শিরোনাম
প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ
প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী শফিকুল ইসলাম (৪০) ও নাহিদুল ইসলামের (২০) মরদেহ প্রায় এক মাস পর দেশে ফিরেছে। রোববার (৭ জুন) সকালে কফিনবন্দি মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিহতদের মরদেহ শনিবার গভীর রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় বাসায় অবস্থানকালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের নাহিদুল ইসলাম।

রোববার জোহরের নামাজের পর নিজ নিজ এলাকায় তাদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

শফিকুল ইসলামের পরিবার জানায়, তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ চলত তার উপার্জনে। অন্যদিকে মাত্র ২০ বছর বয়সী নাহিদুল পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই কফিনবন্দি হয়ে ফিরতে হলো তাকে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের পরিবারকে দাফন-কাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও জীবন বীমার আওতায় প্রত্যেক পরিবার মোট ১৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।

তবে স্বজনদের ভাষ্য, আর্থিক সহায়তা কিছুটা স্বস্তি দিলেও প্রিয়জন হারানোর শোক কোনো কিছুতেই পূরণ হওয়ার নয়। দুই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ
প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী শফিকুল ইসলাম (৪০) ও নাহিদুল ইসলামের (২০) মরদেহ প্রায় এক মাস পর দেশে ফিরেছে। রোববার (৭ জুন) সকালে কফিনবন্দি মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিহতদের মরদেহ শনিবার গভীর রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় বাসায় অবস্থানকালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের নাহিদুল ইসলাম।

রোববার জোহরের নামাজের পর নিজ নিজ এলাকায় তাদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

শফিকুল ইসলামের পরিবার জানায়, তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ চলত তার উপার্জনে। অন্যদিকে মাত্র ২০ বছর বয়সী নাহিদুল পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই কফিনবন্দি হয়ে ফিরতে হলো তাকে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের পরিবারকে দাফন-কাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও জীবন বীমার আওতায় প্রত্যেক পরিবার মোট ১৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।

তবে স্বজনদের ভাষ্য, আর্থিক সহায়তা কিছুটা স্বস্তি দিলেও প্রিয়জন হারানোর শোক কোনো কিছুতেই পূরণ হওয়ার নয়। দুই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ
প্রায় এক মাস পর লেবানন থেকে ফিরল দুই প্রবাসীর মরদেহ

লেবাননে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত সাতক্ষীরার দুই প্রবাসী শফিকুল ইসলাম (৪০) ও নাহিদুল ইসলামের (২০) মরদেহ প্রায় এক মাস পর দেশে ফিরেছে। রোববার (৭ জুন) সকালে কফিনবন্দি মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে পৌঁছালে স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।

নিহতদের মরদেহ শনিবার গভীর রাতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। পরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় মরদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

গত ১১ মে দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়ে অঞ্চলের জিবদিন এলাকায় বাসায় অবস্থানকালে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় নিহত হন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ভালুকা চাঁদপুর গ্রামের শফিকুল ইসলাম এবং আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি গ্রামের নাহিদুল ইসলাম।

রোববার জোহরের নামাজের পর নিজ নিজ এলাকায় তাদের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়।

শফিকুল ইসলামের পরিবার জানায়, তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। বৃদ্ধ বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানের ভরণপোষণ চলত তার উপার্জনে। অন্যদিকে মাত্র ২০ বছর বয়সী নাহিদুল পরিবারের স্বপ্ন পূরণের আশায় বিদেশে পাড়ি জমিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন অপূর্ণ রেখেই কফিনবন্দি হয়ে ফিরতে হলো তাকে।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নিহতদের পরিবারকে দাফন-কাফনের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড ও জীবন বীমার আওতায় প্রত্যেক পরিবার মোট ১৩ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাবে।

তবে স্বজনদের ভাষ্য, আর্থিক সহায়তা কিছুটা স্বস্তি দিলেও প্রিয়জন হারানোর শোক কোনো কিছুতেই পূরণ হওয়ার নয়। দুই প্রবাসীর অকাল মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো এলাকায়।

গাজীপুরে পুলিশ বক্সে ঢুকে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আটক ১
গাজীপুরে পুলিশ বক্সে ঢুকে সাংবাদিকের ওপর হামলা, আটক ১

