ভারতের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই সাবেক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব বা ‘অবিচুয়ারি রেফারেন্স’ উভয় কক্ষে আনা হবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজ্যসভা ও লোকসভা—উভয়েই এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, খবর এএনআই।
খালেদা জিয়া ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার প্রয়াণের পর আন্তর্জাতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। ভারতের পার্লামেন্ট এই প্রস্তাবের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্ববহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। রাজ্যসভা ও লোকসভার যৌথ অধিবেশনের পর নিজ নিজ কক্ষের কার্যতালিকা অনুযায়ী খালেদা জিয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন এমপি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব অনুমোদন করা হবে। অধিবেশন আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এবং আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হবে।
ভারতের বাজেট অধিবেশনের প্রথম দিনেই সাবেক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে শোকপ্রস্তাব বা ‘অবিচুয়ারি রেফারেন্স’ উভয় কক্ষে আনা হবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজ্যসভা ও লোকসভা—উভয়েই এ প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সূচিতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, খবর এএনআই। খালেদা জিয়া ২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৮০ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তার প্রয়াণের পর আন্তর্জাতিক মহলে শোকের ছায়া নেমে আসে। ভারতের পার্লামেন্ট এই প্রস্তাবের মাধ্যমে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে, যা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক শিষ্টাচারের দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্ববহ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট অধিবেশন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর ভাষণের মধ্য দিয়ে শুরু হবে। রাজ্যসভা ও লোকসভার যৌথ অধিবেশনের পর নিজ নিজ কক্ষের কার্যতালিকা অনুযায়ী খালেদা জিয়ার পাশাপাশি প্রাক্তন এমপি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের স্মরণে শোকপ্রস্তাব অনুমোদন করা হবে। অধিবেশন আগামী ২ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে এবং আগামী ১ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় বাজেট পেশ করা হবে।
সাবেক ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদির পরিবারকে সরকারি অনুদানের মাধ্যমে দুই কোটি টাকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয়-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের জানান, পরিবারকে ঢাকায় ফ্ল্যাট কেনার জন্য এক কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পরিবারকে জীবনযাপন খরচের জন্য প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে আরও এক কোটি টাকা প্রদান করা হবে। ফ্ল্যাটটি রাজধানীর লালমাটিয়ার ‘দোয়েল টাওয়ার’-এ অবস্থিত, আকার ১,২১৫ বর্গফুট, এবং এটি হাদির স্ত্রী ও সন্তান ব্যবহার করবেন। অনুদান অনুমোদনের শর্ত হিসেবে পরিবারকে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়েছে। অর্থ বিভাগের সূত্র জানায়, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ফ্ল্যাটের জন্য অনুদানের আবেদন করেছিল এবং তার ভিত্তিতে অর্থ বিভাগ প্রস্তাবটি অনুমোদন করেছে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরদিন পল্টন এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। এরপর ১৮ ডিসেম্বর তিনি সিঙ্গাপুরের জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। সরকারী অনুদান এখন হাদির পরিবারকে স্থিতিশীল জীবনযাত্রা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে।
রাজধানীতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন নিয়ে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে ‘মব’ শব্দের ব্যবহার নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, ‘মব’ শব্দটি প্রয়োগের মাধ্যমে গণ–অভ্যুত্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি মানসিকতা কাজ করতে পারে, তাই এ শব্দ ব্যবহারে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকালে সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত সংলাপে তিনি বলেন, গণভবনের পতনের আন্দোলন এবং বিচ্ছিন্ন অপরাধমূলক সহিংসতাকে এক কাতারে বিচার করা আইনসম্মত নয়। বিপ্লবের অর্জনের সঙ্গে ‘মব’ শব্দ জুড়ে দিয়ে আন্দোলনকারীদের দায়ী করার প্রবণতা সংযত হওয়া উচিত বলেও মত দেন তিনি। তবে তাজুল ইসলামের এই বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন একাধিক বক্তা। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ একে ‘হুমকিস্বরূপ’ মন্তব্য হিসেবে দেখেন। তাঁদের মতে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে মব সহিংসতার কোনো যুক্তিকরণ গ্রহণযোগ্য নয়। সংলাপে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক নেতা, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, মব সহিংসতা এবং রাষ্ট্রীয় জবাবদিহি নিয়ে ভিন্নমত পোষণ করেন। আলোচনা থেকে স্পষ্ট হয়, ‘মব’ সহিংসতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পার্থক্য নির্ধারণে রাষ্ট্র ও সমাজকে আইনগতভাবে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে।