বিশ্ব

ইরানের লো-অল্টিটিউড হামলায় হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন বিমান শক্তি

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ২৫, ২০২৬


ইরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থতার কারণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত ঘাটতি ও প্রতিরক্ষা বিনিয়োগের অসমতা তুলে ধরেছেন আন্তর্জাতিক সামরিক বিশ্লেষকরা। ‘মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউট’-এর এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনায় তারা বলেন, নিম্ন আকাশসীমায় (লো অল্টিটিউড) হুমকি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না থাকায় ওয়াশিংটন কার্যকর আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, উচ্চ আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তুলনামূলক সফল হলেও নিম্ন আকাশপথে ইরানের মোবাইল ও বিকেন্দ্রীভূত প্রতিরক্ষা কৌশল কার্যকর বাধা সৃষ্টি করছে। বিশেষ করে স্বল্পমূল্যের ড্রোন ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান আঞ্চলিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বিঘ্নিত করে ব্যয়বহুল প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে চাপে ফেলছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরান সরাসরি আকাশ আধিপত্য অর্জনের চেষ্টা না করে ‘বিঘ্ন সৃষ্টিকারী যুদ্ধনীতি’ (war of disruption) গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি চাপ সৃষ্টি ও প্রতিপক্ষের ব্যয় বাড়ানোই তাদের মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মূলত ধ্বংসাত্মক অভিযান (destructive operations) পরিচালনার মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংসে মনোযোগ দিচ্ছে।
ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশনের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক মাইকেল ও’হ্যানলন সতর্ক করে বলেন, উচ্চমূল্যের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে স্বল্পমূল্যের ড্রোন প্রতিহত করা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়। তিনি প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার, অস্ত্রের মজুত বৃদ্ধি এবং বিকল্প প্রযুক্তি—বিশেষ করে লেজারভিত্তিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এদিকে, মার্কিন প্রশাসন তাদের সামরিক সাফল্যের দাবি অব্যাহত রাখলেও বিশ্লেষকদের অভিমত অনুযায়ী বর্তমান সংঘাতে পূর্ণ আকাশ নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী ব্যয়বহুল প্রতিযোগিতাই প্রধান বাস্তবতা হিসেবে প্রতীয়মান হচ্ছে।

পাকিস্তান ইরানের কাছে পৌঁছে দিল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব

পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রেরিত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব ইরানের হাতে পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন কূটনৈতিক সূত্র। আলজাজিরার প্রতিবেদক ওসামা বিন জাভেদ জানিয়েছেন, পাকিস্তানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা প্রস্তাবটি ইরানিদের কাছে উপস্থাপন করেছেন এবং এখন ইরানের জবাবের প্রতীক্ষা চলছে। একই সূত্র জানায়, আগামী দিনগুলোতে ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে তুরস্কের ক্ষমতাসীন একে পার্টির পররাষ্ট্র বিষয়ক সহসভাপতি হারুন আরমাগান রয়টার্সকে বলেন, আঙ্কারা তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘বার্তা আদান-প্রদানের ভূমিকা’ পালন করছে। তিনি জানান, এই মধ্যস্থতা উত্তেজনা প্রশমিত করা এবং সরাসরি আলোচনার পথ সুগম করার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় রেকর্ড ধস, নামল ৩৬ শতাংশে

ইরানের লো-অল্টিটিউড হামলায় হিমশিম খাচ্ছে মার্কিন বিমান শক্তি

কূটনীতির আড়ালে বিশ্বাসঘাতকতা করছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য মধ্যপ্রাচ্যে পাঁচ শর্তের দাবি উত্থাপন

ইরানের তেহরান সরকার মধ্যপ্রাচ্যের চলমান মাসব্যাপী রণক্ষেত্রীয় সংঘাতের অবসানের জন্য এবার কৌশলগতভাবে পাঁচটি কঠোর শর্ত উত্থাপন করেছে। সোমবার (২৩ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়টি চূড়ান্ত করতে চাইছে, তবে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ ছাড়া কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না।   প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের দাবিসমূহের মধ্যে রয়েছে—   ১. স্থায়ী যুদ্ধবিরতি: সাময়িক নয়, সম্পূর্ণভাবে পুনরায় যুদ্ধ শুরু হবে না তার আন্তর্জাতিক নিশ্চয়তা।  ২. হরমুজ প্রণালী নিয়ন্ত্রণ: কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ জলপথে কার্যত ইরানের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা।  ৩. মার্কিন সামরিক ঘাঁটি প্রত্যাহার: মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে স্থাপিত মার্কিন ঘাঁটিগুলো স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি।  ৪. আর্থিক ক্ষতিপূরণ: যুদ্ধের কারণে ইরানের অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য যথাযথ ক্ষতিপূরণ।  ৫. সংবাদমাধ্যম ও শত্রুদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: বিরোধী অপপ্রচারে লিপ্ত মিডিয়া ও ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা, প্রয়োজন হলে শত্রুদের হস্তান্তর।  হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানের সঙ্গে নিবিড় আলোচনায় রয়েছেন। তবে ইরানের পাঁচ শর্ত কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি এখন এই শর্তগুলোর সঙ্গে রণক্ষেত্রের বাস্তবতার সংমিশ্রণে দুলছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৫, ২০২৬ 0

ইরানকে ১৫ দফা প্রস্তাব দিয়ে যুদ্ধ বন্ধ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র

টিকটকার স্ত্রীকে গুলি করে হত্যার পর স্বামীর আত্মহত্যা

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ভয়ে সংবাদ সম্মেলন ছেড়ে পালালেন ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট

“আর্থিক চাপ আর সইতে পারছেন না ট্রাম্প”

  মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বর্তমানে চলমান যুদ্ধের বহুমুখী চাপ এবং এর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলা করতে কষ্ট হচ্ছে, এমনই মন্তব্য করেছেন হোয়াইট হাউস কলামিস্ট নিয়াল স্ট্যানেজ। দ্য হিলের বিশেষজ্ঞের মতে, বিশ্ববাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধি ও জনগণের ক্রোধ ট্রাম্পের প্রেসিডেন্সির ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলছে। স্ট্যানেজ আল জাজিরাকে বলেন, ট্রাম্প এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে ‘এক্সিট র‍্যাম্প’ বা নিরাপদ প্রস্থানের পথ খুঁজছেন। তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বিবৃতিগুলো হতে পারে কৌশলগত ধাপ্পাবাজি বা খুব শীঘ্রই নীতিগত পরিবর্তনের প্রস্তুতি। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন ভোট-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক চাপের সঙ্গে সামরিক কৌশলগত অবস্থান সমন্বয় ঘটানো—এই দ্বিমুখী চাপে ট্রাম্পের পরবর্তী পদক্ষেপ বিশ্ব রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

জ্বালানি দামের ৭৫ শতাংশ বৃদ্ধির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করলেন সিনেটর শুমার

আয়াতুল্লাহ আর আমি দুজনে মিলে হরমুজ নিয়ন্ত্রণ করব: ট্রাম্প

কলম্বিয়ায় সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত, নিহত বেড়ে ৬৬

0 Comments