বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নতুন কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান। এখন থেকে এই কৌশলগত জলপথ ব্যবহারকারী প্রতিটি নৌযানকে তেহরানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে। নতুন এই নীতিকে ইরান ‘সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ (পিজিএসএ) নামে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করে এ বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে। আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনবিষয়ক জার্নাল লয়েড’স লিস্ট জানিয়েছে, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে হলে প্রতিটি জাহাজকে ৪০টিরও বেশি তথ্যসম্বলিত ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ ফর্ম জমা দিতে হবে।
এই ফরমে জাহাজের মালিকানা, বিমা, ক্রু সদস্যদের পরিচয়, পরিবাহিত পণ্যের বিবরণ, যাত্রার সূচনাবিন্দু ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দিলে তবেই জাহাজ চলাচলের ছাড়পত্র মিলবে। ফরমে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার সম্পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট নৌযান কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করেছে তেহরান।
ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে, তাদের জন্য এই রুট ব্যবহার আরও কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করেছে, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে হলে সব নৌযানকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করেই চলতে হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণনীতি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং তেলের দামের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশ্ব জ্বালানি বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে নতুন কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান। এখন থেকে এই কৌশলগত জলপথ ব্যবহারকারী প্রতিটি নৌযানকে তেহরানের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হবে এবং নির্ধারিত টোল পরিশোধ করতে হবে। নতুন এই নীতিকে ইরান ‘সার্বভৌম নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পদক্ষেপ’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান ‘পারসিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ (পিজিএসএ) নামে নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠন করে এ বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে। আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনবিষয়ক জার্নাল লয়েড’স লিস্ট জানিয়েছে, এখন থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে হলে প্রতিটি জাহাজকে ৪০টিরও বেশি তথ্যসম্বলিত ‘ভেসেল ইনফরমেশন ডিক্লারেশন’ ফর্ম জমা দিতে হবে। এই ফরমে জাহাজের মালিকানা, বিমা, ক্রু সদস্যদের পরিচয়, পরিবাহিত পণ্যের বিবরণ, যাত্রার সূচনাবিন্দু ও গন্তব্যসহ বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই শেষে অনুমোদন দিলে তবেই জাহাজ চলাচলের ছাড়পত্র মিলবে। ফরমে ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে তার সম্পূর্ণ দায় সংশ্লিষ্ট নৌযান কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে বলেও সতর্ক করেছে তেহরান। ইরানের সামরিক কর্মকর্তারা ইঙ্গিত দিয়েছেন, যারা যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা নীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকবে, তাদের জন্য এই রুট ব্যবহার আরও কঠিন হতে পারে। একই সঙ্গে তারা স্পষ্ট করেছে, ভবিষ্যতে হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে হলে সব নৌযানকে ইরানের সঙ্গে সরাসরি সমন্বয় করেই চলতে হবে। বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বের জ্বালানি তেলের বড় একটি অংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে ইরানের নতুন নিয়ন্ত্রণনীতি বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং তেলের দামের ওপর তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
ভারতের যেকোনো ভবিষ্যৎ ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাব হবে ভয়াবহ, বিস্তৃত ও সুদূরপ্রসারী—এমন কঠোর বার্তা দিয়েছেন পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির। রোববার (১০ মে) রাওয়ালপিন্ডির জিএইচকিউতে ভারত–পাকিস্তান সংঘাতের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে যেকোনো দুঃসাহসিক পদক্ষেপের পরিণতি সীমিত থাকবে না, বরং তা হবে সুদূরপ্রসারী ও বেদনাদায়ক। সেনাপ্রধান দাবি করেন, গত বছরের সংঘাত ছিল “মারকা-ই-হক” বা সত্যের যুদ্ধ, যেখানে পাকিস্তান জাতীয় ঐক্য ও সামরিক সক্ষমতার মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এটি কেবল সামরিক সংঘর্ষ নয়, বরং দুই ভিন্ন মতাদর্শের নির্ধারক লড়াই ছিল। ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে আসিম মুনির বলেন, বিভিন্ন সময়ে ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে, তবে প্রতিবারই ইসলামাবাদ সেই কৌশল ব্যর্থ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনী কখনো শক্তির চাপের কাছে মাথা নত করবে না এবং ভবিষ্যতেও করবে না। অনুষ্ঠানে তিনি সংঘাতে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং বেসামরিক হতাহতের ঘটনাও স্মরণ করেন।
মস্কো থেকে আসা এক নতুন কূটনৈতিক বার্তায় ইউক্রেন যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে শর্তসাপেক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি বলেছেন, চলমান সংঘাত হয়তো শেষ পর্যায়ের দিকে অগ্রসর হচ্ছে এবং চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি হলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি–এর সঙ্গে তৃতীয় কোনো দেশে বৈঠকের সম্ভাবনা উন্মুক্ত থাকতে পারে। শনিবার (০৯ মে) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পুতিন দাবি করেন, যুদ্ধে রাশিয়ার অবস্থান অপরিবর্তিতভাবে শক্তিশালী এবং তারা বিজয়ের পথেই রয়েছে। একই দিনে মস্কোর রেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত বিজয় দিবসের সামরিক কুচকাওয়াজে তিনি ইউক্রেন যুদ্ধরত রুশ সেনাদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পুতিন এ সংঘাতকে “ন্যায্য প্রতিরক্ষা যুদ্ধ” হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেন, পশ্চিমা দেশ ও ন্যাটোর সামরিক সহায়তা ইউক্রেনকে একটি প্রক্সি যুদ্ধে পরিণত করেছে। তার মতে, দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দৃষ্টিকোণ থেকে পরিস্থিতি এখন সমাপ্তির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এদিকে, সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অগ্রগতির অংশ হিসেবে রাশিয়া ও ইউক্রেন তিন দিনের আংশিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর করেছে এবং এক হাজার বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়েছে, যা নতুন করে আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি করেছে। যুদ্ধ পরিস্থিতি ও শান্তি প্রক্রিয়া নিয়ে বক্তব্যে পুতিন পশ্চিমা বিশ্বায়নবাদী নীতিকে দায়ী করেন এবং ন্যাটোর পূর্বমুখী সম্প্রসারণকে বর্তমান সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সম্ভাব্য কোনো উচ্চপর্যায়ের বৈঠক কেবল পূর্ণাঙ্গ শান্তিচুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার পরই অনুষ্ঠিত হতে পারে এবং সেটি হতে পারে তৃতীয় কোনো নিরপেক্ষ দেশে।