ভলিবলের মতো দেখতে হলেও সম্পূর্ণ ভিন্ন খেলা সেপাক টাকরো। ভলিবল যেখানে হাতে খেলা হয়, সেখানে সেপাক টাকরো খেলতে হয় পুরোপুরি পা দিয়ে। এই ব্যতিক্রমী খেলায় অল্প সময়েই জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য দেখিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়েরা।
তারা জাতীয় নারী দলে খেলে বিদেশেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে।
সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের শহর থেকে দূরের বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত সেপাক টাকরোর অনুশীলন করে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী। তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন জাতীয় সেপাক টাকরো দলের কোচ ববি রায়, যিনি সৈয়দপুরের ছেলে ও মেয়ে উভয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

কোচ ববি রায় জানান, সেপাক টাকরোর উৎপত্তি মালয়েশিয়ায়। পরে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে খেলাটি জনপ্রিয় হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩০টি জেলায় এই খেলার আঞ্চলিক দল রয়েছে।
তিনি বলেন, ২০২২ সালে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুস সালামের উদ্যোগে সৈয়দপুরে সেপাক টাকরোর যাত্রা শুরু হয়। ওই দল থেকেই আইরিন আক্তার বর্তমানে জাতীয় নারী দলে খেলছেন এবং রাব্বি মণ্ডল জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় পুরুষ দলে।

ববি রায় আরও জানান, তিনি নিজে জাতীয় দলের হয়ে নেপাল ও থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মহিলা সেপাক টাকরো দলের কোচ। গত অক্টোবরে ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিযোগিতায় নীলফামারী জেলা দল চ্যাম্পিয়ন এবং পুরুষ দল রানার্সআপ হয়।
বর্তমানে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সৈয়দপুর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ এবং লক্ষণপুর স্কুল ও কলেজেও সেপাক টাকরোর চর্চা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই খেলাটি সৈয়দপুরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়বে।
ভলিবলের মতো দেখতে হলেও সম্পূর্ণ ভিন্ন খেলা সেপাক টাকরো। ভলিবল যেখানে হাতে খেলা হয়, সেখানে সেপাক টাকরো খেলতে হয় পুরোপুরি পা দিয়ে। এই ব্যতিক্রমী খেলায় অল্প সময়েই জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য দেখিয়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুরের প্রত্যন্ত গ্রামের মেয়েরা। তারা জাতীয় নারী দলে খেলে বিদেশেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। সৈয়দপুর উপজেলার বাঙালিপুর ইউনিয়নের শহর থেকে দূরের বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত সেপাক টাকরোর অনুশীলন করে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী। তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন জাতীয় সেপাক টাকরো দলের কোচ ববি রায়, যিনি সৈয়দপুরের ছেলে ও মেয়ে উভয় দলের কোচ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। কোচ ববি রায় জানান, সেপাক টাকরোর উৎপত্তি মালয়েশিয়ায়। পরে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, ভিয়েতনামসহ বিভিন্ন দেশে খেলাটি জনপ্রিয় হয়। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩০টি জেলায় এই খেলার আঞ্চলিক দল রয়েছে। তিনি বলেন, ২০২২ সালে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুস সালামের উদ্যোগে সৈয়দপুরে সেপাক টাকরোর যাত্রা শুরু হয়। ওই দল থেকেই আইরিন আক্তার বর্তমানে জাতীয় নারী দলে খেলছেন এবং রাব্বি মণ্ডল জায়গা করে নিয়েছেন জাতীয় পুরুষ দলে। ববি রায় আরও জানান, তিনি নিজে জাতীয় দলের হয়ে নেপাল ও থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ মহিলা সেপাক টাকরো দলের কোচ। গত অক্টোবরে ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জাতীয় প্রতিযোগিতায় নীলফামারী জেলা দল চ্যাম্পিয়ন এবং পুরুষ দল রানার্সআপ হয়। বর্তমানে বাঙালিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশাপাশি সৈয়দপুর ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, পাইলট বালিকা বিদ্যালয় ও কলেজ এবং লক্ষণপুর স্কুল ও কলেজেও সেপাক টাকরোর চর্চা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, অচিরেই খেলাটি সৈয়দপুরের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছড়িয়ে পড়বে।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। রোববার (৪ জানুয়ারি) দুপুরে ঘোষিত এই স্কোয়াডে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন কুমার দাসকে, সহ-অধিনায়ক সাইফ হাসান। তবে ফর্মের তুঙ্গে থাকা টেস্ট অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত এবং গত বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ জেতানো অধিনায়ক জাকের আলী অনিককে দলে রাখা হয়নি, যা ইতোমধ্যে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ঘোষিত দলে আরও আছেন তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারি, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, নাসুম আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান, তানজিম হাসান সাকিব, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ও শরিফুল ইসলাম। