শিরোনাম
ফকিরহাটে প্রান্তিক জেলেদের মাঝে ৮০টি ছাগল, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ
ফকিরহাটে প্রান্তিক জেলেদের মাঝে ৮০টি ছাগল, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ

বাগেরহাটের ফকিরহাটে নিবন্ধিত মৎস্যজীবীদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ২০ জন প্রান্তিক জেলের মাঝে ৮০টি ছাগল, ছাগলের খাদ্য ও প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) উপজেলা অডিটোরিয়াম চত্বরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ সহায়তা প্রদান করা হয়। প্রতিজন জেলেকে ৪টি করে ছাগল দেওয়া হয়।

বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ আসাদুল্লাহসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা।

বক্তারা বলেন, মাছের প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় জেলেদের বিকল্প আয়ের সুযোগ সৃষ্টি এবং জীবনমান উন্নয়নে সরকার এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে।

উপকারভোগীরা জানান, ছাগল পালন তাদের পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে এবং স্বাবলম্বী হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মৎস্য বিভাগ জানিয়েছে, জেলেদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা
সৈয়দপুরে গাছে গাছে কাঁঠাল, বাম্পার ফলনের আশা

নীলফামারীর সৈয়দপুরে গাছে গাছে ঝুলছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বাড়ির আঙিনা, রাস্তার ধারে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চত্বর ও গ্রামীণ জনপদজুড়ে কাঁঠাল গাছে প্রচুর ফল ধরেছে। ফলে এ বছর বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষক ও বাগান মালিকরা।

ইতোমধ্যে আগাম জাতের কিছু কাঁঠাল পাকতে শুরু করেছে। বাজারেও উঠতে শুরু করেছে মৌসুমের প্রথম দিকের কাঁঠাল। পাকা কাঁঠালের সুবাসে মুখর হয়ে উঠেছে গ্রামীণ পরিবেশ।

উপজেলার কামারপুকুর, কাশিরাম বেলপুকুর, খাতামধুপুর, বোতলাগাড়ী ও বাঙালিপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় অনেক গাছে ১০০ থেকে ২০০টি পর্যন্ত কাঁঠাল ধরেছে বলে স্থানীয়রা জানান।

কৃষকদের মতে, কাঁঠাল চাষে তেমন পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না। প্রাকৃতিকভাবেই গাছ বেড়ে ওঠে এবং প্রতি বছর ফলন দেয়। ফলে অনেক পরিবার মৌসুমে কাঁঠাল বিক্রি করে বাড়তি আয় করে থাকে। পাশাপাশি শ্রমিক ও পাইকারদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়।

তবে উৎপাদন বেশি হলে দাম কমে যাওয়ার আশঙ্কার কথাও জানিয়েছেন চাষিরা। এছাড়া এলাকায় কাঁঠাল প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা না থাকায় অনেক সময় কৃষকরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন।

সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ধীমান ভূষণ বলেন, উপজেলার মাটি কাঁঠাল চাষের জন্য উপযোগী। এ বছরও গাছে গাছে প্রচুর কাঁঠাল দেখা যাচ্ছে। কাঁঠাল শুধু ফল হিসেবেই নয়, এর বিচি ও পশুখাদ্য হিসেবেও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

কৃষি সংশ্লিষ্টদের মতে, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সুযোগ বাড়ানো গেলে কাঁঠাল স্থানীয় অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।