বাংলাদেশ

জলেই জীবন, ব্যালটে অধিকার

প্রথমবার ভোট দিবেন মান্তারা

Icon
বরিশাল
প্রকাশঃ জানুয়ারী ২৯, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি
ছবি: প্রতিনিধি

বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিবাড়িয়া ইউনিয়নের লাহারহাটে বসবাসকারী মান্তা সম্প্রদায়ের প্রায় চারশ’ মানুষ এবার প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন। ১৭৯টি পরিবারে শতাধিক নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্ত।

সর্দার জাকির হোসেন বলেন, “আগে ভোট আসতো, কিন্তু আমাদের বিষয়ে কোনো প্রার্থী কখনো খোঁজ নিত না। এবার আমরা ভোটার হয়েছি, আমরা এমন প্রার্থী বাছাই করবো যিনি আমাদের দুঃখ-কষ্ট বুঝবেন।” নতুন ভোটার আলমগীর হোসেন যোগ করেন, “জাতীয় পরিচয়পত্র পেয়ে আমরা অন্তত নিজের পরিচয় দিতে পারছি।”

ষাটোর্ধ্ব সমিরোন বিবি জানান, নদীতে মাছ কমে যাওয়ায় জীবন কষ্টকর হয়ে গেছে। মারা গেলে দাফনের জায়গাও সহজে মেলে না। তাই তারা এমন প্রার্থীকে সংসদে পাঠাতে চান, যিনি এই সমস্যা সমাধান করবেন।

বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস জানিয়েছে, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বেসরকারি সংস্থা চন্দ্রদ্বীপ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সহায়তায় প্রায় হাজারের বেশি মান্তা নাগরিকত্ব অর্জন করেছেন। প্রকল্প সমন্বয়কারী মহানন্দ দাস বলেন, “মান্তাদের ভোটার করানো সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তাদের নাগরিকত্বের গুরুত্ব বোঝাতে বহুবার গিয়ে সচেতন করতে হয়েছে।”

সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশালের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, “যে প্রার্থীরা নির্বাচনী ইশতেহারে মান্তা সম্প্রদায়ের উন্নয়নের বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করবেন, তাদের জয়ের সম্ভাবনা বেশি।”

বাংলাদেশ

আরও দেখুন
মোরেলগঞ্জে কাটিমন আম চাষে সাড়া ফেলেছেন ফসল চাষি মুকুল

  লবণাক্ত উপকূলীয় জনপদে যেখানে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ একসময় ছিল প্রায় অকল্পনীয়, সেখানে বারোমাসি কাটিমন আমের সফল বাগান গড়ে আলোচনায় এসেছেন বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার তরুণ উদ্যোক্তা হালদার রুহুল মমিন মুকুল। বিষমুক্ত আম উৎপাদন ও অনলাইনভিত্তিক বাজারজাত ব্যবস্থার মাধ্যমে ইতোমধ্যে তিনি স্থানীয় কৃষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দিগন্ত উন্মোচন করেছেন। উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের এই কৃষি উদ্যোক্তা ছাত্রজীবন শেষ করে আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে ২০২০ সালে পৈতৃক দুই একর জমিতে কাটিমন আমের বাগান গড়ে তোলেন। প্রথমদিকে চুয়াডাঙ্গা থেকে ১০০টি চারা এনে চাষ শুরু করলেও বর্তমানে তার বাগানে গাছের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০০। প্রথম বছরেই উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ করেন তিনি। পরবর্তীতে ধারাবাহিক ফলন ও বাজার চাহিদা বাড়ায় কয়েক বছরে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আম বিক্রি করেছেন। চলতি মৌসুমে গাছজুড়ে থোকায় থোকায় ঝুলছে কাটিমন আম, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে। চাষি মুকুল জানান, চলতি বছর বাগান পরিচর্যা, শ্রমিক ও ওষুধ বাবদ প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে পুরোদমে আম বিক্রি শুরু হবে এবং এ মৌসুমে পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা আয় হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, কাটিমন আমের স্বাদ, মিষ্টতা ও পাতলা আঁটির কারণে বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বাগান থেকেই প্রতি কেজি আম ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। অনলাইন ও কুরিয়ার সেবার মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে বিষমুক্ত এ আম। মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, উপকূলীয় এলাকায় কাটিমন আমের বাণিজ্যিক চাষে উল্লেখযোগ্য সফলতা পেয়েছেন রুহুল মমিন মুকুল। তার বাগানের ফলন ও বাজার ব্যবস্থাপনা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ইতিবাচক আগ্রহ তৈরি করেছে।  

