- রংপুরে ট্রাকের ধাক্কায় পল্লী চিকিৎসকসহ বাবা-ছেলের মৃত্যু
- সহকারী সচিব পদে উন্নীত হলেন ৩৪ কর্মকর্তা
- মুনাফাহীন ব্যবসাই সমাজ বদলের শক্তি: ড. মঈন খান
- ‘বীর রাষ্ট্রনায়ক জিয়াউর রহমান’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করলেন প্রধানমন্ত্রী
- আধুনিক অভিবাসন কাঠামো গড়তে আসছে নতুন ভিসানীতি
- কেন্দ্রের ভুলে শঙ্কায় ২৫ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ
- ময়মনসিংহে শুরু তিন দিনব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ ২০২৬-২৭’
- দেবহাটায় র্যাবের অভিযানে ১,০৩৫ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার, আটক ১
- বামনী নদীতে ক্লোজার বাঁধের কাজ শেষ পর্যায়ে
- কৃষকদের দক্ষতা ও আয় বাড়াতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস
- বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে হত্যা, আগৈলঝাড়ায় গ্রেপ্তার ২
- জামালপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে প্রতারণা, অপহরণ ও যৌন নিপীড়নের অভিযোগ
- মোরেলগঞ্জে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ
- কলেজে যাওয়ার পর থেকেই নিখোঁজ সঙ্গীতা রাণী সেন
- অযোধ্যার রাম মন্দিরে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ
- এক লাখের বেশি শিক্ষক নিয়োগের আশ্বাস শিক্ষামন্ত্রীর
- সাইবার আইন সংশোধনে মন্ত্রিসভার পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন
- খামেনির জানাজায় অংশ নিতে ইরানের পথে স্পিকার
- ২২ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার টাকা
- কড়া নজরদারির মধ্যে শুরু হয়েছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
- মানিকগঞ্জে অটোরিকশাচালকের মরদেহ ও এক ব্যক্তির ঝুলন্ত লাশ
- পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে বাসচাপায় প্রাণ গেল স্কুলছাত্রের
- ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীকে ৬০০ কেজি আম উপহার পাঠালো পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- বান্দরবান সদর হাসপাতালে ৪ কোটি টাকার টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ
- দীর্ঘদিন কারাগারে সাবেক এমপি সিরাজ মোল্লা
- অনলাইন জুয়ায় সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড, ৫ কোটি টাকা জরিমানা
- ৩০ বছরের দণ্ড, ভোগ করতে হবে ১০ বছর
- পাট পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধিতে নীলফামারীতে মতবিনিময় সভা
- যুদ্ধ থামিয়ে গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েলকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
- ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা স্যার ফজলে হাসান আবেদের সাফল্যগাঁথা
- মোরেলগঞ্জে ক্ষুদ্র প্রান্তিক চাষীদের মাঝে সাড়ে ৫ হাজার চারা বিতরণ
- সৈয়দপুরে রেলসম্পত্তি দখলের মহোৎসব, বেদখলে শত শত একর জমি ও হাজারো কোয়ার্টার
- ধ্বংসস্তূপে জীবিতদের খোঁজে উদ্ধার অভিযান অব্যাহত
- কারাগারে সাবেক এমপি তামান্না নুসরাত বুবলী, স্বাস্থ্য ও বিশেষ সুবিধা নিয়ে নেই সরকারি তথ্য
- মোরেলগঞ্জে তিন বছর ধরে ছাপড়া ঘরে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান
- নীলফামারীতে পৃথক দুর্ঘটনায় ট্রলি চালক ও মোটরসাইকেল আরোহী নিহত
- উজানের ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমার কাছাকাছি
- বাণিজ্যিক জাহাজে ৬০ দিনের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ
- সরকারি বস্তা ব্যবহার করে ধান পরিবহন, ৪৩১ বস্তা ধান জব্দ
- সিজারের পর প্রসূতির মৃত্যু, চিকিৎসক অবহেলার অভিযোগ
- ফরিদপুরে মতুয়া মহাসম্মেলন: ভক্তদের উপস্থিতিতে পরিণত হলো মহামিলনমেলায়
- ওসির অপসারণ ও হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে সৈয়দপুরে মানববন্ধন
- অস্ট্রেলিয়াকে সিরিজ হারিয়ে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ
- জনবান্ধব জেলা প্রশাসক নায়িরুজ্জামান পেলেন বিভাগীয় স্বীকৃতি
- গাজীপুরে পুলিশ বক্সে ঢুকে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আটক ১
- ফকিরহাটে তালের বাম্পার ফলন
- বাগেরহাটের খান জাহান আলী মাজারের কুমিরে ধরা শিশুর মরদেহ উদ্ধার
- অবশেষে বিয়ে করলেন ডুয়া লিপা
- জিয়াউর রহমানের শাহাদাৎ বার্ষিকীতে নাচানাচি: পদ হারালেন বিএনপির দুই নেতা
- ইরানের পতাকা বিতর্কে আইনি চাপে ফিফা
- ফরিদপুরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে আহত ১৫