গাজীপুরের চৌরাস্তা এলাকায় পুলিশ বক্সে ঢুকে এক সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

আহত সাংবাদিক হোসাইন আলী বাবু স্টার নিউজের প্রতিনিধি বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের ভোগান্তি ও যাত্রা পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন তিনি। সংবাদ সংগ্রহ শেষে গাজীপুর চৌরাস্তা পুলিশ বক্সে বসে কাজ করার সময় এক যুবক অতর্কিতভাবে তার ওপর হামলা চালায়।

চিৎকার শুনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে সাংবাদিককে উদ্ধার করেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় হামলাকারীকে আটক করে থানায় সোপর্দ করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ জুয়েল। প্রাথমিকভাবে তিনি ছিনতাই চক্রের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন বলে ধারণা করছে পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার কারণ ও ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ডিবির মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, শ্রমিকদল নেতাসহ আটক ৪
ডিবির মাদকবিরোধী অভিযানে হামলা, শ্রমিকদল নেতাসহ আটক ৪

বরিশালের উজিরপুরে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে শ্রমিকদল নেতাসহ তার সহযোগিদের হামলার শিকার হয়েছেন জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা। এ সময় ডিবির এক কনস্টেবলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। ঘটনায় চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২২ মে) দুপুর দেড়টার দিকে বরিশাল জেলা ডিবির এসআই আরসেলের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি দল উজিরপুর পৌরসভার খেয়াঘাট এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় উজিরপুর পৌর শ্রমিকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ মোল্লার নেতৃত্বে শামীম মোল্লা, মুনসুর মোল্লা ও আলাউদ্দিন পুলিশের কাজে বাধা দেন বলে অভিযোগ ওঠে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একপর্যায়ে ডিবি সদস্যদের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। এ সময় আরিফ মোল্লা তার কাছে থাকা মাদকের একটি পোটলা পাশের পুকুরে ফেলে দেন। পরে ডিবি কনস্টেবল মৃণাল চন্দ্র পুকুর থেকে মাদক উদ্ধারের চেষ্টা করলে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

খবর পেয়ে উজিরপুর মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত কনস্টেবলকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডিবি পুলিশ সূত্রে দাবি করা হয়েছে, আরিফ মোল্লার নেতৃত্বে এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে অভিযোগের বিষয়ে আটক আরিফ মোল্লা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

চরফ্যাশনে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৫ জনকে পিটেয়ে আহত
চরফ্যাশনে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় ৫ জনকে পিটেয়ে আহত

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নজরুল নগর ইউনিয়নে মাদকবিরোধী অবস্থান নেওয়াকে কেন্দ্র করে নারীসহ পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। আহতরা বর্তমানে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের নাছির মাঝির ছেলে আরিফ-সহ একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবাদ করায় ৭নং ওয়ার্ডের ফারুক মাঝির ছেলে মান্না-কে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে তার বাবা ফারুক মাঝি বাধা দিতে গেলে তাকেও মারধর করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ১৯ মে আরিফসহ কয়েকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফারুক মাঝির বাড়িতে হামলা চালিয়ে নগদ অর্থ, স্বর্ণালঙ্কার ও আসবাবপত্র লুট করে নেয়। পরে ফারুক মাঝি, তার স্ত্রী জান্নাত বেগম, মান্না, সবুজ ও মহিউদ্দিনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এলাকাবাসী ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযুক্তদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।

নালিতাবাড়ীতে ইউপি কার্যালয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর
নালিতাবাড়ীতে ইউপি কার্যালয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থীর ওপর হামলা, গাড়ি ভাঙচুর

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মরিচপুরান ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী ও শিল্পোদ্যোক্তা হাজি ফরহাদ হোসেন–এর ওপর হামলা ও তার ব্যবহৃত প্রাইভেটকার ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় আহত ফরহাদের ছোট ভাই স্বপন মিয়া বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগে বলা হয়, ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রম নিয়ে বৈঠকে অংশ নিতে ইউনিয়ন পরিষদে গেলে আগে থেকে অবস্থান নেওয়া একদল লোক তার ওপর হামলা চালায়। হামলায় ফরহাদ হোসেন ও বিএনপি কর্মী ফুল মাহমুদ আহত হন। একই সঙ্গে তার ব্যক্তিগত গাড়িও ভাঙচুর করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ফরহাদ হোসেনকে চেয়ারম্যানের কক্ষে আশ্রয় দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়।

লিখিত অভিযোগে উপজেলা শ্রমিকদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চেয়ারম্যান প্রার্থী মাসুদ হোসেন তালুকদার, যুবদল কর্মী রুকজনুজ্জামান ও রাসেলসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ১৪ থেকে ১৫ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

তবে অভিযুক্ত পক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মাসুদ তালুকদার দাবি করেন, হাজি ফরহাদ হোসেন সম্প্রতি বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছিল। এ কারণে সেখানে প্রতিবাদ হয়েছে।

অন্যদিকে হাজি ফরহাদ হোসেন বলেন, চেয়ারম্যান নির্বাচন ও টিসিবি ডিলারশিপ নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান জানান, ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি জব্দ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পলাশে জিডির পরও উপসচিবের বাড়িতে হামলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন
পলাশে জিডির পরও উপসচিবের বাড়িতে হামলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন

নরসিংদীর পলাশে  জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালে কর্মরত এক উপসচিবের বাড়িতে পুনরায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে।

মোবাইলে হুমকি পেয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওই উপসচিব পূর্বে থানায় লিখিতভাবে নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেন। কিন্তু জিডির পরও হামলার ঘটনা ঘটায় স্থানীয়ভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

এ বিষয়ে পুলিশের অবস্থান জানতে চাইলে পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, বিষয়টি আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ।

তবে জিডির পরও হামলা ঠেকাতে কী ধরনের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি তার কাছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, জিডি করার পরও যদি নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয়, তাহলে নাগরিক সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন ওঠে।

পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি তারা খতিয়ে দেখছে এবং আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্যেই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লেবাননে ড্রোন হামলায় শুভর মৃত্যু, বাড়িতে শোকের মাতম
লেবাননে ড্রোন হামলায় শুভর মৃত্যু, বাড়িতে শোকের মাতম

অভাবের সংসারে স্বচ্ছলতা ফেরাতে শেষ সম্বল এক শতক জমির ওপর থাকা বসতভিটা বিক্রি করেছিলেন সুরঞ্জন দাস। আরও চার লাখ টাকা ঋণ নিয়ে তিন বছর আগে ছেলে শুভ দাসকে পাঠান লেবাননে। কিন্তু ভাগ্য বদলাতে গিয়ে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় প্রাণ হারালেন সেই প্রবাসী যুবক।

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের শুভ দাস গত সোমবার রাতে লেবাননের মাইফাদুন এলাকায় হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। একই ঘটনায় আরও দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে।

শুভর পরিবার জানায়, বাড়ি বিক্রির পর তারা ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শুভ প্রতি মাসে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা পাঠাতেন। সেই টাকায় সংসার চালানোর পাশাপাশি ঋণ পরিশোধ ও ছোট ভাই-বোনের পড়াশোনার খরচ চলত। তবে গত দুই মাস তিনি টাকা পাঠাতে পারেননি।

নিহতের বাবা সুরঞ্জন দাস ভ্যানচালক। তিন ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে তার অভাবের সংসার। এসএসসি পাসের পর শুভ দেশে ট্রলি চালাতেন। পরে সংসারের হাল ফেরাতে লেবাননে যান। সেখানে একটি বাড়ি ও বাগান দেখাশোনার কাজ করতেন।

ছোট বোন সাধনা দাস জানান, মঙ্গলবার দুপুরে তারা শুভর মৃত্যুর খবর পান। রবিবার রাতে পরিবারের সঙ্গে তার শেষ কথা হয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে এখন তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

মা শিখা রানী দাস বলেন, সংসারের উন্নতির আশায় ছেলেকে বিদেশ পাঠানো হয়েছিল। কিছুদিন পর দেশে এনে বিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। এখন তারা শুধু দ্রুত মরদেহ দেশে ফেরত চান।

কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম জানান, শুভ দাসের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা এবং পরিবারের জন্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন কাজ করছে।

সাতক্ষীরার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিষ্ণুপদ পাল বলেন, লেবাননে নিহত তিন প্রবাসীর মরদেহ দেশে ফেরাতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।