিকিৎসা চালিয়ে যেতে, খেলা চালু রাখতে। কিন্তু তখন আর্জেন্টিনায় এ চিকিৎসা খরচ এত বেশি ছিল যে তাদের পক্ষে চালিয়ে যাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।   ঠিক তখনই—মেসির জীবন বদলে দেয় বার্সেলোনা ক্লাব। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ক্লাবটি মেসির প্রতিভা দেখে তাকে স্পেনে নিয়ে আসে, তার চিকিৎসা, থাকা–খাওয়াসহ সব দায়িত্ব নেয়। এবং সেই ছোট্ট ছেলেটা নিজের সীমাবদ্ধতা সঙ্গী করেই খেলা চালিয়ে যেতে থাকে, প্রতিদিন আরও পরিশ্রম করতে থাকে।   ⏳ কেউ যখন বলত "তুমি অনেক ছোট", তখন মেসি বলত না কিছু—জবাব দিত মাঠে গোল দিয়ে।   🎯 শেখা: জীবনে সীমাবদ্ধতা থাকবে—তা শারীরিক, আর্থিক বা মানসিক। কিন্তু সেগুলোই যদি তোমাকে থামিয়ে দেয়, তাহলে তুমি হেরে যাবে। আর যদি সেই সীমাবদ্ধতা থেকেই শক্তি পাও, তাহলে একদিন সেই বাধাই হবে তোমার সাফল্যের প্রেক্ষাপট। মেসির মতো কেউ যদি ছোট শরীরে বিশাল স্বপ্ন বয়ে নিয়ে চলতে পারে—তাহলে তুমিও পারো।   ২. প্রতিদিন উন্নতি করাই বড় সাফল্য   লিওনেল মেসির জীবনজুড়ে এক জিনিস সবসময় একই থেকেছে—প্রতিদিন একটু ভালো হওয়ার চেষ্টা। সে কখনো বলে না “আমি সেরা” কিংবা “আমার আর শেখার কিছু নেই।” বরং তার প্রতিটি অনুশীলন, প্রতিটি ম্যাচ যেন আরও উন্নত হওয়ার এক নতুন সুযোগ।   ছোটবেলা থেকেই মেসি নিজেকে প্রতিদিন একটু করে গড়ে তুলেছে। ⚽ সে শুধু গোল করাকে দক্ষতা মনে করত না, বরং পাস, ড্রিবল, স্পিড, ফিটনেস—সবকিছুতে সে নিজেকে সময় দিয়েছে। আর এখানেই তার আসল জাদু। 🎥 একটা উদাহরণ দেখি:   মেসি একবার বলেছিল, “আমি কখনো নিজেকে নিখুঁত ভাবি না। আমি জানি, কালকে আরও ভালো করা যাবে।” এই মনোভাবই তাকে করেছে ইতিহাসের সবচেয়ে কনসিসটেন্ট (স্থায়ী সাফল্যমণ্ডিত) ফুটবলারদের একজন।   📚 শেখা:   আজ তুমি যেখানে আছ, সেটাই শেষ না। প্রতিদিন ১% উন্নতি হলেও, এক বছর পরে তুমি থাকবে ৩৭ গুণ উন্নত অবস্থানে। (এটা কিন্তু গাণিতিক সত্য, ১.01ⁿ = 37.78 যখন n = 365!)   মেসির গল্প বলে, “সেরা হওয়া জরুরি নয়—প্রতিদিন একটু করে ভালো হওয়াটাই আসল।” তুমি যদি নিয়ম করে নিজের পড়াশোনা, কাজ, স্কিল বা মানসিকতা একটু একটু করে ঠিক করো, তাহলে সাফল্য সময়ের ব্যাপার মাত্র।   ৩. নম্রতা ও ধৈর্যই প্রকৃত শক্তি   আজকের দুনিয়ায় সফলতা মানেই যেন বাহাদুরি, শিরোনামে থাকা, ক্যামেরার সামনে নিজেকে জাহির করা। কিন্তু লিওনেল মেসি যেন এর একদম উল্টো — তিনি সবসময় শান্ত, নম্র, চুপচাপ কাজ করে যান। কখনো রেফারির সঙ্গে তর্কে জড়ান না, গোল করার পরও অহংকার দেখান না, কথার চেয়ে পারফরম্যান্সেই বিশ্বাস রাখেন।   তার ক্যারিয়ারে অনেক সময় এসেছে যখন তিনি চাইলেই রাগ করতে পারতেন, কথা বলতেই পারতেন।   ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে হেরে গেছেন ৩ বার কোপা আমেরিকার ফাইনাল খুইয়েছেন ২০২1 সালের আগে দেশের জার্সিতে কোনো ট্রফিই ছিল না কিন্তু তারপরও তিনি দলের প্রতি বিশ্বাস হারাননি, অভিমান করলেও মাঠ ছাড়েননি।   তার ধৈর্য আর আত্মনিয়ন্ত্রণ তাকে করেছে "লিডার", কেবল খেলোয়াড় নয়। 🌿 শেখা:   নম্রতা কখনো দুর্বলতা নয়। বরং সেটা এমন এক শক্তি, যা তোমাকে ভিতর থেকে গড়ে তোলে। আর ধৈর্য? সেটা হলো সাফল্যের আগে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।   যখন চারপাশের মানুষ তোমাকে ছোট করে দেখে, ফল আসছে না, বারবার হেরে যাচ্ছো— তখনো যদি তুমি ভেঙে না পড়ে সামনে এগিয়ে যাও, তাহলেই একদিন জয় আসবেই।   মেসির জীবন বলে, "চুপ থেকে কাজ করো, কথা বলবে তোমার ফলাফল।"   ৪. পরিশ্রমের বিকল্প নেই   অনেকে ভাবে, মেসি হয়তো ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রতিভার অধিকারী। ঠিক কথা। কিন্তু শুধু প্রতিভা থাকলেই কি কেউ ইতিহাসের সেরা হয়ে ওঠে? না। মেসির প্রতিভার চেয়েও বড় জিনিস হলো তাঁর নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম।   ⚽ ছোটবেলার গল্প:   মাত্র ৮ বছর বয়স থেকেই মেসি প্রতিদিন ঘন্টার পর ঘন্টা অনুশীলন করতেন। বার্সেলোনায় যাওয়ার পর তিনি যখন অনেক তরুণ খেলোয়াড়ের মধ্যে পড়ে গেলেন, তখনও তিনিই সবচেয়ে আগে মাঠে যেতেন, সবার পরে প্র্যাকটিস শেষ করতেন।   একবার এক কোচ বলেছিলেন— "মেসির সবচেয়ে বড় গুণ, সে খেলার পরে একাই মাঠে দাঁড়িয়ে ড্রিবলিং আর ফিনিশিং প্র্যাকটিস করত। যখন সবাই বিশ্রাম নিচ্ছে, তখন সে কাজ করত চুপচাপ।"   💼 বড় হওয়ার পরও থেমে যাননি   ইনজুরি থেকে ফিরে জিমে ঘন্টার পর ঘন্টা প্রতিটি ম্যাচের ভিডিও দেখে ভুল খুঁজে বের করা নিজের খেলা নিয়ে সর্বদা সিরিয়াস — যেন সে নতুন এক শিক্ষার্থী   সে কারণেই এত বছর পরেও, এত কিছু জেতার পরেও মেসি আজও ভয়ংকর ধারাবাহিক ও কার্যকর।   🔥 শেখা:   আমরা অনেকেই সফলতার শর্টকাট খুঁজি। কিন্তু মেসি বলেন না, “আমি ছোট ছিলাম, তাই ছাড় পাচ্ছি।” তিনি বিশ্বাস করেন, “প্রতিভা যখন পরিশ্রমকে সঙ্গে পায়, তখনই সে কিংবদন্তি হয়ে ওঠে।”   তুমি যদি শুধু স্বপ্ন দেখো, কিন্তু পরিশ্রম না করো — তাহলে সেটা কেবল কল্পনা। আর যদি প্রতিদিন একটু একটু করে চর্চা করো, চেষ্টা চালিয়ে যাও — তাহলে স্বপ্ন একদিন বাস্তব হবেই।   ৫. নিজের লক্ষ্য জানলে দুনিয়া জিতে নেওয়া যায়   প্রতিভা, পরিশ্রম, নম্রতা—এসব থাকলেও যদি জীবনের লক্ষ্য পরিষ্কার না থাকে, তাহলে মানুষ মাঝপথেই হারিয়ে যায়। কিন্তু মেসি শুরু থেকেই জানতেন—তিনি শুধু ভালো খেলোয়াড় হতে চান না, তিনি দেশের জন্য, নিজের ভালোবাসার ক্লাবের জন্য ইতিহাস গড়তে চান।   🎯 বার্সেলোনার প্রতি দায়বদ্ধতা অনেক ক্লাব প্রচুর টাকায় মেসিকে নিতে চেয়েছিল। তবু তিনি বার্সেলোনায় থেকে গেছেন ২১ বছর—শুধু পেশাদারিত্ব নয়, ভালোবাসা আর লক্ষ্য ছিল দলের সঙ্গে বড় কিছু করার।   🇦🇷 আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে চাপানো স্বপ্ন বারবার হেরেছেন—বিশ্বকাপ ফাইনাল, কোপা আমেরিকা ফাইনাল। ম্যাচ শেষে কেঁদেছেন, দেশের সমালোচনা শুনেছেন, রাগ করে অবসরও নিয়েছিলেন। তবু ফিরে এসেছেন। কেন? কারণ তাঁর লক্ষ্য ছিল দেশের হয়ে কিছু জেতা। দেশের জন্য ইতিহাস গড়া। এবং ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা আর ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জিতে সেটা করে দেখিয়েছেন।   📚 শেখা: আমরা জীবনে অনেক কিছুই করতে চাই—ভালো রেজাল্ট, ভালো ক্যারিয়ার, নাম, খ্যাতি। কিন্তু যদি পরিষ্কার লক্ষ্য না থাকে, তাহলে মনোযোগ ছড়িয়ে যায়, উৎসাহ হারিয়ে যায়। তুমি যদি জানো, কোথায় যেতে চাও—তাহলে রাস্তা খুঁজে পাবে। আর যদি লক্ষ্যই না ঠিক করো, তাহলে দুনিয়ার কোনো GPS-ও তোমাকে পৌঁছে দিতে পারবে না।   মেসির জীবন বলে— "কোনো কিছুই অসম্ভব না, যদি তুমি জানো তুমি কিসের জন্য লড়ছো।"     উপসংহার   লিওনেল মেসির জীবন কেবল একজন ফুটবলারের ট্রফি আর রেকর্ডের গল্প নয় — এটা এক শান্ত, আত্মবিশ্বাসী, পরিশ্রমী মানুষের গল্প, যে নিজের সীমাবদ্ধতাকে জয় করেছে লক্ষ্যে পৌঁছাতে।   আমরা সবাই জীবনে কোথাও না কোথাও আটকে যাই— 👉 কখনো শরীর, কখনো পরিস্থিতি, কখনো নিজের ভিতরের ভয় আমাদের থামিয়ে দেয়। কিন্তু মেসি শিখিয়ে দিয়েছেন, “যদি তুমি চুপচাপ নিজের পথে থাকো, পরিশ্রম চালিয়ে যাও, এবং লক্ষ্য না ভুলো — তাহলে একদিন পুরো দুনিয়া তোমার পাশে দাঁড়াবে।”   🧠 এই লেখায় যা শিখলাম: ✅ সীমাবদ্ধতা কোনো বাধা না ✅ উন্নতি করতে হয় ধীরে ধীরে ✅ নম্রতা আর ধৈর্য আসল শক্তি ✅ পরিশ্রম ছাড়া কিছুই সম্ভব নয় ✅ স্পষ্ট লক্ষ্য থাকলে হার মানে না   ✨ শেষ কথা: "জাদু নেই, shortcut নেই — আছে কেবল বিশ্বাস, পরিশ্রম আর নিজের স্বপ্নে দাঁতে দাঁত চেপে লেগে থাকা।"   তুমি যদি আজ থেকে নিজের জীবনের লক্ষ্য ঠিক করো, পরিশ্রম শুরু করো—তাহলে একটা সময় এসে তুমি নিজেকেই চিনতে পারবে না। কারণ তখন তুমি আর ‘সাধারণ’ থাকবা না — তুমি হবো নিজের জীবনের ‘মেসি’।

আয়ান তাহরিম জুন ২৬, ২০২৫ 0
এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: পাকিস্তানকে হারিয়ে দুর্দান্ত জয় বাংলাদেশের

মওলানা ভাসানী হকি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে পাকিস্তানকে ৩-২ গোলে হারিয়ে চমক দেখালো বাংলাদেশ হকি দল। এই জয়ের মাধ্যমে পয়েন্ট তালিকায় এক ধাপ ওপরে উঠে এলো স্বাগতিকরা। প্রথম কোয়ার্টারেই বাংলাদেশ এগিয়ে যায় অধিনায়ক রাসেল মাহমুদের করা পেনাল্টি কর্নার থেকে। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে পাকিস্তান সমতায় ফেরে, তবে তৃতীয় কোয়ার্টারে জোড়া গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বাংলাদেশ। শেষ মুহূর্তে একটি গোল শোধ করলেও হারের হাত থেকে রক্ষা পায়নি পাকিস্তান। গোলদাতারা: বাংলাদেশ: রাসেল মাহমুদ (১টি), আশরাফুল ইসলাম (১টি), মিলন হোসেন (১টি) পাকিস্তান: আব্বাস হায়দার (২টি) রক্ষণে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স বাংলাদেশ দলের গোলরক্ষক নাহিদ হোসেন ম্যাচজুড়ে অসাধারণ সেভ করে দর্শকদের মন জয় করেন। বিশেষ করে চতুর্থ কোয়ার্টারে টানা তিনটি পেনাল্টি কর্নার রুখে দিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন তিনি। কোচের মন্তব্য ম্যাচ শেষে বাংলাদেশের প্রধান কোচ মামুনুর রশিদ বলেন, "এই জয় শুধুমাত্র একটি ম্যাচ নয়, এটি আমাদের মানসিক দৃঢ়তার প্রতীক। আমাদের ছেলেরা আজ অসাধারণ খেলেছে।" টেবিল অবস্থা এই জয়ের ফলে গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ এখন ৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে হলে আগামী ম্যাচে জাপানের বিপক্ষে জিততেই হবে। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড: বাংলাদেশ ৩ – ২ পাকিস্তান গোলদাতারা: বাংলাদেশ: রাসেল (৮’), আশরাফুল (২৯’), মিলন (৩৮’) পাকিস্তান: আব্বাস হায়দার (৩২’, ৫৫’) বাংলাদেশ হকি দলের এমন জয় ক্রিকেটমুখী দেশটিতে নতুন করে আশার আলো জাগাচ্ছে। এশিয়ান হকি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এরকম পারফরম্যান্স ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক ইঙ্গিত বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
ফ্রান্সকে হারিয়ে সেমিফাইনালে স্পেন, তরুণদের জয়জয়কার

ইউরো ২০২৪-এর উত্তেজনাপূর্ণ কোয়ার্টার ফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-১ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছে স্পেন। ম্যাচে স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন তরুণ স্ট্রাইকার লামিন ইয়ামাল, যিনি ইউরো ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবে নতুন রেকর্ড গড়েন। ম্যাচের শুরুতে ফ্রান্স আক্রমণাত্মক খেললেও ১৫ মিনিটে এমবাপ্পের পাস থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন র‍্যান্ডাল কলো মুয়ানি। তবে স্পেন দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায়। ২৫ মিনিটে পেদ্রির দুর্দান্ত ক্রস থেকে সমতায় ফেরান অলমো। এরপর ৩৪ মিনিটে দুর্দান্ত দূরপাল্লার শটে গোল করে ইতিহাস গড়েন ইয়ামাল। দ্বিতীয়ার্ধে ফ্রান্স বারবার আক্রমণ চালালেও স্পেনের রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষক উনাই সিমনের দৃঢ়তা সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। তরুণদের উত্থান স্পেনের এই জয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে তাদের তরুণ খেলোয়াড়রা। ১৬ বছর বয়সী ইয়ামাল, ২১ বছরের পেদ্রি এবং ২২ বছর বয়সী গাভির মিলে গড়া মিডফিল্ড দারুণ খেলেছে পুরো ম্যাচজুড়ে। কোচের প্রতিক্রিয়া ম্যাচ শেষে স্পেন কোচ লুইস ডে লা ফুয়েন্তে বলেন, "আমাদের তরুণরা দেখিয়ে দিয়েছে স্পেন ফুটবলের ভবিষ্যৎ কতটা উজ্জ্বল। তারা ভয়ডরহীন খেলে নিজেদের প্রমাণ করেছে।" ফাইনালের দিকে তাকিয়ে স্পেন এই জয়ের ফলে সেমিফাইনালে উঠলো স্পেন, যেখানে তারা মুখোমুখি হবে জার্মানি ও পর্তুগালের মধ্যকার বিজয়ীর। বিশ্লেষকদের মতে, এভাবে খেলে গেলে স্পেন সহজেই শিরোপার অন্যতম দাবিদার হতে পারে। সংক্ষিপ্ত স্কোর: স্পেন ২ - ১ ফ্রান্স গোলদাতা: ফ্রান্স: কলো মুয়ানি (১৫’) স্পেন: অলমো (২৫’), ইয়ামাল (৩৪’)