- পিকআপ-অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘর্ষে বাবা-ছেলের মৃত্যু
- জুলাইয়ে নিহতের সংখ্যা নিয়ে জাতিসংঘকে ‘শেখ হাসিনার চিঠি’
- সৈয়দপুর আর্মি ইউনিভার্সিটিতে ভূমিকম্প ঝুঁকি শীর্ষক সেমিনার
- ঈদযাত্রার জন্য সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় প্রস্তত হচ্ছে ১২৭ কোচ
- পালিয়ে থেকেও শেষ রক্ষা হয়নি বিল্লালের
- কিশোরগঞ্জকে হারিয়ে বিভাগীয় ফাইনালে নরসিংদী নতুন কুঁড়ি ফুটবল দল
- মা ও ছেলের সড়কেই ধান শুকানো, সড়কেই ধান সিদ্ধ
- নারী ও শিশুর সুরক্ষায় পঞ্চগড়ে জনসচেতনতামূলক আয়োজন
- নীলফামারীতে চাহিদার তুলনায় ৫০ হাজারের বেশি কোরবানির পশু
- সুন্দরবনের ত্রাস বনদস্যু সুমন বাহিনীর আত্মসমর্পন
- নারায়ণগঞ্জকে ৮ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে নরসিংদী জেলা ক্রিকেট দল
- ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতিতে ইসরায়েল
- ৪ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয় শিশুটিকে
- বহিষ্কৃত নেত্রী কাজল রেখা ও তার পুত্রদের বিরুদ্ধে অভিযোগের পরও ব্যবস্থা নেই, হামলার শিকার ব্যবসায়ী
- লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন রাষ্ট্রপতি
- রাজধানীতে প্রবাসীর খণ্ডিত লাশ উদ্ধার, তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য
- হজ পালনে সৌদি পৌঁছেছেন ৬২,৫২৮ বাংলাদেশি
- গজারিয়ায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কারিনা কায়সার
- বছরে ১৭ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য কিনবে চীন
- নরসিংদীতে চিংড়ি মাছে জেলী মেশানোর দায়ে পাইকারী ব্যবসায়ীকে জরিমানা
- সৈয়দপুরে ভেজাল জৈব সারের রমরমা বাণিজ্য, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক
- বরিশালে ডিডাব্লিউএফ নার্সিং কলেজের দুর্নীতি তদন্তে আদালতের স্ব প্রণোদিত নির্দেশ
- জলঢাকায় গোডাউন থেকে ৩২ মোটরসাইকেল উদ্ধার
- ৩২ বার এভারেস্ট জয় করে ইতিহাস গড়লেন নেপালের কামি রিতা শেরপা
- মিজানুর রহমান সিনহা আর নেই
- নরসিংদী জেলা প্রশাসনের মাদক বিরোধী অভিযানে ৪ জন আটক ও কারাদন্ড
- মাদকে সয়লাব সারাদেশ
- একনেকে অনুমোদন পেল ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প
- হাম ও হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু
- চূড়ান্ত অনুমোদন পেল পদ্মা ব্যারেজ
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক হলেন মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন
- ‘চুনোপুঁটি’ সরালেও বহাল ‘রাঘববোয়াল’রা
- ফারজানা রুপা ও শাকিলের ৫ মামলায় জামিন
- ক্ষেতের ভেতর থেকে পাইপগান-রামদাসহ যুবক গ্রেপ্তার
- শাপলা চত্বরের ঘটনায় ৩২ হত্যার প্রাথমিক প্রমাণ মিলেছে
- দুর্নীতি মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিচার কার্যক্রম শুরু
- ফের হামলার হুমকি দিল ট্রাম্প
- মাউন্ট মাকালু জয়ের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি বাবর আলী
- ভারত থেকে আরও ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এলো
- বিদেশ সফরে অতিরিক্ত সচিবদের জন্য নতুন নির্দেশনা দিল সরকার
- আন্তর্জাতিক মানে শ্রমিক অধিকার নিশ্চিত করবে সরকার: মাহদী আমিন
- হকার পুনর্বাসনে রাজধানীতে ছয়টি মাঠ নির্ধারিত: ডিএনসিসি প্রশাসক
যুদ্ধ থামিয়ে গাজা পুনর্গঠনে ইসরায়েলকে চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ বন্ধ করে পুনর্গঠন কার্যক্রম এগিয়ে নিতে ইসরায়েলের ওপর নতুন করে চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস অস্ত্র সমর্পণ না করলেও পুনর্গঠন কাজ শুরু করার লক্ষ্যে ওয়াশিংটন একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত মিডল ইস্ট আই–এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ-পরবর্তী পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলকে এই উদ্যোগে সম্মত হওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব ইঙ্গিত দিচ্ছে যে গাজায় নতুন করে সামরিক অভিযান শুরুর পরিবর্তে পুনর্গঠন ও স্থিতিশীলতার দিকেই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে শান্তি-সংক্রান্ত প্রস্তাবে ইসরায়েল সরকারের লিখিত অনুমোদনও চাচ্ছে ওয়াশিংটন।
