সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে জনবল নিয়োগকে ঘিরে স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জাদুঘরের নিজস্ব চাকরি প্রবিধানমালায় লিখিত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, ৬২টি রাজস্ব পদে নিয়োগ দিতে গত ২৮ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদ ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত। তবে লিখিত পরীক্ষার কোনো নোটিশ, সিলেবাস বা সময়সূচি প্রকাশ না করেই সীমিতসংখ্যক প্রার্থীকে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সরাসরি ভাইভার জন্য ডাকা হয়েছে। এতে অনেক আবেদনকারী কোনো ধরনের অবহিতকরণ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
জাদুঘরের প্রবিধানমালা অনুযায়ী, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অর্জনকারীরাই মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই বিধান অনুসরণ না হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আইন ও প্রশাসনিক রীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দিয়েছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজস্ব খাতে সৃজিত পদে শুধুমাত্র ভাইভাভিত্তিক নিয়োগ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও মেধাভিত্তিক নির্বাচনের নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে এসব নিয়োগ আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এমন তড়িঘড়ি নিয়োগ উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
যদিও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, সরকারের অনুমোদন ও বিদ্যমান বিধির আলোকে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে লিখিত পরীক্ষার শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে আবেদনকারী সবাইকে সমান সুযোগ না দেওয়া এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়ায় এই নিয়োগ ঘিরে অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।
সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে জনবল নিয়োগকে ঘিরে স্বচ্ছতা ও আইনি বৈধতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, জাদুঘরের নিজস্ব চাকরি প্রবিধানমালায় লিখিত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক থাকা সত্ত্বেও তা উপেক্ষা করে শুধুমাত্র মৌখিক পরীক্ষার (ভাইভা) মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, ৬২টি রাজস্ব পদে নিয়োগ দিতে গত ২৮ জানুয়ারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এসব পদ ষষ্ঠ থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত। তবে লিখিত পরীক্ষার কোনো নোটিশ, সিলেবাস বা সময়সূচি প্রকাশ না করেই সীমিতসংখ্যক প্রার্থীকে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সরাসরি ভাইভার জন্য ডাকা হয়েছে। এতে অনেক আবেদনকারী কোনো ধরনের অবহিতকরণ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। জাদুঘরের প্রবিধানমালা অনুযায়ী, বাংলা, ইংরেজি, গণিত ও সাধারণ জ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ের ওপর লিখিত পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫০ শতাংশ নম্বর অর্জনকারীরাই মৌখিক পরীক্ষার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবে সেই বিধান অনুসরণ না হওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াটি আইন ও প্রশাসনিক রীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে মত দিয়েছেন জনপ্রশাসন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজস্ব খাতে সৃজিত পদে শুধুমাত্র ভাইভাভিত্তিক নিয়োগ প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও মেধাভিত্তিক নির্বাচনের নীতির পরিপন্থী এবং ভবিষ্যতে এসব নিয়োগ আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে। পাশাপাশি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগে এমন তড়িঘড়ি নিয়োগ উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যদিও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, সরকারের অনুমোদন ও বিদ্যমান বিধির আলোকে নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে লিখিত পরীক্ষার শর্ত শিথিল করা হয়েছে। তবে আবেদনকারী সবাইকে সমান সুযোগ না দেওয়া এবং প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত না হওয়ায় এই নিয়োগ ঘিরে অনিয়ম ও পক্ষপাতের অভিযোগ আরও জোরালো হচ্ছে।
সরকার ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’কে মনোনীত করেছে। সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেওয়া হবে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বৃহস্পতিবার (৫ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন: চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক মো. আবদুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাশ্যুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ এবং নৃত্যকলায় অর্থী আহমেদ। এছাড়াও সংগীত দলের মধ্যে ব্যান্ড ‘ওয়ারফেজ’কে এ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের এক কর্মকর্তাকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। আটক কর্মকর্তা হলেন মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলম, তিনি বঙ্গভবনের রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের সহকারী প্রোগ্রামার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে তাকে আটক করা হয়। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে আনা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।