Admin জুন ২৬, ২০২৫ 0
ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

Admin ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫ 0
জনপ্রিয় পোস্ট
ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

ইউরোপের রাজধানী ব্রাসেলসে আজ ইউরোপীয় ইউনিয়নের শীর্ষ নেতারা একটি বিশেষ শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হয়েছেন, যার মূল উদ্দেশ্য ইউক্রেন যুদ্ধের জটিল পরিস্থিতিতে শান্তি আলোচনা জোরালো করা। এই বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পাশাপাশি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত আছেন। গত বছরের শুরু থেকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতিতে এক বিশাল অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধের কারণে সারা ইউরোপ এবং বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা সংকট বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই ইউরোপীয় নেতারা এখন যুদ্ধবিরতি এবং স্থায়ী শান্তির জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরিতে কাজ করছেন। ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন বলেন, “আমরা যুদ্ধের মানবিক সংকট বুঝতে পারি এবং এখন আমাদের দায়িত্ব এটি দ্রুত শেষ করার পথ খোঁজা। আমাদের প্রত্যেকের জন্যই শান্তি এবং স্থিতিশীলতা অপরিহার্য।” এই বৈঠকে অস্ত্রবিরতি চুক্তি, যুদ্ধাপরাধ তদন্ত, পুনর্বাসন কার্যক্রম এবং পূর্ব ইউরোপে নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, খাদ্য ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমন্বয়ের কথাও বলা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যদিও আন্তর্জাতিক বৈঠকগুলো যুদ্ধ সমাপ্তির নিশ্চয়তা দেয় না, তবে এগুলো যুদ্ধবিরতির সম্ভাবনা বাড়াতে এবং ভবিষ্যতের স্থিতিশীলতা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলছে পরীক্ষার চাপ ও সামাজিক প্রত্যাশা