প্রস্তাবে গাজার গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো পুনর্গঠনের কাজ দ্রুত শুরু করার অনুমতি দিতে ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। এর মধ্যে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের এই নতুন খসড়া প্রস্তাব নিয়ে এখন পর্যন্ত মার্কিন প্রশাসন কিংবা ইসরায়েল সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
বাণিজ্যিক জাহাজে ৬০ দিনের জন্য হরমুজে ফি মওকুফ
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সাম্প্রতিক সমঝোতা স্মারকের অংশ হিসেবে আগামী ৬০ দিনের জন্য হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে কোনো ধরনের ফি না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যায় দেশটির সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ এক বিবৃতিতে জানায়, নির্ধারিত সময় পর্যন্ত প্রণালি অতিক্রমকারী সব জাহাজের ব্যয় সরকার বহন করবে।
একই সঙ্গে শান্তি চুক্তির অংশ হিসেবে হরমুজ প্রণালিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রমও শুরু করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক নৌপথে যে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছিল, এই সিদ্ধান্ত তা স্বাভাবিক করতে সহায়ক হবে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে আগ্রহী সব বাণিজ্যিক জাহাজকে আগে Persian Gulf Waterway Management Authority-এর অনুমতি নিতে হবে। অনুমোদনের পর নির্ধারিত রুট ও সময়সূচি মেনে চলাচল বাধ্যতামূলক থাকবে।
জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ জানায়, নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি ও কারিগরি প্রস্তুতি সম্পন্ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ধাপে ধাপে নৌযান চলাচল স্বাভাবিক করা হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) চুক্তি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সদস্য এ কে এম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের শুরুতে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি স্বাক্ষরিত এআরটি চুক্তির আওতায় মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাক খাতে শূন্য শুল্ক সুবিধা পাওয়া যাবে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানি সক্ষমতা বাড়বে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আরও আকৃষ্ট হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, বাণিজ্য সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (পিটিএ), ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট (এফটিএ) এবং কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (সিইপিএ) করার উদ্যোগ চলমান রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি জিসিসি ও মারকোসুরসহ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোটের সঙ্গে বাণিজ্য সম্প্রসারণের প্রচেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো রপ্তানি বহুমুখীকরণ, নতুন বাজার সৃষ্টি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়িয়ে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা।
হরমুজ প্রণালিতে মুখোমুখি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালি সব ধরনের জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং সতর্ক করেছে যে, নির্দেশ অমান্য করে কোনো জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করলে তা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
ইরানের সামরিক কমান্ডের দাবি, সাম্প্রতিক মার্কিন হামলা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘনের জেরে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা দুটি জাহাজে তারা হামলা চালিয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। ইরানের বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় বিস্ফোরণ ও সামরিক তৎপরতার খবর পাওয়া গেছে।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে বর্তমানে দুই দেশের বাহিনী মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে এবং সংঘর্ষের খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, তাদের কোনো যুদ্ধজাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি এবং কিছু বাণিজ্যিক জাহাজ এখনও চলাচল করছে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালিতে এই অস্থিরতার প্রভাব ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে পড়তে শুরু করেছে। উত্তেজনা বৃদ্ধির পর বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার ওপর বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
