দেশব্যাপী পানি ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃহৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৬ মার্চ) একযোগে ৫৪ জেলায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খননের মাধ্যমে এই জাতীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্মসূচির প্রথম ধাপে আগামী ছয় মাসে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পাঁচ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা ও খাল-বিল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় পৌঁছে তিনি সাহাপাড়া খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। একই সময় দেশের অন্যান্য ৫৩টি স্থানেও এ কর্মসূচি একযোগে শুরু হবে।
অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ছাগল বিতরণ করবেন এবং স্থানীয় জনসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। পরে বিকেলে তিনি দিনাজপুর উপশহরের ফরিদপুর কবরস্থানে তাঁর নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন।
সফরসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুর শহরের গোর-এ-শহিদ বড় ময়দানে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
দেশব্যাপী পানি ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বৃহৎ কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার (১৬ মার্চ) একযোগে ৫৪ জেলায় খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খননের মাধ্যমে এই জাতীয় কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্মসূচির প্রথম ধাপে আগামী ছয় মাসে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাধার পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় পাঁচ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা ও খাল-বিল খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী, সকালে সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর এলাকায় পৌঁছে তিনি সাহাপাড়া খাল খনন কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। একই সময় দেশের অন্যান্য ৫৩টি স্থানেও এ কর্মসূচি একযোগে শুরু হবে। অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মধ্যে ছাগল বিতরণ করবেন এবং স্থানীয় জনসমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। পরে বিকেলে তিনি দিনাজপুর উপশহরের ফরিদপুর কবরস্থানে তাঁর নিকটাত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে দিনাজপুর শহরের গোর-এ-শহিদ বড় ময়দানে সুধী সমাবেশে যোগ দিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।
জাতীয় সংসদে দেওয়া বক্তব্যে বিরোধী দলের ঘোষিত ‘সংস্কার পরিষদ’-এর শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়াকে অসাংবিধানিক বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনা আবেগের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রচলিত আইন ও সংবিধানের কাঠামোর মধ্য দিয়েই হতে হয়। রোববার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে ‘জুলাই সনদ’ প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সরকার জুলাই সনদের বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এ ধরনের যে কোনো উদ্যোগ অবশ্যই আইন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের নির্ধারিত কাঠামোর মধ্য দিয়ে বাস্তবায়িত হতে হবে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন—কোনো ‘সংস্কার পরিষদ’-এর নয়। ফলে বর্তমান সাংবিধানিক ব্যবস্থায় এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় সংস্কার পরিষদ গঠন করতে হলে আগে সংবিধানে প্রয়োজনীয় সংশোধন আনতে হবে। সংসদে আলোচনা ও আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ধরনের কোনো পরিষদ গঠনের প্রশ্ন বিবেচিত হতে পারে। সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, এ বিষয়ে ইতোমধ্যে আদালতে আইনি চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এবং বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে। আদালতও এ বিষয়ে রুল জারি করেছেন। তিনি বলেন, গণভোটের রায় বা সংসদের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধনের আগে সংস্কার পরিষদ গঠন বা শপথ গ্রহণের উদ্যোগকে সাংবিধানিকভাবে বৈধ বলা যায় না। আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারে।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার দুই প্রধান অভিযুক্তকে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশে সহায়তার অভিযোগে ফিলিপ সাংমা নামে এক বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)। শনিবার (১৪ মার্চ) নদীয়া জেলার শান্তিপুর সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। কলকাতায় অবস্থানরত একটি কূটনৈতিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ফিলিপ সাংমাকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন যে, অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশে সহায়তা করেছিলেন। পরে নিজেও গ্রেফতার এড়াতে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন বলে জানান তিনি। বর্তমানে তাকে আদালতের নির্দেশে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এর আগে গত সপ্তাহে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে গ্রেফতার করে এসটিএফ। আদালত তাদের ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে পাঠানোর নির্দেশ দেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পুরানা পল্টনের কালভার্ট রোডে জুমার নামাজের পর রিকশায় থাকা অবস্থায় ওসমান বিন হাদিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হলেও ছয় দিন পর সেখানে তার মৃত্যু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, হামলার পরপরই অভিযুক্তরা ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যায়। এই মামলায় দেশে এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আরও দুজন এখনো পলাতক রয়েছে। মামলাটির তদন্ত বর্তমানে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) পরিচালনা করছে।