রাঙ্গামাটির সাপছড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে অন্তত ৪০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসটিতে থাকা যাত্রীরা ঈদের ছুটি শেষে চট্টগ্রামে ফিরছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটি নানিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস কর্মীকে চট্টগ্রামে পৌঁছে দিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন।
রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল জানান, আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ১২ জনকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর খান জানিয়েছেন, মোট ১৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে জানানো হবে।
জগতের পাপ-পঙ্কিলতা থেকে মুক্তি ও পুণ্যলাভের আশায় জামালপুরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে অনুষ্ঠিত হয়েছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অষ্টমী স্নান। প্রতি বছরের মতো এবারও ভোরের আলো ফুটতেই শেরপুর-জামালপুর সেতু এলাকার দক্ষিণ প্রান্তে নদীর তীরে ভক্তদের ঢল নামে। শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার নারী-পুরুষ, আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা এ পুণ্যস্নানে অংশ নেন। অষ্টমী স্নানকে কেন্দ্র করে নদীর তীর পরিণত হয় এক মিলনমেলায়। পুণ্যার্থীদের অনেককে ফুল, বেলপাতা, ডাব, ধান ও দূর্বা দিয়ে অর্চনা করতে দেখা যায়। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এ দিনে পবিত্র নদীতে স্নান করলে পাপ মোচন হয় এবং পুণ্য অর্জিত হয়। স্নান শেষে ভক্তরা স্থানীয় দয়াময়ী মন্দিরে পূজা-অর্চনা ও অর্ঘ্য প্রদান করেন। এ উপলক্ষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় তিনদিনব্যাপী অষ্টমী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পুণ্যার্থী শীলা রানী দাস বলেন, “প্রতি বছরই আমরা পরিবারের সবাই মিলে এখানে আসি। ব্রহ্মপুত্রের পবিত্র জলে স্নান করলে মনে এক ধরনের শান্তি ও প্রশান্তি আসে।” আরেক পুণ্যার্থী সুশান্ত কুমার পাল জানান, “অষ্টমী স্নান আমাদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে এসে আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়, তৈরি হয় এক মিলনমেলার পরিবেশ।”
রাঙ্গামাটির সাপছড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেলে অন্তত ৪০ জন যাত্রী আহত হয়েছেন। বাসটিতে থাকা যাত্রীরা ঈদের ছুটি শেষে চট্টগ্রামে ফিরছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসটি নানিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন গার্মেন্টস কর্মীকে চট্টগ্রামে পৌঁছে দিতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে ৪০ থেকে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। রাঙ্গামাটি-চট্টগ্রাম মোটর মালিক সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম শাকিল জানান, আহতদের মধ্যে একজনকে গুরুতর অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ১২ জনকে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শওকত আকবর খান জানিয়েছেন, মোট ১৯ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ তদন্ত করে জানানো হবে।
চলতি শুষ্ক মৌসুম শেষে ধীরে ধীরে বর্ষার আগমন এবং সঙ্গে সঙ্গে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভায় পুনরায় জলের চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই পৌরসভার বিভিন্ন সড়কে হাঁটু থেকে কোমর সমান পানি জমে যায়, যা জনজীবন স্থবির করে। সরেজমিনে দেখা গেছে, পৌরসভার অধিকাংশ খাল অবৈধ দখল ও ময়লা-আবর্জনায় কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। কোথাও খাল সংকুচিত হয়ে ড্রেনের মতো হয়ে গেছে, আবার কোথাও জমে থাকা আবর্জনায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে শংকর বংশী খাল, যা পৌরসভার প্রধান পানি নিষ্কাশন মাধ্যম, এখন দখল ও দূষণের কারণে কার্যকারিতা হারাচ্ছে। প্রায় ২.৫ বর্গমাইল আয়তনের এই পৌরসভায় প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করেন। বহুতল ভবনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে, যার অধিকাংশের পানি নিষ্কাশন নির্ভর করছে ড্রেনেজ ব্যবস্থার ওপর। কিন্তু খালগুলোতে পানি চলাচলে বাধা থাকায় ড্রেনের পানি উপচে রাস্তায় উঠে আসে, ফলে তীব্র দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্ষা মৌসুম শুরুর আগেই খালগুলো দখলমুক্ত করা, জমে থাকা ময়লা অপসারণ এবং পানি প্রবাহ স্বাভাবিক করা জরুরি। ড্রেন থেকে খাল ও খাল থেকে নদীতে পানির নিরবচ্ছিন্ন চলাচল নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সরেজমিন পরিদর্শন এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণ করলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে বসুরহাট পৌরবাসীকে জলাবদ্ধতার দুর্ভোগ থেকে আংশিকভাবে রক্ষা করা সম্ভব হবে।