জাতীয়

আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: টিআইবি

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ জানুয়ারী ১২, ২০২৬
ড. ইফতেখারুজ্জামান
ড. ইফতেখারুজ্জামান

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কারের নামে নেওয়া উদ্যোগগুলো প্রায় সব ক্ষেত্রেই বাস্তবায়নে লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে।

তিনি বলেন,

“সরকার কার্যত আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। কেন এই আত্মসমর্পণ হলো এবং দুর্বলতা কোথায়, তা মূল প্রশ্ন।”

সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্য প্রণয়নে সংস্কার বিমুখতা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ, জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, সরকারি হিসাব নিরীক্ষা অধ্যাদেশ, রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ এবং জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশের বিষয়ে টিআইবির পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।

 

অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি

রাজধানীসহ সারা দেশে ক্রমেই বাড়ছে অবৈধ অস্ত্রের ঝনঝনানি। সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো অত্যাধুনিক বিদেশি অস্ত্রের মজুত গড়ে তুলছে এবং এসব অস্ত্র ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুন ও সহিংসতা চালাচ্ছে। এতে আইন শৃঙ্খলা নিয়ে বাড়ছে জনমনে শঙ্কা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কিন্তু নির্দেশ মোতাবেক সফলতা আসছে না। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই আন্ডারওয়ার্ল্ড নিজেদের শক্তি প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অতীতে চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার ও কন্ট্রাক্ট কিলিংয়ের জন্য যেসব অস্ত্র মজুদ করা হয়েছিল, তার একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার হয়নি। ফলে সেই অস্ত্রই আসন্ন নির্বাচনে বড় নিরাপত্তাঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।  বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির এখনো উন্নতি ঘটেনি। তবে, শিগগিরই এর সমাধান হবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। সোমবার ঠাকুরগাঁওয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।  মির্জা ফখরুল বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সরকার এখনো কোনো অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি, যা সরকারের ব্যর্থতা। সেইসঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিরও উন্নতি হয়নি। তবে বিএনপি আশাবাদী খুব শিগগিরই এটির সমাধান হবে।’ জামায়াতের নবগঠিত নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক বৈঠকে শুক্রবার বলা হয়, দেশে সন্ত্রাস নির্মূলে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি নেই। প্রতিনিয়ত মানুষ হত্যার ঘটনা ঘটছে। অথচ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পরিলক্ষিত হচ্ছে না। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এদিকে ওসমান হাদিকে গুলির ঘটনার পর নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তি, ভোটার, প্রার্থী ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একধরনের ভয় তৈরি হয়েছে। তবে সেটা এখন কমেনি। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহেই গুলি করে অন্তত চারটি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি রাজধানীর ব্যস্ততম এলাকা কারওয়ান বাজার এলাকার অদূরে তেজতুরী বাজারে বুধবার রাতে গুলি করে হত্যা করা হয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতাকে। গাজীপুরে এনসিপির এক কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি করে তাঁর মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। শরীয়তপুরের জাজিরায় একটি ঘরে বিস্ফোরণে দুই যুবক নিহত হন। পুলিশ বলছে, ককটেল তৈরির সময় এই বিস্ফোরণ হয়। এসব ককটেল নির্বাচনী প্রচারে হামলা বা নাশকতার জন্য