ভারতীয় সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলেকে ঘিরে রোববার (১২ এপ্রিল) একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবার বা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি।
মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে—এমন তথ্য জানিয়ে কিছু সূত্র দাবি করে, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনানুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে।
হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে মৃত্যুর বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ না থাকায় বিষয়টি এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে।
আশা ভোঁসলে ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য নাম। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি হাজারো জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন, যা তাকে উপমহাদেশের সংগীত ইতিহাসে স্থায়ী আসনে অধিষ্ঠিত করেছে।
বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ঘিরে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়িয়ে পড়ায় ভক্ত ও সংগীতাঙ্গনে উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিবার বা হাসপাতালের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসা পর্যন্ত তার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
ভারতীয় সংগীতাঙ্গনের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলেকে ঘিরে রোববার (১২ এপ্রিল) একাধিক ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে মৃত্যুর খবর প্রকাশিত হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে পরিবার বা সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে নিশ্চিত কোনো ঘোষণা পাওয়া যায়নি। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে—এমন তথ্য জানিয়ে কিছু সূত্র দাবি করে, হৃদরোগ ও শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতার কারণে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু অনানুষ্ঠানিক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতাল সূত্রের বরাতে জানা যায়, বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক সমস্যায় তিনি দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে মৃত্যুর বিষয়ে নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ না থাকায় বিষয়টি এখনো অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। আশা ভোঁসলে ভারতীয় চলচ্চিত্র সংগীতের ইতিহাসে এক অনন্য নাম। ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি হাজারো জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন, যা তাকে উপমহাদেশের সংগীত ইতিহাসে স্থায়ী আসনে অধিষ্ঠিত করেছে। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা ঘিরে বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়িয়ে পড়ায় ভক্ত ও সংগীতাঙ্গনে উদ্বেগ বিরাজ করছে। পরিবার বা হাসপাতালের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি না আসা পর্যন্ত তার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো মন্তব্য করা যাচ্ছে না।
ঈদ উপলক্ষে মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘দম’-এর সংবাদ সম্মেলনে আবেগের ঢেউয়ে ভেসে গেলেন আফরান নিশো। সত্য ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে অভিনয় নিয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি অঝোরে কাঁদতে বাধ্য হন। শনিবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর অভিজাত একটি স্থানে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে নিশোর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নায়িকা পূজা চেরি, প্রযোজক রেদোয়ান রনি ও শাহরিয়ার শাকিল। তবে বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিনেমার মূল চরিত্র নূরের উপস্থিতি, যিনি বাস্তব জীবনের সংগ্রামকে পর্দায় প্রতিফলিত করেছেন। নিজের অভিনীত চরিত্রের গভীরতা ও বাস্তব জীবনের নূরের যাপন শোনার পর নিশো প্রকাশ্যেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, “দেখুন, দিনশেষে আমিও তো রক্ত-মাংসের গড়া মানুষ।” নিশো জানিয়েছেন, চরিত্রের যথার্থ প্রয়োজনে তিনি নূরের গ্রামে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন, জীবনের কঠিন সংগ্রামের গল্প শোনেন এবং সেই বাস্তব অনুভূতি পর্দায় উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ‘দম’-এর শক্তিশালী ও বাস্তবমুখী চিত্রনাট্যই তাকে এই কাজের প্রতি সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করেছে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে নিশো দর্শকদের প্রতি আহ্বান জানান সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে দেখার জন্য, যাতে সাধারণ মানুষের অদম্য লড়াই ও সহ্যক্ষমতা অনুভব করা যায়। মুক্তির পর ‘দম’ সিনেমাটি বক্স অফিসে সাফল্যের পাশাপাশি দেশের সীমানা পেরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে। দর্শকরা বিশেষভাবে প্রশংসা করেছেন নিশো ও পূজা চেরির অনবদ্য রসায়ন এবং নূরের জীবনের বাস্তবধর্মী চিত্রায়নকে। প্রযোজকরা দাবি করেছেন, বাংলাদেশে এই ধরনের গল্পে নির্মিত সিনেমা আগে কখনও দেখা যায়নি। সর্বশেষ, ‘দম’ ঢাকাই চলচ্চিত্রে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়ে দেশের সিনেমাপ্রেমীদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে।
টলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জির আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমেছে শিল্প মহলে। দিঘার তালসারি সমুদ্রসৈকতে শুটিং চলাকালে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর প্রাথমিক ময়নাতদন্তে দেখা গেছে, তাঁর ফুসফুসে বিপুল পরিমাণ বালি ও নোনাজল জমে গেছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় এক ঘণ্টা পানির নিচে থাকা এবং গভীর পানির চাপের কারণে শরীরে বালি ও নোনাজল প্রবেশের সম্ভাবনা রয়েছে। অভিনেতা সাঁতার জানতেন বলে জানা গেলেও, হঠাৎ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে তিনি নিজেকে রক্ষা করতে পারেননি। শুটিং ইউনিটের কয়েকজন সদস্য তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়েও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। অভিনেতার ব্যক্তিগত গাড়িচালক অভিযোগ করেছেন, শুটিং স্পটে জরুরি চিকিৎসা সহায়তার ব্যবস্থা ছিল না। দ্রুত চিকিৎসা পৌঁছালে জীবন রক্ষা করা সম্ভব হতে পারত বলে তিনি মনে করেন। রবিবার (২৯ মার্চ) এবং সোমবার (৩০মার্চ) প্রিয় অভিনেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তমলুক হাসপাতালে ভক্ত ও সহকর্মীদের ঢল নেমে আসে। কলকাতার বিজয়গড়ে তাঁর বাসভবন সংলগ্ন ভোলা বসু ভবনে মরদেহ রাখা হবে, যাতে চলচ্চিত্র ও নাট্য অঙ্গনের সহকর্মী ও ভক্তরা শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে পারেন। এরপর সেখানেই শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।