মানিকগঞ্জে একটি রেস্তোরাঁয় সংঘটিত সহিংস হামলায় একজন গ্রাহক গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ১৩ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা গ্রহণ করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে মানিকগঞ্জ শহরে চিত্রনায়ক ওমর সানী-র মালিকানাধীন চাপওয়ালার শ্বশুর বাড়ি বাংলা হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট-এ এ ঘটনা ঘটে। আহত ব্যক্তির নাম মো. আতিকুর রহমান খান। তার চাচা মো. খলিলুল রহমান খান বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে বলা হয়, আতিকুর ও তার কয়েকজন বন্ধু রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে গেলে নারী ক্রেতাদের সঙ্গে এক কর্মীর অশোভন আচরণের প্রতিবাদ করেন। এ নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে অভিযুক্তরা লোহার রড, হাতুড়ি, চাপাতি ও অন্যান্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় আতিকুরকে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
মামলায় নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—ইমরান, লিখন, হাসান, জীবন, মুন্না ও মঞ্জুরসহ মোট ১৩ জন; বাকিরা অজ্ঞাত।
ঘটনার বিষয়ে ওমর সানী জানান, অভিযুক্ত কর্মী লিখনকে স্বল্প সময় আগে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং তার আচরণ নিয়ে আগেই সন্দেহ ছিল। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনি বিচার দাবি করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার কথাও জানান।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইকরাম হোসেন বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের একসময়ের পরিচিত শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবার ব্যক্তিজীবনকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় তার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার অভিযোগে বিষয়টি এখন সামাজিক ও আইনগত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেই বিয়ের ইঙ্গিত দেন লুবাবা। তবে তার বয়স নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই বিষয়টি বাল্যবিবাহের আওতায় পড়ে কিনা—তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, ২০২১ সালে তিনি প্রাথমিক স্তরের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং পরবর্তী সময়েও শিক্ষাজীবনে যুক্ত ছিলেন। সেই প্রেক্ষিতে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বৈবাহিক বয়স পূর্ণ হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, নারীর ন্যূনতম বিবাহযোগ্য বয়স ১৮ বছর এবং পুরুষের ক্ষেত্রে ২১ বছর। এ বিষয়ে আইনজ্ঞদের বক্তব্য অনুযায়ী, বয়স গোপন করে বিবাহ সম্পাদন করা হলে তা বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ (সংশোধিত) এবং প্রযোজ্য দণ্ডবিধির আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীদের মতে, কাজীর মাধ্যমে বৈধ নিবন্ধন ছাড়া কোনো বিবাহ আইনত স্বীকৃত নয়। যদি কোনো কাজী অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যার বিবাহ নিবন্ধন করেন, তবে তা তার লাইসেন্স বাতিলসহ আইনগত ব্যবস্থার আওতায় পড়তে পারে। একইসঙ্গে দেশের বাইরে কোর্ট স্ট্যাম্পে সম্পাদিত বিবাহও বাংলাদেশের আইনে বৈধতা পায় না। আইন অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক কোনো ব্যক্তি বাল্যবিবাহে সম্পৃক্ত হলে সর্বোচ্চ দুই বছর কারাদণ্ড বা এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন। অন্যদিকে, অপ্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ক্ষেত্রে শাস্তির বিধান তুলনামূলক ভিন্ন হলেও তা আইনগত দায়মুক্তি নিশ্চিত করে না। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত সিমরিন লুবাবা বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া এবং আইনগত অবস্থান নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুসন্ধান ও যাচাই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিনোদন অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ ও টালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি তিনি নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকৃতির সান্নিধ্যে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেন, যা প্রকাশের পরপরই ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে। প্রকাশিত ছবিগুলোতে দেখা যায়, ফুলে ঘেরা একটি সবুজ বাগানের মাঝে সময় কাটাচ্ছেন এই অভিনেত্রী। হালকা সবুজ রঙের স্লিভলেস টপ ও সাদা প্যান্টে সরল অথচ রুচিশীল পোশাকে ধরা দিয়েছেন তিনি। স্বাভাবিক মেকআপ, খোলা চুল ও ছোট গোলাকার কানের দুলে তার উপস্থিতি ছিল পরিমিত ও নান্দনিক। কিছু ছবিতে হাতে ফুল নিয়ে চিন্তামগ্ন ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। আবার একটি ছবিতে মোবাইল ফোন হাতে সেলফি তুলতেও দেখা যায়। চারপাশের গোলাপি ফুল ও সবুজ প্রকৃতি ছবিগুলোর সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। ছবিগুলো প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও অনুসারীদের কাছ থেকে ব্যাপক ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। অনেকেই তার স্বাভাবিক সৌন্দর্য ও স্টাইলের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, সরল সাজেই নতুনভাবে আকর্ষণ ছড়িয়েছেন এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী।
একসময়ের জনপ্রিয় জুটি ডলি সায়ন্তনী ও রবি চৌধুরীর সম্পর্কের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে রবি চৌধুরী দাবি করেছেন, ডলির সঙ্গে তার ড্রাইভার বিপ্লবের সম্পর্কের কারণে তাদের সংসার ভেঙে যায়। এ বিষয়ে ডলি সায়ন্তনী জানিয়েছে, এসব অভিযোগ “ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত”। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “আমাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। আমরা নীরব থাকলেও তা দুর্বলতা নয়।” তিনি আরও অনুরোধ করেছেন, ব্যক্তিগত বিষয় অযথা আলোচনার বিষয় না করা হোক। ডলি স্পষ্ট করেছেন, ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত তার পক্ষ থেকেই নেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময়ই বিষয়টি প্রকাশ্যে ঘোষণা করা হয়েছিল। রবি জানিয়েছেন, তিনি ডলির ফোনে ‘দুলাভাই’ নামে সেভ থাকা নম্বর থেকে সন্দেহ পান, পরে তা যাচাই করে জানতে পারেন, নামটির আসল ব্যক্তি বিপ্লব, যিনি দক্ষিণ কোরিয়ায় গাড়ি চালাতেন। এর ভিত্তিতেই তিনি ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নেন। উভয়েই এই বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত বিতর্কে যেতে না চাওয়ার কথা জানিয়েছেন।