মোরেলগঞ্জ, বাগেরহাট মে ১০, ২০২৬ 0

এজলাসে বিচারকের সামনেই বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি: প্রতিনিধি

সাতক্ষীরায় ৫০০ কোটি টাকার আম বিক্রির সম্ভবনা

অসাধু চক্রের বিরাগভাজন এসিল্যান্ড রুবাইয়া বিনতে কাশেম

ছবি: প্রতিনিধি
বকশীগঞ্জে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট ধ্বংস ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    জামালপুরের বকশীগঞ্জে নকল সিগারেট মজুত ও বিক্রির অভিযোগে বিপুল পরিমাণ সিগারেট জব্দ করে ধ্বংস করেছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই ঘটনায় এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে।   বুধবার (৬ মে) বিকেলে পৌর এলাকার মোদকপাড়া মহল্লায় অভিযান চালিয়ে এসব নকল সিগারেট উদ্ধার করা হয়। পরে জনসম্মুখে তা পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে উত্তম মোদক (৫০) নামে এক ব্যবসায়ীকে নকল সিগারেট মজুত ও বাজারজাতের অভিযোগে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জামালপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক শরিফুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ২১ হাজার ২০০ শলাকা নকল সিগারেট জব্দ করা হয়। তিনি আরও বলেন, নকল ও ভেজাল পণ্য উৎপাদন ও বিক্রির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তানিয়া আক্তার মে ৬, ২০২৬ 0

ভূট্টা ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে প্রান হারালো সোহেল

ফকিরহাটে হাইব্রিড ধান চাষ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

জামিনে মুক্তির এক সপ্তাহ পরই ছাত্রলীগ নেতার মৃত্যু

ঘুষেও মেলেনি অনুমোদন, প্রকৌশলীর কার্যালয়ে প্রবাসীর স্ত্রীর কান্না

বাড়ি নির্মাণ অনুমোদন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা ও আর্থিক হয়রানির অভিযোগ তুলে পিরোজপুরের নেছারাবাদে পৌর প্রকৌশল অফিসে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন এক প্রবাসীর স্ত্রী—এ ঘটনায় প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্বরূপকাঠি পৌরসভা-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয়ে মঙ্গলবার এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগকারী মোছা. মৌসুমী আক্তার দাবি করেন, এক বছরের বেশি সময় ধরে বাড়ি নির্মাণ অনুমোদনের ফাইল আটকে রেখে বিভিন্ন পর্যায়ে একাধিকবার অর্থ আদায় করা হয়েছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ধারাবাহিকভাবে অর্থ দিতে হলেও চূড়ান্ত অনুমোদন না পাওয়ায় তিনি আর্থিক ও মানসিকভাবে চরম চাপের মুখে পড়েন। ঘটনার দিন নতুন করে অর্থ দাবি করা হলে তিনি অফিসেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বলে জানা যায়। অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে মো. মহসিন আংশিক অর্থ গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করলেও নির্দিষ্ট হিসাব বা প্রক্রিয়া নিয়ে মন্তব্য এড়িয়ে যান। অন্যদিকে মো. আবুল হোসেন অভিযোগের কিছু অংশ স্বীকার করলেও অতিরিক্ত অর্থ দাবির বিষয়টি অস্বীকার করেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক অমিত দত্ত বলেন, সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়া অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণের কোনো বিধান নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0

মসজিদে তালা ভেঙে দানবাক্সের অর্থ লুট

ছবি: সংগৃহীত

বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেছে উত্তেজিত শ্রমিকরা

তেঁতুল গাছের মগডালে মিলল নিখোঁজ বৃদ্ধা

0 Comments