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচেই ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে বিকাল সাড়ে ৩টায় ম্যাচটি শুরু হবে। গ্রুপ পর্বে টাইগাররা এরপর খেলবে ইতালি, ইংল্যান্ড ও নেপালের বিপক্ষে। বিশ্বকাপ ঘিরে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে দল ও ভেন্যু ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিসিবি ও আইসিসির মধ্যে যোগাযোগ চলছে বলে জানা গেছে।
ফ্রান্সের সাতবারের চ্যাম্পিয়ন Olympique Lyonnais (OL) এক বিপদের মুখে পড়েছে — ক্রীড়া না খেলার কারণে নয়, বরং আর্থিক অস্বচ্ছতা ও ঋণ বোঝাইয়ের কারণে তাদের শাস্তি হিসেবে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভভাবে Ligue 1 থেকে Ligue 2-তে নামানো হয়েছে। কী ঘটেছে? LFP-র নিয়ন্ত্রক সংস্থা DNCG ২০২৪ সালের নভেম্বরেই Lyonকে আর্থিক অস্থিতিশীলতার জন্য সতর্ক করেছিল। তারপরও ক্লাব দেড়শো মিলিয়নের বেশি নিশ্চিত তহবিল না জমিয়ে জুনে তাদের নিশ্চিতভাবে অবনমনের নির্দেশ দেন aftonbladet.se+15beinsports.com+15en.wikipedia.org+15reddit.com+1reddit.com+1reddit.com+4indiatoday.in+4indiatoday.in+4। OL-এর মালিক John Textor আর ইকোনমিক পরিস্থিতি নিয়ে তাদের সতর্কতা উপেক্ষা করে; যদিও মেডিয়া সেলস এবং প্লেয়ার ট্রান্সফার থেকে আয় ছিল, তাও DNCG-কে মিটাতে পারল না । ক্লাব ও মালিক অভিযোগ করছে, “আমরা যথেষ্ট তহবিল জমিয়েছি, এবং ঠান্ডা মাথায় দেখি কিভাবে এটা অলিম্পিক উইথ এফেল্ট করবে”—তাই তারা আপিল জমা দিয়েছে । আর্থিক পটভূমি & ঋণের পরিমাণ DNCG রিপোর্ট অনুযায়ী, OL-এর দেড়শো মিলিয়ন ইউরোর ঋণ আছে। John Textor-এর হোল্ডিং সংস্থা Eagle Football Group-এর দায়ও প্রায় €445–422 মিলিয়ন reddit.com+15ft.com+15indiatoday.in+15। ক্যাপিটাল ইনজেকশনের অধীনে Crystal Palace-এর একটি স্টেক বিক্রি করার পরও Lyon তাদের আর্থিক স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি indiatoday.in। ক্লাবের প্রতিক্রিয়া Lyon তাদের অবনমন "বিশ্বাসঘাতক ও অযৌক্তিক" বলেছে এবং দ্রুত apel (appeal) জমা দিয়েছে । প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক সময়ে ক্লাবের মালিক কিছু কার্যক্রম নিয়েছেন: Crystal Palace থেকে স্টেক বিক্রি, নারী দলের বিক্রি, প্লেয়ার বিক্রয়াদি — যাতে নগদ প্রবাহ বাড়ানো যায় । ক্রীড়া প্রভাব যদিও Lyon লিগে ছয় নম্বরে শেষ করেছে এবং ইউরোপে জায়গা পেয়েছিল, প্রশাসনিক অবনমন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বাধা হিসেবে দাঁড়াতে পারে indiatoday.in+13theplayoffs.news+13talksport.com+13। UEFA মাল্টি‑ক্লাব হয়রানির কারণে Lyon-এ Europa League-র কোটা নিয়ে সন্দেহ তৈরি হচ্ছে; কৃষকভাবে তারা ডিসকোয়ালিফাইড হলে অন্য ক্লাব যেমন Strasbourg বা Crystal Palace প্রভাবিত হতে পারে । কি হতে পারে পরবর্তী ধাপ? DNCG‑তে আপিল: Lyon-এর আপিল সপ্তাহের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার সম্ভাবনা আছে thekenyatimes.com+10as.com+10beinsports.com+10। অর্থ সংকটের পুনর্মূল্যায়ন: ক্লাবকে সম্ভবত নতুন গ্যারান্টি দেখাতে হবে। যদি পুনরায় ব্যর্থ হয়, তাহলে তাদের স্থান ধরে নিতে পারে Stade Reims । ইউরোপ ব্যবস্থা: Lyon নিশ্চিত করতে চাইবে Europa League-এ খেলতে পারে কি না—UEFA-মাল্টি ownership বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হবে। সারসংক্ষেপ বিষয় বিবরণ স্থিতি DNCG-র প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত: Ligue 2-এ অবনমন ঋণের পরিমাণ প্রায় €422–445 মিলিয়ন যোগ্যতা Ligue 1-এ 6ম স্থান; ইউরোপে Europa League-এ জায়গা দেওয়া হয়েছিল ক্লাব প্রতিক্রিয়া “অযৌক্তিক” বলছে, আপিলে যাচ্ছে + ফান্ড সংগ্রহে কিছু সিদ্ধান্ত নেয় তারা ইউরোপীয় প্রভাব মাল্টি-ক্লাব ownership বিষয় নিয়ে UEFA সিদ্ধান্ত অপেক্ষায় Olympique Lyonnais-বিশ্বের এক ঐতিহ্যবাহী ক্লাব, তবে তাদের আর্থিক নীতির ভঙ্গ হয়েছিল বেশ কয়েকবার। উপরে উল্লেখিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া ও আপিল ব্যবস্থা তাদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে — কিন্তু তা না হলে দ্বিতীয় বিভাগে নামা তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ধাক্কা। ক্লাব ও সমর্থকদের নজর এখন শুধু খেলোয়াড়ি প্রতিযোগিতা নয়, বরং অর্থনৈতিক দায়বদ্ধতা ও নিয়ন্ত্রক মান বজায় রাখা—এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে থাকবে।