রাজনীতি

নীলফামারী-৩ আসনে বিএনপি-জামায়াত প্রার্থীর লড়াই হবে হাড্ডাহাড্ডি

Icon
সৈয়দপুর, নীলফামারী
প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) সংসদীয় আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। এ আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির আলহাজ সৈয়দ আলী, জামায়াতে ইসলামী ও ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আমজাদ হোসেন সরকার এবং জাতীয় পার্টির মো. রোহান চৌধুরী।
স্থানীয় ভোটার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ আসনে মূল লড়াইটি হবে জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে। অন্য দুই প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় থাকলেও ভোটের সমীকরণে তারা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অধিকাংশ ভোটার।
জলঢাকা উপজেলা দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। দলটির সাংগঠনিক কাঠামো শক্তিশালী এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয়। জামায়াত প্রার্থী মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী একজন পরিচিত আলেম হিসেবে এলাকায় ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। ভোটারদের মতে, তার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।
অন্যদিকে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ সৈয়দ আলী জলঢাকার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। স্থানীয় উন্নয়নে তার ভূমিকা ও পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতি ভোটের মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যদিও দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের আলোচনা রয়েছে, তবে নেতারা আশা করছেন নির্বাচনের আগেই দল ঐক্যবদ্ধ হবে।
ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী মো. আমজাদ হোসেন সরকার হাতপাখা প্রতীক নিয়ে প্রচার চালালেও জয়ী হওয়ার মতো অবস্থানে নেই বলে ভোটারদের ধারণা। একইভাবে জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. রোহান চৌধুরীর ক্ষেত্রে দলের সাংগঠনিক দুর্বলতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮১৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৬ হাজার ৭২৫ জন, নারী ভোটার ২ লাখ ২৫ হাজার ৮৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৫ জন। সীমানা পুনর্বিন্যাসে তিনটি ইউনিয়ন নীলফামারী-৪ আসনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
সচেতন মহলের মতে, আওয়ামী লীগ সমর্থক ও সংখ্যালঘু প্রায় ৭০ হাজার ভোট যে প্রার্থী নিজের পক্ষে টানতে পারবেন, তার জয় সম্ভাবনা বাড়বে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত ফল নির্ধারিত হবে ভোটের দিন ব্যালট বাক্সেই।

রাজনীতি

আরও দেখুন
শঙ্কা কাটিয়ে সুস্থতার পথে মির্জা আব্বাস, ঈদের আগেই দেশে ফেরার পরিকল্পনা

  বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাস-এর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন পারিবারিক সূত্র।   মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার-এ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ঈদুল আজহা-র আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে রাজধানীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0

ছাত্রলীগ নেতাকে ছাত্রদলের সহসভাপতি করায় ঢাকা মহানগরে তোলপাড়

ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন

ছাত্রদল কমিটিতে পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভাসালেন নেতা

ছবি: প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল, চার দফা দাবিতে সমাবেশ

  গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট, তুফান মোড়, বড়বাজার ও থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। এ সময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।  

সাতক্ষীরা মে ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে পঞ্চগড়ে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল

বরিশালে এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

ছবি: প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নতুন প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে এলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি সাদিক কায়েম—দলীয় পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট সম্মেলন সূত্রে। শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ-এর থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে তাকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে দলীয় প্রক্রিয়া অনুসারে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্পন্ন হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। ঘোষণার সময় উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি সাদিক কায়েম। নির্বাচনী বিধান অনুসরণ করে তিনি ইতোমধ্যে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যদিও এখনো প্রকাশ্য প্রচারণা শুরু হয়নি, তবে অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক যোগাযোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় সিটি করপোরেশনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হলে প্রার্থী পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১, ২০২৬ 0

বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

৫০২ ভরি সোনা আছে নিপুণ রায়ের

স্ত্রীর মনোনয়ন বিতর্কে মুখ খুললেন জিল্লুর রহমান

0 Comments