যাদের আমাদের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে সবচেয়ে বেশি সচেতন থাকার কথা, তাদের কাছেই আমরা অনিরাপদ। মধ্যবিত্ত মানুষ হিসেবে বাধ্য হয়ে সরকারি হাসপাতালে সেবা নিতে হয়। এ ধরনের অব্যবস্থাপনার দায় কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এড়াতে পারে না।
আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করব। অপারেশন থিয়েটারের মতো সংবেদনশীল জায়গায় রান্না কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
অপারেশন থিয়েটার একটি অত্যন্ত সংরক্ষিত এলাকা। সেখানে রান্না করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের ভালুকায় কে এন্ড কে টপস্ টেক্সটাইলস্ লিমিটেডের জমি দখলের চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, স্থানীয় ব্যক্তি কামরুল ঢালী গত সোমবার শ্রমিক নিয়ে সীমানা প্রাচীর তুলে কারখানার জমিতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা করেন। কারখানার কর্মচারী এম. মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে জমিটি বৈধভাবে ভোগ দখল করছেন এবং ভূমি উন্নয়ন করও পরিশোধ করেছেন। তবে কামরুল ঢালী দাবি করেছেন, তিনি নিজের জমিতে কাজ করছেন। ভালুকা মডেল থানার ওসি মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দিয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর শিকার করে সীমান্ত পার হয়ে ভারতের মিজোরামে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কুকুর ১০–১২ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। শিকার করা কুকুরগুলো নৌকা ও স্থলপথে কাপ্তাই হ্রদ ও বরকল এলাকা অতিক্রম করে মিজোরামে পৌঁছে দেওয়া হয়। স্থানীয়রা বলছেন, শিকার মূলত বসন্ত উৎসব ‘চাপচার কুট’-এর জন্য করা হচ্ছে, যেখানে কুকুরের মাংসের চাহিদা বাড়ে। যদিও ২০১৯ সালের বাংলাদেশের প্রাণী কল্যাণ আইন অনুযায়ী মালিকবিহীন কুকুর হত্যা বা অপসারণ দণ্ডনীয় অপরাধ, মিজোরামে ২০২০ সালের সংশোধিত আইন কুকুরকে জবাই বা ভোজ্য প্রাণীর তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। রাঙ্গামাটি জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “বেওয়ারিশ কুকুর অপসারণ ও বিক্রির ফলে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বাড়ে। যথাযথ সচেতনতা ছাড়া এমন কার্যক্রম আইন বিরুদ্ধ।” এ ঘটনায় প্রশাসন ও প্রাণিসম্পদ দপ্তর বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার তাগাদা দিয়েছে।
শ্যামনগর উপজেলার পদ্মপুকুর ইউনিয়নের গড়কোমরপুর গ্রামে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে চিংড়ী ঘেরে পানি তোলার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মোঃ জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু (৪৫) মারা গেছেন। নিহতের ফুফাতো ভাই মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সেচ পাম্প ব্যবহারকালে অসাবধানতাবশত বিদ্যুৎ সংযোগে স্পৃষ্ট হয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত্যুর ঘোষণা দেন। শ্যামনগর থানার ওসি মো: খালেদুর রহমান বলেন, ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং সন্ধ্যায় লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।