যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তকারীরা অপর শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি আর জীবিত নেই বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে।
শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে সেন্ট পিটার্সবার্গের হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে ২৭ বছর বয়সি জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পিনেলাস কাউন্টি পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রুমমেট হিশাম আবুঘারবিয়াকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর টেম্পা এলাকায় অভিযুক্তের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সোয়াট ইউনিটের উপস্থিতিতে প্রায় ২০ মিনিটের অবস্থান শেষে হিশাম আত্মসমর্পণ করে এবং বর্তমানে হেফাজতে রয়েছে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, একই ঘটনায় নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টে বিপুল রক্তের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে, যা থেকে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রবল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাস এলাকায় দেখা গিয়েছিল।
অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, প্রমাণ নষ্ট এবং মরদেহ গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, ঘটনার সঙ্গে সে একাই জড়িত।
তদন্তকারীরা জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত না কি আকস্মিক—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা আলামত ও রক্তের চিহ্ন বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ড ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলায় আরও গুরুতর অভিযোগ যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টির সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডায় নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থীর ঘটনায় নতুন মোড় এসেছে। জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর তদন্তকারীরা অপর শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টি আর জীবিত নেই বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ভোরে সেন্ট পিটার্সবার্গের হাওয়ার্ড ফ্র্যাঙ্কল্যান্ড ব্রিজ থেকে ২৭ বছর বয়সি জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করে পিনেলাস কাউন্টি পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তার রুমমেট হিশাম আবুঘারবিয়াকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর টেম্পা এলাকায় অভিযুক্তের বাসায় অভিযান চালানো হয়। সোয়াট ইউনিটের উপস্থিতিতে প্রায় ২০ মিনিটের অবস্থান শেষে হিশাম আত্মসমর্পণ করে এবং বর্তমানে হেফাজতে রয়েছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, একই ঘটনায় নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট অ্যাপার্টমেন্টে বিপুল রক্তের উপস্থিতি পাওয়া গেছে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে, যা থেকে তার মৃত্যুর সম্ভাবনা প্রবল বলে ধারণা করা হচ্ছে। নাহিদাকে সর্বশেষ ১৬ এপ্রিল ক্যাম্পাস এলাকায় দেখা গিয়েছিল। অভিযুক্ত হিশামের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, প্রমাণ নষ্ট এবং মরদেহ গোপন করার অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে, ঘটনার সঙ্গে সে একাই জড়িত। তদন্তকারীরা জানান, ঘটনাটি পরিকল্পিত না কি আকস্মিক—তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা আলামত ও রক্তের চিহ্ন বিশ্লেষণ করে হত্যাকাণ্ড ও প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা নিশ্চিত করা হচ্ছে। হিলসবরো কাউন্টি শেরিফ অফিস জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক প্রতিবেদন পাওয়ার পর মামলায় আরও গুরুতর অভিযোগ যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে নিখোঁজ নাহিদা বৃষ্টির সন্ধানে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মার্কিন মুলুকে নিখোঁজের রহস্য শেষ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে পরিণত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী—এ ঘটনায় নিহত হয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিহতের পরিবারের বরাতে জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র পুলিশের তদন্তে প্রাপ্ত ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে সন্দেহভাজন ব্যক্তির বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া মানবদেহের অংশের সঙ্গে বৃষ্টির পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে মরদেহের পূর্ণাঙ্গ অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি বলে জানিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। উল্লেখ্য, একই ঘটনায় পূর্বে নিখোঁজ হওয়া আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমন-এর খণ্ডিত মরদেহ ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে উদ্ধার করা হয়, যা পুরো ঘটনাকে দ্বৈত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনার ভিত্তি তৈরি করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, উভয় ভুক্তভোগীর নিখোঁজ হওয়ার সময়কাল কাছাকাছি হওয়ায় ঘটনাটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজন সন্দেহভাজনকে ইতোমধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে প্রযোজ্য ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। নিহত বৃষ্টি ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা-এর স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ছিলেন। তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটিসহ শিক্ষাঙ্গনে গভীর শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
বিশ্বের গবেষণা অঙ্গনে আবারও দৃশ্যমান হলো বাংলাদেশি মেধার শক্ত অবস্থান। মালয়েশিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়নে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বীকৃতি পেয়েছেন। এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র্যাঙ্কিং ২০২৬ অনুযায়ী, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় তিনি মালয়েশিয়ায় শীর্ষস্থান, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন। বিশ্বের ৩৩ হাজারের বেশি বিজ্ঞানীর মধ্যে এই অবস্থান তার গবেষণাগত প্রভাব ও একাডেমিক উৎকর্ষের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, আগের বছরেও তিনি একই বৈশ্বিক অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায়ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি রয়েছে তার। স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী তিনি এই ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম হন। একই সঙ্গে স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও এলসেভিয়ারের যৌথ বিশ্লেষণে প্রকাশিত শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় মালয়েশিয়ার এনার্জি গবেষকদের মধ্যে তিনি শীর্ষে অবস্থান করেন। গবেষণার পাশাপাশি শিক্ষা ও উদ্ভাবনে অবদানের জন্য সানওয়ে ইউনিভার্সিটি থেকে একাধিক সম্মাননা পেয়েছেন ড. সাইদুর রহমান। ২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ বিভাগে নির্বাচিত হন তিনি, যেখানে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানীকে সম্মান জানানো হয়। গুগল স্কলার অনুযায়ী তার এইচ-ইনডেক্স ১৪৫ এবং গবেষণাকর্মে সাইটেশন সংখ্যা ৮৬ হাজারের বেশি। ময়মনসিংহের সন্তান ও বুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী ড. সাইদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ার সানওয়ে ইউনিভার্সিটিতে অধ্যাপনা করছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অর্জন একজন বিজ্ঞানীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক গবেষণা অঙ্গনে বাংলাদেশি মেধার সক্ষমতাকেই তুলে ধরেছে।