নিখাদ খবর ডেস্ক

স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানায়, তারা আশাবাদী যে নির্বাচনের পরে জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আসতে দেওয়ার অনুমতি মিলবে। জাকির নায়েককে ২৮ ও ২৯ নভেম্বর দুই দিনের জন্য ঢাকায় আনতে চেয়েছিল।
কিন্তু গত ৪ নভেম্বর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় তাকে আপাতত বাংলাদেশে আসার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় আলোচনা হয়, জাকির নায়েক বাংলাদেশে এলে প্রচুর জনসমাগম হবে। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রচুর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যের প্রয়োজন হবে। জাকির নায়েকের ঢাকায় আসাকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে এত সদস্য সেখানে মোতায়েনের সুযোগ নেই।
সবাই এখন নির্বাচনমুখী। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, জাতীয় নির্বাচনের পর তিনি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে নির্বাচনের আগে নয়।
স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা গত ৪-৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ ডা. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি।
বহু চেষ্টার পর ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ডা. নায়েক নিজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও লেকচার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেন।
এতে আরো বলা হয়, ‘এরপর আমরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে প্রয়োজনীয় অনুমতির জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করি। অনুমোদন পাওয়ার পর আমরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করি। এর মধ্যে পাঁচতারা হোটেল, ভেন্যু, লজিস্টিকস, মার্কেটিং, প্রোডাকশনসহ অন্যান্য অপরিহার্য খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে গিয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হঠাৎ করেই গত ৪ নভেম্বর কিছু সংবাদে দেখা যায়, বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী বক্তা ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফরের অনুমতি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমরা এই সংবাদে গভীরভাবে বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। সরকারি অনুমোদন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে আমরা ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং বিপুল আর্থিক বিনিয়োগ করেছি। আমরা আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ বিষয়টি নির্বাচন পরবর্তীতে অনুমোদন প্রদান করবেন এবং স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডা. জাকির নায়েকের সম্মতিক্রমে পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করবে।

স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট জানায়, তারা আশাবাদী যে নির্বাচনের পরে জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আসতে দেওয়ার অনুমতি মিলবে। জাকির নায়েককে ২৮ ও ২৯ নভেম্বর দুই দিনের জন্য ঢাকায় আনতে চেয়েছিল।
কিন্তু গত ৪ নভেম্বর সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত কোর কমিটির সভায় তাকে আপাতত বাংলাদেশে আসার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
সভায় আলোচনা হয়, জাকির নায়েক বাংলাদেশে এলে প্রচুর জনসমাগম হবে। জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে প্রচুর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যের প্রয়োজন হবে। জাকির নায়েকের ঢাকায় আসাকে কেন্দ্র করে এই মুহূর্তে এত সদস্য সেখানে মোতায়েনের সুযোগ নেই।
সবাই এখন নির্বাচনমুখী। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, জাতীয় নির্বাচনের পর তিনি ঢাকায় আসতে পারেন। তবে নির্বাচনের আগে নয়।
স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আমরা গত ৪-৫ বছর ধরে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ইসলামী চিন্তাবিদ ডা. জাকির নায়েককে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছি।
বহু চেষ্টার পর ২০২৫ সালের ৩১ জুলাই ডা. নায়েক নিজের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ সফর ও লেকচার প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের বিষয়ে লিখিত সম্মতি দেন।
এতে আরো বলা হয়, ‘এরপর আমরা বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে প্রয়োজনীয় অনুমতির জন্য আনুষ্ঠানিক আবেদন করি। অনুমোদন পাওয়ার পর আমরা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করি। এর মধ্যে পাঁচতারা হোটেল, ভেন্যু, লজিস্টিকস, মার্কেটিং, প্রোডাকশনসহ অন্যান্য অপরিহার্য খাতে কোটি কোটি টাকা ব্যয় হয়ে গিয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, হঠাৎ করেই গত ৪ নভেম্বর কিছু সংবাদে দেখা যায়, বিশ্ববিখ্যাত ইসলামী বক্তা ডা. জাকির নায়েকের বাংলাদেশ সফরের অনুমতি আপাতত স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আমরা এই সংবাদে গভীরভাবে বিস্মিত ও উদ্বিগ্ন। সরকারি অনুমোদন ও নির্দেশনার ভিত্তিতে আমরা ইতিমধ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি এবং বিপুল আর্থিক বিনিয়োগ করেছি। আমরা আশা করি, সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহ বিষয়টি নির্বাচন পরবর্তীতে অনুমোদন প্রদান করবেন এবং স্পার্ক ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ডা. জাকির নায়েকের সম্মতিক্রমে পরবর্তী তারিখ ঘোষণা করবে।

দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তাবাদ, ভোট ও নারীর অধিকার, সাম্য ও ন্যায্যতার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন অকাতরে। মিথ্যে মামলার জালে চার দেয়ালের মাঝে কাটিয়েছেন বছরের পর বছর।
৩ দিন আগে
শেরপুরের রোজবার্গের মালিক হযরত আলীর এলসির কাগজপত্রে জাল-জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে শুরুতেই। পরে সোনালী ব্যাংক পুরো অর্থ আটকে দেয়। খবর পেয়ে তৎপর হয় দুর্নীতি দমন কমিশন। অর্থ আটকে দেওয়ার পরে রোজবার্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
৭ দিন আগে
গত ১২ বছর আগে খোলা এলসির মূল্য সুদে-আসলে এখন দাঁড়িয়েছে ৩ গুণ বা প্রায় ৩০ লাখ ডলার। জালিয়াত চক্রের প্রভাবে সেই অর্থ এখন ছাড় করতে যাচ্ছে সোনালী ব্যাংক। সমালোচিত ও বহুল বিতর্কিত ওই প্রতিষ্ঠানটি হলো— রোজবার্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
৮ দিন আগে
কেয়ারটেকার থেকে হয়েছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর প্রভাবশালী ঠিকাদার। নিয়মকে অনিয়মে পরিণত করে শত শত কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ঠিকাদার ইয়াছির আরাফাত। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিসিকে তার যে দাপট ছিল, এখনো চলছে তাঁর সেই একচেটিয়া প্রভাব।
১৭ দিন আগেদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, জাতীয়তাবাদ, ভোট ও নারীর অধিকার, সাম্য ও ন্যায্যতার জন্য নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন অকাতরে। মিথ্যে মামলার জালে চার দেয়ালের মাঝে কাটিয়েছেন বছরের পর বছর।
শেরপুরের রোজবার্গের মালিক হযরত আলীর এলসির কাগজপত্রে জাল-জালিয়াতির বিষয়টি ধরা পড়ে শুরুতেই। পরে সোনালী ব্যাংক পুরো অর্থ আটকে দেয়। খবর পেয়ে তৎপর হয় দুর্নীতি দমন কমিশন। অর্থ আটকে দেওয়ার পরে রোজবার্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড থেকে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হয়।
গত ১২ বছর আগে খোলা এলসির মূল্য সুদে-আসলে এখন দাঁড়িয়েছে ৩ গুণ বা প্রায় ৩০ লাখ ডলার। জালিয়াত চক্রের প্রভাবে সেই অর্থ এখন ছাড় করতে যাচ্ছে সোনালী ব্যাংক। সমালোচিত ও বহুল বিতর্কিত ওই প্রতিষ্ঠানটি হলো— রোজবার্গ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।
কেয়ারটেকার থেকে হয়েছেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) এর প্রভাবশালী ঠিকাদার। নিয়মকে অনিয়মে পরিণত করে শত শত কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন ঠিকাদার ইয়াছির আরাফাত। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিসিকে তার যে দাপট ছিল, এখনো চলছে তাঁর সেই একচেটিয়া প্রভাব।