বিশ্ব

ইরানে ৫ হাজার পাউন্ডের শক্তিশালী বাঙ্কার বাস্টার হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মার্চ ১৮, ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল পুনরুদ্ধার এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ইরানের উপকূলীয় ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোতে লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

বুধবার (১৮ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে জানায়, অভিযানে ৫ হাজার পাউন্ড ওজনের ‘ডিপ পেনিট্রেটর’ বা বাঙ্কার বাস্টার বোমা ব্যবহার করে সুরক্ষিত সামরিক অবকাঠামোতে আঘাত হানা হয়েছে। সংস্থাটির ভাষ্য অনুযায়ী, এসব স্থাপনায় মোতায়েন জাহাজবিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে উঠেছিল।

সেন্টকম জানায়, ইরানের পদক্ষেপে হরমুজ প্রণালিতে নৌচলাচল ব্যাহত হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্রপথের নিরাপত্তা পুনঃপ্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা থেকেই এ সামরিক অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ জ্বালানি তেল এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। সাম্প্রতিক অচলাবস্থার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দামে অস্থিরতা দেখা দেয়, যা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলছে।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ন্যাটোভুক্ত দেশগুলোর প্রতি এ অভিযানে সহায়তার আহ্বান জানালেও অধিকাংশ মিত্র রাষ্ট্র এতে সাড়া দেয়নি। এ বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতার প্রশ্নে মিত্রদের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশিত ছিল।

অন্যদিকে, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ পুনর্ব্যক্ত করে ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন থেকে বিরত রাখা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য জরুরি। যদিও ইরান বরাবরই তাদের কর্মসূচিকে শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যসংশ্লিষ্ট বলে দাবি করে আসছে।

উল্লেখ্য, ব্যবহৃত বাঙ্কার বাস্টার বোমাগুলো মূলত ভূগর্ভস্থ ও সুরক্ষিত সামরিক স্থাপনা ধ্বংসে সক্ষম উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র হিসেবে বিবেচিত।

 

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে স্বণের দামে পতন

মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার প্রভাব বিশ্ববাজারে স্বর্ণসহ মূল্যবান ধাতুর দামের হ্রাস ঘটিয়েছে। বুধবার (১৮ মার্চ) স্পট গোল্ডের দাম ০.৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪,৯৮৪.২৯ ডলারে নেমেছে, খবর দিয়েছে রয়টার্স। বিশ্লেষকরা বলছেন, স্বর্ণের মূল্য মূলত ফেডের নীতিমালা নির্ভর করছে। বিশেষ করে, বাজারের মনোযোগ কেন্দ্রীভূত রয়েছে ফেড এই বছরে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখবে কি না তা দেখার ওপর। ওএএনডিএ-এর সিনিয়র মার্কেট বিশ্লেষক কেলভিন ওং জানিয়েছেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতি এবং ফেডের নীতি মিলিয়ে স্বর্ণের চাহিদা ও দামের গতিপথ নির্ধারিত হচ্ছে।” উচ্চ সুদের হার সাধারণত স্বর্ণের আকর্ষণ কমিয়ে দেয়, কিন্তু মুদ্রাস্ফীতি বা অস্থির পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ধাতুতে বিনিয়োগ বাড়ান। স্বর্ণ ছাড়াও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও হ্রাস পেয়েছে। স্পট সিলভার ১.১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৮.৪২ ডলারে নেমেছে। এছাড়া, স্পট প্ল্যাটিনামের দাম ১.২ শতাংশ কমে ২,৯৮৮.২০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১.৩ শতাংশ কমে ১,৫৮০.৮১ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফেডের সিদ্ধান্তের পর আগামী সপ্তাহে ধাতুর বাজারে আরও দামের ওঠাপড়া হতে পারে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৮, ২০২৬ 0

ইরানে ৫ হাজার পাউন্ডের শক্তিশালী বাঙ্কার বাস্টার হামলা চালাল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান ইস্যুতে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান, পদত্যাগ মার্কিন নিরাপত্তা কর্মকর্তার

