জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নস্থ নান্দিনা বাজারের সন্নিকটে নান্দিনা মৌজায় পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, নান্দিনা মৌজার ৫০৫ খতিয়ানের বিআরএস ৬৩ ও ৬৪ দাগের ৬৪ শতাংশ পৈত্রিক জমির মধ্যে ১২ শতাংশ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে রয়েছে। এ ঘটনায় নান্দিনা শেখ আনোয়ার হোসেন কলেজের আব্দুল হামিদ মিয়া ছাত্রাবাস সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ করা হয়।
ভুক্তভোগীরা অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জমি পরিমাপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ এবং প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে পৈত্রিক সূত্রের মালিক মো. আনিছুর রহমান ও কল্পনা বেগম উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
জামালপুর সদর উপজেলার রানাগাছা ইউনিয়নস্থ নান্দিনা বাজারের সন্নিকটে নান্দিনা মৌজায় পৈত্রিক সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, নান্দিনা মৌজার ৫০৫ খতিয়ানের বিআরএস ৬৩ ও ৬৪ দাগের ৬৪ শতাংশ পৈত্রিক জমির মধ্যে ১২ শতাংশ দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে রয়েছে। এ ঘটনায় নান্দিনা শেখ আনোয়ার হোসেন কলেজের আব্দুল হামিদ মিয়া ছাত্রাবাস সংশ্লিষ্ট বলে অভিযোগ করা হয়। ভুক্তভোগীরা অবৈধ দখল উচ্ছেদ, জমি পরিমাপের মাধ্যমে সীমানা নির্ধারণ এবং প্রকৃত মালিকদের কাছে জমি বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। পাশাপাশি বিষয়টি সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। সংবাদ সম্মেলনে পৈত্রিক সূত্রের মালিক মো. আনিছুর রহমান ও কল্পনা বেগম উপস্থিত ছিলেন। তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সমাধানের চেষ্টা করেও কোনো সুরাহা না হওয়ায় সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের গহীন জঙ্গলে জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ২০ জন জেলে ও মৌয়ালের মধ্যে ১৮ জন মুক্তিপণ দিয়ে ফিরে এসেছেন। তবে দুই জেলে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। ফিরে আসা জেলে ও মৌয়ালরা জানান, প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন তারা জলদস্যুদের হাতে বন্দি ছিলেন। এ সময় পরিবারের সদস্য ও মহাজনদের কাছ থেকে প্রায় ৭ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। জানা যায়, গত ৪ ও ৫ মে সুন্দরবনের চুনকুড়ি নদী, ধানোখালী খাল, মামুন্দো নদী ও মালঞ্চ নদী এলাকায় আলিফ ওরফে আলিম বাহিনী, নানাভাই ও ডন বাহিনীর পরিচয়ে সশস্ত্র দস্যুরা ২০ জনকে অপহরণ করে। পরে মোবাইল ফোনে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। দর-কষাকষির পর নির্ধারিত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠালে একে একে ১৮ জনকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তিপণ দিয়ে ফেরত আসাদের মধ্যে রয়েছেন মুরশিদ আলম, করিম শেখ, আবু ইসা, মমিন ফকির, আল-আমিন, আবুল বাসার বাবু, সঞ্জয়, আল-মামুন, হুমায়ূন, মনিরুল মোল্লা, রবিউল ইসলাম, হৃদয় মণ্ডলসহ আরও অনেকে। তবে শ্যামনগরের শুকুর আলী গাজী ও রেজাউল করিম নামে দুই জেলে এখনো দস্যুদের হাতে আটক রয়েছেন বলে পরিবার দাবি করেছে। তাদের মুক্তির জন্য ৩০ হাজার টাকা করে পাঠানো হলেও এখনো কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এতে পরিবারগুলোতে উদ্বেগ বিরাজ করছে। ফিরে আসা জেলে ও মৌয়ালরা সুন্দরবনে দস্যুদের তৎপরতা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ করে নিরাপত্তা জোরদার ও নিয়মিত টহল বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন। পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান জানান, জলদস্যু দমনে কোস্টগার্ডের সঙ্গে যৌথ অভিযান চলমান রয়েছে। তবে তথ্য পেতে ভুক্তভোগীদের সহযোগিতা প্রয়োজন।
লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় সাতক্ষীরার আরও এক প্রবাসী নিহত হয়েছেন। নিহত শুভ কুমার দাস (২৮) কলারোয়া উপজেলার শ্রীপ্রতিপুর গ্রামের সুরঞ্জন দাসের ছেলে। মঙ্গলবার (১২ মে) রাতে পরিবারের সদস্যরা তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। জানা গেছে, সোমবার (১১ মে) রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় চলাচলের সময় তিনি হামলার শিকার হন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় তিন বছর ধরে লেবাননে থেকে বাড়ি ও বাগান দেখাশোনার কাজ করতেন শুভ। তার আয়ে চলত পরিবারের সংসার। মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছালে গ্রামে শোকের ছায়া নেমে আসে। এ নিয়ে লেবাননে চলমান সংঘাতে সাতক্ষীরার তিন প্রবাসীর মৃত্যু হলো। এর আগে সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম ও আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের নাহিদুল ইসলাম নাহিদ নিহত হন। সাতক্ষীরা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অর্ণব কুমার দত্ত জানান, সরকারি প্রক্রিয়ায় মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।