রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদেশি যাকাতের অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সোমবার (২৩ মার্চ) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন।
মন্ত্রী দাবি করেন, বিদেশ থেকে আগত যাকাতের অর্থকে নিজেদের তহবিল হিসেবে উপস্থাপন করে একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে, যা তার ভাষায় “অসত্য ও বিভ্রান্তিকর” এবং “গোপন রাজনৈতিক কৌশল” হিসেবে বিবেচ্য।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষ বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং নির্বাচনী সময়ে ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনগণ এখন বুঝতে পারছে এবং তা প্রত্যাখ্যান করছে।
রাজনীতিতে আর্থিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ্যানি বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় বৈধ ব্যয় কাঠামো থাকা প্রয়োজন এবং ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা অনুচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনকল্যাণমুখীভাবে বাস্তবায়িত হবে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিদেশি যাকাতের অর্থ ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সোমবার (২৩ মার্চ) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় দলীয় নেতা-কর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ অভিযোগ উত্থাপন করেন। মন্ত্রী দাবি করেন, বিদেশ থেকে আগত যাকাতের অর্থকে নিজেদের তহবিল হিসেবে উপস্থাপন করে একটি রাজনৈতিক দল নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে, যা তার ভাষায় “অসত্য ও বিভ্রান্তিকর” এবং “গোপন রাজনৈতিক কৌশল” হিসেবে বিবেচ্য। তিনি আরও অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে একটি পক্ষ বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে এবং নির্বাচনী সময়ে ভ্রান্ত তথ্য ছড়িয়ে জনমত প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। এ প্রসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনগণ এখন বুঝতে পারছে এবং তা প্রত্যাখ্যান করছে। রাজনীতিতে আর্থিক স্বচ্ছতার ওপর গুরুত্বারোপ করে এ্যানি বলেন, রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনায় বৈধ ব্যয় কাঠামো থাকা প্রয়োজন এবং ব্যক্তিগত আর্থিক লাভের উদ্দেশ্যে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করা অনুচিত। তিনি আরও উল্লেখ করেন, সরকারের নীতিনির্ধারণী কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে জনকল্যাণমুখীভাবে বাস্তবায়িত হবে।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি আদালত। পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ২ এপ্রিল তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) উত্তর ২৪ পরগনার বিধাননগর মহকুমা আদালতে হাজিরা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল করিম মাসুদ তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সরাসরি নাকচ করেন। তিনি দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে এবং এতে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তদন্ত সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পূর্বে ‘ফরেনারস অ্যাক্ট’-এর অধীনে মামলা থাকলেও, সর্বশেষ ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিজ (প্রিভেনশন) অ্যাক্ট’ (ইউএপিএ)-এর ১৬ ও ১৮ ধারায় নতুন মামলা রুজু করা হয়েছে, যা সন্ত্রাসবাদ ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের গুরুতর অভিযোগ হিসেবে বিবেচিত। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার আবেদনের প্রেক্ষিতে তাদের কারাগারে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেওয়া হয়। এর আগে তারা ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডে ছিলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ফয়সাল বলেন, তাকে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেলেও গুলি চালানোর কোনো প্রমাণ নেই। পরবর্তীতে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার বিষয়টিও অস্বীকার করেন। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) গত ৮ মার্চ সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। তদন্তকারীদের দাবি, তারা অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে সেখানে আত্মগোপনে ছিলেন এবং পুনরায় বাংলাদেশে প্রবেশের পরিকল্পনা করছিলেন। উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে গুলি করে শরিফ ওসমান হাদিকে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে বিদেশে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হলে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়। বর্তমানে ঘটনাটি আন্তঃসীমান্ত অপরাধ হিসেবে তদন্তাধীন রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছে।
ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটির সময়েও প্রশাসনিক কার্যক্রম তদারকিতে সক্রিয় রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর গুলশানস্থ সরকারি বাসভবন থেকে তিনি নিয়মিতভাবে জরুরি দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করছেন এবং দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। বুধবার (১৮ মার্চ) প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ছুটির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, বিশেষ করে খাল খনন কর্মসূচির অগ্রগতি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করছেন। তিনি আরও জানান, নগর ব্যবস্থাপনা সুষ্ঠু রাখতে সিটি করপোরেশনগুলোর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটর করছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মেয়র ও প্রশাসকদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে পরিবহন পরিস্থিতি নিয়েও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত আলোচনা করছেন তিনি। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও সচিবালয়ে উপস্থিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী ফার্মার্স কার্ড বাস্তবায়ন কমিটির সভা এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।