দেশের বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যে মারাত্মক প্রভাব ফেলছে ক্রমবর্ধমান পরীক্ষার চাপ এবং পরিবারের পাশাপাশি সমাজের অযৌক্তিক প্রত্যাশা। এ দুটি কারণ মিলেই শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ, বিষণ্নতা এবং আত্মবিশ্বাসের সংকট বেড়ে চলেছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বিশেষজ্ঞ ও মনোবিজ্ঞানীরা।   ফলাফলকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বাড়াচ্ছে উদ্বেগ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থায় ভালো ফলাফল করা যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবার, স্কুল এবং সমাজ—সব জায়গা থেকেই উচ্চ ফলাফলের প্রত্যাশা তৈরি করছে মানসিক চাপের একটি অব্যক্ত বলয়। একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইহান কবির বলেন, “পরীক্ষায় নম্বর কম পেলে মনে হয়, শুধু আমি না, আমার পুরো পরিবার ব্যর্থ হয়ে যাচ্ছে। এটা সহ্য করা খুব কঠিন।” শুধু রাইহান নয়, দেশের নানা প্রান্তের শিক্ষার্থীরা একই অভিজ্ঞতার কথা বলছে।   সামাজিক চাপ ও তুলনার সংস্কৃতি পরিস্থিতি করছে আরও জটিল পরীক্ষার নম্বর নিয়ে প্রতিযোগিতা শুধু শ্রেণিকক্ষে সীমাবদ্ধ নয়—এখন তা সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া গর্ব বা অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কে কোন কলেজে ভর্তি হলো, কে কতো পেল—এসব তুলনার চাপে পড়াশোনার আনন্দ অনেকটাই হারিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ফারহানা তাবাসসুম বলেন, “প্রত্যাশা থাকা ভালো, কিন্তু তা যদি অতিরিক্ত হয়ে যায় এবং একজন শিক্ষার্থীর নিজস্ব সক্ষমতা উপেক্ষা করে চাপিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে তা আত্মসম্মানবোধ নষ্ট করে দেয়। এ থেকেই জন্ম নেয় আত্মগ্লানি, হতাশা এবং মাঝে মাঝে আত্মহননের চিন্তা।”   জরিপে উঠে এসেছে উদ্বেগজনক তথ্য জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট পরিচালিত এক সমীক্ষায় দেখা যায়, শহরাঞ্চলের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৩৫ শতাংশ নিয়মিত মানসিক চাপে থাকে। এর মধ্যে ১২ শতাংশ বিষণ্নতায় ভোগে এবং বড় একটি অংশ কোনো রকম চিকিৎসা ছাড়াই দিন পার করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি বড় অংশ কর্মজীবনে প্রবেশের আগেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়বে, যা ব্যক্তিগত ও সামষ্টিক উভয় পর্যায়ে ক্ষতিকর।   সমাধানে প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ মনোবিজ্ঞানীরা মনে করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিয়মিত কাউন্সেলিং, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, এবং পরিবারের ইতিবাচক ও সহানুভূতিশীল আচরণ এই সমস্যার নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব স্কুলে শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে নিয়মিত কার্যক্রম হয়, সেখানে তাদের একাডেমিক পারফরম্যান্স ও আত্মবিশ্বাস তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। শিক্ষাবিদরা বলছেন, শিক্ষাকে কেবল ফলাফলের সীমায় না এনে একটি মানবিক ও ব্যক্তিকেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি প্রয়োগ করতে হবে। তাহলেই শিক্ষার্থীরা চাপ নয়, ভালোবাসা থেকে শিখবে, এবং গড়ে উঠবে একটি সুস্থ প্রজন্ম।

ব্যাটিং বিপর্যয়ে দিন শুরু, লড়াইয়ে ফিরতে মরিয়া টাইগাররা

কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব ময়দানে চলমান দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থতার চিত্র ফুটে উঠেছে বাংলাদেশের। টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে টাইগাররা সংগ্রহ করে মাত্র ২২০ রান, যেখানে ব্যতিক্রম ছিলেন কেবল শোয়াড ইসলাম (৪৬), মুশফিকুর রহিম (৩৫) ও লিটন দাস (৩৪)। শ্রীলঙ্কার বোলাররা শুরু থেকেই চাপ সৃষ্টি করে রাখে। ডেবিউ করা স্পিনার সোনাল দিনুষা ৩ উইকেট নিয়ে আলো ছড়ান, আর আসিথা ফার্নান্দো ও বিষ্ণু ফার্নান্দো নেন ২টি করে উইকেট। প্রথম ইনিংসের জবাবে দ্বিতীয় দিন সকালে শ্রীলঙ্কা উদ্বোধনী জুটি থেকে ভালো সূচনা পায়। ১৩.১ ওভারে কোন উইকেট না হারিয়ে সংগ্রহ করেছে ৬২ রান। ওপেনার পাথুম নিসান্কা ৩৩ এবং লাহিরু উদারা ২৮ রানে অপরাজিত রয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে তাইজুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ বোলিং শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত সাফল্যের দেখা মেলেনি। শ্রীলঙ্কা এখনো বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস থেকে ১৫৮ রানে পিছিয়ে আছে, হাতে রয়েছে সকল উইকেট। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে প্রভাব এই টেস্টটি ২০২৩-২৫ বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হওয়ায় দুই দলের জন্যই পয়েন্টের লড়াই গুরুত্বপূর্ণ। সিরিজের প্রথম টেস্টে পরাজিত হওয়ায় বাংলাদেশ সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচ জিততেই হবে। পরবর্তী চ্যালেঞ্জ স্লো পিচে বাংলাদেশ বোলারদের আরও পরিকল্পিত বোলিং করতে হবে। দ্রুত উইকেট তুলে না নিতে পারলে শ্রীলঙ্কা বড় লিড নিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেবে টাইগারদের। ফিল্ডিংয়ে মনোযোগ এবং টাইট বোলিংয়ের মাধ্যমেই দ্বিতীয় ইনিংসে নিজেদের ফিরে পাওয়ার আশায় বাংলাদেশ। সংক্ষিপ্ত স্কোরকার্ড (দিন ২, প্রথম সেশন পর্যন্ত): বাংলাদেশ (১ম ইনিংস): ২২০/১০ শ্রীলঙ্কা (১ম ইনিংস): ৬২/০ (১৩.১ ওভার) নিসান্কা: ৩৩*, উদারা: ২৮* বাংলাদেশ বোলার: তাইজুল, মিরাজ – উইকেটহীন

