সরকার দেশের হামের বিস্তার রোধে এক নজিরবিহীন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকায় সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে এই উদ্দেশ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
বরাদ্দকৃত অর্থে হামের ভ্যাকসিন ক্রয় প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে পারচেজ কমিটি অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিতে পাশ হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, “ভ্যাকসিন যত দ্রুত সম্ভব দেশে আনা হবে এবং সঙ্গে সঙ্গেই জনগণকে দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। আমরা আমাদের সমস্ত চেষ্টা অব্যাহত রাখছি এবং ইনশাআল্লাহ, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি চালিয়ে যাব।”
তিনি আরও জানান, হামের সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ ইউনিট ভেন্টিলেটরসহ চালু করা হয়েছে এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ক্যাম্পেইন হয়েছে এবং প্রতি চার বছর অন্তর হওয়ার কথা ছিল। সেই ক্যাম্পেইনের ব্যর্থতার কারণে শিশুদের মধ্যে যারা টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।”
সরকার হামের এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকা সংগ্রহ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দ্রুত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে দেশের শিশু এবং জনসাধারণের সুরক্ষা সর্বাধিক নিশ্চিত করা যায়।
দেশের অনলাইন বাজারে প্রতারণার অভিযোগে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল ও প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। সোমবার (৩০ মার্চ) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান এ তথ্য জানান। ৩১০ কোটি ৯৯ লাখ ১৩ হাজার ৪০৭ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলাটি রোববার (২৯ মার্চ) কাফরুল থানায় দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত গ্রাহকদের অর্ডার অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ না করে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন মার্চেন্টের কাছ থেকে পণ্য নিয়ে মূল্য পরিশোধ না করার অভিযোগও রয়েছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে, আত্মসাৎ করা অর্থ বিলাসবহুল গাড়ি, সম্পদ অর্জন ও বিদেশ ভ্রমণে ব্যবহার করা হয়েছে। গ্রাহকদের বারবার নতুন ডেলিভারি তারিখ দেওয়া হলেও পণ্য সরবরাহ হয়নি, যা স্পষ্ট প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত। সিআইডি তদন্ত অব্যাহত রেখেছে, যাতে সহযোগী ও আত্মসাৎ করা অর্থের উৎস চিহ্নিত করা যায়। এর আগে ২০২১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীতে গ্রেপ্তার হওয়া রাসেল ও শামীমা জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ধানমন্ডি থেকে তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার করা হয়। চেক প্রত্যাখ্যান মামলায় মো. রাসেলকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, আর শামীমা নাসরিনকে দুই মামলায় সাজা পরোয়ানার কারণে কারাগারে রাখা হয়েছে।
সরকার দেশের হামের বিস্তার রোধে এক নজিরবিহীন উদ্যোগ হাতে নিয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকায় সচিবালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বৈঠকের পরে জানান, সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) খাতে এই উদ্দেশ্যে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। বরাদ্দকৃত অর্থে হামের ভ্যাকসিন ক্রয় প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে পারচেজ কমিটি অনুমোদন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফাইন্যান্স কমিটিতে পাশ হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, “ভ্যাকসিন যত দ্রুত সম্ভব দেশে আনা হবে এবং সঙ্গে সঙ্গেই জনগণকে দ্রুত টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। আমরা আমাদের সমস্ত চেষ্টা অব্যাহত রাখছি এবং ইনশাআল্লাহ, জনগণের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি চালিয়ে যাব।” তিনি আরও জানান, হামের সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালগুলোতে ভেন্টিলেটর, আইসিইউ ইউনিট এবং আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জে ৮ শয্যার আইসিইউ ইউনিট ভেন্টিলেটরসহ চালু করা হয়েছে এবং রাজশাহীতে পাঁচটি ভেন্টিলেটর পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, “গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে নিয়মিত টিকাদান ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা ছিল। ২০১৮ সালে সর্বশেষ ক্যাম্পেইন হয়েছে এবং প্রতি চার বছর অন্তর হওয়ার কথা ছিল। সেই ক্যাম্পেইনের ব্যর্থতার কারণে শিশুদের মধ্যে যারা টিকা পায়নি, তাদের মধ্যেই হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং বর্তমানে এটি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।” সরকার হামের এই প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় টিকা সংগ্রহ এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দ্রুত পদক্ষেপ চালিয়ে যাচ্ছে, যাতে দেশের শিশু এবং জনসাধারণের সুরক্ষা সর্বাধিক নিশ্চিত করা যায়।
রাজধানীর মিরপুর এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল ও ডিজিএফআই’র সাবেক মহাপরিচালক মো. আফজাল নাছের (৬১) কে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে তার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। ডিবির দায়িত্বশীল সূত্র গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করলেও, কোন নির্দিষ্ট মামলার প্রেক্ষিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রাপ্ত তথ্যমতে, আফজাল নাছের ২০০৭ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআই’র মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং পরবর্তীতে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়। সূত্র আরও দাবি করেছে, এক-এগারোর সময়কালীন ঘটনায় তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকতে পারে। এর আগে একই ধরনের অভিযানে অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও শেখ মামুন খালেদকেও গ্রেফতার করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে, সাম্প্রতিক এসব পদক্ষেপ অতীতের বিতর্কিত ঘটনার আইনগত পর্যালোচনার অংশ হতে পারে।