অন্যান্য খেলা

১৮ বছর বয়সেই বোল্টের রেকর্ড ভেঙে দিলেন গাউট

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন ১৮ বছর বয়সী স্প্রিন্টার গাউট গাউট। মাত্র ১৯.৬৭ সেকেন্ডে ২০০ মিটার দৌড় শেষ করে তিনি অনূর্ধ্ব–২০ পর্যায়ে নতুন বিশ্ব রেকর্ড গড়েন। এই সময়ের মধ্য দিয়ে তিনি ভেঙে দেন কিংবদন্তি দৌড়বিদ উসাইন বোল্টের তরুণ বয়সে করা ১৯.৯৩ সেকেন্ডের রেকর্ডও। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাথলেটিকস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো স্প্রিন্টার ২০০ মিটার ২০ সেকেন্ডের নিচে শেষ করার কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি। দৌড় শেষে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে গাউট বলেন, এ সাফল্যের জন্য তিনি দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন। তবে নিজের অর্জনকে বড় করে না দেখে তিনি বলেন, তিনি এখনো শুরুর পর্যায়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে আরও উন্নতির সুযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা তার দৌড়ের ধরন, লম্বা স্ট্রাইড ও শেষ পর্যায়ের গতিকে ‘বোল্ট-সদৃশ’ বলে অভিহিত করছেন। ইতোমধ্যে তাকে অনেকে ‘পরবর্তী বোল্ট’ হিসেবেও দেখছেন। আগামী অনূর্ধ্ব–২০ বিশ্ব অ্যাথলেটিকস চ্যাম্পিয়নশিপকে সামনে রেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন এই তরুণ প্রতিভা। তবে চাপ না নিয়ে নিজের মতো করেই এগোতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ১৩, ২০২৬ 0
স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো
৯০ বছর বয়সে দৌড়ে জোড়া বিশ্বরেকর্ড গড়লেন স্প্যানিশ অ্যাথলেট

অবসর-পরবর্তী জীবনেও ক্রীড়াকে অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে ধরে রেখে স্প্যানিশ অ্যাথলেট মানুয়েল আলনসো এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। ৯০ বছর বয়সে তিনি ইউরোপিয়ান মাস্টার্স চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়ে একাধিক বিশ্বরেকর্ড গড়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছেন। পোল্যান্ডের তৌর্নে অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় আলনসো ৮০০ ও ১৫০০ মিটার ইভেন্টে স্বর্ণপদক জয়ের পাশাপাশি দুটি বিশ্বরেকর্ড ভেঙেছেন। ৮০০ মিটারে ৩:৩৪.২২ মিনিট সময় নিয়ে তিনি পূর্ববর্তী রেকর্ড অতিক্রম করেন। পরবর্তীতে ১৫০০ মিটারে ৭:০০.৮১ মিনিট সময় নিয়ে আরেকটি বিশ্বরেকর্ড গড়ে ডাবল শিরোপা নিশ্চিত করেন। পেশাগত জীবনের ক্লান্তি ও মানসিক অবসাদ থেকে ক্রীড়াই তাকে পুনরুজ্জীবিত করেছে বলে পূর্বে এক সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেছিলেন আলনসো। তার এই অর্জন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং বয়সকে অতিক্রম করে শারীরিক ও মানসিক দৃঢ়তার একটি উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এদিকে প্রতিযোগিতায় স্পেন মোট ১২১টি পদক অর্জন করে পদক তালিকায় চতুর্থ স্থান অধিকার করে এবং একাধিক জাতীয় ও বিশ্বরেকর্ড স্থাপন করে তাদের ক্রীড়াক্ষেত্রে সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছে।  

নিজস্ব প্রতিবেদক এপ্রিল ৬, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল প্রথমবারের সাফ চ্যাম্পিয়ন

থাইল্যান্ডের ব্যাংককের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে রোববার (২৫ জানুয়ারি) টুর্নামেন্টের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে সাবিনা খাতুনের নেতৃত্বাধীন দল। লিগ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার সাত দেশের অংশগ্রহণে বাংলাদেশ ছয় ম্যাচে পাঁচ জয় ও এক ড্রয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে ইতিহাস সৃষ্টি করে। ফাইনাল ম্যাচে মালদ্বীপের অগ্রগতিকে দ্রুত বিপরীতমুখী করে বাংলাদেশ দখল নেন। অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও লিপি আক্তার হ্যাটট্রিক করেন। এছাড়া কৃষ্ণা রানী সরকার, নিলুফা আক্তার নীলা ও নৌশিন জাহানসহ একাধিক খেলোয়াড় গোল উৎসবে অংশ নেন। বাংলাদেশ টুর্নামেন্ট শুরু করে ভারতের বিপক্ষে ৩-১, ভুটানের সঙ্গে ৩-৩ ড্র, নেপালকে ৩-০, শ্রীলঙ্কাকে ৬-২ এবং পাকিস্তানকে ৯-১ গোলে পরাজিত করে শিরোপার পথে এগিয়ে যায়। শেষ ম্যাচের বড় ব্যবধানে জয়ের মাধ্যমে দলের অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিশ্চিত হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারী ২৫, ২০২৬ 0
সেপাক টাকরো খেলায় দেশসেরা সৈয়দপুরের মেয়েরা

ভলিবলের মতো দেখতে হলেও সম্পূর্ণ ভিন্ন খেলা সেপাক টাকরো। ভলিবল যেখানে হাতে খেলা হয়, সেখানে সেপাক টাকরো খেলতে হয় পুরোপুরি পা দিয়ে। এই ব্যতিক্রমী খেলায় অল্প সময়েই জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য দেখিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়েরা। তারা জাতীয় নারী দলে খেলে বিদেশেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের শহর থেকে দূরের বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত সেপাক টাকরোর অনুশীলন করে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী। তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন জাতীয় সেপাক টাকরো দলের কোচ ববি রায়, যিনি সৈয়দপুরের ছেলে ও মেয়ে উভয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।   কোচ ববি রায় জানান, সেপাক টাকরোর উৎপত্তি মালয়েশিয়ায়। পরে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে খেলাটি জনপ্রিয় হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩০টি জেলায় এই খেলার আঞ্চলিক দল রয়েছে। তিনি বলেন, ২০২২ সালে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুস সালামের উদ্যোগে সৈয়দপুরে সেপাক টাকরোর যাত্রা শুরু হয়। ওই দল থেকেই আইরিন আক্তার বর্তমানে জাতীয় নারী দলে খেলছেন এবং রাব্বি মণ্ডল জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় পুরুষ দলে।     ববি রায় আরও জানান, তিনি নিজে জাতীয় দলের হয়ে নেপাল ও থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মহিলা সেপাক টাকরো দলের কোচ। গত অক্টোবরে ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিযোগিতায় নীলফামারী জেলা দল চ্যাম্পিয়ন এবং পুরুষ দল রানার্সআপ হয়। বর্তমানে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সৈয়দপুর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ এবং লক্ষণপুর স্কুল ও কলেজেও সেপাক টাকরোর চর্চা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই খেলাটি সৈয়দপুরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়বে।  

সৈয়দপুর, নীলফামারী জানুয়ারী ১৩, ২০২৬ 0
সর্বাধিক পঠিত

শীর্ষ সপ্তাহ

ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ

ডোমারে অবৈধ পণ্য ও নিষিদ্ধ পলিথিন ব্যবহারে তিন প্রতিষ্ঠানকে ২ লাখ টাকা জরিমানা

নীলফামারী প্রতিনিধি> এপ্রিল ৯, ২০২৬ 0