তৈরি হচ্ছিল কি না, সে সন্দেহও রয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের একটি বাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে একতলা ভবনের দুটি কক্ষের দেয়াল উড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। ঘটনাস্থল থেকে ককটেল, রাসায়নিক দ্রব্য ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে চোরাগোপ্তা হামলা, গুলি, হত্যা, বিস্ফোরণ, মব সন্ত্রাস, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার একের পর এক ঘটনা নির্বাচনকেন্দ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা তৈরি করেছে। এর আগে নির্বাচনী জনসংযোগে হামলা, গুলি হয়েছে। সব মিলিয়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে বড় উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে অতীতে লুট হওয়া পুলিশের বিপুল পরিমাণ অস্ত্র এখনো পুরোপুরি উদ্ধার না হওয়া। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, বিভিন্ন সহিংস ঘটনায় লুট হওয়া পাঁচ হাজারের বেশি অস্ত্রের মধ্যে অধিকাংশ উদ্ধার হলেও এখনো এক হাজার ৩২০টি অস্ত্র উদ্ধার বাকি রয়েছে। এসব অস্ত্র যদি অপরাধী চক্রের হাতে সক্রিয় থাকে, তাহলে নির্বাচনকালীন সহিংসতার মাত্রা বহুগুণে বাড়তে পারে। এ ছাড়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীর কাছে থাকা বৈধ লাইসেন্সপ্রাপ্ত অস্ত্রেরও নির্ভরযোগ্য হদিস এখনো মেলেনি। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর ধারণা, পালিয়ে যাওয়া কিছু নেতাকর্মী এসব অস্ত্র গোপনে সংরক্ষণ করে রেখেছে, যা ভবিষ্যতে নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ভোটকেন্দ্রে সাধারণ ভোটারের উপস্থিতি কমে যেতে পারে, যা নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। আইএসপিআর জানায়, যৌথ বাহিনীর অভিযানে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৮ জানুয়ারি পর্যন্ত ২০টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ১৪৯ রাউন্ড গোলাবারুদ, ১০টি ককটেল, ধারালো অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার করা হয়েছে। বিজিবি সূত্র জানায়, শুধু গত ডিসেম্বরে এক মাসেই উদ্ধার হয়েছে ৯টি পিস্তল, দুইটি এয়ারগান, ১৩টি ম্যাগাজিন, একটি হ্যান্ড গ্রেনেড, ২০ কেজি গানপাউডার, ১২ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য, ১৭ কেজি ২০০ গ্রাম পটাশিয়াম নাইট্রেট এবং ৩১৬ রাউন্ড গুলি। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মাদকও জব্দ করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থানাগুলো থেকে লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং সীমান্তে ফাঁকফোকর গলিয়ে দেশের অভ্যন্তরে অস্ত্র এসে সন্ত্রাসীদের হাতে পৌঁছানোর ফলে তারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে এই পরিস্থিতি আরও ঘনীভূত হতে পারে। যদিও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেশব্যাপী অভিযান পরিচালনা করছে, তবে অস্ত্র উদ্ধার খুব সীমিত পরিসরে হয়েছে। সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সীমান্ত এলাকার অন্তত ১৮টি পয়েন্ট দিয়ে দেশে অবৈধ অস্ত্র পাচার হতে পারে, এসব পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে। যেগুলোর মধ্যে নিয়মিত অবৈধ অস্ত্র আসছে টেকনাফ, বেনাপোল, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, কুষ্টিয়া, দিনাজপুর ও মেহেরপুর পয়েন্ট দিয়ে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও অপরাধ বিশেষজ্ঞদের মতে, সীমান্তে যে পরিমাণ অবৈধ অস্ত্র জব্দ হয়, তার কয়েক গুণ বেশি অস্ত্র দেশের ভেতরে প্রবেশ করে। এসব অস্ত্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ প্রসঙ্গে গত সোমবার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘দু-চারটা অস্ত্র যে ঢুকছে না, তা না। ঢুকছে এবং এগুলো কিন্তু ধরা হচ্ছে। প্রতিদিনই দেখবেন ধরা হচ্ছে। একটা-দুইটা করে কিন্তু প্রতিদিন, একদিন কিন্তু পাঁচটি বিদেশি পিস্তলও ধরা হয়েছে। কোথাও কোনো রকমের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

