বিশ্বকাপ শুরুর আর অল্প সময় বাকি থাকতে বড় ধরনের দুশ্চিন্তায় পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একসঙ্গে তিন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার—লাওতারো মার্টিনেজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো—ইনজুরিতে পড়ায় দলীয় প্রস্তুতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
টটেনহাম ও সান্ডারল্যান্ডের ম্যাচে সংঘর্ষের পর ডান হাঁটুতে আঘাত পান সেন্টার ব্যাক রোমেরো। প্রাথমিকভাবে তিনি খেলা চালিয়ে গেলেও পরে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার লিগামেন্টের অবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে; গুরুতর কিছু ধরা পড়লে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে ইন্টার মিলানের ফরোয়ার্ড লাওতারো মার্টিনেজের পুরনো পেশির ইনজুরি আবার ফিরে এসেছে, যা আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে।
এছাড়া নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ওয়ার্মআপের সময় অস্বস্তি অনুভব করায় ম্যাচ খেলতে পারেননি বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।
একসঙ্গে তিন তারকার ইনজুরিতে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।
বিশ্বকাপ শুরুর আর অল্প সময় বাকি থাকতে বড় ধরনের দুশ্চিন্তায় পড়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। একসঙ্গে তিন গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার—লাওতারো মার্টিনেজ, এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ও ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো—ইনজুরিতে পড়ায় দলীয় প্রস্তুতিতে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। টটেনহাম ও সান্ডারল্যান্ডের ম্যাচে সংঘর্ষের পর ডান হাঁটুতে আঘাত পান সেন্টার ব্যাক রোমেরো। প্রাথমিকভাবে তিনি খেলা চালিয়ে গেলেও পরে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন। তার লিগামেন্টের অবস্থা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে; গুরুতর কিছু ধরা পড়লে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে ইন্টার মিলানের ফরোয়ার্ড লাওতারো মার্টিনেজের পুরনো পেশির ইনজুরি আবার ফিরে এসেছে, যা আক্রমণভাগে আর্জেন্টিনাকে বড় ধাক্কা দিয়েছে। এছাড়া নটিংহ্যাম ফরেস্টের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ওয়ার্মআপের সময় অস্বস্তি অনুভব করায় ম্যাচ খেলতে পারেননি বিশ্বকাপজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। একসঙ্গে তিন তারকার ইনজুরিতে কোচ লিওনেল স্কালোনির কৌশলগত পরিকল্পনা নিয়ে তৈরি হয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ম্যাচ পরিচালনার জন্য রেফারিদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে FIFA। দীর্ঘ তিন বছরের মূল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ শেষে মোট ৫২ জন প্রধান রেফারি, ৮৮ জন সহকারী রেফারি এবং ৩০ জন ভিডিও ম্যাচ অফিশিয়ালকে মনোনীত করা হয়েছে। আসন্ন বিশ্বকাপে ৪৮ দল অংশ নেবে এবং মোট ১০৪টি ম্যাচ পরিচালনার জন্য বাড়তি সংখ্যক অফিশিয়াল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা পূর্ববর্তী আসরগুলোর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফিফার মতে, মাঠে ধারাবাহিক ও উচ্চমানের পারফরম্যান্স প্রদর্শনকারী কর্মকর্তারাই কেবল এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন। পিয়েরলুইজি কলিনার নেতৃত্বাধীন রেফারি কমিটি জানিয়েছে, নির্বাচিত কর্মকর্তাদের শারীরিক সক্ষমতার পাশাপাশি মানসিক প্রস্তুতিও বিশেষভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ জন্য চিকিৎসা ও ফিটনেস সহায়তার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফিফার রেফারি কমিটির চেয়ারম্যান এবং কিংবদন্তি পিয়েরলুইজি কলিনা এবারের আসরে নারী রেফারিদের অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পেয়েছে; ছয়জন নারী ম্যাচ অফিশিয়াল তালিকায় জায়গা পেয়েছেন, যা ফিফার অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির ধারাবাহিকতা নির্দেশ করে। প্রযুক্তিগত দিক থেকেও আসছে বড় পরিবর্তন। গোল-লাইন প্রযুক্তি ও সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমের উন্নত সংস্করণের পাশাপাশি যুক্ত হচ্ছে কানেক্টেড বল প্রযুক্তি। সবচেয়ে আলোচিত সংযোজন হিসেবে থাকছে রেফারিদের বডি ক্যামেরা, যা প্রথমবারের মতো দর্শকদের সরাসরি মাঠের ভেতরের দৃষ্টিকোণ দেখার সুযোগ দেবে। ফিফা জানিয়েছে, খেলার গতি বাড়ানো এবং সময় অপচয় রোধে নতুন আইএফএবি অনুমোদিত নিয়মাবলীও কার্যকর হবে, পাশাপাশি ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (VAR) প্রোটোকলে আনা হয়েছে একাধিক সংশোধন।
অবসর-পরবর্তী জীবনেও ক্রীড়াকে অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে রেখে স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ৯০ বছর বয়সে তিনি ইউরোপিয়ান মাস্টার্স চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে একাধিক বিশ্বরেকর্ড গড়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন। পোল্যান্ডের তৌর্নে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় আলনসো ৮০০ ও ১৫০০ মিটার ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি দুটি বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছেন। ৮০০ মিটারে ৩:৩৪.২২ মিনিট সময় নিয়ে তিনি পূর্ববর্তী রেকর্ড অতিক্রম করেন। পরবর্তীতে ১৫০০ মিটারে ৭:০০.৮১ মিনিট সময় নিয়ে আরেকটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে ডাবল শিরোপা নিশ্চিত করেন। পেশাগত জীবনের ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ থেকে ক্রীড়াই তাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে বলে পূর্বে এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন আলনসো। তার এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বয়সকে অতিক্রম করে শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে প্রতিযোগিতায় স্পেন মোট ১২১টি পদক অর্জন করে পদক তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে এবং একাধিক জাতীয় ও বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করে তাদের ক্রীড়াক্ষেত্রে সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।