সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় ঈদের ছুটিতে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে মাছের ঘেরের পানিতে ডুবে খালাতো ভাই-বোন দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সন্ন্যাসীর চক গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলো পশ্চিম তারালী গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে জাকারিয়া হোসেন (১০) এবং পূর্ব নলতা গ্রামের আহসান আলীর মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৮)। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই-বোন। জাকারিয়া স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এবং জান্নাতুল একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তারা রোববার সকালে সন্ন্যাসীর চক গ্রামে তাদের নানা আবদুল আজিজের বাড়িতে বেড়াতে আসে। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে নিখোঁজ হয় তারা। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর বেলা আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘেরে তাদের নিথর দেহ ভেসে ওঠে।
পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করলেও ততক্ষণে দুই শিশুরই মৃত্যু হয়।
কালিগঞ্জ থানার ওসি জুয়েল হোসেন জানান, খেলার সময় অসাবধানতাবশত ঘেরের পানিতে পড়ে গিয়ে এবং সাঁতার না জানায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এছাড়া ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী এসআই কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পানিতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় ঈদের ছুটিতে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে মাছের ঘেরের পানিতে ডুবে খালাতো ভাই-বোন দুই শিশুর করুণ মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ মার্চ) দুপুরে উপজেলার সন্ন্যাসীর চক গ্রামে এ হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলো পশ্চিম তারালী গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে জাকারিয়া হোসেন (১০) এবং পূর্ব নলতা গ্রামের আহসান আলীর মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস (৮)। সম্পর্কে তারা খালাতো ভাই-বোন। জাকারিয়া স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় শ্রেণির এবং জান্নাতুল একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তারা রোববার সকালে সন্ন্যাসীর চক গ্রামে তাদের নানা আবদুল আজিজের বাড়িতে বেড়াতে আসে। সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে নিখোঁজ হয় তারা। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজির পর বেলা আড়াইটার দিকে বাড়ির পাশের একটি মাছের ঘেরে তাদের নিথর দেহ ভেসে ওঠে। পরে স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করলেও ততক্ষণে দুই শিশুরই মৃত্যু হয়। কালিগঞ্জ থানার ওসি জুয়েল হোসেন জানান, খেলার সময় অসাবধানতাবশত ঘেরের পানিতে পড়ে গিয়ে এবং সাঁতার না জানায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনাস্থল পরিদর্শনকারী এসআই কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে পানিতে ডুবে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
ঠাকুরগাঁওয়ে সাম্প্রতিক জ্বালানি তেলের সরবরাহ সমস্যা ও সড়কজুড়ে দীর্ঘ লাইনের মধ্যেই এক বিয়ের অনুষ্ঠানে জন্ম নিলো বিরল দৃশ্য। সদরের বেগুনবাড়ি ইউনিয়নের রাজাপুকুরে বর রাতুল হাসান সাফি হাতে পেয়েছেন ৫ লিটার অকটেন। উপস্থিত অতিথিদের চোখে কৌতূহল এবং হাসির সঞ্চার ঘটেছে এই ব্যতিক্রমী উপহারের কারণে। উপহারদাতা জহিরুল ইসলাম জানান, দৈনন্দিন কাজের জন্য তেলের ঘাটতি এবং ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষার পরিস্থিতিতে বর-কনের যাতায়াত সহজ করার উদ্দেশ্যে এই অকটেন উপহার দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “মানুষ এখন তেলের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়ছে। সেই সময় বর-কনে যাতে স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দে চলাচল করতে পারে, তাই এ ধরনের ব্যতিক্রমী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।” অতিথিরা বলছেন, বর্তমান জ্বালানি সংকটের সময় এমন উপহার শুধু মজার নয়, বরং ব্যবহারিকভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বর রাতুল হাসান সাফি মন্তব্য করেন, “অকটেন হলেও এটি সংকটময় মুহূর্তে আমাদের কাজে আসবে। এটি সত্যিই একটি স্মরণীয় এবং প্রাসঙ্গিক উপহার।” এই ঘটনাটি ঠাকুরগাঁওয়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাব এবং জনগণের দৈনন্দিন জীবনে পড়া অসুবিধারও একটি অনন্য প্রতিফলন হয়ে দেখা দিয়েছে।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নে নেহা নদীর পুনঃ খনন কাজের উদ্বোধনকালে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এবং বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচিতে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণের আমানত নিয়ে যারা অসৎ কর্মকাণ্ড করবে, তাদের বিরুদ্ধে দলীয় শাস্তি এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, খাল খনন দেশের কৃষি বিপ্লবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রকল্পের অর্থ যেন সরাসরি জনগণের কল্যাণে ব্যবহার হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরদারি থাকবে। এছাড়া খাল ও নদী খনন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, মাছ চাষ ও হাঁস পালনের সুযোগ তৈরি এবং গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্বজুড়ে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব মোকাবিলার জন্য উৎপাদন বৃদ্ধির গুরুত্বও তিনি তুলে ধরেন এবং বলেন, কৃষি ও কৃষিবান্ধব প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়নই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। এছাড়া জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্থানীয় কৃষকরা পুনঃ খননের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর ফলে অঞ্চলের কয়েক হাজার একর জমিতে সেচ সুবিধা সহজতর হবে।