হরমুজ প্রণালিতে সামরিক পদক্ষেপে অংশ নেবে না ফ্রান্স: ম্যাক্রোঁ

কাবুলের হাসপাতালে পাকিস্তানি বাহিনীর ভয়াবহ হামলা, নিহত ৪০০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে একটি মাদক পুনর্বাসনকেন্দ্রে বিমান হামলার ঘটনায় ব্যাপক প্রাণহানির অভিযোগ উঠেছে। তালেবান সরকারের দাবি অনুযায়ী, হামলায় অন্তত ৪০০ জন নিহত এবং প্রায় ২৫০ জন আহত হয়েছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, কাবুলের দুই হাজার শয্যাবিশিষ্ট ওমর অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালে সোমবার (১৬ মার্চ) রাতের দিকে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেছে আফগান প্রশাসন। তালেবান সরকারের ডেপুটি মুখপাত্র হামদুল্লাহ ফিতরাত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, হামলার ফলে হাসপাতালের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। অন্যদিকে পাকিস্তান এই অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে। ইসলামাবাদ দাবি করেছে, তাদের সামরিক বাহিনী কেবল কাবুল ও নানগাহার প্রদেশে অবস্থিত নির্দিষ্ট সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে সীমিত অভিযান পরিচালনা করেছে এবং বেসামরিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ ভিত্তিহীন। স্থানীয় সূত্রের বর্ণনা অনুযায়ী, হামলার আগে আকাশে যুদ্ধবিমানের শব্দ শোনা যায় এবং পরে বিস্ফোরণের পর হাসপাতাল ভবনে আগুন ধরে যায়। টেলিভিশন ফুটেজে দমকল বাহিনীকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে দেখা গেছে। ঘটনার পর উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপে আটকে পড়াদের উদ্ধারে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা এবং হামলার দায়-দায়িত্ব নিয়ে দুই পক্ষের বিপরীতমুখী বক্তব্যের কারণে পরিস্থিতি নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা রয়েছে।  

নিখাদ খবর ডেস্ক মার্চ ১৭, ২০২৬ 0

কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে মৃত্যুর মুখ থেকে রক্ষা পান মোজতবা খামেনি

সৌদির আকাশে দেড় ঘণ্টায় ধেয়ে গেলো ৩৭ ড্রোন

ইরানের কঠোর হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে আহ্বান সৌদি যুবরাজের

প্রথমবার ইসরায়েলে সেজিল ক্ষেপণাস্ত্রে হামলার দাবি ইরানের

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের মধ্যে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। সংস্থাটির জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অভিযানে ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে মোট ৫৪টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসিও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, হামলায় খোররামশাহর সুপার-হেভি ক্ষেপণাস্ত্র, খায়বার-শাখান, কদর ও এমাদ মডেলের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো কৌশলগত জ্বালানি চালিত সেজিল ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করা হয়েছে। উল্লেখ করা হয়, সেজিল একটি মাঝারি পাল্লার সারফেস-টু-সারফেস ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, যা ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক স্থাপনা থেকে ইসরায়েলের তেল আবিব পর্যন্ত দূরত্ব অল্প সময়ের মধ্যেই অতিক্রম করতে সক্ষম। এদিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের ঘটনা তারা শনাক্ত করেছে। আগের হামলার খবর প্রকাশের দুই ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে এই নতুন আক্রমণ সংঘটিত হয়েছে বলে তাদের দাবি। উল্লেখ্য, গত ১৭ দিন ধরে ইরানকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এই সংঘাতে ইরানে নিহতের সংখ্যা ইতোমধ্যে দুই হাজার ছাড়িয়েছে এবং আহত হয়েছেন সহস্রাধিক মানুষ।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ১৬, ২০২৬ 0

বাহরাইন প্রবাসীদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট, শুরু হয়েছে নিবন্ধন

মার্কিন নাগরিকদের জন্য সৌদি আরব ত্যাগের জরুরি নির্দেশ

প্রিন্স রেজা পাহলভি

ইরানের শাসনপদে অন্তর্বর্তীকালীন নেতা হিসেবে প্রস্তুত রেজা পাহলভি

0 Comments