গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ৮ পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় যুব জামায়াতের এক নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। পুলিশের তদন্তে এক স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ অভিযোগ বিষয় নিয়ে থানায় গেলে, একটি দোকান বন্ধ না থাকার কারণে ওসির সঙ্গে তার তর্ক উত্তপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পলাশ ও তার সঙ্গে থাকা সহযোগীরা ওসির ওপর চড়াও হন। অন্য পুলিশ সদস্যদের হস্তক্ষেপের সময় তাদেরও মারধর করা হয়। আহতরা পরে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন।
পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি জানিয়েছেন, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু নিরীহ কাউকে হয়রানি করা যাবে না।
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় সংঘবদ্ধ সশস্ত্র দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে নিজ বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল হঠাৎ করে বাড়িতে প্রবেশ করে ভিকটিমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হামলার পর ৫-৬ জন মোটরসাইকেলে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে এবং এর সঙ্গে বহিরাগতদের সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা রয়েছে। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাটিকে একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্টদের শনাক্তে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানায় বুধবার (২৫ মার্চ) রাতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ৮ পুলিশ সদস্যকে আহত করার ঘটনায় যুব জামায়াতের এক নেতা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে নারী পুলিশ সদস্যও রয়েছেন। পুলিশের তদন্তে এক স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মীকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ আল রাজীব মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, যুব জামায়াত নেতা মাহমুদুল হাসান পলাশ অভিযোগ বিষয় নিয়ে থানায় গেলে, একটি দোকান বন্ধ না থাকার কারণে ওসির সঙ্গে তার তর্ক উত্তপ্ত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে পলাশ ও তার সঙ্গে থাকা সহযোগীরা ওসির ওপর চড়াও হন। অন্য পুলিশ সদস্যদের হস্তক্ষেপের সময় তাদেরও মারধর করা হয়। আহতরা পরে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নেন। পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন জানিয়েছেন, ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে হামলায় জড়িতদের শনাক্তে কাজ চলছে। জেলা জামায়াতের নেতারা দাবি জানিয়েছেন, প্রকৃত অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক, কিন্তু নিরীহ কাউকে হয়রানি করা যাবে না।
পঞ্চগড়ে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বীরমুক্তিযোদ্ধা চত্বরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের উদ্যাপন শুরু হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিন, পুলিশ সুপার রবিউল ইসলাম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সরকারি-বেসরকারি, সাংস্কৃতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা।