গ্যাস অবকাঠামো পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে নির্ধারিত প্রকৌশল কাজের কারণে রাজধানীর আশুলিয়া-সাভারসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি।
সংস্থাটির বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের জরুরি পাইপলাইন স্থানান্তর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল ৭টা থেকে শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৭টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে।
এই সময়ে আশুলিয়া টিবিএস থেকে বাইপাইল পর্যন্ত সড়কের উভয় পাশ, ঢাকা ইপিজেড, কাশিমপুর, নবীনগর, সাভার টাউন, সাভার ক্যান্টনমেন্ট, শ্রীপুর, চন্দ্রা, মানিকগঞ্জসহ পার্শ্ববর্তী বিস্তৃত এলাকায় আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্প গ্রাহকদের গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। পাশাপাশি সংলগ্ন এলাকাগুলোতে স্বল্পচাপ পরিস্থিতি বিরাজ করতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করছে। সাময়িক এই ভোগান্তির জন্য গ্রাহকদের নিকট দুঃখ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ।
শারীরিক ও বুদ্ধিপ্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছে ডিমলা উপজেলার শিক্ষার্থী বাবু হোসেন। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শ্রুতি লেখকের (scribe) ব্যবস্থা করায় তার পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়েছে। বাবু হোসেন নাউতারা ইউনিয়নের আকাশকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা এবং জটুয়াখাতা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নিজ হাতে লিখতে না পারায় তার পরীক্ষা অনিশ্চিত হয়ে পড়লে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামানের নজরে আসে। পরে দ্রুত উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে তার জন্য শ্রুতি লেখকের অনুমোদন নিশ্চিত করা হয়। বর্তমানে একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন স্বেচ্ছায় তার শ্রুতি লেখক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে। ইউএনও জানান, সকল শিক্ষার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করা প্রশাসনের দায়িত্ব। প্রশাসনের এই উদ্যোগে বাবু হোসেন এখন স্বাভাবিকভাবে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারছে। বাবু হোসেন জানায়, পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করে পরিবারের দুঃখ-কষ্ট দূর করাই তার স্বপ্ন।
কুমার নদ এর ওপর সেতু না থাকায় সালথা উপজেলা ও নগরকান্দা উপজেলা সীমান্তবর্তী অন্তত ছয় গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রশি টেনে নদী পার হতে হচ্ছে স্থানীয়দের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দার কল্যাণপট্টি, আইনপুর, সাভার, কুমারকান্দা, বাঘুটিয়া এবং সালথার মাঝারদিয়া গ্রামের বাসিন্দাদের শিক্ষা, চিকিৎসা ও বাজারসহ নিত্যপ্রয়োজনে নদী পারাপার অপরিহার্য। কিন্তু সেতু না থাকায় তারা ঝুঁকিপূর্ণ বিকল্প ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। ভুক্তভোগীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেতুর দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকছে, বিশেষ করে শিশু ও বয়স্কদের জন্য ঝুঁকি বেশি। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পানির স্রোত বাড়লে রশি ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে, যা প্রাণহানির আশঙ্কা বাড়ায়। মাঝারদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আফছারউদ্দীন মাতুব্বর বলেন, বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। অপরদিকে উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু জাফর মিয়া জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত কুমার নদ এর ওপর একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ করে নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা হোক।
পরিবহন ব্যয় সমন্বয়ের অংশ হিসেবে কুমিল্লা–ঢাকা রুটে বাসভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে সংশ্লিষ্ট মালিক সমিতি, যা শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) সকাল থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শাসনগাছা বাসস্ট্যান্ড থেকে ঢাকাগামী নন-এসি বাসের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬০ টাকা এবং জাঙ্গালিয়া বাসস্ট্যান্ড থেকে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা। পূর্বে এ রুটে গড় ভাড়া ছিল ২৫০ টাকা, ফলে যাত্রীদের অতিরিক্ত ১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে। গত বৃহস্পতিবার রাতে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় কুমিল্লা বাস মালিক সমিতি এই ভাড়া সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। সংগঠনটির দাবি, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করেই এ সমন্বয় করা হয়েছে। সমিতির সভাপতি তাজুল ইসলাম জানান, নির্ধারিত কাঠামোর বাইরে কোনো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হবে না এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ীই ভাড়া কার্যকর করা হয়েছে। পরিবহন খাতে ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এ ধরনের ভাড়া সমন্বয়কে নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন।