হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর ফের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এফসি বার্সেলোনা। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন ভিক্টর ফন্ট। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কাঠামো, ক্রীড়া দর্শন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা।
নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাভি প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তসহ একাধিক ইউরোপীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং বর্তমানে ক্লাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা না থাকায় মেসি এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিতেও আগ্রহী নন।
প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আবার ভিক্টর ফন্ট জয়ী হলে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করার ঘোষণা দিলেও, সে আহ্বানেও এখনো সাড়া দেননি আর্জেন্টাইন তারকা।
বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেসি ক্লাবের আজীবন সদস্য হিসেবে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন, তবে ভোট না দেওয়াকে ক্লাবের প্রতি অনাগ্রহ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি দূর থেকেই ক্লাবের মঙ্গল কামনা করছেন।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সশরীরে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভোট দিয়েছিলেন, যা তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলায় ব্যস্ত থাকায় এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতেই এবার নিরপেক্ষ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার।
ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায় ১৫ মার্চের নির্বাচনের, যেখানে নির্ধারিত হবে বার্সেলোনার আগামী দিনের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা।
হোয়ান লাপোর্তার পদত্যাগের পর ফের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করেছে এফসি বার্সেলোনা। ক্লাবের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নতুন নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হচ্ছেন লাপোর্তা, যেখানে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছেন ভিক্টর ফন্ট। আগামী ১৫ মার্চ অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনকে ঘিরে ক্লাবের ভবিষ্যৎ কাঠামো, ক্রীড়া দর্শন ও প্রশাসনিক দিকনির্দেশনা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা। নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বার্সেলোনার দুই কিংবদন্তি লিওনেল মেসি ও জাভি হার্নান্দেজের ভূমিকা বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। জাভি প্রকাশ্যে ভিক্টর ফন্টের পক্ষে অবস্থান নিলেও, লিওনেল মেসি এবার নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে দূরে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম দিয়ারিও স্পোর্তসহ একাধিক ইউরোপীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ব্যক্তিগত ব্যস্ততা এবং বর্তমানে ক্লাবের সঙ্গে প্রত্যক্ষ কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা না থাকায় মেসি এবারের নির্বাচনে ভোট দেবেন না। একই সঙ্গে তিনি কোনো প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ বা প্রকাশ্য সমর্থন দিতেও আগ্রহী নন। প্রতিবেদনগুলোতে আরও বলা হয়েছে, বর্তমান সভাপতি লাপোর্তার সঙ্গে মেসির সম্পর্ক কার্যত নিষ্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে। আবার ভিক্টর ফন্ট জয়ী হলে মেসির সঙ্গে যোগাযোগ করার ঘোষণা দিলেও, সে আহ্বানেও এখনো সাড়া দেননি আর্জেন্টাইন তারকা। বার্সেলোনার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেসি ক্লাবের আজীবন সদস্য হিসেবে ভোট দেওয়ার অধিকার রাখেন, তবে ভোট না দেওয়াকে ক্লাবের প্রতি অনাগ্রহ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। তিনি দূর থেকেই ক্লাবের মঙ্গল কামনা করছেন। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনে মেসি সশরীরে ন্যু ক্যাম্পে এসে ভোট দিয়েছিলেন, যা তখন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলায় ব্যস্ত থাকায় এবং অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়াতেই এবার নিরপেক্ষ থাকার পথ বেছে নিয়েছেন আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার। ফুটবল বিশ্ব এখন অপেক্ষায় ১৫ মার্চের নির্বাচনের, যেখানে নির্ধারিত হবে বার্সেলোনার আগামী দিনের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা।
টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে ঘিরে ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ বর্জনের সিদ্ধান্তের পেছনের ব্যাখ্যা প্রথমবারের মতো প্রকাশ করেছে পাকিস্তান সরকার। দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ক্রিকেটের মাঠে রাজনীতির অনুপ্রবেশের প্রতিবাদ এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানাতেই এই অবস্থান নিয়েছে ইসলামাবাদ। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ইসলামাবাদে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাজনৈতিক প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়। তাঁর ভাষায়, “খেলার মাঠ রাজনীতিমুক্ত থাকা উচিত। এই নীতিগত অবস্থান থেকেই ভারতের বিপক্ষে না খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়া বাংলাদেশের পাশে দাঁড়ানোকে সরকার নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে দেখছে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগ আমলে না নিয়ে আইসিসি দলটিকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার পরই পাকিস্তান ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার ঘোষণা দেয়। যদিও সিদ্ধান্তটি আগেই জানানো হয়েছিল, এর পেছনের যুক্তি এবারই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরল পাকিস্তান সরকার। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কার যৌথ আয়োজনে ২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা। সূচি অনুযায়ী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ নির্ধারিত থাকলেও পাকিস্তান সরকার স্পষ্ট করেছে, সেই ম্যাচে দল মাঠে নামবে না। আইসিসি এ সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানালেও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেনি। তবে পিসিবি নেতৃত্ব অতীতের মতো এবারও আইসিসির নীতিতে দ্বৈত মানদণ্ডের অভিযোগ তুলেছে এবং বাংলাদেশের প্রতি করা আচরণকে অন্যায্য বলে অভিহিত করেছে।
২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি নতুন বিতর্কে জড়াল। বিশ্ব ক্রিকেটারদের স্বতন্ত্র অধিকার ও অংশগ্রহণের শর্তাবলি নিয়ে ক্রিকেটার সংগঠন ডব্লিউসিএ আইসিসিকে কঠোর সমালোচনা করেছে। ডব্লিউসিএ অভিযোগ করেছে, আইসিসি খেলোয়াড়দের কাছে পাঠানো নতুন শর্তাবলি ২০২৪ সালের চুক্তির সঙ্গে মিলছে না এবং এতে খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত নাম, ছবি ও তথ্য ব্যবহারের অধিকার মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষত যেসব খেলোয়াড় আর্থিকভাবে দুর্বল, তাদের ওপর একপক্ষীয় শর্ত চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে সংগঠনটি উল্লেখ করেছে। আইসিসি পাল্টা দাবি করেছে, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি ক্রিকেট বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য, বাকিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে ডব্লিউসিএর মতে, চুক্তি সকল সদস্য খেলোয়াড়ের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হওয়া উচিত। এতে খেলোয়াড়রা গণমাধ্যমে উপস্থিতি, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ এবং বাণিজ্যিক লাইসেন্সের ক্ষেত্রে পূর্ণ অধিকার রাখতে পারবেন। ডব্লিউসিএ প্রধান নির্বাহী টম মোফাট বলেছেন, আইসিসির নতুন শর্তগুলো খেলোয়াড়দের অধিকার হরণ করছে এবং “বিশেষ করে নিম্নবেতনপ্রাপ্ত বা অপেশাদার খেলোয়াড়দের শোষণমূলক” পরিস্থিতির দিকে ধাবিত করছে। তিনি উল্লেখ করেন, সংগঠন বিশ্বকাপ পণ্ড করতে চাইছে না, তবে খেলোয়াড়দের সুরক্ষা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এ মুহূর্তে আইসিসি এখনও ডব্লিউসিএর নোটিশের জবাব দেয়নি।