দীর্ঘ জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন অর্জুন তেন্ডুলকর। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক পারিবারিক আয়োজনে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে। বিয়ের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ঘনিষ্ঠ স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে।
বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কিছু ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা অল্প সময়েই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভক্তদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে ক্রিকেট ও বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, অর্জুন হলেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের পুত্র। তার এই বিয়েকে ঘিরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছার বার্তা অব্যাহত রয়েছে।
দীর্ঘ জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হলেন অর্জুন তেন্ডুলকর। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) এক পারিবারিক আয়োজনে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সানিয়া চন্দোকের সঙ্গে। বিয়ের অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয় ঘনিষ্ঠ স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতার কিছু ছবি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা অল্প সময়েই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে ভক্তদের মধ্যে। অনুষ্ঠানে ক্রিকেট ও বিনোদন অঙ্গনের বেশ কয়েকজন পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, অর্জুন হলেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের পুত্র। তার এই বিয়েকে ঘিরে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুভেচ্ছার বার্তা অব্যাহত রয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জরুরি প্রয়োজনে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন সফরে গেছেন। দেশ ছাড়ার আগে তিনি বিসিবির পরিচালকবৃন্দের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বার্তায় তার সফরের তথ্য নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, তার অনুপস্থিতিতেও স্ব-স্ব কমিটির কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চলবে এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে তিনি অনলাইনে সক্রিয় থাকবেন। সফরের সময় তিনি বিসিবি সদস্যদের রমজান মাসের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানান এবং আশ্বস্ত করেন, শিগগিরই দেশে ফিরবেন। বুলবুল দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাস করছেন। রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তাঁকে দায়িত্ব দেয় এবং পরবর্তীতে নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি বিসিবির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশকে ২০২৬ আইসিসি টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এ সিদ্ধান্তের কথা প্রকাশ্যে জানান। এ অবস্থানকে স্বাগত জানিয়ে পাকিস্তান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বক্তব্যে আসিফ নজরুল বলেন, খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবের বাইরে রাখার প্রশ্নে পাকিস্তানের অবস্থান প্রশংসনীয়। তিনি উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন—বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদ হিসেবেই ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের পাশে রয়েছে। উল্লেখ্য, আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে শুরু হচ্ছে ২০২৬ টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ হওয়ার কথা ছিল। তবে নিরাপত্তা উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ভারতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিলে আইসিসি দলটিকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় এবং পরিবর্তে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, নিরাপত্তা সংক্রান্ত যৌক্তিক আশঙ্কা উপেক্ষা করেই আইসিসি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের অবস্থান আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।