মো: মাজহারুল পারভেজ > জানুয়ারী ১২, ২০২৬ 0
অধ্যাপক আলী রিয়াজ

ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট জরুরি: আলী রিয়াজ

ড. ইফতেখারুজ্জামান

আমলাতন্ত্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার: টিআইবি

ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নের আপিল শুনানি শুরু

বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না - ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনে কোনদিনই প্রভাব ফেলেনি এবং আশা করি এবারেও প্রভাব পড়বেনা এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের কালিবাড়ী এলাকায় তার নিজ বাসভবনে তিনি এসব কথা বলেন।  তিনি আরো বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আমাদের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সুযোগ পায়নি। তাদেরকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এবং সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেয়নি। ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আসার উদ্দেশ্য নিয়ে। মির্জা ফখরুল বলেন, মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণ, জুলাই যোদ্ধা নিহতদের কবর জিয়ারত ও আহত পরিবারের মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। এটাকে বলা যেতে পারে যে, তার ব্যক্তিগত শুভেচ্ছা সফর। তিনি আরো বলেন, এবারে একদিনেই নির্বাচন ও গণভোট হবে। যে সংস্কার নিয়ে গণভোট হচ্ছে এটি মূলত আমাদের পূর্বের কার্যক্রম ছিল। সংস্কার একটি চলমান প্রক্রিয়া। সেখানে না বলার মতো কোন কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। বিএনপির মহাসচিব বলেন, অবহেলিত অঞ্চলগুলোকে উন্নত করার জন্য বিএনপি আগেও কাজ করেছে। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে নিঃসন্দেহে আমাদের নেতা তারেক রহমান অবশ্যই চিন্তা করবেন এবং নির্বাচিত হলে উত্তরাঞ্চল সহ অবহেলিত অঞ্চলগুলোর উন্নয়নে আমরা কাজ করব। এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমীন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলীসহ অন্যান্যরা।

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি জানুয়ারী ৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

৭ লক্ষাধিক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্বে থাকছে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা–করাচি আকাশপথে ফের শুরু হচ্ছে বিমানের ফ্লাইট

ছবি : সংগৃহীত

হাদি হত্যাকাণ্ডে ওয়ার্ড কমিশনার নয়, রাষ্ট্রযন্ত্র জড়িত: ইনকিলাব মঞ্চ

মন্ত্রিপাড়ার ডুপ্লেক্স বাড়ি
মন্ত্রিপাড়ার ৭১টি আবাসন শুধু মন্ত্রীদের জন্য বরাদ্দ করার উদ্যোগ

রাজধানীর মন্ত্রিপাড়া এলাকায় মন্ত্রীদের জন্য নির্মিত সরকারি আবাসন পুনর্নির্দিষ্টকরণের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সরকারি আবাসন পরিদপ্তর ইতোমধ্যে বেইলি রোড, মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, গুলশান ও ধানমন্ডি এলাকায় অবস্থিত মোট ৭১টি বাংলো ও অ্যাপার্টমেন্টকে শুধুমাত্র মন্ত্রীদের আবাসন হিসেবে এয়ারমার্ক করার প্রস্তাব দিয়েছে। আবাসন পরিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে এসব ভবনে নির্বাচন কমিশনার, দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার, বিচারপতি, উপদেষ্টা ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বসবাস করছেন, যা বিদ্যমান আবাসন নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। ভবিষ্যতে নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে আবাসন সংকট ও প্রশাসনিক জটিলতা এড়াতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ উদ্দেশ্যে গত ২ নভেম্বর সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়, যারা পুরোনো ৪১টির সঙ্গে নতুন করে আরও ৩০টি আবাসন যুক্ত করে মোট ৭১টি ভবন নির্দিষ্ট করার সুপারিশ করেছে। কমিটির প্রতিবেদন সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে, এসব আবাসনে ভবিষ্যতে মন্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বসবাস করতে পারবেন না—এমন নীতিগত প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ৭, ২০২৬ 0

যুবলীগ নেতা বাপ্পির পরিকল্পনাতেই খুন হয় হাদি

ছবি: সংগৃহীত

এনইআইআর সেবা গ্রহণে সতর্ক থাকার নির্দেশ বিটিআরসির

ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদেরসহ ১৫ জনের বিদেশযাত্রায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা

0 Comments