গ্রিন কার্ডে নতুন নির্দেশনা আনল যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতিতে বড় পরিবর্তন এনে অস্থায়ী ভিসাধারীদের জন্য গ্রিন কার্ড প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত আরোপ করেছে মার্কিন প্রশাসন। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিদেশি নাগরিকরা আর সহজে দেশটির ভেতরে থেকে স্থায়ী বসবাসের অনুমতির আবেদন করতে পারবেন না।
মার্কিন নাগরিকত্ব ও অভিবাসন সংস্থা (ইউএসসিআইএস) জানিয়েছে, শিক্ষার্থী, পর্যটক ও অস্থায়ী কর্মী ভিসাধারীদের গ্রিন কার্ডের আবেদন করতে হলে নিজ দেশে ফিরে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। শুধুমাত্র ‘বিশেষ পরিস্থিতিতে’ সীমিত ছাড় দেওয়া হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, অবৈধ অভিবাসন নিয়ন্ত্রণ ও অভিবাসন ব্যবস্থার অপব্যবহার ঠেকাতে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের অংশ হিসেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ইউএসসিআইএসের ভাষ্য, বিদেশ থেকে আবেদন বাধ্যতামূলক করলে ভিসার শর্ত লঙ্ঘন ও অননুমোদিতভাবে অবস্থান করার প্রবণতা কমবে। তবে সমালোচকদের দাবি, নতুন নীতির ফলে বহু পরিবার বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে এবং বৈধ আবেদনকারীরাও দীর্ঘ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ১০ লাখের বেশি গ্রিন কার্ড আবেদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাটো ইনস্টিটিউট।
ইরান ইস্যুতে চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছেছি: ট্রাম্প
ইরানকে ঘিরে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র করে কঠোর বার্তা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, চলমান আলোচনায় তেহরান ‘সঠিক সিদ্ধান্ত’ না নিলে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে।
বুধবার (২০ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ইরান ইস্যু এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। কোনো সমঝোতা না হলে পরিস্থিতি দ্রুত জটিল রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট করে জানান, নতুন কোনো চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার কিংবা তেল রপ্তানিতে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, আলোচনায় অগ্রগতি না হলে ওয়াশিংটন কঠোর বিকল্প পথেও যেতে পারে।
তবে ট্রাম্প বলেন, কূটনৈতিক সমাধানের সুযোগ এখনও শেষ হয়ে যায়নি। রক্তপাত এড়াতে প্রয়োজনে কিছু সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে পিছিয়ে দিতেও যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত রয়েছে।
অন্যদিকে তেহরান জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাধ্যমে পাওয়া মার্কিন বার্তা তারা পর্যালোচনা করছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, চাপ প্রয়োগ করে ইরানকে নতি স্বীকার করানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও কূটনৈতিক সমাধানই দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীলতার একমাত্র কার্যকর পথ।
এদিকে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে ঘিরে নতুন করে সামরিক সংঘাতের প্রস্তুতির ইঙ্গিত মিলছে।
বছরে ১৭ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন কৃষিপণ্য কিনবে চীন
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন মোড় নিতে যাচ্ছে। বেইজিংয়ে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে বছরে অন্তত ১৭ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস।
হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৮ সাল পর্যন্ত ধাপে ধাপে এ আমদানি কার্যক্রম চলবে। চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন, গরুর মাংস ও পোলট্রি পণ্যের বাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়েও নীতিগত সমঝোতা হয়েছে।
একইসঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশ যৌথভাবে নতুন অর্থনৈতিক প্ল্যাটফর্ম গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি বেইজিং।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিনের শুল্কযুদ্ধ ও কূটনৈতিক উত্তেজনার পর এই সমঝোতা ওয়াশিংটন-বেইজিং অর্থনৈতিক সম্পর্কে নতুন ভারসাম্য তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।