রাজনীতি

ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন

Icon
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশঃ মে ৫, ২০২৬

ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ শাখা ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটার মূল বিষয়টা রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক—এখানে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার।

 

প্রথমত, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর ছাত্র সংগঠন। অন্যদিকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হলো ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর ছাত্র সংগঠন। এই দুই সংগঠন ঐতিহাসিকভাবে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী।

এখন অভিযোগ উঠেছে যে, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের সদ্যঘোষিত ৩২ সদস্যের কমিটিতে ছাত্রলীগের (বিশেষ করে “নিষিদ্ধ” বা বিতর্কিত) কিছু সাবেক নেতা জায়গা পেয়েছেন। যদি এটি সত্যি হয়, তাহলে বিষয়টি কেন এত আলোড়ন তৈরি করছে তা বুঝতে হলে কয়েকটি কারণ দেখা যায়—

 

১. আদর্শগত দ্বন্দ্ব:

ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ সম্পূর্ণ ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এক সংগঠনের সক্রিয় বা সাবেক নেতাদের অন্য সংগঠনের কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা অনেকের কাছে “আদর্শের আপস” হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

২. ত্যাগী নেতাকর্মীদের ক্ষোভ:

দীর্ঘদিন ধরে যারা ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত, তাদের অভিযোগ—তাদের বাদ দিয়ে অন্য সংগঠন থেকে লোক এনে পদ দেওয়া হলে সংগঠনের ভেতরে হতাশা তৈরি হয়।

 

৩. সংগঠনের বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া:

এ ধরনের ঘটনা হলে সাধারণ মানুষ ও সমর্থকদের কাছে সংগঠনের স্বচ্ছতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

 

৪. রাজনৈতিক ঝুঁকি (বুমেরাং ইফেক্ট):

যেমন কিছু নেতারা বলেছেন—এটা ভবিষ্যতে দলের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, কারণ বিরোধীরা এটাকে প্রচারের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে।

 

অন্যদিকে, কিছু ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সংগঠনগুলো “সমন্বয়” বা “অন্তর্ভুক্তি”র রাজনীতি করে—যেখানে ভিন্ন পটভূমির লোকদেরও জায়গা দেওয়া হয়। তবে এখানে সমস্যা হচ্ছে—যদি সেই অন্তর্ভুক্তি স্বচ্ছ যাচাই-বাছাই ছাড়া হয় বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের নিয়ে হয়, তখনই

বিরোধ সৃষ্টি হয়।

রাজনীতি

আরও দেখুন
শঙ্কা কাটিয়ে সুস্থতার পথে মির্জা আব্বাস, ঈদের আগেই দেশে ফেরার পরিকল্পনা

  বিদেশে চিকিৎসাধীন বিএনপির শীর্ষ নেতা মির্জা আব্বাস-এর শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে এবং তিনি বর্তমানে শঙ্কামুক্ত—এমন তথ্য নিশ্চিত করেছেন পারিবারিক সূত্র।   মালয়েশিয়ার প্রিন্স কোর্ট মেডিকেল সেন্টার-এ চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় চিকিৎসকরা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস জানিয়েছেন, তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন এবং ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। দলীয় সূত্রে জানা যায়, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে চিকিৎসা অগ্রগতি অব্যাহত থাকলে আসন্ন ঈদুল আজহা-র আগেই দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, গত মার্চে রাজধানীতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয় এবং পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার চিকিৎসা প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ৬, ২০২৬ 0

ছাত্রলীগ নেতাকে ছাত্রদলের সহসভাপতি করায় ঢাকা মহানগরে তোলপাড়

ছাত্রদলের কমিটিতে ছাত্রলীগের ১১ জন

ছাত্রদল কমিটিতে পদ না পেয়ে ফেসবুক লাইভে কান্নায় ভাসালেন নেতা

ছবি: প্রতিনিধি
সাতক্ষীরায় ১১ দলের গণমিছিল, চার দফা দাবিতে সমাবেশ

  গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জ্বালানি সংকট নিরসন, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও জনদুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে সাতক্ষীরায় ১১ দলের উদ্যোগে গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে শহরের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক থেকে মিছিলটি বের হয়ে পাকাপুল মোড়, নিউমার্কেট, তুফান মোড়, বড়বাজার ও থানা মসজিদ এলাকা প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে সমাবেশে বক্তব্য দেন জেলা ১১ দলের আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সাতক্ষীরা জেলা আমির উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল। এ সময় জেলা সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান, নায়েবে আমির শেখ নূরুল হুদা, সহকারী সেক্রেটারি মো. ওমর ফারুক, মাওলানা ওসমান গণি, শহর শিবির সভাপতি মেহেদি হোসেনসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তারা অবিলম্বে চার দফা দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দাবি পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।  

সাতক্ষীরা মে ২, ২০২৬ 0
ছবি: প্রতিনিধি

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন দাবিতে পঞ্চগড়ে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল

বরিশালে এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

ছবি: প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ

ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে সাদিক কায়েমকে প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নতুন প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে এলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) বর্তমান সহ-সভাপতি সাদিক কায়েম—দলীয় পর্যায়ে এমন সিদ্ধান্তের তথ্য নিশ্চিত হয়েছে সংশ্লিষ্ট সম্মেলন সূত্রে। শুক্রবার (১ মে) সকালে রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ কাউন্সিল হলে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ-এর থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে তাকে প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তবে দলীয় প্রক্রিয়া অনুসারে চূড়ান্ত মনোনয়ন ঘোষণার বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ পায়নি। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্পন্ন হলেও আগামী কয়েক দিনের মধ্যে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থিতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে। ঘোষণার সময় উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেননি সাদিক কায়েম। নির্বাচনী বিধান অনুসরণ করে তিনি ইতোমধ্যে নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র খাগড়াছড়ি থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যদিও এখনো প্রকাশ্য প্রচারণা শুরু হয়নি, তবে অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক যোগাযোগ ও প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে। দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ—উভয় সিটি করপোরেশনের জন্য প্রার্থী চূড়ান্ত করা হয়েছে এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে শিগগিরই তা প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হলে প্রার্থী পূর্ণমাত্রায় নির্বাচনী কার্যক্রমে অংশ নেবেন।  

নিজস্ব প্রতিবেদক মে ১, ২০২৬ 0

বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

৫০২ ভরি সোনা আছে নিপুণ রায়ের

স্ত্রীর মনোনয়ন বিতর্কে মুখ খুললেন জিল্লুর রহমান

0 Comments