ইউরোপে তীব্র গরমে বিপর্যস্ত জনজীবন: মৃতের সংখ্যা বাড়ছে প্রতিদিন

ইউরোপে বর্তমানে প্রচণ্ড গরমের যে ঢেউ বইছে, তা যেন আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে। স্পেন, ইতালি, গ্রিস, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ দক্ষিণ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। এই অস্বাভাবিক গরমে জনজীবন চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা, হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর ভিড়, আর মানুষের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এবারের তাপপ্রবাহ শুধু একটি স্বাভাবিক গ্রীষ্মকালীন ঘটনা নয়, বরং এটি জলবায়ু পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব। গত কয়েক দশকে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে ইউরোপের আবহাওয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। আগে যেখানে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রির ওপরে যেত না, এখন সেখানে ৪৫-৪৭ ডিগ্রিও স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। এমনকি অনেক অঞ্চলে তাপমাত্রা এতটাই বেড়েছে যে আগুন লেগে যাচ্ছে বনাঞ্চলে, আর দাবানল নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে দমকল বাহিনী। বিশেষ করে বয়স্ক এবং শিশুদের মধ্যে এই গরমে মৃত্যুহার বাড়ছে আশঙ্কাজনক হারে। ইতালির রোমে একদিনে অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে শুধুমাত্র হিট স্ট্রোকের কারণে। ফ্রান্সে হাসপাতালগুলোতে রোগীদের জন্য ঠান্ডা ঘর তৈরি করতে হচ্ছে, আর জার্মানির কিছু এলাকায় পানি সংরক্ষণের জন্য বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। গরমের প্রভাবে জনজীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও পড়েছে বড় প্রভাব। রাস্তাঘাট ফাঁকা, অনেক অফিস ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে দুপুরের সময়। পর্যটন খাতে পড়েছে বড় আঘাত, কারণ বহু পর্যটক সফর বাতিল করছেন। কৃষিক্ষেত্রেও এর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে—খরায় জমির ফসল নষ্ট হচ্ছে, গবাদিপশু পানিশূন্যতায় মারা যাচ্ছে, আর কৃষকরা পড়েছেন দিশেহারা অবস্থায়। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এমন তীব্র গরম কেবল শুরু। যদি বৈশ্বিক তাপমাত্রা বাড়তে থাকে এই হারে, তাহলে আগামী কয়েক দশকে ইউরোপের দক্ষিণাঞ্চল বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠতে পারে। অনেক দেশ এরইমধ্যে তাদের নাগরিকদের সচেতন করতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে—যেমন দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা, ও ঠান্ডা জায়গায় থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে শুধু পরামর্শ বা সতর্কতা যথেষ্ট নয়। অনেকেই বলছেন, এখনই যদি বিশ্ব নেতারা কার্যকর জলবায়ু পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে এ ধরনের বিপর্যয় আরও ঘন ঘন দেখা যাবে, এবং শুধু ইউরোপ নয়, গোটা পৃথিবীর মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। ইউরোপে এই গ্রীষ্মের ভয়াবহ চিত্র আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে—জলবায়ু পরিবর্তন আর কোনো ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়, এটি এখনই ঘটছে, এবং এর প্রভাব এখনই আমাদের জীবনকে করে তুলছে হুমকির মুখে।

