শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতের একটি স্ট্যাটাসে অভিনেতা আলভী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ করেছেন, যা ইকরার মৃত্যুর তদন্তকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তিনি জানিয়েছেন, নেপাল শুটিংয়ের দিন থেকে বাড়িতে ইকরার বন্ধু ও সন্তানদের নিয়মিত যাওয়া-আসা চলত এবং মধ্যরাত পর্যন্ত মদ ও গাঁজার পার্টি হত; বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া যাবে।
এছাড়া আলভী বলেছেন, ইকরার ফোনে কে ‘ডিসেবল’ করেছে তা ফরেনসিক রিপোর্টে নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং তিনি নিজেও তার ফোনের আলাপচারিতা তদন্তকারীদের খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছেন। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইকরার মৃত্যুর পর তা করাতে বাধা দেওয়া হলো এবং রিপোর্টে কারও চাপের কারণে তথ্য পরিবর্তন হওয়া যাবে না।
নিজের স্ত্রীর সম্ভাব্য পরকীয়া বিষয়েও আলভী জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নাবিদ’ নামের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, যা তিনি ‘ভালোবাসার কারণে’ মেনে নিয়েছেন।
তিনি সতর্ক করেছেন, উপরের মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের প্রতিশোধপরায়ণতা এবং কর্মক্ষেত্রের অমনোবল তার তদন্তে বাধা দেবে। তাই অনুরোধ করেছেন, ছেলে রিজিকের স্বার্থে এবং সত্য উদঘাটনের জন্য ভক্তরা ইকরা মৃত্যুর আসল রহস্য প্রকাশে সহায়তা করবেন।
ইকরার মৃতদেহ ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকালে আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। দম্পতির ১৪ বছরের সম্পর্কের ফলস্বরূপ রিজিক নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে।
শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতের একটি স্ট্যাটাসে অভিনেতা আলভী তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রকাশ করেছেন, যা ইকরার মৃত্যুর তদন্তকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। তিনি জানিয়েছেন, নেপাল শুটিংয়ের দিন থেকে বাড়িতে ইকরার বন্ধু ও সন্তানদের নিয়মিত যাওয়া-আসা চলত এবং মধ্যরাত পর্যন্ত মদ ও গাঁজার পার্টি হত; বিষয়টি সিসিটিভি ফুটেজে পাওয়া যাবে। এছাড়া আলভী বলেছেন, ইকরার ফোনে কে ‘ডিসেবল’ করেছে তা ফরেনসিক রিপোর্টে নির্ধারণ করা প্রয়োজন এবং তিনি নিজেও তার ফোনের আলাপচারিতা তদন্তকারীদের খতিয়ে দেখতে অনুরোধ করেছেন। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কেন ইকরার মৃত্যুর পর তা করাতে বাধা দেওয়া হলো এবং রিপোর্টে কারও চাপের কারণে তথ্য পরিবর্তন হওয়া যাবে না। নিজের স্ত্রীর সম্ভাব্য পরকীয়া বিষয়েও আলভী জানিয়েছেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘নাবিদ’ নামের এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল, যা তিনি ‘ভালোবাসার কারণে’ মেনে নিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন, উপরের মহলের চাপ, ইকরার পরিবারের প্রতিশোধপরায়ণতা এবং কর্মক্ষেত্রের অমনোবল তার তদন্তে বাধা দেবে। তাই অনুরোধ করেছেন, ছেলে রিজিকের স্বার্থে এবং সত্য উদঘাটনের জন্য ভক্তরা ইকরা মৃত্যুর আসল রহস্য প্রকাশে সহায়তা করবেন। ইকরার মৃতদেহ ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনাকালে আলভী নেপালে শুটিংয়ে ছিলেন। দম্পতির ১৪ বছরের সম্পর্কের ফলস্বরূপ রিজিক নামে এক পুত্র সন্তান রয়েছে।
মানিকগঞ্জে একটি নাটকের শুটিং সেটে সহশিল্পীর প্রতি অসদাচরণ ও শারীরিক আঘাতের অভিযোগ উঠেছে ছোট পর্দার অভিনেত্রী তানজিন তিশা–এর বিরুদ্ধে। অভিযোগকারী অভিনেত্রী সামিয়া অথৈ দাবি করেছেন, দৃশ্য ধারণ চলাকালে স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়, যার ফলে তিনি রক্তাক্ত হন। জানা যায়, পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু–র নির্মাণাধীন একটি নাটকের শুটিং চলাকালে গত ২ মার্চ এ ঘটনা ঘটে। নাটকে আরও অভিনয় করছেন শহিদুজ্জামান সেলিমসহ একাধিক শিল্পী। অভিযোগ অনুযায়ী, দৃশ্য ধারণের সময় তিশা ইচ্ছাকৃতভাবে খামচি দিয়ে অথৈয়ের হাতে আঘাত করেন। উপস্থিত সহকর্মীরা বিষয়টি লক্ষ্য করেন বলে জানা গেছে। অভিযোগের সূত্রপাত একটি ব্যক্তিগত উপহার প্রদানকে কেন্দ্র করে হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এ ছাড়া অতীতে পেশাগত বিষয়ে ফোনে হুমকির অভিযোগও উত্থাপন করেছেন সামিয়া অথৈ। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তানজিন তিশার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট মহলে পেশাগত আচরণবিধি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা এবং শিল্পীদের পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখার প্রশ্নটি সামনে এসেছে। ভুক্তভোগী পক্ষ প্রয়োজনীয় আইনি প্রতিকার চাইবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। বিস্তারিত আসছে...
দীর্ঘদিন ধরে একটি চলচ্চিত্রের কাজ ঝুলে থাকায় আইনি জটিলতায় পড়েছেন দক্ষিণী তারকা ধানুশ। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেনান্ডাল ফিল্মস অভিনেতার কাছে ২০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া–র প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালে ‘নান রুদ্রন’ শিরোনামের একটি সিনেমায় অভিনয় ও পরিচালনার জন্য ধানুশ প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেও এখনো ছবিটির শুটিং শুরু হয়নি। নোটিশে উল্লেখ করা হয়, প্রকল্পে একাধিক সময়সূচি পরিবর্তনে প্রযোজনা সংস্থা সম্মত হলেও দীর্ঘ বিলম্বে তাদের বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। প্রযোজনা সংস্থার দাবি, চুক্তিভুক্ত ছবির কাজ শেষ না করেই ধানুশ অন্য চলচ্চিত্রে সময় দেওয়ায় প্রকল্পটি কার্যত স্থবির হয়ে পড়ে। ফলে প্রাথমিক বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ক্ষতিপূরণ চাওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও নোটিশে জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ধানুশের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।