নিউইয়র্কের সম্ভাব্য মেয়র মুসলিম তরুণ মামদানি

নিউইয়র্কের রাজনীতিতে এক নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন একজন তরুণ, মুসলিম, প্রগতিশীল নেতা—জোহারান মামদানি। তার বয়স মাত্র ৩৩ বছর, কিন্তু এরই মধ্যে তিনি নিউইয়র্কবাসীর দৃষ্টি কেড়েছেন সাহসী বক্তব্য, সমাজকল্যাণমুখী কর্মসূচি এবং ভিন্নধারার রাজনৈতিক দর্শন দিয়ে। অনেকেই বলছেন, নিউইয়র্কের পরবর্তী মেয়র হতে পারেন এই মুসলিম তরুণ।   মামদানির পরিচয় জোহারান মামদানি একজন মুসলিম এবং ভারতীয়-উগান্ডীয় বংশোদ্ভূত। তার মা বিশ্ববিখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার, আর বাবা মোহাম্মদ মামদানি একজন নামকরা শিক্ষাবিদ। মামদানি শৈশবেই উগান্ডা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসেন এবং নিউইয়র্কেই বড় হন। তিনি বর্তমানে অ্যাস্টোরিয়াতে বসবাস করেন এবং পেশাগতভাবে একজন হাউজিং কাউন্সেলর থেকে রাজনীতিবিদ হয়েছেন।   রাজনীতিতে প্রবেশ ২০২০ সালে নিউইয়র্ক স্টেট অ্যাসেম্বলি নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক সোশ্যালিস্টদের সমর্থনে কুইন্স জেলার ৩৬ নম্বর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিজয়ী হন। তিনি নিজেকে "জনগণের প্রতিনিধি" হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি গৃহহীন, শ্রমজীবী ও প্রান্তিক মানুষের কণ্ঠস্বর। তার মূল রাজনৈতিক এজেন্ডাগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভাড়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ ফ্রি পাবলিক বাস সকলের জন্য স্বাস্থ্যসেবা ও শিশু পরিচর্যার সুযোগ মুসলিম সম্প্রদায়সহ সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা   সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী জোহারান মামদানি এখন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র পদের জন্য বিবেচিত সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন। প্রথাগত রাজনীতিবিদদের চেয়ে আলাদা হওয়ায় তরুণ প্রজন্ম ও অভিবাসীদের মধ্যে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী হন, তবে এটি নিউইয়র্কের রাজনীতিতে একটি বড় পরিবর্তনের সূচনা হবে।   মুসলিম পরিচয় এবং নেতৃত্ব একজন গর্বিত মুসলিম হিসেবে মামদানি কখনও নিজের ধর্মীয় পরিচয় লুকাননি। বরং তিনি ইসলামিক মূল্যবোধের আলোকে সমাজসেবা ও ন্যায়ের কথা বারবার উচ্চারণ করে গেছেন। তিনি ‘Students for Justice in Palestine’ নামক সংগঠনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও ন্যায়ের জন্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।   উপসংহার জোহারান মামদানি শুধু একজন মুসলিম রাজনীতিবিদ নন, তিনি বর্তমান প্রজন্মের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। একদিকে তার তরুণ নেতৃত্ব, অন্যদিকে তার সামাজিক দায়বদ্ধতা নিউইয়র্কের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বকে নতুন দিশা দিতে পারে। নিউইয়র্কবাসীর আশাবাদ—এই তরুণ যদি মেয়র হন, তবে নগরবাসীর প্রকৃত সমস্যাগুলোর সমাধানে আমরা এক নতুন ইতিহাস দেখতে পারি।

শীর্ষ সপ্তাহ

আন্তর্জাতিক

ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে শান্তি আলোচনা জোরালো করতে ইউরোপীয় নেতাদের বৈঠক

Admin জুন ২৫, ২০২৫ 0